বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:৪৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, November 24, 2016 6:23 pm
A- A A+ Print

বিশ্ব রেকর্ডের নেশায় মাথায় ফুটবল নিয়ে ১০০ কিমি

111

ধরুন, আপনাকে বলা হলো, ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাবেন। তবে একটানা সাইকেল চালিয়ে। পারবেন? ভ্রান্ত আত্মবিশ্বাসে বুক ফুলে উঠলে এটুকু মনে করিয়ে দেওয়া যাক, দূরত্বটা কিন্তু ১২০ কিলোমিটারের মতো! খুবই কঠিন হবে কাজটা, তবে তারপরও হয়তো কেউ কেউ পারবেন। এবার কাজটা একটু কঠিন করে দেওয়া যাক, পুরো রাস্তায় সাইকেল চালানোর সময় একটা ফুটবল থাকবে আপনার মাথায়। রীতিমতো অসম্ভব, না? এই অসম্ভব কাজই করেছেন নাইজেরিয়ার এক ফুটবলার—হ্যারিসন শিনেডু। ফুটবলটাকে মাথায় রেখে সাইকেলে পাড়ি দিয়েছেন পুরো ১০৩.৬ কিলোমিটার। একটাবারের জন্যও বলটা পড়তে দেননি মাথা থেকে। এতেই শিনেডু এখন দাবি করছেন গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নামটি লেখানোর। মাথায় ফুটবল রেখে সাইকেল চালিয়ে এর চেয়ে বেশি পথ পাড়ি দেওয়ার রেকর্ড নাকি আর নেই। তবে নাম আসলেই গিনেসের বইয়ে উঠবে কি না, সেটি জানতে আরও ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। গিনেস কর্তৃপক্ষ সবকিছু পরীক্ষা করে দেখবে। সত্যিই রেকর্ডটা হলে শিনেডুর নাম উঠে যাবে বইয়ে। নাইজেরিয়ার ফুটবলার হলেও শিনেডু খেলেন কম্বোডিয়ার লিগে। ১০ বছর ধরে খেলছেন ফুটবল। তবে পায়ের পাশাপাশি মাথায়ও যে ভালোই খেলতে পারেন, সেটি বুঝতে পেরেই ছুটেছেন রেকর্ডের দিকে। সিএনএনকে শিনেডু নিজেই বলেছেন, ‘আমি এটা করেছি, কারণ ঈশ্বর-প্রদত্ত যে প্রতিভা আমার আছে, সেটিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছি। বিশ্বজুড়ে তরুণদেরও উজ্জীবিত করতে চেয়েছি, যেন কখনো করেনি, এমন কিছু করতে তারা উদ্বুদ্ধ হয়।’ তা এই লম্বা যাত্রায় সবচেয়ে কঠিন অংশটা কী ছিল? শিনেডুই জানালেন, সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অংশ ছিল একো ব্রিজ নামে একটা জায়গা। লাগোস লেগুনের ওপর এই ব্রিজটির দৈর্ঘ্য ৩.৪৩ কিলোমিটার, যা কিনা লাগোস দ্বীপ ও লাগোসের মূল ভূমির মধ্যে সংযোগ তৈরি করেছে। সূত্র: সিএনএন।

Comments

Comments!

 বিশ্ব রেকর্ডের নেশায় মাথায় ফুটবল নিয়ে ১০০ কিমিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বিশ্ব রেকর্ডের নেশায় মাথায় ফুটবল নিয়ে ১০০ কিমি

Thursday, November 24, 2016 6:23 pm
111

ধরুন, আপনাকে বলা হলো, ঢাকা থেকে কুমিল্লা যাবেন। তবে একটানা সাইকেল চালিয়ে। পারবেন? ভ্রান্ত আত্মবিশ্বাসে বুক ফুলে উঠলে এটুকু মনে করিয়ে দেওয়া যাক, দূরত্বটা কিন্তু ১২০ কিলোমিটারের মতো!

খুবই কঠিন হবে কাজটা, তবে তারপরও হয়তো কেউ কেউ পারবেন। এবার কাজটা একটু কঠিন করে দেওয়া যাক, পুরো রাস্তায় সাইকেল চালানোর সময় একটা ফুটবল থাকবে আপনার মাথায়।
রীতিমতো অসম্ভব, না? এই অসম্ভব কাজই করেছেন নাইজেরিয়ার এক ফুটবলার—হ্যারিসন শিনেডু। ফুটবলটাকে মাথায় রেখে সাইকেলে পাড়ি দিয়েছেন পুরো ১০৩.৬ কিলোমিটার। একটাবারের জন্যও বলটা পড়তে দেননি মাথা থেকে।
এতেই শিনেডু এখন দাবি করছেন গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নামটি লেখানোর। মাথায় ফুটবল রেখে সাইকেল চালিয়ে এর চেয়ে বেশি পথ পাড়ি দেওয়ার রেকর্ড নাকি আর নেই। তবে নাম আসলেই গিনেসের বইয়ে উঠবে কি না, সেটি জানতে আরও ৯০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। গিনেস কর্তৃপক্ষ সবকিছু পরীক্ষা করে দেখবে। সত্যিই রেকর্ডটা হলে শিনেডুর নাম উঠে যাবে বইয়ে।
নাইজেরিয়ার ফুটবলার হলেও শিনেডু খেলেন কম্বোডিয়ার লিগে। ১০ বছর ধরে খেলছেন ফুটবল। তবে পায়ের পাশাপাশি মাথায়ও যে ভালোই খেলতে পারেন, সেটি বুঝতে পেরেই ছুটেছেন রেকর্ডের দিকে। সিএনএনকে শিনেডু নিজেই বলেছেন, ‘আমি এটা করেছি, কারণ ঈশ্বর-প্রদত্ত যে প্রতিভা আমার আছে, সেটিকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে চেয়েছি। বিশ্বজুড়ে তরুণদেরও উজ্জীবিত করতে চেয়েছি, যেন কখনো করেনি, এমন কিছু করতে তারা উদ্বুদ্ধ হয়।’
তা এই লম্বা যাত্রায় সবচেয়ে কঠিন অংশটা কী ছিল? শিনেডুই জানালেন, সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং অংশ ছিল একো ব্রিজ নামে একটা জায়গা। লাগোস লেগুনের ওপর এই ব্রিজটির দৈর্ঘ্য ৩.৪৩ কিলোমিটার, যা কিনা লাগোস দ্বীপ ও লাগোসের মূল ভূমির মধ্যে সংযোগ তৈরি করেছে। সূত্র: সিএনএন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X