শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৪০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, December 28, 2016 10:01 pm
A- A A+ Print

বুশরা হত্যা: আপিলে খালাস কাদের মরলেন কারাগারে

bushra_killing_kader_35143_1482935919

চাঞ্চল্যকর বুশরা হত্যা মামলায় আপিল বিভাগে খালাস পাওয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এমএ কাদের (৭০) মারা গেছেন। তবে রায়ের কপি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে না পৌঁছায় বন্দি অবস্থায়ই তার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জাহাঙ্গীর কবির বলেন, এমএ কাদের বার্ধক্যজনিত কারণসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি তাকে মেডিকেল আনা-নেয়ার মধ্যেই রাখা হয়েছিল। এমএ কাদেরের লাশ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর কবির বলেন, এমএ কাদের আপিলে খালাস পেলেও রায়ের কপি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে না পৌঁছায় তিনি মুক্তি পাননি। উল্লেখ্য, ২০০০ সালরে ১ জুলাই রাতে রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরী পাড়ার বাসায় খুন হন সিটি কলেজের ছাত্রী রুশদানিয়া বুশরা ফুল। ময়নাতদন্ত প্রতিদেনে বলা হয়, ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয় বুশরাকে। বুশরার বাবা সহকারী পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম ওই সময় অবসরকালীন ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। বুশরার মা লায়লা ইসলাম হত্যাকাণ্ডের পরদিন রমনা থানায় এই মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ৫ অক্টোবর একটি সম্পূরক অভিযোগ দাখিল করেন বুশরার মা। সেখানে বুশরার খালুর সৎভাই এমএ কাদের, তার স্ত্রী রুনু, কাদেরের শ্যালক শওকত আহমেদ ও কবির আহমেদকে আসামি করা হয়। তদন্তের সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, মালিবাগে বুশরাদের বাসা নিয়ে আত্মীয়দের দ্বন্দ্বের জেরে খুন করা হয় ওই কলেজছাত্রীকে। প্রথমে পুলিশ ও পরে সিআইডি এ মামলার তদন্ত করে ২০০০ সালের ১৯ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। সেখানে কাদেরের শ্যালিকা কানিজ ফাতেমা হেনা ও কাজের মেয়ে সুফিয়াকেও আসামি করা হয়। এরপর ২০০৩ সালের ৩০ জুন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কাদের, শওকত ও কবিরকে মৃত্যুদণ্ড এবং রুনু কাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। হেনা ও সুফিয়া বেকসুর খালাস পান। এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। এছাড়া ডেথ রেফারেন্স হিসেবেও মামলাটি হাইকোর্টে আসে। আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি করে হাইকোর্ট ২০০৭ সালের ২৯ জানুয়ারি রায় ঘোষণা করেন। ঘটনার রাতে এমএ কাদের ও তার স্ত্রী রুনু কাদের ওই বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে রায়ে বলা হয়, অপরাধে তাদের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ড বহাল থাকছে। শওকত ও কবিরের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেয়া হচ্ছে। খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ও দণ্ড বহালের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ আপিল বিভাগে আপিল করেন। গত ১৫ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ এবং আসামিপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে বাকি দুজনকেও খালাস দিয়ে রায় দেন।

Comments

Comments!

 বুশরা হত্যা: আপিলে খালাস কাদের মরলেন কারাগারেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বুশরা হত্যা: আপিলে খালাস কাদের মরলেন কারাগারে

Wednesday, December 28, 2016 10:01 pm
bushra_killing_kader_35143_1482935919

চাঞ্চল্যকর বুশরা হত্যা মামলায় আপিল বিভাগে খালাস পাওয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি এমএ কাদের (৭০) মারা গেছেন। তবে রায়ের কপি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে না পৌঁছায় বন্দি অবস্থায়ই তার মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জাহাঙ্গীর কবির বলেন, এমএ কাদের বার্ধক্যজনিত কারণসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি তাকে মেডিকেল আনা-নেয়ার মধ্যেই রাখা হয়েছিল।

এমএ কাদেরের লাশ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর কবির বলেন, এমএ কাদের আপিলে খালাস পেলেও রায়ের কপি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে না পৌঁছায় তিনি মুক্তি পাননি।

উল্লেখ্য, ২০০০ সালরে ১ জুলাই রাতে রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরী পাড়ার বাসায় খুন হন সিটি কলেজের ছাত্রী রুশদানিয়া বুশরা ফুল। ময়নাতদন্ত প্রতিদেনে বলা হয়, ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয় বুশরাকে।

বুশরার বাবা সহকারী পুলিশ সুপার সিরাজুল ইসলাম ওই সময় অবসরকালীন ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন।

বুশরার মা লায়লা ইসলাম হত্যাকাণ্ডের পরদিন রমনা থানায় এই মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ৫ অক্টোবর একটি সম্পূরক অভিযোগ দাখিল করেন বুশরার মা। সেখানে বুশরার খালুর সৎভাই এমএ কাদের, তার স্ত্রী রুনু, কাদেরের শ্যালক শওকত আহমেদ ও কবির আহমেদকে আসামি করা হয়।

তদন্তের সময় পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, মালিবাগে বুশরাদের বাসা নিয়ে আত্মীয়দের দ্বন্দ্বের জেরে খুন করা হয় ওই কলেজছাত্রীকে। প্রথমে পুলিশ ও পরে সিআইডি এ মামলার তদন্ত করে ২০০০ সালের ১৯ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। সেখানে কাদেরের শ্যালিকা কানিজ ফাতেমা হেনা ও কাজের মেয়ে সুফিয়াকেও আসামি করা হয়।

এরপর ২০০৩ সালের ৩০ জুন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল কাদের, শওকত ও কবিরকে মৃত্যুদণ্ড এবং রুনু কাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। হেনা ও সুফিয়া বেকসুর খালাস পান।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন। এছাড়া ডেথ রেফারেন্স হিসেবেও মামলাটি হাইকোর্টে আসে।

আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের শুনানি করে হাইকোর্ট ২০০৭ সালের ২৯ জানুয়ারি রায় ঘোষণা করেন। ঘটনার রাতে এমএ কাদের ও তার স্ত্রী রুনু কাদের ওই বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে রায়ে বলা হয়, অপরাধে তাদের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ড বহাল থাকছে। শওকত ও কবিরের অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেয়া হচ্ছে।

খালাসের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ও দণ্ড বহালের বিরুদ্ধে আসামিপক্ষ আপিল বিভাগে আপিল করেন।

গত ১৫ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ এবং আসামিপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে বাকি দুজনকেও খালাস দিয়ে রায় দেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X