মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:০৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, November 15, 2016 3:30 pm | আপডেটঃ November 15, 2016 3:38 PM
A- A A+ Print

বুশরা হত্যা মামলায় সবাই খালাস

law1479191740

১৬ বছর আগে খুন হওয়া সিটি কলেজছাত্রী রুশদানিয়া বুশরা ইসলাম হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এম এ কাদের ও তার স্ত্রী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত রুনা আক্তারকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে হাইকোর্টে খালাস পাওয়া শেখ শওকত আহমেদ ও শেখ কবির আহমেদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনও খারিজ করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত। এই আদেশের ফলে এ মামলার সকল আসামি খালাস পেলেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বিভাগ এই রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খোন্দকার দিলীরুজ্জামান। আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। ২০০০ সালের ১ জুলাই রামপুরার পশ্চিম হাজীপাড়ায় পুলিশের প্রাক্তন কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সিটি কলেজের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্রী রুশদানিয়া বুশরা ইসলাম খুন হন। বুশরার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তাকে ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় একই বছরের ২ জুলাই রমনা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন বুশরার মা। পরে ওই বছরের ৫ অক্টোবর একটি সম্পূরক অভিযোগ দেওয়া হয়। যেখানে বুশরার খালুর সৎভাই আব্দুল কাদের, তার স্ত্রী ও শ্যালককে অভিযুক্ত করা হয়। প্রথমে পুলিশ ও পরে সিআইডি ঘটনার তদন্ত করে ২০০০ সালের ১৯ ডিসেম্বর চারজনকে অভিযুক্ত করে বিচারিক আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ২০০৩ সালের ৩০ জুন এ মামলায় রায় ঘোষণা করেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩। রায়ে কাদের, রুহুল ও কবির আহমেদ, শেখ শওকত আহমেদকে মৃত্যুদণ্ড এবং রুনা আক্তারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর ডেথ রেফারেন্স ও ক্রিমিনাল আপিল হিসেবে মামলাটি হাইকোর্টে আসে । দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০০৭ সালের ২৯ জানুয়ারি বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী ও বিচারপতি ফজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ও রুনা আক্তারের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে বাকিদের খালাস দেন। পরে কাদের ও রুনা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল এবং রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টে খালাস পাওয়া বাকি দুজনের বিরুদ্ধে আপিল করেন। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ এবং আসামিপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে রায় দেন। রায়ের পর দিলীরুজ্জামান বলেন, চাক্ষুষ সাক্ষী না থাকায় ন্যায়বিচার পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার আদালত হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজনের আপিল মঞ্জুর করেছেন। আর রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করেছেন। খন্দকার মাহবুব বলেন, নিম্ন আদালত সন্দেহের বশবর্তী হয়ে রায় দিয়েছিলেন। বুশরাকে অজানা ব্যক্তিরা ধর্ষণ করে হত্যা করেছে।    

Comments

Comments!

 বুশরা হত্যা মামলায় সবাই খালাসAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বুশরা হত্যা মামলায় সবাই খালাস

Tuesday, November 15, 2016 3:30 pm | আপডেটঃ November 15, 2016 3:38 PM
law1479191740

১৬ বছর আগে খুন হওয়া সিটি কলেজছাত্রী রুশদানিয়া বুশরা ইসলাম হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এম এ কাদের ও তার স্ত্রী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত রুনা আক্তারকে খালাস দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

একইসঙ্গে হাইকোর্টে খালাস পাওয়া শেখ শওকত আহমেদ ও শেখ কবির আহমেদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনও খারিজ করে দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

এই আদেশের ফলে এ মামলার সকল আসামি খালাস পেলেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বিভাগ এই রায় দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল খোন্দকার দিলীরুজ্জামান। আসামিপক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।

২০০০ সালের ১ জুলাই রামপুরার পশ্চিম হাজীপাড়ায় পুলিশের প্রাক্তন কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সিটি কলেজের মার্কেটিং বিভাগের ছাত্রী রুশদানিয়া বুশরা ইসলাম খুন হন। বুশরার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তাকে ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় একই বছরের ২ জুলাই রমনা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন বুশরার মা। পরে ওই বছরের ৫ অক্টোবর একটি সম্পূরক অভিযোগ দেওয়া হয়। যেখানে বুশরার খালুর সৎভাই আব্দুল কাদের, তার স্ত্রী ও শ্যালককে অভিযুক্ত করা হয়। প্রথমে পুলিশ ও পরে সিআইডি ঘটনার তদন্ত করে ২০০০ সালের ১৯ ডিসেম্বর চারজনকে অভিযুক্ত করে বিচারিক আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ২০০৩ সালের ৩০ জুন এ মামলায় রায় ঘোষণা করেন ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩।

রায়ে কাদের, রুহুল ও কবির আহমেদ, শেখ শওকত আহমেদকে মৃত্যুদণ্ড এবং রুনা আক্তারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর ডেথ রেফারেন্স ও ক্রিমিনাল আপিল হিসেবে মামলাটি হাইকোর্টে আসে । দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০০৭ সালের ২৯ জানুয়ারি বিচারপতি মোহাম্মদ ইমান আলী ও বিচারপতি ফজলুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ও রুনা আক্তারের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে বাকিদের খালাস দেন।

পরে কাদের ও রুনা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল এবং রাষ্ট্রপক্ষ হাইকোর্টে খালাস পাওয়া বাকি দুজনের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

শুনানি শেষে আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ এবং আসামিপক্ষের আবেদন মঞ্জুর করে রায় দেন।

রায়ের পর দিলীরুজ্জামান বলেন, চাক্ষুষ সাক্ষী না থাকায় ন্যায়বিচার পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার আদালত হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুজনের আপিল মঞ্জুর করেছেন। আর রাষ্ট্রপক্ষের আপিল খারিজ করেছেন।

খন্দকার মাহবুব বলেন, নিম্ন আদালত সন্দেহের বশবর্তী হয়ে রায় দিয়েছিলেন। বুশরাকে অজানা ব্যক্তিরা ধর্ষণ করে হত্যা করেছে।

 

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X