মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:৫০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, June 6, 2017 4:01 am | আপডেটঃ June 06, 2017 9:17 AM
A- A A+ Print

বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত, বেঁচে থাকল বাংলাদেশের আশা

2

মাঝখানে খেলা আবার শুরুর ঘোষণা এসেছিল। কিন্তু প্রেসবক্সে সেই ঘোষণা শেষ হতে না হতেই আবারও মাঠকর্মীদের দৌড়াদৌড়ি। আবার বৃষ্টি নেমেছে! এরপর আর কী! অপেক্ষা আর অপেক্ষা। দুই দল অপেক্ষায় ড্রেসিংরুমে। সাংবাদিকেরা প্রেসবক্সে। বৃষ্টি শেষ পর্যন্ত ম্যাচটির অপমৃত্যুই ঘটাল। লন্ডন সময় ৯টা ১৭ মিনিটে পরিত্যক্ত হওয়ার ঘোষণা যখন এল, গ্যালারিতে তখন হাতে গোনা কয়েকজন দর্শক। কী আশায় যে তারা বসে ছিলেন! খেলা আবার শুরু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা তো বলতে গেলে জাগেইনি। কেন বসে ছিলেন, তা বোঝা গেল তাঁদের হর্ষধ্বনিতে। সবাই বাংলাদেশি দর্শক, প্রায় নিশ্চিত পরাজয় থেকে বেঁচে যাওয়ার আনন্দটা পেতে ঘোষণাটা নিজের কানে শোনার জন্যই হয়তো অপেক্ষায় ছিলেন তারা। ম্যাচটা ‘অস্ট্রেলিয়া বনাম বৃষ্টি’ হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের ইনিংসের পরই। অস্ট্রেলিয়াকে হতাশায় ডুবিয়ে তাতে বৃষ্টিই জিতল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও বৃষ্টির কারণে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে স্টিভ স্মিথের দলকে। তবে সেদিন ম্যাচের যে পরিস্থিতি ছিল, তাতে খুব একটা মন খারাপ করার কথা নয় তাদের। কিন্তু কাল বৃষ্টিকে নিশ্চয়ই শাপশাপান্ত করেছে তারা। দুই ম্যাচে ২ পয়েন্ট। টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিটরা এখন গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার শঙ্কায় আক্রান্ত। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটা এখন ‘জীবন-মরণ’, হারলেই ‘বিদায় অস্ট্রেলিয়া!’ পুরো খেলা হলে হয়তো অস্ট্রেলিয়াই জিতত। বাংলাদেশের ১৮২ রান টপকানো কি আর ব্যাপার হতো নাকি! পুরো খেলা হওয়ারও দরকার ছিল না। আর মাত্র চারটি ওভার খেলা হলেই অস্ট্রেলিয়ার কাজ হয়ে যেত। অস্ট্রেলিয়ান ইনিংসের ১৬ ওভার পর যখন খেলা থামিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি, অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ১ উইকেটে ৮৩। ডাকওয়ার্থ-লুইসে ম্যাচ জিততে ২০ ওভার শেষে যা প্রয়োজন ছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি রান তখনই হয়ে গেছে। ওই চার ওভার খেলা হলে আরও দুই-তিনটি উইকেট পড়লেও কোনো সমস্যা হতো না। ৪ উইকেট পড়ে গেলেও জিততে অস্ট্রেলিয়াকে করতে হতো ৮৫ রান। ৮৩ তো তারা করেই রেখেছিল। বৃষ্টি ‘এ’ গ্রুপের সমীকরণটাও পুরো বদলে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এখন ঘোর বিপদ আর হঠাৎই দপ করে জ্বলে উঠেছে বাংলাদেশের নিভু নিভু সম্ভাবনার প্রদীপটা। শর্ত একটাই, শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাতে হবে নিউজিল্যান্ডকে আর ইংল্যান্ডকে জিততে হবে বাকি দুটি ম্যাচ। তাহলেই বাংলাদেশ সেমিফাইনালে!

Comments

Comments!

 বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত, বেঁচে থাকল বাংলাদেশের আশাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত, বেঁচে থাকল বাংলাদেশের আশা

Tuesday, June 6, 2017 4:01 am | আপডেটঃ June 06, 2017 9:17 AM
2

মাঝখানে খেলা আবার শুরুর ঘোষণা এসেছিল। কিন্তু প্রেসবক্সে সেই ঘোষণা শেষ হতে না হতেই আবারও মাঠকর্মীদের দৌড়াদৌড়ি। আবার বৃষ্টি নেমেছে!

এরপর আর কী! অপেক্ষা আর অপেক্ষা। দুই দল অপেক্ষায় ড্রেসিংরুমে। সাংবাদিকেরা প্রেসবক্সে। বৃষ্টি শেষ পর্যন্ত ম্যাচটির অপমৃত্যুই ঘটাল। লন্ডন সময় ৯টা ১৭ মিনিটে পরিত্যক্ত হওয়ার ঘোষণা যখন এল, গ্যালারিতে তখন হাতে গোনা কয়েকজন দর্শক। কী আশায় যে তারা বসে ছিলেন! খেলা আবার শুরু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা তো বলতে গেলে জাগেইনি। কেন বসে ছিলেন, তা বোঝা গেল তাঁদের হর্ষধ্বনিতে। সবাই বাংলাদেশি দর্শক, প্রায় নিশ্চিত পরাজয় থেকে বেঁচে যাওয়ার আনন্দটা পেতে ঘোষণাটা নিজের কানে শোনার জন্যই হয়তো অপেক্ষায় ছিলেন তারা।
ম্যাচটা ‘অস্ট্রেলিয়া বনাম বৃষ্টি’ হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের ইনিংসের পরই। অস্ট্রেলিয়াকে হতাশায় ডুবিয়ে তাতে বৃষ্টিই জিতল। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও বৃষ্টির কারণে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হয়েছে স্টিভ স্মিথের দলকে। তবে সেদিন ম্যাচের যে পরিস্থিতি ছিল, তাতে খুব একটা মন খারাপ করার কথা নয় তাদের। কিন্তু কাল বৃষ্টিকে নিশ্চয়ই শাপশাপান্ত করেছে তারা। দুই ম্যাচে ২ পয়েন্ট। টুর্নামেন্টের অন্যতম ফেবারিটরা এখন গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়ার শঙ্কায় আক্রান্ত। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটা এখন ‘জীবন-মরণ’, হারলেই ‘বিদায় অস্ট্রেলিয়া!’
পুরো খেলা হলে হয়তো অস্ট্রেলিয়াই জিতত। বাংলাদেশের ১৮২ রান টপকানো কি আর ব্যাপার হতো নাকি! পুরো খেলা হওয়ারও দরকার ছিল না। আর মাত্র চারটি ওভার খেলা হলেই অস্ট্রেলিয়ার কাজ হয়ে যেত। অস্ট্রেলিয়ান ইনিংসের ১৬ ওভার পর যখন খেলা থামিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি, অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ১ উইকেটে ৮৩। ডাকওয়ার্থ-লুইসে ম্যাচ জিততে ২০ ওভার শেষে যা প্রয়োজন ছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি রান তখনই হয়ে গেছে। ওই চার ওভার খেলা হলে আরও দুই-তিনটি উইকেট পড়লেও কোনো সমস্যা হতো না। ৪ উইকেট পড়ে গেলেও জিততে অস্ট্রেলিয়াকে করতে হতো ৮৫ রান। ৮৩ তো তারা করেই রেখেছিল।
বৃষ্টি ‘এ’ গ্রুপের সমীকরণটাও পুরো বদলে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার এখন ঘোর বিপদ আর হঠাৎই দপ করে জ্বলে উঠেছে বাংলাদেশের নিভু নিভু সম্ভাবনার প্রদীপটা। শর্ত একটাই, শেষ ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাতে হবে নিউজিল্যান্ডকে আর ইংল্যান্ডকে জিততে হবে বাকি দুটি ম্যাচ। তাহলেই বাংলাদেশ সেমিফাইনালে!

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X