বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:৪৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, July 30, 2016 10:44 am
A- A A+ Print

বেআইনিভাবে হাসনাতকে আটকে রেখেছে পুলিশ: দাবি স্ত্রীর

hasnat_karim-_136706

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে ১ জুলাই ভয়াবহ হামলা চালায় জঙ্গিরা। রাতভর জঙ্গিরা দেশি-বিদেশী বেশ কয়েকজনকে রেস্টুরেন্টের ভেতর জিম্মি করে রাখে। জিম্মিদশা থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত রেজাউল করিমও ছিলেন। হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট ভবনের পাশের একটি ভবন থেকে ডি কে হোয়াং নামে দক্ষিণ কোরিয়ার এক নাগরিক জঙ্গিদের কর্মকা- ভিডিও করেন। পরে তিনি তার ফেসবুক পেজে ওই ভিডিও শেয়ার করেন। কোরীয় নাগরিকের ধারণ করা ওই ভিডিও ফুটেজে ন্যাড়া মাথার এক ব্যক্তিকে অস্ত্র হাতে জঙ্গিদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। ভিডিও ফুটেজ দেখে হাসনাত করিমকে নিয়ে সন্দেহ হয় পুলিশের। হাসনাত ও তার স্ত্রী সন্তানকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। তার স্ত্রী-সন্তানদের ছেড়ে দেওয়া হলেও তাকে আটকে রাখা হয়। তবে পরবর্তীতে হাসনাত করিমের বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি পুলিশ। হাসনাতের স্বজনদের দাবি, মেয়ের ১৩ তম জন্মদিন পালন করতে হলি আর্টিজানে গিয়েছিলেন হাসনাত করিম। কিন্তু সেখানে জঙ্গিদের হাতে পরিবারসহ জিম্মি হতে হয় তাকে। অথচ পুলিশ তাকে বেআইনিভাবে আটকে রেখেছে বলে দাবি করেছেন তার স্ত্রী। রেস্টুরেন্টে বসার কিছুক্ষণ পরেই তারা রেস্টুরেন্টের বাইরে থেকে গোলাগুলি এবং চিৎকারের শব্দ শুনতে পান। এরপর হঠাৎ করেই অস্ত্রধারীরা রেস্টুরেন্টের ভেতরে প্রবেশ করে। সেসময় জঙ্গিরা তাদের কাছে জানতে চায় তারা মুসলিম কিনা। যখন তারা জানায় যে তারা মুসলিম তখন জঙ্গিরা বলে, আমরা মুসলিমদের ভালোবাসি। তোমরা আমাদের বিশ্বাস করতে পারো। আমরা তোমাদের কোনো ক্ষতি করব না। পারভিন বলেন, আমার সন্তানেরা এখনো রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে। তারা এখনো ঘুমের মধ্যে কান্নাকাটি করে আর জিজ্ঞেস করে মা ওরা কি আবার আমাদের গুলি করতে আসবে? তিনি আরো বলেন, জঙ্গিদের সঙ্গে আমার স্বামীর কোনো সম্পর্ক নেই। যদিও রাজনীতির প্রতি তার কিছুটা ঝোঁক রয়েছে। কিন্তু ওই ভয়াবহ হামলার সঙ্গে তার কোনো যোগসূত্র নেই। তিনিও আমাদের মতই জিম্মি হয়ে ছিলেন। কিন্তু সরকার তাকে কোনো বৈধ কারণ ছাড়াই আটকে রেখেছে। পারভিন সরকারের কাছে অনুরোধ করে বলেন, আমার স্বামী এ পর্যন্ত অনেক কিছু সহ্য করেছেন। আমার সন্তানদেরও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি তার স্বামী হাসনাতকে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার দাবী জানান।

Comments

Comments!

 বেআইনিভাবে হাসনাতকে আটকে রেখেছে পুলিশ: দাবি স্ত্রীরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বেআইনিভাবে হাসনাতকে আটকে রেখেছে পুলিশ: দাবি স্ত্রীর

Saturday, July 30, 2016 10:44 am
hasnat_karim-_136706

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে ১ জুলাই ভয়াবহ হামলা চালায় জঙ্গিরা। রাতভর জঙ্গিরা দেশি-বিদেশী বেশ কয়েকজনকে রেস্টুরেন্টের ভেতর জিম্মি করে রাখে। জিম্মিদশা থেকে জীবিত উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক হাসনাত রেজাউল করিমও ছিলেন।

হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্ট ভবনের পাশের একটি ভবন থেকে ডি কে হোয়াং নামে দক্ষিণ কোরিয়ার এক নাগরিক জঙ্গিদের কর্মকা- ভিডিও করেন। পরে তিনি তার ফেসবুক পেজে ওই ভিডিও শেয়ার করেন।

কোরীয় নাগরিকের ধারণ করা ওই ভিডিও ফুটেজে ন্যাড়া মাথার এক ব্যক্তিকে অস্ত্র হাতে জঙ্গিদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়। ভিডিও ফুটেজ দেখে হাসনাত করিমকে নিয়ে সন্দেহ হয় পুলিশের।

হাসনাত ও তার স্ত্রী সন্তানকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে যাওয়া হয়। তার স্ত্রী-সন্তানদের ছেড়ে দেওয়া হলেও তাকে আটকে রাখা হয়। তবে পরবর্তীতে হাসনাত করিমের বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি পুলিশ।

হাসনাতের স্বজনদের দাবি, মেয়ের ১৩ তম জন্মদিন পালন করতে হলি আর্টিজানে গিয়েছিলেন হাসনাত করিম। কিন্তু সেখানে জঙ্গিদের হাতে পরিবারসহ জিম্মি হতে হয় তাকে। অথচ পুলিশ তাকে বেআইনিভাবে আটকে রেখেছে বলে দাবি করেছেন তার স্ত্রী।

রেস্টুরেন্টে বসার কিছুক্ষণ পরেই তারা রেস্টুরেন্টের বাইরে থেকে গোলাগুলি এবং চিৎকারের শব্দ শুনতে পান। এরপর হঠাৎ করেই অস্ত্রধারীরা রেস্টুরেন্টের ভেতরে প্রবেশ করে। সেসময় জঙ্গিরা তাদের কাছে জানতে চায় তারা মুসলিম কিনা। যখন তারা জানায় যে তারা মুসলিম তখন জঙ্গিরা বলে, আমরা মুসলিমদের ভালোবাসি। তোমরা আমাদের বিশ্বাস করতে পারো। আমরা তোমাদের কোনো ক্ষতি করব না।

পারভিন বলেন, আমার সন্তানেরা এখনো রাতে দুঃস্বপ্ন দেখে। তারা এখনো ঘুমের মধ্যে কান্নাকাটি করে আর জিজ্ঞেস করে মা ওরা কি আবার আমাদের গুলি করতে আসবে?

তিনি আরো বলেন, জঙ্গিদের সঙ্গে আমার স্বামীর কোনো সম্পর্ক নেই। যদিও রাজনীতির প্রতি তার কিছুটা ঝোঁক রয়েছে। কিন্তু ওই ভয়াবহ হামলার সঙ্গে তার কোনো যোগসূত্র নেই। তিনিও আমাদের মতই জিম্মি হয়ে ছিলেন। কিন্তু সরকার তাকে কোনো বৈধ কারণ ছাড়াই আটকে রেখেছে।

পারভিন সরকারের কাছে অনুরোধ করে বলেন, আমার স্বামী এ পর্যন্ত অনেক কিছু সহ্য করেছেন। আমার সন্তানদেরও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি তার স্বামী হাসনাতকে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার দাবী জানান।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X