বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:০৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 24, 2016 3:29 am
A- A A+ Print

বৈঠকে আশরাফ-ওবায়দুল বিতর্কে উত্তপ্ত , শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ শান্ত

229830_1

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দিবস পালন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদেরের পক্ষে আরো কয়েকজন কথা বলার জন্য উদ্যত হলে শেষ পর্যন্ত সভানেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে বিষয়টির সুরাহা হয়। শনিবার রাতে গণভবনে এক বৈঠকে এই ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর সূচনা বক্তব্য ও শোক প্রস্তাব পাঠ করার পর দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে যেসব কর্মসূচির কথা উল্লেখ আছে তা নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনার প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, দলের গঠনতন্ত্রে এবং ঘোষণাপত্রে সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে কোন কোন দিবস পালন করা হবে। এর বাইরেও আমরা কিছু দিবস পালন করি। কিন্তু এ দিবসগুলো বৈঠকের এজেন্ডায় থাকতে পারে না। এসব দিবসের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনাও হতে পারে। গঠনতন্ত্রের বাইরে কোনো দিবস কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের এজেন্ডায় আসতে পারে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২১ আগস্টকে আমরা ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা বলবো। শেখ হাসিনা হত্যা চেষ্টা দিবস বললে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের কথা মনে পড়ে যায়। ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনও দপ্তর থেকে সরবরাহ করা ফাইলে এজেন্ডা হিসেবে ছিল। সৈয়দ আশরাফ আরো বলেন, কিছু দিবস আছে যেগুলো সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলো পালন করে। এ বিষয়গুলো দপ্তর সম্পাদককে আরো গভীরভাবে দেখতে হবে। দলের সাধারণ সম্পাদকের এমন বক্তব্যের পর আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দিবসগুলো আমরা প্রতি বছর এভাবেই পালন করে আসছি। এরপর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহউদ্দিন নাছিম বক্তব্য দেয়ার সুযোগ চাইলে বৈঠকের সভাপতি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তাদের বসিয়ে দেন। আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক আবদুল মতিন খসরু তার বক্তব্যে বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট আর ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য এক। উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, গঠনতন্ত্রে যেভাবে বলা আছে সেভাবেই হবে। গঠনতন্ত্রের বাইরের দিবসগুলো বৈঠকের এজেন্ডায় আনার দরকার নেই। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট আর গ্রেনেড হামলা এক নয়। এরপরই বৈঠকে নীরবতা নেমে আসে। সৈয়দ আশরাফের সঙ্গে অন্যদের মতানৈক্যর বিষয়টিও এভাবেই দলীয় নেত্রীর হস্তক্ষেপে সমাধান হয়ে যায়।

Comments

Comments!

 বৈঠকে আশরাফ-ওবায়দুল বিতর্কে উত্তপ্ত , শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ শান্তAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বৈঠকে আশরাফ-ওবায়দুল বিতর্কে উত্তপ্ত , শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ শান্ত

Sunday, July 24, 2016 3:29 am
229830_1

আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দিবস পালন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদেরের পক্ষে আরো কয়েকজন কথা বলার জন্য উদ্যত হলে শেষ পর্যন্ত সভানেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে বিষয়টির সুরাহা হয়।
শনিবার রাতে গণভবনে এক বৈঠকে এই ঘটনা ঘটে।
প্রধানমন্ত্রীর সূচনা বক্তব্য ও শোক প্রস্তাব পাঠ করার পর দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্রে যেসব কর্মসূচির কথা উল্লেখ আছে তা নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনার প্রসঙ্গ তোলেন।
তিনি বলেন, দলের গঠনতন্ত্রে এবং ঘোষণাপত্রে সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে কোন কোন দিবস পালন করা হবে। এর বাইরেও আমরা কিছু দিবস পালন করি। কিন্তু এ দিবসগুলো বৈঠকের এজেন্ডায় থাকতে পারে না। এসব দিবসের কর্মসূচি নিয়ে আলোচনাও হতে পারে। গঠনতন্ত্রের বাইরে কোনো দিবস কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের এজেন্ডায় আসতে পারে না।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ২১ আগস্টকে আমরা ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা বলবো। শেখ হাসিনা হত্যা চেষ্টা দিবস বললে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের কথা মনে পড়ে যায়। ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনও দপ্তর থেকে সরবরাহ করা ফাইলে এজেন্ডা হিসেবে ছিল।
সৈয়দ আশরাফ আরো বলেন, কিছু দিবস আছে যেগুলো সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনগুলো পালন করে। এ বিষয়গুলো দপ্তর সম্পাদককে আরো গভীরভাবে দেখতে হবে।
দলের সাধারণ সম্পাদকের এমন বক্তব্যের পর আওয়ামী লীগের দপ্তর বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ওবায়দুল কাদের বলেন, এ দিবসগুলো আমরা প্রতি বছর এভাবেই পালন করে আসছি।
এরপর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহউদ্দিন নাছিম বক্তব্য দেয়ার সুযোগ চাইলে বৈঠকের সভাপতি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তাদের বসিয়ে দেন।
আওয়ামী লীগের আইন সম্পাদক আবদুল মতিন খসরু তার বক্তব্যে বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট আর ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য এক।
উত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, গঠনতন্ত্রে যেভাবে বলা আছে সেভাবেই হবে। গঠনতন্ত্রের বাইরের দিবসগুলো বৈঠকের এজেন্ডায় আনার দরকার নেই। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট আর গ্রেনেড হামলা এক নয়।
এরপরই বৈঠকে নীরবতা নেমে আসে। সৈয়দ আশরাফের সঙ্গে অন্যদের মতানৈক্যর বিষয়টিও এভাবেই দলীয় নেত্রীর হস্তক্ষেপে সমাধান হয়ে যায়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X