সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:১১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, July 30, 2016 9:43 am
A- A A+ Print

‘ব্যাচেলরের বাসা পাওয়াই সমস্যা, এখন তা আরো কঠিন’

tol-et_136692

ঢাকা: বাংলাদেশে গুলশান হামলা ও কল্যাণপুরে একটি ফ্ল্যাটে পুলিশী অভিযানে ৯ জঙ্গী নিহত হওয়ার পর পুলিশ ঢাকা শহরের বিভিন্ন মেসগুলোতে নজরদারী এবং তল্লাশি জোরদার করেছে। পুলিশী অভিযানের আংশকায় শহরের অনেক বাড়ির মালিক তাদের মেসে থাকা ভাড়াটিয়াদের উপর নজরদারীও বাড়িয়েছেন। এসব মেসে থাকা ছাত্র এবং চাকুরীজীবিরা এমন অবস্থায় তাদের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরী হচ্ছে। ঢাকার বিভিন্ন এলাকার মেসগুলোতে যে নজরদারী জোরদার হয়েছে সেটি বেশ টের পাওয়া যায়। বিভিন্ন মেস ঘুরে দেখা গেল, সম্ভাব্য পুলিশি অভিযানের আশংকায় খানিকটা চিন্তিতএগুলো বাসিন্দারা। অনেক বাসিন্দা মনে করেন, যেভাবে মেসগুলোতে পুলিশ তল্লাশী চালাচ্ছে তাতে করে বাড়িয়াওয়ালারা মেস বাড়া দেবার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। কারণ পুলিশি অভিযান একটি ‘বাড়তি ঝামেলা’ তৈরি করে বলে তারা মনে করেন। ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি মেসে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করেন আদনান তাবাস্সুম। তার সাথে একই বাসায় আরো চারজন থাকেন। এদের সবাই বিভিন্ন ধরনের চাকরী করছেন। তিন বলেন, “চিন্তাটা এখন আরো বাড়ছে। আসলে আমাদের চাইতে বেশি চিন্তা করে মালিক। তারা মনে করে যে ব্যাচেলরদের রাখছি, কোন সমস্যা আছে কিনা।” "এমনিতেই ঢাকা শহরের বাড়ির মালিকরা ব্যাচেলরদের বাসা ভাড়া দিতে চায় না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সে বিষয়টি আরো কঠিন হয়ে গেছে" - বলছেন তিনি। ঢাকা শহরের মেসগুলোতে কত লোক বসবাস করে তার সুনির্দিষ্ট কোন পরিসংখ্যান নেই। প্রতি মাসেই বিভিন্ন মেসে নতুন ভাড়াটে আসা-যাওয়া করে। সেক্ষেত্রে পুরনো ভাড়াটেরা নতুনদের সম্পর্কে আগে থেকেই পুরোপুরি তথ্য জানতে পারেন না । পুলিশ মনে করে, জঙ্গিরা সংগঠিত হবার জন্য কখনো-কখনো বাসা ভাড়া নেয়। এছাড়া মেসগুলোতে বসবাসরত ছাত্রদের দলে ভেড়ানোর জন্য টার্গেট করা হতে পারে। সেজন্যই পুলিশ নজরদারী বাড়িয়েছে। বর্তমানে বাড়িওয়ালারাও মেসে বসবাসকারী ভাড়াটের উপর নজরদারী বাড়িয়েছে। এক্ষেত্রে বাড়িওলাদের বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে পড়ছেন মেসে বসবাসকারী ভাড়াটিয়ারা। ঢাকার একজন বাড়ির মালিকের স্ত্রী জানালেন তিনি প্রতিনিয়ত মেসে বসবাসকারীদের নজরদারীতে রেখেছেন। তিনি জানান, “আমি থানায় যেসব ভাড়াটিয়াদের সম্পর্কে তথ্য দিয়েছি, তার বাইরে কেউ আমার বাড়িতে থাকতে পারবেনা। ভাড়াটেদের বাসায় কোন মেহমান যদি রাতে থাকতে চায়, তাহলে আমাকে জানাতে হবে।” এ ধরনের পরিস্থিতি মেসের অনেক বাসিন্দাদের জন্য খানিকটা অস্বস্তি তৈরি করছে। পুলিশ বলছে, মেস ভাড়া দেবার বিষয়ে তারা কোন বিধি-নিষেধ আরোপ করেননি। সকল প্রকার ভাড়াটেদের তথ্য থানায় জমা দেবার জন্য বাড়ির মালিকদের তাগাদা দেয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে।

Comments

Comments!

 ‘ব্যাচেলরের বাসা পাওয়াই সমস্যা, এখন তা আরো কঠিন’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘ব্যাচেলরের বাসা পাওয়াই সমস্যা, এখন তা আরো কঠিন’

Saturday, July 30, 2016 9:43 am
tol-et_136692

ঢাকা: বাংলাদেশে গুলশান হামলা ও কল্যাণপুরে একটি ফ্ল্যাটে পুলিশী অভিযানে ৯ জঙ্গী নিহত হওয়ার পর পুলিশ ঢাকা শহরের বিভিন্ন মেসগুলোতে নজরদারী এবং তল্লাশি জোরদার করেছে।

পুলিশী অভিযানের আংশকায় শহরের অনেক বাড়ির মালিক তাদের মেসে থাকা ভাড়াটিয়াদের উপর নজরদারীও বাড়িয়েছেন। এসব মেসে থাকা ছাত্র এবং চাকুরীজীবিরা এমন অবস্থায় তাদের জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরী হচ্ছে।

ঢাকার বিভিন্ন এলাকার মেসগুলোতে যে নজরদারী জোরদার হয়েছে সেটি বেশ টের পাওয়া যায়। বিভিন্ন মেস ঘুরে দেখা গেল, সম্ভাব্য পুলিশি অভিযানের আশংকায় খানিকটা চিন্তিতএগুলো বাসিন্দারা।

অনেক বাসিন্দা মনে করেন, যেভাবে মেসগুলোতে পুলিশ তল্লাশী চালাচ্ছে তাতে করে বাড়িয়াওয়ালারা মেস বাড়া দেবার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। কারণ পুলিশি অভিযান একটি ‘বাড়তি ঝামেলা’ তৈরি করে বলে তারা মনে করেন।

ঢাকার মোহাম্মদপুরের একটি মেসে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করেন আদনান তাবাস্সুম। তার সাথে একই বাসায় আরো চারজন থাকেন। এদের সবাই বিভিন্ন ধরনের চাকরী করছেন।

তিন বলেন, “চিন্তাটা এখন আরো বাড়ছে। আসলে আমাদের চাইতে বেশি চিন্তা করে মালিক। তারা মনে করে যে ব্যাচেলরদের রাখছি, কোন সমস্যা আছে কিনা।”

“এমনিতেই ঢাকা শহরের বাড়ির মালিকরা ব্যাচেলরদের বাসা ভাড়া দিতে চায় না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে সে বিষয়টি আরো কঠিন হয়ে গেছে” – বলছেন তিনি।

ঢাকা শহরের মেসগুলোতে কত লোক বসবাস করে তার সুনির্দিষ্ট কোন পরিসংখ্যান নেই। প্রতি মাসেই বিভিন্ন মেসে নতুন ভাড়াটে আসা-যাওয়া করে। সেক্ষেত্রে পুরনো ভাড়াটেরা নতুনদের সম্পর্কে আগে থেকেই পুরোপুরি তথ্য জানতে পারেন না ।

পুলিশ মনে করে, জঙ্গিরা সংগঠিত হবার জন্য কখনো-কখনো বাসা ভাড়া নেয়। এছাড়া মেসগুলোতে বসবাসরত ছাত্রদের দলে ভেড়ানোর জন্য টার্গেট করা হতে পারে। সেজন্যই পুলিশ নজরদারী বাড়িয়েছে।

বর্তমানে বাড়িওয়ালারাও মেসে বসবাসকারী ভাড়াটের উপর নজরদারী বাড়িয়েছে। এক্ষেত্রে বাড়িওলাদের বিভিন্ন প্রশ্নের মুখে পড়ছেন মেসে বসবাসকারী ভাড়াটিয়ারা।

ঢাকার একজন বাড়ির মালিকের স্ত্রী জানালেন তিনি প্রতিনিয়ত মেসে বসবাসকারীদের নজরদারীতে রেখেছেন।

তিনি জানান, “আমি থানায় যেসব ভাড়াটিয়াদের সম্পর্কে তথ্য দিয়েছি, তার বাইরে কেউ আমার বাড়িতে থাকতে পারবেনা। ভাড়াটেদের বাসায় কোন মেহমান যদি রাতে থাকতে চায়, তাহলে আমাকে জানাতে হবে।”

এ ধরনের পরিস্থিতি মেসের অনেক বাসিন্দাদের জন্য খানিকটা অস্বস্তি তৈরি করছে।

পুলিশ বলছে, মেস ভাড়া দেবার বিষয়ে তারা কোন বিধি-নিষেধ আরোপ করেননি। সকল প্রকার ভাড়াটেদের তথ্য থানায় জমা দেবার জন্য বাড়ির মালিকদের তাগাদা দেয়া হয়েছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালানো হচ্ছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X