শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:১৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, November 2, 2016 1:27 pm
A- A A+ Print

ভক্ত-স্বজনদের ভালোবাসায় সিক্ত মিরাজ

158274_1

   
ঢাকা: বর্তমানে ক্রিকেট বিশ্বের আলোচিত নামের একটি মেহেদি হাসান মিরাজ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ১৯ উইকেট নিয়ে বাজিমাত করা এই তরুণ স্পিনার এখন নিজ শহর খুলনায়। সেখানে ভক্তদের ভালবাসায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। খ্যাতির বিড়ম্বনার মত এই 'ভালোবাসার বিড়ম্বনায়' অবশ্য ক্লান্তি নেই মিরাজের। সাদরেই গ্রহণ করছেন শুভেচ্ছাবার্তা আর উপভোগ করছেন তাকে নিয়ে জন্মানো আগ্রহের উচ্চমাত্রা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিরাজকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। খুলনা সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে ক্রেস্ট উপহার এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অন্যদিকে ইংলিশ বধের নায়ক মিরাজকে ফ্রেমবন্দী করার বাসনায় তার বাসার ভক্তদের ভিড় বেড়েই চলছে। যাতে আছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি বিএল কলেজ ও মহসিন কলেজসহ বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনগণ। এর আগে সোমবার রাতে খুলনায় আসেন মিরাজ। তার পর থেকেই ব্যস্ত সময় পার করছেন এই তরুণ। ফেরার রাতে গাড়ি থেকে নেমে নিজ বাড়িতে প্রবেশের আগে উৎসুক ও অপেক্ষারত ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, মঙ্গলবার সবার সঙ্গে দেখা করবো। সেই কথা রক্ষাও করেছেন মিরাজ। মঙ্গলবার ভোর থেকেই ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি। আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে মিটিয়েছেন তাদের সেলফি আবদারও। দেখতে দেখতে ভক্তদের সেই ভিড় রাস্তা পর্যন্ত গড়িয়েছে। তবে মিরাজ অক্লান্তভাবে ভক্তদের খুশি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। প্রিয় তারকাকে কাছে পেয়ে সেলফি তোলার সন্তুষ্টির পর কথা হলো হাজী মহসিন কলেজের ছাত্র হৃদয় ইসলামের সঙ্গে। বললেন, 'মিরাজ ভাইয়া আগের মতোই আছেন। তিনি আমাদের সময় দিয়েছেন। সাথে ছবি তুলেছেন।' মঙ্গলবার দুপুরে একটি দাওয়াতের অনুষ্ঠানে ছিলেন মিরাজ। তাকে বাড়িতে না পেয়েও একটু সাক্ষাতের আশায় দিনভর খুলনার খালিশপুরের হাউজিং স্টেটের বিআইডিসি রোডের নর্থ জোন বি-ব্লকের বাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে ভক্তদের। এছাড়া গণমাধ্যম কর্মীরা তো আছেনই। খুলনা সার্কিট হাউজে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মিরাজ তার খেলোয়াড় হয়ে ওঠার পেছনের গল্প বলেন। জানান, ‘অনেক কষ্ট স্বীকার করেই তিনি আজকের মিরাজ হয়ে উঠেছেন। এর পেছনে আছে অনেক বাধা-প্রতিবন্ধকতার গল্প। সেসব পেরিয়ে আসতে কঠিন সাধনার মধ্যদিয়ে যেতে হয়েছে।’ এসময় মিরাজ তার শিক্ষক, কোচ এবং পরিবারসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে মিরাজের বাবা জালাল হোসেনও বলেন নিজের গর্বের কথাগুলো। জানান, কখনই কল্পনা করেননি যে ছেলে কোনদিন এত বড় ক্রিকেটার হবে। তিনি সেটা কখনো আশা করেননি বলেও অকপটে স্বীকার করেছেন। যে কারণে প্রথমদিকে ছেলেকে খেলতে বাঁধা দিতেন। কিন্তু কোচ আল মাহমুদের মাধ্যমে মিরাজকে খেলতে দিতে উতসাহিত হয়েছেন। পরবর্তীতে ছেলের ধারাবাহিক সাফল্যে তাকে গর্বিতই করছে। ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন তিনি। সরকারি বিএল কলেজ থেকে এবারই এইচএসসি পাস করেছেন মিরাজ। অসচ্ছল মাইক্রোবাস চালক বাবা সংসারের অভাব-অনটনকে খুব ভয় পেতেন। ছেলের অনিশ্চিত জীবনের শঙ্কায় বার বার ক্রিকেট খেলতে বাধা দিয়েছেন। সে দিনগুলোর কথা টেনে মিরাজের বাবা বললেন, ‘ছোটবেলা থেকে মিরাজ আমাকে ফাঁকি দিয়ে ক্রিকেট খেলতে যেত। আমাকেই সে বেশি ফাঁকি দিয়েছে। স্কুল থেকে চুপিচুপি ক্রিকেট খেলতে মাঠে চলে যেত। আল মাহমুদের সঙ্গে কতবার খুঁজে খুঁজে যে বাড়িতে ধরে আনতে হয়েছে তাকে।’ আজ সেই ছেলের এমন অভাবনীয় সাফল্যে আনন্দে আত্মহারা বাবা জালাল হোসেন। দোয়া চাওয়ার সময় কেবল মিরাজের কথাই বললেন না, থাকল বাংলাদেশ দলের সাফল্যকামনার আকুতিও। কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এক সময়ের দারুণ অপছন্দের মিরাজের সেই ক্রিকেট প্রশিক্ষক আল মাহমুদকেও। খুলনার কাশীপুর ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষক মাহমুদের হাত ধরেই যে মিরাজের ক্রিকেট যাত্রা শুরু। তবে বাবার বাধা থাকলেও মায়ের অনুপ্রেরণা সর্বক্ষণই সঙ্গী ছিল মিরাজের। সেটি তার ক্রিকেট জীবনের পথ চলার অন্যতম শক্তিও। খালিশপুরের কাশীপুর ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষক আল মাহমুদ জানালেন মিরাজের ছোটবেলার গল্প। বললেন, ‘মিরাজের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের মারকুটে ভাবটা ছিলো। ওর মধ্যে ক্রিকেটের সম্ভাবনা দেখেই প্রশিক্ষণ দিতে ভালো লাগতো। অসীম ধৈর্য আর চেষ্টায় সেই মিরাজ হয়ে উঠেছেন আজকের মিরাজ। এটা সত্যিই গর্বের।’ বাংলাদেশের ক্রিকেটের নতুন এই সেনসেশন অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসে চট্টগ্রামে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন। ঢাকা টেস্টে নেন আরো ১২ উইকেট। অভিষেকের দুই টেস্টই ১৯ উইকেট। যা ঙ৯ বর্ষী তারকাকে পৌঁছে দেয় বিশ্বরেকর্ডের পাতায়। যে পথে ভেঙে গেছে ১২৯ বছরের পুরনো রেকর্ড। তাকে দিয়ে সকলের মেতে ওঠাটা স্বাভাবিকই।
 

Comments

Comments!

 ভক্ত-স্বজনদের ভালোবাসায় সিক্ত মিরাজAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভক্ত-স্বজনদের ভালোবাসায় সিক্ত মিরাজ

Wednesday, November 2, 2016 1:27 pm
158274_1

 

 

ঢাকা: বর্তমানে ক্রিকেট বিশ্বের আলোচিত নামের একটি মেহেদি হাসান মিরাজ। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ১৯ উইকেট নিয়ে বাজিমাত করা এই তরুণ স্পিনার এখন নিজ শহর খুলনায়। সেখানে ভক্তদের ভালবাসায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি।

খ্যাতির বিড়ম্বনার মত এই ‘ভালোবাসার বিড়ম্বনায়’ অবশ্য ক্লান্তি নেই মিরাজের। সাদরেই গ্রহণ করছেন শুভেচ্ছাবার্তা আর উপভোগ করছেন তাকে নিয়ে জন্মানো আগ্রহের উচ্চমাত্রা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খুলনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মিরাজকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। খুলনা সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক নাজমুল আহসানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে ক্রেস্ট উপহার এবং ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

অন্যদিকে ইংলিশ বধের নায়ক মিরাজকে ফ্রেমবন্দী করার বাসনায় তার বাসার ভক্তদের ভিড় বেড়েই চলছে। যাতে আছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি বিএল কলেজ ও মহসিন কলেজসহ বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের জনগণ।

এর আগে সোমবার রাতে খুলনায় আসেন মিরাজ। তার পর থেকেই ব্যস্ত সময় পার করছেন এই তরুণ। ফেরার রাতে গাড়ি থেকে নেমে নিজ বাড়িতে প্রবেশের আগে উৎসুক ও অপেক্ষারত ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, মঙ্গলবার সবার সঙ্গে দেখা করবো।

সেই কথা রক্ষাও করেছেন মিরাজ। মঙ্গলবার ভোর থেকেই ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি। আলোচনার ফাঁকে ফাঁকে মিটিয়েছেন তাদের সেলফি আবদারও। দেখতে দেখতে ভক্তদের সেই ভিড় রাস্তা পর্যন্ত গড়িয়েছে।

তবে মিরাজ অক্লান্তভাবে ভক্তদের খুশি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। প্রিয় তারকাকে কাছে পেয়ে সেলফি তোলার সন্তুষ্টির পর কথা হলো হাজী মহসিন কলেজের ছাত্র হৃদয় ইসলামের সঙ্গে। বললেন, ‘মিরাজ ভাইয়া আগের মতোই আছেন। তিনি আমাদের সময় দিয়েছেন। সাথে ছবি তুলেছেন।’

মঙ্গলবার দুপুরে একটি দাওয়াতের অনুষ্ঠানে ছিলেন মিরাজ। তাকে বাড়িতে না পেয়েও একটু সাক্ষাতের আশায় দিনভর খুলনার খালিশপুরের হাউজিং স্টেটের বিআইডিসি রোডের নর্থ জোন বি-ব্লকের বাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে ভক্তদের। এছাড়া গণমাধ্যম কর্মীরা তো আছেনই।

খুলনা সার্কিট হাউজে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মিরাজ তার খেলোয়াড় হয়ে ওঠার পেছনের গল্প বলেন। জানান, ‘অনেক কষ্ট স্বীকার করেই তিনি আজকের মিরাজ হয়ে উঠেছেন। এর পেছনে আছে অনেক বাধা-প্রতিবন্ধকতার গল্প। সেসব পেরিয়ে আসতে কঠিন সাধনার মধ্যদিয়ে যেতে হয়েছে।’ এসময় মিরাজ তার শিক্ষক, কোচ এবং পরিবারসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে মিরাজের বাবা জালাল হোসেনও বলেন নিজের গর্বের কথাগুলো। জানান, কখনই কল্পনা করেননি যে ছেলে কোনদিন এত বড় ক্রিকেটার হবে। তিনি সেটা কখনো আশা করেননি বলেও অকপটে স্বীকার করেছেন। যে কারণে প্রথমদিকে ছেলেকে খেলতে বাঁধা দিতেন। কিন্তু কোচ আল মাহমুদের মাধ্যমে মিরাজকে খেলতে দিতে উতসাহিত হয়েছেন। পরবর্তীতে ছেলের ধারাবাহিক সাফল্যে তাকে গর্বিতই করছে। ছেলের জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেছেন তিনি।

সরকারি বিএল কলেজ থেকে এবারই এইচএসসি পাস করেছেন মিরাজ। অসচ্ছল মাইক্রোবাস চালক বাবা সংসারের অভাব-অনটনকে খুব ভয় পেতেন। ছেলের অনিশ্চিত জীবনের শঙ্কায় বার বার ক্রিকেট খেলতে বাধা দিয়েছেন।

সে দিনগুলোর কথা টেনে মিরাজের বাবা বললেন, ‘ছোটবেলা থেকে মিরাজ আমাকে ফাঁকি দিয়ে ক্রিকেট খেলতে যেত। আমাকেই সে বেশি ফাঁকি দিয়েছে। স্কুল থেকে চুপিচুপি ক্রিকেট খেলতে মাঠে চলে যেত। আল মাহমুদের সঙ্গে কতবার খুঁজে খুঁজে যে বাড়িতে ধরে আনতে হয়েছে তাকে।’

আজ সেই ছেলের এমন অভাবনীয় সাফল্যে আনন্দে আত্মহারা বাবা জালাল হোসেন। দোয়া চাওয়ার সময় কেবল মিরাজের কথাই বললেন না, থাকল বাংলাদেশ দলের সাফল্যকামনার আকুতিও। কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এক সময়ের দারুণ অপছন্দের মিরাজের সেই ক্রিকেট প্রশিক্ষক আল মাহমুদকেও। খুলনার কাশীপুর ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষক মাহমুদের হাত ধরেই যে মিরাজের ক্রিকেট যাত্রা শুরু।

তবে বাবার বাধা থাকলেও মায়ের অনুপ্রেরণা সর্বক্ষণই সঙ্গী ছিল মিরাজের। সেটি তার ক্রিকেট জীবনের পথ চলার অন্যতম শক্তিও।

খালিশপুরের কাশীপুর ক্রিকেট একাডেমির প্রশিক্ষক আল মাহমুদ জানালেন মিরাজের ছোটবেলার গল্প। বললেন, ‘মিরাজের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের মারকুটে ভাবটা ছিলো। ওর মধ্যে ক্রিকেটের সম্ভাবনা দেখেই প্রশিক্ষণ দিতে ভালো লাগতো। অসীম ধৈর্য আর চেষ্টায় সেই মিরাজ হয়ে উঠেছেন আজকের মিরাজ। এটা সত্যিই গর্বের।’

বাংলাদেশের ক্রিকেটের নতুন এই সেনসেশন অভিষেক টেস্টের দুই ইনিংসে চট্টগ্রামে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন। ঢাকা টেস্টে নেন আরো ১২ উইকেট। অভিষেকের দুই টেস্টই ১৯ উইকেট। যা ঙ৯ বর্ষী তারকাকে পৌঁছে দেয় বিশ্বরেকর্ডের পাতায়। যে পথে ভেঙে গেছে ১২৯ বছরের পুরনো রেকর্ড। তাকে দিয়ে সকলের মেতে ওঠাটা স্বাভাবিকই।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X