রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, November 8, 2016 11:24 pm
A- A A+ Print

ভর্তি নীতিমালা-২০১৭ জারীআগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তিতেও ৪০ শতাংশ এলাকা কোটা

168554_149

আগামী শিক্ষাবর্ষে (২০১৭) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ভর্তি নীতিমালা জারী করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা সচিব মো: সোহরাব হোসাইন স্বাক্ষরিত এ নীতিমালা আজ মঙ্গলবার বিকেলে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে। জারীকৃত নীতিমালায়, গত বছরের মতো এবারও ঢাকা মহানগরীতে বেসরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৪০ শতাংশ এলাকা কোটা সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রথম শ্রেণীতে ভর্তিতে বিগত কয়েক বছরের ন্যায় লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের বয়স ৬ বা তার বেশি হতে হবে। আগামী শিক্ষাবর্ষে (২০১৭) ঢাকা মহানগরীর সকল বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঐ এলাকার ৪০ভাগ শিক্ষার্থীকে আগে ভর্তি করাতে হবে। বাকি আসনে এলাকার বাইরের শিক্ষার্থীরা ভর্তি সুযোগ পাবে। জারীকৃত নীতিমালায় বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর বেসরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে স্কুল সংলগ্ন ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করতে হবে। অবশিষ্ট আসনগুলো আগের নিয়ম অনুযায়ী সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পঞ্চম শ্রেণী থেকে ষষ্ঠ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে ক্যাচমেন্ট এরিয়ার কোটা প্রযোজ্য হবে না। একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একই ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় অবস্থিত হলে শিক্ষার্থীরা উভয় প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। ঢাকা মহানগরীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটির সহায়তায় প্রত্যেক স্কুলের ক্যাচমেন্ট এরিয়া (স্কুল সেবা অঞ্চল) নির্ধারণ করবেন। এরিয়া নির্ধারণ নিয়ে একাধিক স্কুলের মধ্যে জটিলতা দেখা দিলে থানা বা উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিষয়টি সমাধান করবেন বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। স্কুলের ভর্তির বিজ্ঞপ্তির তারিখে শিক্ষার্থী যে এলাকায় বসবাস করবে সে এলাকায়ই তার ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে বিবেচিত হবে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে ক্যাচমেন্ট এলাকায় জরিপ করে সম্ভাব্য শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করবে। ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তির উদ্দেশ্যে প্রাথমিক সমাপনী বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীর তথ্যের জন্য জরিপ ছাড়াও ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ‘প্রাইমারি স্কুল সার্টিফিকেট’ পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করবে। ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়েছে, দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শূন্য আসনে ভর্তিতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের তৈরি মেধাক্রম অনুসারে নবম শ্রেণীতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে নীতিমালায় বলা হয়েছে, দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান ৫০। এর মধ্যে বাংলা ১৫, ইংরেজি ১৫ এবং গণিতে ২০। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা। চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পূর্ণমান ১০০। এর মধ্যে বাংলা ৩০, ইংরেজি ৩০ ও গণিতে ৪০। ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে দুই ঘণ্টা। নীতিমালা ভর্তি ফরমের মূল্য ও ভর্তি ফি সম্পর্কে যে নির্দেশনা দেয়াহয়েছে, তাতে ঢাকা মেট্রোপলিটনসহ এমপিওভুক্ত, আংশিক এমপিওভুক্ত, এমপিওবর্হিভূত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভর্তি ফরমের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ টাকা নিতে পারবে। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে মফস্বল এলাকায় ৫০০ টাকা, পৌর (উপজেলা) এলাকায় এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা গ্রহণ করা যাবে। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকার বেশি হবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ভর্তির ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকার বেশি আদায় করা যাবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত আংশিক এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং এমপিওবহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য শিক্ষার্থীর ভর্তির সময় মাসিক বেতন, সেশনচার্জ ও উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ আট হাজার টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা নিতে পারবে। উন্নয়নখাতে কোনো প্রতিষ্ঠান ৩ হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না। একই প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এক ক্লাস থেকে পরবর্তী ক্লাসে ভর্তি ক্ষেত্রে প্রতি বছর সেশনচার্জ নেয়া যাবে। তবে পুনঃভর্তির ফি নেয়া যাবে না। ভর্তির নীতিমালায় বলা হয়েছে, ভর্তির ফরম ও ভর্তির ফি বাবদ সরকার নির্ধারিত অর্থের চেয়ে বেশি আদায় করলে এমপিও বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Comments

Comments!

 ভর্তি নীতিমালা-২০১৭ জারীআগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তিতেও ৪০ শতাংশ এলাকা কোটাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভর্তি নীতিমালা-২০১৭ জারীআগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তিতেও ৪০ শতাংশ এলাকা কোটা

Tuesday, November 8, 2016 11:24 pm
168554_149

আগামী শিক্ষাবর্ষে (২০১৭) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ভর্তি নীতিমালা জারী করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষা সচিব মো: সোহরাব হোসাইন স্বাক্ষরিত এ নীতিমালা আজ মঙ্গলবার বিকেলে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে।

জারীকৃত নীতিমালায়, গত বছরের মতো এবারও ঢাকা মহানগরীতে বেসরকারি স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৪০ শতাংশ এলাকা কোটা সংরক্ষণের বিধান রাখা হয়েছে। এ ছাড়াও প্রথম শ্রেণীতে ভর্তিতে বিগত কয়েক বছরের ন্যায় লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের বয়স ৬ বা তার বেশি হতে হবে।

আগামী শিক্ষাবর্ষে (২০১৭) ঢাকা মহানগরীর সকল বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুল সংলগ্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঐ এলাকার ৪০ভাগ শিক্ষার্থীকে আগে ভর্তি করাতে হবে। বাকি আসনে এলাকার বাইরের শিক্ষার্থীরা ভর্তি সুযোগ পাবে।

জারীকৃত নীতিমালায় বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর বেসরকারি স্কুলগুলোতে ভর্তির ক্ষেত্রে স্কুল সংলগ্ন ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণ করতে হবে। অবশিষ্ট আসনগুলো আগের নিয়ম অনুযায়ী সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পঞ্চম শ্রেণী থেকে ষষ্ঠ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে ক্যাচমেন্ট এরিয়ার কোটা প্রযোজ্য হবে না। একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একই ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় অবস্থিত হলে শিক্ষার্থীরা উভয় প্রতিষ্ঠানে ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

ঢাকা মহানগরীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটির সহায়তায় প্রত্যেক স্কুলের ক্যাচমেন্ট এরিয়া (স্কুল সেবা অঞ্চল) নির্ধারণ করবেন। এরিয়া নির্ধারণ নিয়ে একাধিক স্কুলের মধ্যে জটিলতা দেখা দিলে থানা বা উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিষয়টি সমাধান করবেন বলে নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে। স্কুলের ভর্তির বিজ্ঞপ্তির তারিখে শিক্ষার্থী যে এলাকায় বসবাস করবে সে এলাকায়ই তার ক্যাচমেন্ট এরিয়া হিসেবে বিবেচিত হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে ক্যাচমেন্ট এলাকায় জরিপ করে সম্ভাব্য শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করবে। ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তির উদ্দেশ্যে প্রাথমিক সমাপনী বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীর তথ্যের জন্য জরিপ ছাড়াও ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ‘প্রাইমারি স্কুল সার্টিফিকেট’ পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ করবে।

ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়েছে, দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শূন্য আসনে ভর্তিতে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের তৈরি মেধাক্রম অনুসারে নবম শ্রেণীতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী বাছাই করতে হবে।

ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে নীতিমালায় বলা হয়েছে, দ্বিতীয় থেকে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান ৫০। এর মধ্যে বাংলা ১৫, ইংরেজি ১৫ এবং গণিতে ২০। পরীক্ষার সময় এক ঘণ্টা। চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পূর্ণমান ১০০। এর মধ্যে বাংলা ৩০, ইংরেজি ৩০ ও গণিতে ৪০। ভর্তি পরীক্ষার সময় হবে দুই ঘণ্টা।

নীতিমালা ভর্তি ফরমের মূল্য ও ভর্তি ফি সম্পর্কে যে নির্দেশনা দেয়াহয়েছে, তাতে ঢাকা মেট্রোপলিটনসহ এমপিওভুক্ত, আংশিক এমপিওভুক্ত, এমপিওবর্হিভূত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভর্তি ফরমের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ টাকা নিতে পারবে। সেশন চার্জসহ ভর্তি ফি সর্বসাকুল্যে মফস্বল এলাকায় ৫০০ টাকা, পৌর (উপজেলা) এলাকায় এক হাজার টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় দুই হাজার টাকা গ্রহণ করা যাবে। ঢাকা ছাড়া অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় তিন হাজার টাকার বেশি হবে না।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ভর্তির ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকার বেশি আদায় করা যাবে না। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থিত আংশিক এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং এমপিওবহির্ভূত শিক্ষকদের বেতন-ভাতা প্রদানের জন্য শিক্ষার্থীর ভর্তির সময় মাসিক বেতন, সেশনচার্জ ও উন্নয়ন ফিসহ বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ আট হাজার টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা নিতে পারবে। উন্নয়নখাতে কোনো প্রতিষ্ঠান ৩ হাজার টাকার বেশি আদায় করতে পারবে না। একই প্রতিষ্ঠানে বার্ষিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এক ক্লাস থেকে পরবর্তী ক্লাসে ভর্তি ক্ষেত্রে প্রতি বছর সেশনচার্জ নেয়া যাবে। তবে পুনঃভর্তির ফি নেয়া যাবে না।

ভর্তির নীতিমালায় বলা হয়েছে, ভর্তির ফরম ও ভর্তির ফি বাবদ সরকার নির্ধারিত অর্থের চেয়ে বেশি আদায় করলে এমপিও বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X