শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:৪৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, December 16, 2016 7:11 pm
A- A A+ Print

ভারতীয় বিমানবাহিনীতে মুসলিমরা দাড়ি রাখতে পারবেন না: সুপ্রিমকোর্ট

164216_1

দিল্লি: ভারতের বিমানবাহিনীতে কেবল ধর্মীয় অনুশাসনের কারণেই দাড়ি রাখা যেতে পারে বলে এক রায়ে জানিয়েছে দেশটির সুপ্রিমকোর্ট। ইসলাম ধর্মের সঙ্গে দাড়ি রাখার কোনো সম্পর্ক আদালতের সামনে প্রমান করতে না পারায় আদালত বিমানবাহিনীর এক মুসলিম সদস্যকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে। মুহাম্মদ জুবায়ের নামে বিমানবাহিনীর এক কর্পোরালকে দাড়ি রাখার কারণে বরখাস্ত করেছিল ভারতীয় বিমানবাহিনী। জুবায়েরের দায়ের করা মামলাতেই বৃহস্পতিবার এই রায় দিয়েছে ভারতের প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ। বিমানবাহিনী এক নির্দেশিকায় বলেছিল যে ২০০২ এর পহেলা জানুয়ারির আগে যেসব মুসলমান ব্যক্তি বিমানবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন দাড়ি-গোঁফ নিয়েই, কেবল তাঁরাই দাড়ি রাখতে পারেন। কিন্তু তার পরে বাহিনীতে যোগ দেয়া কোনো মুসলিম ব্যক্তিকে দাড়ি রাখতে দেয়া হবে না। তবে শিখ ধর্মের অনুশাসনে যেহেতু দাড়ি, গোঁফ আর লম্বা চুল রাখা বাধ্যতামূলক, তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বলবৎ করেনি বিমানবাহিনী। ভারতীয় বিমানবাহিনীর নিয়মাবলীর ৪২৫ নম্বর ধারাতে বাহিনীর সদস্যদের চুল, দাড়ি, গোঁফ কিভাবে ছাঁটতে হবে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সেখানেই ধর্মীয় অনুশাসনের কারণে ছাড় দেয়ার কথাও বলা হয়েছে। এরপরে বেশ কয়েকবার ওই নিয়মাবলীর পরিমার্জন করেছে বিমানবাহিনী। সর্বশেষ পরিমার্জন করা হয় ২০০৩ সালে। আবেদনকারী জুবায়ের ২০০১ সালের ডিসেম্বরে বিমানবাহিনীতে যোগ দেন, আর ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি ইসলাম ধর্মের অনুসারী - এই যুক্তিতে দাড়ি রাখার অনুমতি চান।   সেই আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরে পুনরায় দাড়ি রাখার আর্জি পেশ করেছিলেন জুবায়ের। তাকে এয়ার অফিসার কমান্ডিং ডেকে পাঠিয়ে বুঝিয়েছিলেন কেন তাকে দাড়ি রাখার অনুমতি দেয়া নিয়ম বিরুদ্ধ। তবে সেই অফিসার একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর সদর দপ্তরে দাড়ি রাখা-না রাখার নিয়মটি নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে পাঠান। এরই পরে ছুটিতে চলে যান মুহাম্মদ জুবায়ের। আর যখন তিনি প্রায় দেড় মাস পরে কাজে যোগ দেন, তখন দেখা যায় যে তার মুখে দাড়ি রয়েছে। তাকে প্রথমে দাড়ি কেটে ফেলার নির্দেশ দেয়া হলেও পরে সাময়িকভাবে দাড়ি রাখার অনুমোদন দেন জুবায়েরের সিনিয়র অফিসার। কিন্তু বিমানবাহিনীর সদর দপ্তর যখন আইনি ব্যাখ্যা পাঠায় যে ধর্মীয় কারণে যাঁরা দাড়ি রাখার অনুমতি পেতে পারেন, তাদের মধ্যে জুবায়ের পড়েন না, তখনো নির্দেশ উপেক্ষা করেই তিনি দাড়ি কামিয়ে ফেলতে অস্বীকার করেন। তখনই বরখাস্ত করা হয় মুহাম্মদ জুবায়েরকে। বরখাস্ত হওয়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে যে মামলা করেছিলেন জুবায়ের, সেটা হাইকোর্ট হয়ে এসেছিল সর্বোচ্চ আদালতে। সুপ্রিমকোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে যে বিমানবাহিনীর মতো একটা সুশৃঙ্খল বাহিনীতে সমতা জারি রাখার উদ্দ্যেশেই দাড়ি গোঁফ রাখার যে নিয়ম জারি আছে, সেটা সবাইকেই মানতে হবে। ওই নিয়ম কোনো নির্দিষ্ট ধর্মে বিশ্বাসীদের প্রতি বৈষম্যের জন্য করা হয়নি। সূত্র: বিবিসি বাংলা
 

Comments

Comments!

 ভারতীয় বিমানবাহিনীতে মুসলিমরা দাড়ি রাখতে পারবেন না: সুপ্রিমকোর্টAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভারতীয় বিমানবাহিনীতে মুসলিমরা দাড়ি রাখতে পারবেন না: সুপ্রিমকোর্ট

Friday, December 16, 2016 7:11 pm
164216_1

দিল্লি: ভারতের বিমানবাহিনীতে কেবল ধর্মীয় অনুশাসনের কারণেই দাড়ি রাখা যেতে পারে বলে এক রায়ে জানিয়েছে দেশটির সুপ্রিমকোর্ট।

ইসলাম ধর্মের সঙ্গে দাড়ি রাখার কোনো সম্পর্ক আদালতের সামনে প্রমান করতে না পারায় আদালত বিমানবাহিনীর এক মুসলিম সদস্যকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে।

মুহাম্মদ জুবায়ের নামে বিমানবাহিনীর এক কর্পোরালকে দাড়ি রাখার কারণে বরখাস্ত করেছিল ভারতীয় বিমানবাহিনী।

জুবায়েরের দায়ের করা মামলাতেই বৃহস্পতিবার এই রায় দিয়েছে ভারতের প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ।

বিমানবাহিনী এক নির্দেশিকায় বলেছিল যে ২০০২ এর পহেলা জানুয়ারির আগে যেসব মুসলমান ব্যক্তি বিমানবাহিনীতে যোগ দিয়েছেন দাড়ি-গোঁফ নিয়েই, কেবল তাঁরাই দাড়ি রাখতে পারেন। কিন্তু তার পরে বাহিনীতে যোগ দেয়া কোনো মুসলিম ব্যক্তিকে দাড়ি রাখতে দেয়া হবে না।

তবে শিখ ধর্মের অনুশাসনে যেহেতু দাড়ি, গোঁফ আর লম্বা চুল রাখা বাধ্যতামূলক, তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বলবৎ করেনি বিমানবাহিনী।

ভারতীয় বিমানবাহিনীর নিয়মাবলীর ৪২৫ নম্বর ধারাতে বাহিনীর সদস্যদের চুল, দাড়ি, গোঁফ কিভাবে ছাঁটতে হবে, তা নিয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। সেখানেই ধর্মীয় অনুশাসনের কারণে ছাড় দেয়ার কথাও বলা হয়েছে।

এরপরে বেশ কয়েকবার ওই নিয়মাবলীর পরিমার্জন করেছে বিমানবাহিনী। সর্বশেষ পরিমার্জন করা হয় ২০০৩ সালে।

আবেদনকারী জুবায়ের ২০০১ সালের ডিসেম্বরে বিমানবাহিনীতে যোগ দেন, আর ২০০৫ সালের জানুয়ারিতে তিনি ইসলাম ধর্মের অনুসারী – এই যুক্তিতে দাড়ি রাখার অনুমতি চান।

 

সেই আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরে পুনরায় দাড়ি রাখার আর্জি পেশ করেছিলেন জুবায়ের। তাকে এয়ার অফিসার কমান্ডিং ডেকে পাঠিয়ে বুঝিয়েছিলেন কেন তাকে দাড়ি রাখার অনুমতি দেয়া নিয়ম বিরুদ্ধ। তবে সেই অফিসার একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর সদর দপ্তরে দাড়ি রাখা-না রাখার নিয়মটি নিয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে পাঠান।

এরই পরে ছুটিতে চলে যান মুহাম্মদ জুবায়ের। আর যখন তিনি প্রায় দেড় মাস পরে কাজে যোগ দেন, তখন দেখা যায় যে তার মুখে দাড়ি রয়েছে।

তাকে প্রথমে দাড়ি কেটে ফেলার নির্দেশ দেয়া হলেও পরে সাময়িকভাবে দাড়ি রাখার অনুমোদন দেন জুবায়েরের সিনিয়র অফিসার। কিন্তু বিমানবাহিনীর সদর দপ্তর যখন আইনি ব্যাখ্যা পাঠায় যে ধর্মীয় কারণে যাঁরা দাড়ি রাখার অনুমতি পেতে পারেন, তাদের মধ্যে জুবায়ের পড়েন না, তখনো নির্দেশ উপেক্ষা করেই তিনি দাড়ি কামিয়ে ফেলতে অস্বীকার করেন। তখনই বরখাস্ত করা হয় মুহাম্মদ জুবায়েরকে।

বরখাস্ত হওয়ার নির্দেশের বিরুদ্ধে যে মামলা করেছিলেন জুবায়ের, সেটা হাইকোর্ট হয়ে এসেছিল সর্বোচ্চ আদালতে। সুপ্রিমকোর্টের তিন সদস্যের বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে যে বিমানবাহিনীর মতো একটা সুশৃঙ্খল বাহিনীতে সমতা জারি রাখার উদ্দ্যেশেই দাড়ি গোঁফ রাখার যে নিয়ম জারি আছে, সেটা সবাইকেই মানতে হবে। ওই নিয়ম কোনো নির্দিষ্ট ধর্মে বিশ্বাসীদের প্রতি বৈষম্যের জন্য করা হয়নি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X