মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, October 28, 2016 3:53 pm
A- A A+ Print

ভারতের সবুজ সংকেত, প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরে সই হচ্ছে তিস্তা চুক্তি

253719_1

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার পর তিস্তা চুক্তি হতে যাচ্ছে। ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় দিল্লি সফরে সই হবে এ চুক্তি। এ বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বলে আমাদের অর্থনীতিকে দিল্লির একটি কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে ইতিবাচক মতামত দেয়ার পরই ঢাকাকে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ওই কূটনৈতিক সূত্রটি। সূত্রটি বলছে, গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঢাকা সফরে এসে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তার রাজ্য সরকার বাংলাদেশের বিরোধী নয়, তিস্তার জল বন্টন নিয়ে দু’দেশের চুক্তির যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, রাজ্যের স্বার্থ বিবেচনা করে তবেই এ ব্যাপারে এগোনো হবে। সেই ঘটনার পর তিস্তা চুক্তির প্রসঙ্গ নিয়ে মমতার সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তাছাড়া তিস্তা চুক্তির বিপরীতে বিশ্বব্যাংক থেকে বিপুল ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকায় মমতা বন্দ্যোপাদ্যায় তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। এ ছাড়াও গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলার সঙ্গে বৈঠকের পর সেতুমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কথা রয়েছে। সেই সফরে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরকে সামনে রেখে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলা গতকাল পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ৩ ডিসেম্বর দ্বিপক্ষীয় সফরে দিল্লি যাবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরের ভিত্তি রচনায় যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকে যোগ দিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ঢাকা আসতে পারেন। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) বৈঠকও অনুষ্ঠিত হতে পারে। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালেই তিস্তার অন্তর্র্বতীকালীন চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তির কারণে শেষ মুহূর্তে এই চুক্তি সইয়ে অপারগতা প্রকাশ করে ভারত। এর প্রতিক্রিয়ায় চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারে সম্মতিপত্র সইয়ে বাংলাদেশ বিরত থাকে। অবশ্য গত বছর জুনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকালে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারে দিল্লির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করে। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে উপকূলীয় জাহাজ চলাচলসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চুক্তি ও সিদ্ধান্ত হয়। মোদির বাংলাদেশ সফরকে ভারতের কোনো প্রধানমন্ত্রীর এ যাবৎকালের সবচেয়ে সফল সফর হিসাবে বিবেচনা করে দিল্লি। এর প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরকেও সফল করতে চায় বাংলাদেশ। এই সফরে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ছাড়াও অন্যান্য ইস্যুর মধ্যে ভারতের সাথে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল (বিবি আইএন) এবং বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার (বিসিআইএম) উপ-আঞ্চলিক সহযোগি

Comments

Comments!

 ভারতের সবুজ সংকেত, প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরে সই হচ্ছে তিস্তা চুক্তিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভারতের সবুজ সংকেত, প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরে সই হচ্ছে তিস্তা চুক্তি

Friday, October 28, 2016 3:53 pm
253719_1

অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার পর তিস্তা চুক্তি হতে যাচ্ছে। ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় দিল্লি সফরে সই হবে এ চুক্তি। এ বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বলে আমাদের অর্থনীতিকে দিল্লির একটি কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে ইতিবাচক মতামত দেয়ার পরই ঢাকাকে তিস্তা চুক্তির বিষয়ে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বলে জানায় ওই কূটনৈতিক সূত্রটি।

সূত্রটি বলছে, গত বছর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঢাকা সফরে এসে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তার রাজ্য সরকার বাংলাদেশের বিরোধী নয়, তিস্তার জল বন্টন নিয়ে দু’দেশের চুক্তির যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, রাজ্যের স্বার্থ বিবেচনা করে তবেই এ ব্যাপারে এগোনো হবে। সেই ঘটনার পর তিস্তা চুক্তির প্রসঙ্গ নিয়ে মমতার সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তাছাড়া তিস্তা চুক্তির বিপরীতে বিশ্বব্যাংক থেকে বিপুল ঋণ পাওয়ার সুযোগ থাকায় মমতা বন্দ্যোপাদ্যায় তিস্তা চুক্তির ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।

এ ছাড়াও গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও তিস্তা চুক্তির বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলার সঙ্গে বৈঠকের পর সেতুমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের কথা রয়েছে। সেই সফরে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তির ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরকে সামনে রেখে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলা গতকাল পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ৩ ডিসেম্বর দ্বিপক্ষীয় সফরে দিল্লি যাবেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরের ভিত্তি রচনায় যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকে যোগ দিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ঢাকা আসতে পারেন। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) বৈঠকও অনুষ্ঠিত হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ঢাকা সফরকালেই তিস্তার অন্তর্র্বতীকালীন চুক্তি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তির কারণে শেষ মুহূর্তে এই চুক্তি সইয়ে অপারগতা প্রকাশ করে ভারত। এর প্রতিক্রিয়ায় চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারে সম্মতিপত্র সইয়ে বাংলাদেশ বিরত থাকে।

অবশ্য গত বছর জুনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরকালে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারে দিল্লির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করে। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে উপকূলীয় জাহাজ চলাচলসহ উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চুক্তি ও সিদ্ধান্ত হয়। মোদির বাংলাদেশ সফরকে ভারতের কোনো প্রধানমন্ত্রীর এ যাবৎকালের সবচেয়ে সফল সফর হিসাবে বিবেচনা করে দিল্লি।

এর প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লি সফরকেও সফল করতে চায় বাংলাদেশ। এই সফরে তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি ছাড়াও অন্যান্য ইস্যুর মধ্যে ভারতের সাথে নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করা এবং বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল (বিবি আইএন) এবং বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার (বিসিআইএম) উপ-আঞ্চলিক সহযোগি

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X