বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:৫২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, January 27, 2017 8:27 pm
A- A A+ Print

ভারত যে কাজটা পারে না

27

কদিন আগে ইংল্যান্ডকে ৩৮২ রানের লক্ষ্য দিয়েও ঘাম ছুটে গেছে ভারতকে। ইংলিশরা শেষমেশ করতে পেরেছে ৩৬৬। ওয়ানডেতে এখন ৩০০-রান যে বিশাল কোনো স্কোর নয়, তা সদ্যসমাপ্ত ভারত-ইংল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজে সেটি ভালোই বোঝা গেল। তিন ম্যাচ সিরিজে দুই দল মিলে তুলেছে দুই হাজারের বেশি রান; যা কিনা নতুন রেকর্ড! কিন্তু টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুতে আবার ভিন্ন ছবি। কাল কানপুরে প্রথম টি-টোয়েন্টি ইংল্যান্ডকে ১৪৭ রান লক্ষ্য দিয়েছিল ভারত। ক্রিকেটের যে সংস্করণের প্রধান দাবি রানের বন্যা বইয়ে দেওয়া, সেখানে এটা কী আর স্কোর! ইংল্যান্ড ১১ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে অনায়াসে পেরিয়েও গেছে সেটা। টোয়েন্টিতে ১৫০-এর নিচে রান করে ভারতের পরাজয়ের ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। বরং এই স্কোর করে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হারের রেকর্ড তাদেরই। ১৩ ম্যাচে মাত্র ভারত জিতেছে ২টিতে, ৯ ম্যাচে হার। একটি টাই, বাকিটি পরিত্যক্ত। জয়-পরাজয়ের অনুপাত ০:২২২। ভারতের মূল শক্তি ব্যাটিং। ব্যাটসম্যানরা রানের পাহাড় না গড়ে দিলে বোলারদের পক্ষে কাজটা যে ভীষণ কঠিন হয়ে যায়, পরিসংখ্যান সেটিই বলছে। ১৫০ টি-টোয়েন্টি বিবেচনায় কোনো রান নয়। এই রান রক্ষা করতে পারা তাই ভীষণ চ্যালেঞ্জ। আর এই কাজটাতে ভারত সবচেয়ে বাজে। ভারতের পর এ তালিকায় আছে বাংলাদেশ। ১৮ ম্যাচে ৩টিতে জয়, হেরেছে ১৩টিতে। ফল আসেনি বাকি ২টিতে। বাংলাদেশের পরে আছে জিম্বাবুয়ে, ১৩টির ১০ ম্যাচে হেরেছে। জিতেছে ৩টিতে। ১৫০-এর কম রান করে সবচেয়ে বেশি জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৭ ম্যাচের ১৩টিতে জিতেছে প্রোটিয়ারা, হারও ১৩টিতে। ফল আসেনি এক ম্যাচে। জয়-পরাজয়ের অনুপাত ১:১৫০ করলেও যে জেতা যায়, প্রোটিয়ারা তারই প্রমাণ। টি-টোয়েন্টি আর একটা দলই এত কম রান করেও ১০ কিংবা এর বেশি ম্যাচ জিতেছে। সেটি পাকিস্তান। এমন ২৮ ম্যাচের ১১টিতে জিতেছে তারা, হেরেছে অবশ্য ১৭টিতে। টি-টোয়েন্টিতে রান ‘ডিফেন্ড’ করার কাজটায় অবশ্য পাকিস্তান টেস্ট খেলুড়ে দশ দলের মধ্যে সবার ওপরে। প্রথমে ব্যাট করে ৫৬ ম্যাচের ৩৬টাই জিতেছে তারা। ভারত এ কাজে মোটামুটি। প্রথমে ব্যাট করেছে এমন ৩৯ ম্যাচের ২১টি জিতলেও হেরেছে ১৬টিতে। পরে বোলিং করে ম্যাচ জিতিয়ে নেওয়ার কাজটাতে সবচেয়ে বাজে জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ। এমন ২৮ ম্যাচের ১৯টিতে হেরেছে জিম্বাবুয়ে। আর ২৭ ম্যাচের ১৬টিতে হেরেছে বাংলাদেশ।

Comments

Comments!

 ভারত যে কাজটা পারে নাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভারত যে কাজটা পারে না

Friday, January 27, 2017 8:27 pm
27

কদিন আগে ইংল্যান্ডকে ৩৮২ রানের লক্ষ্য দিয়েও ঘাম ছুটে গেছে ভারতকে। ইংলিশরা শেষমেশ করতে পেরেছে ৩৬৬। ওয়ানডেতে এখন ৩০০-রান যে বিশাল কোনো স্কোর নয়, তা সদ্যসমাপ্ত ভারত-ইংল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজে সেটি ভালোই বোঝা গেল। তিন ম্যাচ সিরিজে দুই দল মিলে তুলেছে দুই হাজারের বেশি রান; যা কিনা নতুন রেকর্ড!

কিন্তু টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুতে আবার ভিন্ন ছবি। কাল কানপুরে প্রথম টি-টোয়েন্টি ইংল্যান্ডকে ১৪৭ রান লক্ষ্য দিয়েছিল ভারত। ক্রিকেটের যে সংস্করণের প্রধান দাবি রানের বন্যা বইয়ে দেওয়া, সেখানে এটা কী আর স্কোর! ইংল্যান্ড ১১ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে অনায়াসে পেরিয়েও গেছে সেটা।
টোয়েন্টিতে ১৫০-এর নিচে রান করে ভারতের পরাজয়ের ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। বরং এই স্কোর করে টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হারের রেকর্ড তাদেরই। ১৩ ম্যাচে মাত্র ভারত জিতেছে ২টিতে, ৯ ম্যাচে হার। একটি টাই, বাকিটি পরিত্যক্ত। জয়-পরাজয়ের অনুপাত ০:২২২। ভারতের মূল শক্তি ব্যাটিং। ব্যাটসম্যানরা রানের পাহাড় না গড়ে দিলে বোলারদের পক্ষে কাজটা যে ভীষণ কঠিন হয়ে যায়, পরিসংখ্যান সেটিই বলছে।
১৫০ টি-টোয়েন্টি বিবেচনায় কোনো রান নয়। এই রান রক্ষা করতে পারা তাই ভীষণ চ্যালেঞ্জ। আর এই কাজটাতে ভারত সবচেয়ে বাজে। ভারতের পর এ তালিকায় আছে বাংলাদেশ। ১৮ ম্যাচে ৩টিতে জয়, হেরেছে ১৩টিতে। ফল আসেনি বাকি ২টিতে। বাংলাদেশের পরে আছে জিম্বাবুয়ে, ১৩টির ১০ ম্যাচে হেরেছে। জিতেছে ৩টিতে।
১৫০-এর কম রান করে সবচেয়ে বেশি জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৭ ম্যাচের ১৩টিতে জিতেছে প্রোটিয়ারা, হারও ১৩টিতে। ফল আসেনি এক ম্যাচে। জয়-পরাজয়ের অনুপাত ১:১৫০ করলেও যে জেতা যায়, প্রোটিয়ারা তারই প্রমাণ। টি-টোয়েন্টি আর একটা দলই এত কম রান করেও ১০ কিংবা এর বেশি ম্যাচ জিতেছে। সেটি পাকিস্তান। এমন ২৮ ম্যাচের ১১টিতে জিতেছে তারা, হেরেছে অবশ্য ১৭টিতে।
টি-টোয়েন্টিতে রান ‘ডিফেন্ড’ করার কাজটায় অবশ্য পাকিস্তান টেস্ট খেলুড়ে দশ দলের মধ্যে সবার ওপরে। প্রথমে ব্যাট করে ৫৬ ম্যাচের ৩৬টাই জিতেছে তারা। ভারত এ কাজে মোটামুটি। প্রথমে ব্যাট করেছে এমন ৩৯ ম্যাচের ২১টি জিতলেও হেরেছে ১৬টিতে। পরে বোলিং করে ম্যাচ জিতিয়ে নেওয়ার কাজটাতে সবচেয়ে বাজে জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ। এমন ২৮ ম্যাচের ১৯টিতে হেরেছে জিম্বাবুয়ে। আর ২৭ ম্যাচের ১৬টিতে হেরেছে বাংলাদেশ।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X