রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৫৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, September 2, 2016 9:50 pm
A- A A+ Print

ভিক্ষুকের ‘ভাইভা’

1

ভিক্ষুক পুনর্বাসন করে মংলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করার ঘোষাণা দিয়েছেন পৌর মেয়র জুলফিকার আলী। এজন্য প্রকৃত ভিক্ষুক যাচাই বাছাইয়ের জন্য তিনি ভিক্ষুকদের ‘ভাইভা’ নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। ভিক্ষুকদের ‘ভাইভা’ নেয়ার জন্য এলাকার সব ভিক্ষুকদের পৌর অডিটরিয়ামে জড়ো করেছেন মেয়র। ‘ভাইভা’ বোর্ডের প্রধান মেয়র জুলফিকার আলী বলেন, মংলা পৌরসভাকে ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষণা করবো খুব শিগগির। এ জন্য প্রকৃত ভিক্ষুকদের চিহ্নতকরণ চলছে। পরে প্রকৃত ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করাও হবে। তিনি বলেন, তালিকাভুক্ত প্রতিটি ভিক্ষুককে তার নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতিমাসে ১০-২০কেজি করে চাল দেয়া হবে। এছাড়া ভিক্ষুকদের পরিবারের কেউ কর্মক্ষম থাকলে তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী পৌরসভায় অথবা বিভিন্ন কারখানায় চাকরি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। পৌরসভার লাইসেন্স শাখার ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক আবু বক্কার ছিদ্দিক বলেন, মংলা পৌরসভা ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রকৃত ভিক্ষুকদের চিহ্নিত করতে মংলা পৌরসভার সকল ভিক্ষুকদের ডাকা হয়েছে। প্রকৃত ভিক্ষুক যাচাই-বাছাই শেষে পৌরসভা থেকে তাদের পরিচয়পত্র দেওয়া হচ্ছে। ভিক্ষুক হাসিনা বেগম বলেন, তার স্বামী আব্দুর রব চট্টগ্রামে জাহাজ শ্রমিকের কাছ করতেন। সে সময় তার বিয়ে হয়। ২০ বছর আগে স্বামীকে নিয়ে চলে আসেন মংলায়। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যে মংলা বন্দরে জাহাজ আসা বন্ধ হয়ে যায়। বেকার হয়ে পড়েন তার স্বামী। স্বামীর শরীরে বাসা বাধে মরণব্যাধি ক্যান্সার। অর্থের অভাবে চিকিৎসা না পেয়েই কিছুদিনের মধ্যে মারা যান তিনি। পরিবারের কেউ দয়িত্ব না নেয়ায় কিছুদিন অন্যের বাড়িতে কাজ করে এখন ভিক্ষাকে পেশা হিসাবে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সবাই বাধ্য হয়েই ভিক্ষুক হয়, শখে কেউ এ পেশা নেয় না।

Comments

Comments!

 ভিক্ষুকের ‘ভাইভা’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভিক্ষুকের ‘ভাইভা’

Friday, September 2, 2016 9:50 pm
1

ভিক্ষুক পুনর্বাসন করে মংলাকে ভিক্ষুকমুক্ত করার ঘোষাণা দিয়েছেন পৌর মেয়র জুলফিকার আলী। এজন্য প্রকৃত ভিক্ষুক যাচাই বাছাইয়ের জন্য তিনি ভিক্ষুকদের ‘ভাইভা’ নেয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন। বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

ভিক্ষুকদের ‘ভাইভা’ নেয়ার জন্য এলাকার সব ভিক্ষুকদের পৌর অডিটরিয়ামে জড়ো করেছেন মেয়র। ‘ভাইভা’ বোর্ডের প্রধান মেয়র জুলফিকার আলী বলেন, মংলা পৌরসভাকে ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষণা করবো খুব শিগগির। এ জন্য প্রকৃত ভিক্ষুকদের চিহ্নতকরণ চলছে। পরে প্রকৃত ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন করাও হবে।

তিনি বলেন, তালিকাভুক্ত প্রতিটি ভিক্ষুককে তার নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতিমাসে ১০-২০কেজি করে চাল দেয়া হবে। এছাড়া ভিক্ষুকদের পরিবারের কেউ কর্মক্ষম থাকলে তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী পৌরসভায় অথবা বিভিন্ন কারখানায় চাকরি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

পৌরসভার লাইসেন্স শাখার ভারপ্রাপ্ত পরিদর্শক আবু বক্কার ছিদ্দিক বলেন, মংলা পৌরসভা ভিক্ষুকদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রকৃত ভিক্ষুকদের চিহ্নিত করতে মংলা পৌরসভার সকল ভিক্ষুকদের ডাকা হয়েছে। প্রকৃত ভিক্ষুক যাচাই-বাছাই শেষে পৌরসভা থেকে তাদের পরিচয়পত্র দেওয়া হচ্ছে।

ভিক্ষুক হাসিনা বেগম বলেন, তার স্বামী আব্দুর রব চট্টগ্রামে জাহাজ শ্রমিকের কাছ করতেন। সে সময় তার বিয়ে হয়। ২০ বছর আগে স্বামীকে নিয়ে চলে আসেন মংলায়। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যে মংলা বন্দরে জাহাজ আসা বন্ধ হয়ে যায়। বেকার হয়ে পড়েন তার স্বামী। স্বামীর শরীরে বাসা বাধে মরণব্যাধি ক্যান্সার। অর্থের অভাবে চিকিৎসা না পেয়েই কিছুদিনের মধ্যে মারা যান তিনি। পরিবারের কেউ দয়িত্ব না নেয়ায় কিছুদিন অন্যের বাড়িতে কাজ করে এখন ভিক্ষাকে পেশা হিসাবে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সবাই বাধ্য হয়েই ভিক্ষুক হয়, শখে কেউ এ পেশা নেয় না।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X