মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৪৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, July 27, 2016 10:32 am
A- A A+ Print

ভিখারি থেকে বিখ্যাত মডেল!  

chin pic_136355

নাম তার চ্যাং গুওরোং। রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষা করাটাই তার কাজ। কোন দিন জুটলে খায়, না হলে পেটে খিদে নিয়েই ঘুমিয়ে পড়ে। তবে ভিখারি হলে হবে কী, চ্যাং কিন্তু জীবনটা কাটায় তার নিজস্ব স্টাইলে। ছেঁড়া জ্যাকেট, জুতা রাস্তা থেকে তুলে এনে নিজের স্টাইলে সেলাই  করে পরে। আসলে চ্যাংয়ের জীবনমন্ত্রটা খুব সোজা। তুমি যতই ভিখারি হও, মনটা রাখো রাজার মত। শেষ পর্যন্ত এই জীবনমন্ত্রটাই বদলে দিল চ্যাংয়ের জীবন। আর পাঁচটা দিনের মতই দক্ষিণ চিনের নিংবোর বড় রাস্তায় চ্যাং ভিক্ষা করতে বেরিয়েছিল। পরনে জ্যাকেট, ভিতরে সোয়েটার, ফ্যাব্রিক বেল্ট আর মুখে সিগারেট। চ্যাংকে চোখে পড়ে যায় এক তরুণের। সে চমকে যায়, আরে এটা একজন ভিখারি! সঙ্গে সঙ্গে সে তার কাঁপা কাঁপা অপেশাদার হাতে তুলে নেন চ্যাংয়ের ছবি। সেই ছবি তারপর পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ব্যস, ছবিটা ভাইরাল হতে সময় নেয়নি। চিনের বিজ্ঞাপন কোম্পানিগুলো ঝাঁপিয়ে পড়ে চ্যাংকে পেতে। কিছুটা মেকওভারের পর চ্যাং নেমে পড়েন মডেলিং। তারপরটা সবারই জানা। দেশের সবচেয়ে হ্যান্ডসাম পুরুষের শিরোপা পান তিনি। চ্যাংয়ের জীবনের এই রূপকথার মত উত্থানের বাইরেও একটা গল্প আছে। ১৯৯৬ সালে চ্যাং নিংবোতে এসেছিলেন কাজের খোঁজে। আসলে চ্যাংয়ের একটা সুন্দর পরিবার আছে। বাবা, স্ত্রী, দুই সন্তান নিয়ে ভরা পরিবার। ভাল চাকরিও ছিল একটা। কিন্তু চাকরিটা চলে যাওয়ার পরই সব এলোমেলো হয়ে যায়। চাকরি যাওয়ার পরও বাড়িতে কিছু জানাননি তিনি। সংসার চালাতো জমানো টাকা দিয়ে। সেটাও একদিন শেষ হওয়ার পর তিনি বাড়ি ছেড়ে পালান। তারপরই নিংবোতে। সেখানে কিছু না পেয়ে একেবারে ভিক্ষা করতে শুরু করেন। ১৪ বছর পর বাড়ি ফিরে চ্যাং দেখে তার বাবা আর স্ত্রী মারা গিয়েছেন। চ্যাংয়ের ভক্তকূল প্রথমে তাকে জীবনে ফিরে আসতে মোটা টাকার সহায়তা করে। পরে অবশ্য চ্যাং মোটা টাকার চুক্তিতে কাজ করার পর বেশ বড়লোক হয়ে যায়। সত্যি সিনেমা অনেক সময়ই জীবনের ঢঙে চলে। জীবনটাও কারও কারও সিনেমার ঢঙে চলে।

Comments

Comments!

 ভিখারি থেকে বিখ্যাত মডেল!  AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভিখারি থেকে বিখ্যাত মডেল!  

Wednesday, July 27, 2016 10:32 am
chin pic_136355
নাম তার চ্যাং গুওরোং। রাস্তায় রাস্তায় ভিক্ষা করাটাই তার কাজ। কোন দিন জুটলে খায়, না হলে পেটে খিদে নিয়েই ঘুমিয়ে পড়ে। তবে ভিখারি হলে হবে কী, চ্যাং কিন্তু জীবনটা কাটায় তার নিজস্ব স্টাইলে। ছেঁড়া জ্যাকেট, জুতা রাস্তা থেকে তুলে এনে নিজের স্টাইলে সেলাই  করে পরে। আসলে চ্যাংয়ের জীবনমন্ত্রটা খুব সোজা। তুমি যতই ভিখারি হও, মনটা রাখো রাজার মত। শেষ পর্যন্ত এই জীবনমন্ত্রটাই বদলে দিল চ্যাংয়ের জীবন।

আর পাঁচটা দিনের মতই দক্ষিণ চিনের নিংবোর বড় রাস্তায় চ্যাং ভিক্ষা করতে বেরিয়েছিল। পরনে জ্যাকেট, ভিতরে সোয়েটার, ফ্যাব্রিক বেল্ট আর মুখে সিগারেট। চ্যাংকে চোখে পড়ে যায় এক তরুণের।

সে চমকে যায়, আরে এটা একজন ভিখারি! সঙ্গে সঙ্গে সে তার কাঁপা কাঁপা অপেশাদার হাতে তুলে নেন চ্যাংয়ের ছবি। সেই ছবি তারপর পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ব্যস, ছবিটা ভাইরাল হতে সময় নেয়নি। চিনের বিজ্ঞাপন কোম্পানিগুলো ঝাঁপিয়ে পড়ে চ্যাংকে পেতে। কিছুটা মেকওভারের পর চ্যাং নেমে পড়েন মডেলিং। তারপরটা সবারই জানা। দেশের সবচেয়ে হ্যান্ডসাম পুরুষের শিরোপা পান তিনি।

চ্যাংয়ের জীবনের এই রূপকথার মত উত্থানের বাইরেও একটা গল্প আছে। ১৯৯৬ সালে চ্যাং নিংবোতে এসেছিলেন কাজের খোঁজে। আসলে চ্যাংয়ের একটা সুন্দর পরিবার আছে। বাবা, স্ত্রী, দুই সন্তান নিয়ে ভরা পরিবার। ভাল চাকরিও ছিল একটা। কিন্তু চাকরিটা চলে যাওয়ার পরই সব এলোমেলো হয়ে যায়। চাকরি যাওয়ার পরও বাড়িতে কিছু জানাননি তিনি। সংসার চালাতো জমানো টাকা দিয়ে। সেটাও একদিন শেষ হওয়ার পর তিনি বাড়ি ছেড়ে পালান। তারপরই নিংবোতে। সেখানে কিছু না পেয়ে একেবারে ভিক্ষা করতে শুরু করেন।

১৪ বছর পর বাড়ি ফিরে চ্যাং দেখে তার বাবা আর স্ত্রী মারা গিয়েছেন। চ্যাংয়ের ভক্তকূল প্রথমে তাকে জীবনে ফিরে আসতে মোটা টাকার সহায়তা করে। পরে অবশ্য চ্যাং মোটা টাকার চুক্তিতে কাজ করার পর বেশ বড়লোক হয়ে যায়। সত্যি সিনেমা অনেক সময়ই জীবনের ঢঙে চলে। জীবনটাও কারও কারও সিনেমার ঢঙে চলে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X