বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৩৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, December 22, 2016 8:27 am
A- A A+ Print

ভোটের সমীকরণে এগিয়ে ধানের শীষ

10

রাত পোহালেই নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের ভোট। চলছে শেষ মুহূর্তের হিসাব-নিকাশ। চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে সর্বত্র একই আলোচনা- কে হচ্ছেন নগরপিতা। স্থানীয় ভোটারসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ ভোটের নানা সমীকরণ নিয়ে ব্যস্ত। বুধবার নাসিকের বিভিন্ন এলাকার লোকজনের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ভোটের সমীকরণে নৌকার চেয়ে এগিয়ে ধানের শীষ। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের জয়ের সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন তারা। নাসিকে ভোটার ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬২ ও মহিলা ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৬৯ জন। বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে জয়ের ক্ষেত্রে বেশ কিছু ফ্যাক্টর কাজ করবে। নাসিকে মোট ভোটারের শতকরা ৩০-৪০ ভাগ নীরব ও ভাসমান। এসব ভোটারের বড় একটি অংশ সরকারবিরোধী নেগেটিভ ভোটার। তাছাড়া ভাসমান ভোটারদের মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার মুন্সীগঞ্জের রয়েছেন। ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা। ভাসমান ভোটারদের মধ্যে ১০ হাজারের মতো বস্তিবাসী রয়েছেন। শহরের জিমখানা এলাকায় রেলওয়ে থেকে কয়েক মাসে বস্তি উচ্ছেদ করা হয়। তাদের থাকার কোনো ব্যবস্থা না করে তৎকালীন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নির্দেশে এ উচ্ছেদ করা হয়। এতে আইভীর ওপর ক্ষুব্ধ বস্তিবাসী। আইভী আবার নির্বাচিত হলে পুরোপুরি উচ্ছেদ করা হতে পারে- এমন আতংক বস্তিবাসীর মধ্যে। তাই বস্তিবাসীর বেশিরভাগ এবার ধানের শীষকে ভোট দিতে পারে। এছাড়া গার্মেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শীতলক্ষ্যা নদীকেন্দ্রিক প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক রয়েছেন। বিগত সময়ে এসব শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নে আইভী তেমন কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শীতলক্ষ্যা পাড়ি দিয়ে অনেক শ্রমিক প্রতিদিন শহরে কর্মক্ষেত্রে আসেন। প্রতিশ্রুতি দিলেও আইভী শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর সেতু করতে পারেননি। এ নিয়ে শ্রমিকরা বিশেষ করে বন্দর এলাকার শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ আইভীর ওপর চরম ক্ষুব্ধ। এবারের নির্বাচনে সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে পারে। নির্বাচনী কৌশল হিসেবে এসব ভোটারের কাছে টানতে নানা কৌশল নেয় কেন্দ্রীয় বিএনপি। তারা অনেকটা সফলও হয়েছে। তাই এসব ভোটারের বেশিরভাগ ভোটই ধানের শীষের বাক্সে পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। জানা গেছে, নাসিকে মোট ভোটারের প্রায় ৪০ শতাংশ ধানের শীষের রিজার্ভ। জামায়াত ও হেফাজতে ইসলামের প্রায় ৫০ হাজার ভোট রয়েছে। জামায়াত ও হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বিএনপির নীতিনির্ধারকরা কয়েকদফা বৈঠক করেন। এ দুটি সংগঠনই ধানের শীষে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। নাসিকে ভাসমান ভোটারদের বড় একটি অংশ মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা। বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেনের বাড়িও মুন্সীগঞ্জ। সাখাওয়াতের পাশাপাশি বিএনপির মুন্সীগঞ্জের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতাকে গণসংযোগের দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা ধানের শীষের পক্ষে ভোট দিতে মুন্সীগঞ্জের ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করেন। মুন্সীগঞ্জের শতকরা ৮০ ভাগ ভোট সাখাওয়াতের পক্ষে যাবে বলে মনে করছেন ওই এলাকার ভোটাররা। সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও শহর আওয়ামী লীগের সঙ্গে আইভীর দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। এ কোন্দল নিরসনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ বারবার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আইভীর দ্বন্দ্ব নিরসন হয়নি। জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সবকিছু জেলার প্রভাবশালী একটি পরিবার নিয়ন্ত্রণ করে। ওই পরিবারের সঙ্গে আইভীর দ্বন্দ্ব মেটেনি, উল্টো আইভীর বিভিন্ন সময়ে ওই পরিবার নিয়ে নানা মন্তব্যে তা আরও বেড়ে গেছে। জানা গেছে, দলীয় প্রভাব ছাড়াও নাসিকে ওই পরিবারের ৬০-৭০ হাজার রিজার্ভ ভোট রয়েছে। এসব ভোটারের বেশিরভাগ ভোটই আইভীর বাক্সে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। নৌকা প্রতীকের কারণে এসব ভোটারের সর্বোচ্চ শতকরা ২০ ভাগ আইভী পেতে পারেন। বাকি ভোট সাখাওয়াতের পক্ষে যেতে পারে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। জেলা জাতীয় পার্টির নিয়ন্ত্রণও প্রভাবশালী ওই পরিবারের হাতে। শহর ও বন্দর এলাকায় জাতীয় পার্টির প্রায় ২৫ হাজার ভোট রয়েছে। এসব ভোট ওই পরিবারের জাতীয় পার্টির নেতার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টি আইভীকে সমর্থন জানালেও ওই পরিবারের নির্দেশ ছাড়া ভোটাররা কিছুই করবেন না। শেষ পর্যন্ত আইভীর সঙ্গে ওই পরিবারের দ্বন্দ্ব অব্যাহত থাকলে জাতীয় পার্টির বেশিরভাগ ভোটই ধানের শীষের বাক্সে পড়তে পারে। তবে নাসিকে ধানের শীষের যে রিজার্ভ ভোট সেখান থেকে সামান্য অংশ (১৫-২০ শতাংশ) নানা কারণে পেতে পারেন আইভী। আর আওয়ামী লীগের রিজার্ভ ভোটের একটা অংশ পাবেন তিনি। তবে সব সমীকরণ মিলিয়ে আইভীর চেয়ে ধানের শীষ এগিয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। জানতে চাইলে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১৫নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু যুগান্তরকে বলেন, নাসিকে ভোটের সমীকরণ করেই গণসংযোগ চালানো হয়েছে। এ লক্ষ্যে নানা কৌশলও নেয়া হয়েছে। তাতে আমরা অনেকটা সফলও হয়েছি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে আশা করি, ধানের শীষ লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবে।

Comments

Comments!

 ভোটের সমীকরণে এগিয়ে ধানের শীষAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভোটের সমীকরণে এগিয়ে ধানের শীষ

Thursday, December 22, 2016 8:27 am
10

রাত পোহালেই নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের ভোট। চলছে শেষ মুহূর্তের হিসাব-নিকাশ। চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে সর্বত্র একই আলোচনা- কে হচ্ছেন নগরপিতা।

স্থানীয় ভোটারসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ ভোটের নানা সমীকরণ নিয়ে ব্যস্ত। বুধবার নাসিকের বিভিন্ন এলাকার লোকজনের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ভোটের সমীকরণে নৌকার চেয়ে এগিয়ে ধানের শীষ। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের জয়ের সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন তারা।

নাসিকে ভোটার ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬২ ও মহিলা ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৬৯ জন।

বিভিন্ন এলাকার ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে জয়ের ক্ষেত্রে বেশ কিছু ফ্যাক্টর কাজ করবে। নাসিকে মোট ভোটারের শতকরা ৩০-৪০ ভাগ নীরব ও ভাসমান। এসব ভোটারের বড় একটি অংশ সরকারবিরোধী নেগেটিভ ভোটার। তাছাড়া ভাসমান ভোটারদের মধ্যে প্রায় ৪০ হাজার মুন্সীগঞ্জের রয়েছেন। ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা। ভাসমান ভোটারদের মধ্যে ১০ হাজারের মতো বস্তিবাসী রয়েছেন। শহরের জিমখানা এলাকায় রেলওয়ে থেকে কয়েক মাসে বস্তি উচ্ছেদ করা হয়। তাদের থাকার কোনো ব্যবস্থা না করে তৎকালীন মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নির্দেশে এ উচ্ছেদ করা হয়। এতে আইভীর ওপর ক্ষুব্ধ বস্তিবাসী। আইভী আবার নির্বাচিত হলে পুরোপুরি উচ্ছেদ করা হতে পারে- এমন আতংক বস্তিবাসীর মধ্যে। তাই বস্তিবাসীর বেশিরভাগ এবার ধানের শীষকে ভোট দিতে পারে। এছাড়া গার্মেন্টসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শীতলক্ষ্যা নদীকেন্দ্রিক প্রায় ৫০ হাজার শ্রমিক রয়েছেন। বিগত সময়ে এসব শ্রমিকের জীবনমান উন্নয়নে আইভী তেমন কার্যকর পদক্ষেপ নেননি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শীতলক্ষ্যা পাড়ি দিয়ে অনেক শ্রমিক প্রতিদিন শহরে কর্মক্ষেত্রে আসেন। প্রতিশ্রুতি দিলেও আইভী শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর সেতু করতে পারেননি। এ নিয়ে শ্রমিকরা বিশেষ করে বন্দর এলাকার শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ আইভীর ওপর চরম ক্ষুব্ধ। এবারের নির্বাচনে সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটতে পারে।

নির্বাচনী কৌশল হিসেবে এসব ভোটারের কাছে টানতে নানা কৌশল নেয় কেন্দ্রীয় বিএনপি। তারা অনেকটা সফলও হয়েছে। তাই এসব ভোটারের বেশিরভাগ ভোটই ধানের শীষের বাক্সে পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জানা গেছে, নাসিকে মোট ভোটারের প্রায় ৪০ শতাংশ ধানের শীষের রিজার্ভ। জামায়াত ও হেফাজতে ইসলামের প্রায় ৫০ হাজার ভোট রয়েছে। জামায়াত ও হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বিএনপির নীতিনির্ধারকরা কয়েকদফা বৈঠক করেন। এ দুটি সংগঠনই ধানের শীষে ভোট দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

নাসিকে ভাসমান ভোটারদের বড় একটি অংশ মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা। বিএনপির প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেনের বাড়িও মুন্সীগঞ্জ। সাখাওয়াতের পাশাপাশি বিএনপির মুন্সীগঞ্জের কেন্দ্রীয় একাধিক নেতাকে গণসংযোগের দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা ধানের শীষের পক্ষে ভোট দিতে মুন্সীগঞ্জের ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করেন। মুন্সীগঞ্জের শতকরা ৮০ ভাগ ভোট সাখাওয়াতের পক্ষে যাবে বলে মনে করছেন ওই এলাকার ভোটাররা।

সূত্র জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা ও শহর আওয়ামী লীগের সঙ্গে আইভীর দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। এ কোন্দল নিরসনে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ বারবার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আইভীর দ্বন্দ্ব নিরসন হয়নি। জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সবকিছু জেলার প্রভাবশালী একটি পরিবার নিয়ন্ত্রণ করে। ওই পরিবারের সঙ্গে আইভীর দ্বন্দ্ব মেটেনি, উল্টো আইভীর বিভিন্ন সময়ে ওই পরিবার নিয়ে নানা মন্তব্যে তা আরও বেড়ে গেছে।

জানা গেছে, দলীয় প্রভাব ছাড়াও নাসিকে ওই পরিবারের ৬০-৭০ হাজার রিজার্ভ ভোট রয়েছে। এসব ভোটারের বেশিরভাগ ভোটই আইভীর বাক্সে যাওয়ার সম্ভাবনা কম। নৌকা প্রতীকের কারণে এসব ভোটারের সর্বোচ্চ শতকরা ২০ ভাগ আইভী পেতে পারেন। বাকি ভোট সাখাওয়াতের পক্ষে যেতে পারে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। জেলা জাতীয় পার্টির নিয়ন্ত্রণও প্রভাবশালী ওই পরিবারের হাতে। শহর ও বন্দর এলাকায় জাতীয় পার্টির প্রায় ২৫ হাজার ভোট রয়েছে। এসব ভোট ওই পরিবারের জাতীয় পার্টির নেতার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টি আইভীকে সমর্থন জানালেও ওই পরিবারের নির্দেশ ছাড়া ভোটাররা কিছুই করবেন না। শেষ পর্যন্ত আইভীর সঙ্গে ওই পরিবারের দ্বন্দ্ব অব্যাহত থাকলে জাতীয় পার্টির বেশিরভাগ ভোটই ধানের শীষের বাক্সে পড়তে পারে। তবে নাসিকে ধানের শীষের যে রিজার্ভ ভোট সেখান থেকে সামান্য অংশ (১৫-২০ শতাংশ) নানা কারণে পেতে পারেন আইভী। আর আওয়ামী লীগের রিজার্ভ ভোটের একটা অংশ পাবেন তিনি। তবে সব সমীকরণ মিলিয়ে আইভীর চেয়ে ধানের শীষ এগিয়ে রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জানতে চাইলে বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ১৫নং ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু যুগান্তরকে বলেন, নাসিকে ভোটের সমীকরণ করেই গণসংযোগ চালানো হয়েছে। এ লক্ষ্যে নানা কৌশলও নেয়া হয়েছে। তাতে আমরা অনেকটা সফলও হয়েছি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হলে আশা করি, ধানের শীষ লক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে জয়ী হবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X