বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:২১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, December 28, 2016 8:59 am
A- A A+ Print

ভোটে কারচুপি বন্ধে ইংল্যান্ডে বাঙালি এলাকায় নয়া আইন

%e0%a7%ab

ভোটে কারচুপি ও অবৈধ প্রভাব ঠেকাতে ইংল্যান্ডের দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত ভোটার এলাকায় নতুন আইন করতে যাচ্ছে সরকার। এখন থেকে ভোট দিতে পরিচয়পত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আগামী ২০১৮ সাল থেকে বার্মিংহাম এবং ব্রাডফোর্ড এলাকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন এই বিধি পরীক্ষামূলকভাবে কার্যকর করা হবে। খবর বিবিসি। নতুন আইন কার্যকর হলে ভোট দিতে যাওয়ার সময় ভোটারদের ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পাসপোর্টের মতো ছবিসহ পরিচয়পত্র সঙ্গে নিতে হবে। ব্রিটেনের সংবিধান বিষয়ক মন্ত্রী ক্রিস স্কিডমোর বলেছেন, 'নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর মানুষর আস্থা ধরে রাখার জন্য এটি জরুরি হয়ে পড়েছে।' জানা গেছে, ২০১৫ সালে লন্ডনের বাংলাদেশী অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির এক কেলেংকারির সূত্র ধরে নতুন এই বিধি আসছে। টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রাজনীতিক লুৎফর রহমান। তার বিরুদ্ধে নানা উপায়ে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। আদালতেও লুৎফর রহমান দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাকে সরিয়ে দেয়া হয়। তবে বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। ওই ঘটনার পরপরই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ভোট পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য একটি কমিশন গঠন করেন। এক বছর ধরে কাজ করে সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এরিক পিকলসের তত্ত্বাবধানে ওই কমিশন আগস্ট মাসে তাদের রিপোর্ট দেয়। রিপোর্টে খোলাখুলি ইংল্যান্ডের বাংলাদেশী এবং পাকিস্তানী অভিবাসী এলাকায় নির্বাচনী অনিয়মের কথা বলা হয়। এতে মন্তব্য বলা হয়, 'রাজনৈতিক স্পর্শকাতরতার বিবেচনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে পাকিস্তানী এবং বাংলাদেশীদের মধ্যে এই অনিয়ম-জালিয়াতির বিষয়টি ইচ্ছা করেই অগ্রাহ্য করা হয়।' এরিক পিকলসের ওই রিপোর্টে ভোটারদের জন্য পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়। পোস্টাল ব্যালট অর্থাৎ ডাকে ভোট দেয়ার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনার সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া ভোটারদের ওপর চাপ বা হয়রানি বন্ধের জন্য ভোট কেন্দ্রগুলোর আশপাশে পুলিশ মোতায়েনে রিপোর্টে সুপারিশ করা হয়।

Comments

Comments!

 ভোটে কারচুপি বন্ধে ইংল্যান্ডে বাঙালি এলাকায় নয়া আইনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভোটে কারচুপি বন্ধে ইংল্যান্ডে বাঙালি এলাকায় নয়া আইন

Wednesday, December 28, 2016 8:59 am
%e0%a7%ab
ভোটে কারচুপি ও অবৈধ প্রভাব ঠেকাতে ইংল্যান্ডের দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত ভোটার এলাকায় নতুন আইন করতে যাচ্ছে সরকার। এখন থেকে ভোট দিতে পরিচয়পত্র দেখানো বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

আগামী ২০১৮ সাল থেকে বার্মিংহাম এবং ব্রাডফোর্ড এলাকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নতুন এই বিধি পরীক্ষামূলকভাবে কার্যকর করা হবে। খবর বিবিসি।

নতুন আইন কার্যকর হলে ভোট দিতে যাওয়ার সময় ভোটারদের ড্রাইভিং লাইসেন্স এবং পাসপোর্টের মতো ছবিসহ পরিচয়পত্র সঙ্গে নিতে হবে।

ব্রিটেনের সংবিধান বিষয়ক মন্ত্রী ক্রিস স্কিডমোর বলেছেন, ‘নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর মানুষর আস্থা ধরে রাখার জন্য এটি জরুরি হয়ে পড়েছে।’

জানা গেছে, ২০১৫ সালে লন্ডনের বাংলাদেশী অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির এক কেলেংকারির সূত্র ধরে নতুন এই বিধি আসছে।

টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের মেয়র নির্বাচনে নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত রাজনীতিক লুৎফর রহমান। তার বিরুদ্ধে নানা উপায়ে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। আদালতেও লুৎফর রহমান দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাকে সরিয়ে দেয়া হয়। তবে বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

ওই ঘটনার পরপরই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন ভোট পদ্ধতি পর্যালোচনার জন্য একটি কমিশন গঠন করেন। এক বছর ধরে কাজ করে সাবেক স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এরিক পিকলসের তত্ত্বাবধানে ওই কমিশন আগস্ট মাসে তাদের রিপোর্ট দেয়।

রিপোর্টে খোলাখুলি ইংল্যান্ডের বাংলাদেশী এবং পাকিস্তানী অভিবাসী এলাকায় নির্বাচনী অনিয়মের কথা বলা হয়। এতে মন্তব্য বলা হয়, ‘রাজনৈতিক স্পর্শকাতরতার বিবেচনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে পাকিস্তানী এবং বাংলাদেশীদের মধ্যে এই অনিয়ম-জালিয়াতির বিষয়টি ইচ্ছা করেই অগ্রাহ্য করা হয়।’

এরিক পিকলসের ওই রিপোর্টে ভোটারদের জন্য পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়। পোস্টাল ব্যালট অর্থাৎ ডাকে ভোট দেয়ার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনার সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া ভোটারদের ওপর চাপ বা হয়রানি বন্ধের জন্য ভোট কেন্দ্রগুলোর আশপাশে পুলিশ মোতায়েনে রিপোর্টে সুপারিশ করা হয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X