মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৩৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, October 26, 2016 8:48 am
A- A A+ Print

ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা > এক বাংলাদেশী তরুণ যেভাবে গেল গ্রিস

1

"আমার শত্রুকেও বলবো না এই পথে সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আসতে। জীবনের চেয়ে টাকার মূল্য বেশি না। আমার কোনো আত্মীয়-স্বজনকেও বলবো না, শত্রুকেও বলবো না।" জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে পৌঁছানো আমিনুল হক একথাই জানালেন বিবিসি বাংলার পুলক গুপ্তকে। ইউরোপে ঢোকার স্বপ্ন নিয়ে বহু বিপদসঙ্কুল পথ পেরিয়ে আমিনুল গ্রিসে আসেন গত অগাষ্টে। যেভাবে তিনি ছোট্ট এক রাবারের ডিঙ্গি নৌকায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেন, তা ভাবলে এখনো শিউরে উঠেন। তুরস্ক থেকে রওনা দিয়েছিলেন তারা। প্রায় আড়াই ঘন্টা ধরে পথ চলার পর কোস্টগার্ডরা সমূদ্রের মাঝখান থেকে তাদের উদ্ধার করে গ্রীসের লেসবস দ্বীপে নিয়ে আসে। দশ মিটার দীর্ঘ ঐ রাবারের ডিঙ্গিতে প্রায় ৮০ জন ছিল। ছিল অনেক নারী, তিন মাস বয়সী শিশু। ছোট্ট নৌকায় এত মানুষের সবার বসার জায়গা পর্যন্ত ছিল না। পথে তাদের বেশ কয়েকবারই বড় বড় ঢেউয়ের মোকাবেলা করতে হয়। নৌকা প্রায় খাড়া হয়ে গিয়েছিল ঢেউয়ের তোড়ে। "তখন আমরা আল্লাহ আল্লাহ করছিলাম।" শেষ পর্যন্ত কোন বিপদ ছাড়াই তারা নিরাপদে গ্রিসে পৌঁছেন। কিন্তু আর কাউকে এই বিপদজ্জনক পথে ইউরোপে আসার পরামর্শ দেবেন না আমিনুল হক। জাতিসঙ্ঘ শরণার্থী সংস্থা বলছে , নৌকায় করে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আসার চেষ্টা করতে গিয়ে এ বছরই সবচেয়ে বেশি অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। সংস্থাটি বলছে, এ বছর জানুয়ারী থেকে এ পর্যন্ত ৩ হাজার সাতশ'রও বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে। আমিনুল হকের বাড়ি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলায়। অর্থনৈতিক কারণে তিনি এই পথে ইউরোপে আসার সিদ্ধান্ত নেন। তার সঙ্গে এই নৌকায় আরও চারজন বাংলাদেশি ছিলেন। আমিনুল হক কিছুদিন ইরানে ছিলেন। সেখানে থেকে তুরস্কে আসেন। সেখানে কিছুদিন কাজ করেছেন। এরপর কিছু টাকা জমিয়ে ইউরোপে পাড়ি জমানোর সিদ্ধান্ত নেন। এজন্যে তিনি আটশো ডলার দিয়েছিলেন পাচারকারীদের। আমিনুল হক কিছুদিন গ্রিসের এক ক্যাম্পে ছিলেন। তাদের এক মাসের জন্য সেখানে থাকার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। এই মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর এখন তিনি অবৈধ অভিবাসী হিসেবে গ্রিসে আছেন। সূত্র : বিবিসি

Comments

Comments!

 ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা > এক বাংলাদেশী তরুণ যেভাবে গেল গ্রিসAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা > এক বাংলাদেশী তরুণ যেভাবে গেল গ্রিস

Wednesday, October 26, 2016 8:48 am
1

“আমার শত্রুকেও বলবো না এই পথে সাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আসতে। জীবনের চেয়ে টাকার মূল্য বেশি না। আমার কোনো আত্মীয়-স্বজনকেও বলবো না, শত্রুকেও বলবো না।”

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে পৌঁছানো আমিনুল হক একথাই জানালেন বিবিসি বাংলার পুলক গুপ্তকে।

ইউরোপে ঢোকার স্বপ্ন নিয়ে বহু বিপদসঙ্কুল পথ পেরিয়ে আমিনুল গ্রিসে আসেন গত অগাষ্টে। যেভাবে তিনি ছোট্ট এক রাবারের ডিঙ্গি নৌকায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেন, তা ভাবলে এখনো শিউরে উঠেন।

তুরস্ক থেকে রওনা দিয়েছিলেন তারা। প্রায় আড়াই ঘন্টা ধরে পথ চলার পর কোস্টগার্ডরা সমূদ্রের মাঝখান থেকে তাদের উদ্ধার করে গ্রীসের লেসবস দ্বীপে নিয়ে আসে।

দশ মিটার দীর্ঘ ঐ রাবারের ডিঙ্গিতে প্রায় ৮০ জন ছিল। ছিল অনেক নারী, তিন মাস বয়সী শিশু। ছোট্ট নৌকায় এত মানুষের সবার বসার জায়গা পর্যন্ত ছিল না।

পথে তাদের বেশ কয়েকবারই বড় বড় ঢেউয়ের মোকাবেলা করতে হয়। নৌকা প্রায় খাড়া হয়ে গিয়েছিল ঢেউয়ের তোড়ে। “তখন আমরা আল্লাহ আল্লাহ করছিলাম।”

শেষ পর্যন্ত কোন বিপদ ছাড়াই তারা নিরাপদে গ্রিসে পৌঁছেন। কিন্তু আর কাউকে এই বিপদজ্জনক পথে ইউরোপে আসার পরামর্শ দেবেন না আমিনুল হক।

জাতিসঙ্ঘ শরণার্থী সংস্থা বলছে , নৌকায় করে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে ইউরোপে আসার চেষ্টা করতে গিয়ে এ বছরই সবচেয়ে বেশি অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে।

সংস্থাটি বলছে, এ বছর জানুয়ারী থেকে এ পর্যন্ত ৩ হাজার সাতশ’রও বেশি লোকের মৃত্যু হয়েছে।

আমিনুল হকের বাড়ি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলায়। অর্থনৈতিক কারণে তিনি এই পথে ইউরোপে আসার সিদ্ধান্ত নেন। তার সঙ্গে এই নৌকায় আরও চারজন বাংলাদেশি ছিলেন।

আমিনুল হক কিছুদিন ইরানে ছিলেন। সেখানে থেকে তুরস্কে আসেন। সেখানে কিছুদিন কাজ করেছেন। এরপর কিছু টাকা জমিয়ে ইউরোপে পাড়ি জমানোর সিদ্ধান্ত নেন। এজন্যে তিনি আটশো ডলার দিয়েছিলেন পাচারকারীদের।

আমিনুল হক কিছুদিন গ্রিসের এক ক্যাম্পে ছিলেন। তাদের এক মাসের জন্য সেখানে থাকার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। এই মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পর এখন তিনি অবৈধ অভিবাসী হিসেবে গ্রিসে আছেন।

সূত্র : বিবিসি

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X