সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৪:১২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, September 17, 2017 3:20 pm
A- A A+ Print

ভয়াবহতম শরণার্থী সংকট: জাতিসংঘ

৭

মিয়ানমারের রাখাইন থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার বাংলাদেশে পালিয়ে আসাকে সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ শরণার্থী সংকট বলছে জাতিসংঘ। গত পাঁচ বছরের মধ্যে এবারই এত বিপুলসংখ্যক লোকজন প্রাণ বাঁচাতে তাদের ভূখণ্ড ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে। কক্সবাজারে মানবিক সহায়তার কাজে যুক্ত সংস্থাগুলোর জোট ইন্টার সেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপ (আইএসসিজি) জানিয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। ১৪ সেপ্টেম্বর এই সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৯১ হাজার। অর্থাৎ এক দিনে এসেছেন ১৮ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) মুখপাত্র দুনিয়া আসলাম খান গতকাল শনিবার দুপুরে জেনেভা থেকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, কক্সবাজার ও এর আশপাশে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়ায় পরিস্থিতি প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে। আগে থেকেই বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা রয়েছে। সম্প্রতি দেশটিতে বন্যা হয়েছে। তাই নতুন করে আসা কয়েক লাখ রোহিঙ্গা সামাল দেওয়ার পরিস্থিতি নেই। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে পরিস্থিতিটা বেশ জটিল। গত মার্চে ইউএনএইচসিআর জানিয়েছিল, দক্ষিণ সুদান থেকে ১৬ লাখ শরণার্থী সুদান, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো ও মধ্য আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে অর্ধেক আশ্রয় নিয়েছে উগান্ডায়। ওই সময় প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার শরণার্থী দক্ষিণ সুদান ছেড়ে পালিয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে সুদানের চেয়ে ভয়াবহ বলে মন্তব্য করেছেন। রাখাইনে সেনাবাহিনীর সহিংসতা চলতে থাকায় বিপুল সংখ্যায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসা থামছে না। ফলে তাদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বাড়তি তহবিলের প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) এ-দেশীয় ভারপ্রাপ্ত পরিচালক দীপায়ন ভট্টাচার্য গতকাল সন্ধ্যায় মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আসছে। এর আগে প্রাথমিক সংখ্যার ভিত্তিতে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিকভাবে সাহায্য চেয়েছিল। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে সংশোধিত তহবিল ঘোষণা করা হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যেসব খাবার ও তহবিল আছে, তা দিয়ে এখনকার পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আমাদের বাড়তি তহবিলের প্রয়োজন।’ জেনেভা থেকে গতকাল এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপের সময় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র দুনিয়া আসলাম খান বাংলাদেশ সরকার সীমান্ত খোলা রাখার পাশাপাশি দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যেভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই বিপুলসংখ্যক শরণার্থীকে বাংলাদেশের একার পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। যত দ্রুত সম্ভব জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি দাতা দেশগুলোকে বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে। ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র বলেন, প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘ ৭৭ মিলিয়ন ডলারের তহবিল চেয়েছে। প্রতিদিন যেভাবে শরণার্থীরা বাংলাদেশে আসছে, তাতে বাড়তি তহবিলের জন্য আহ্বান জানানো জরুরি হয়ে পড়েছে। দুনিয়া আসলাম খান বলেন, এর মধ্যেই কক্সবাজারের নিবন্ধিত দু্টি শরণার্থী শিবিরে ৭৭ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়ায় সেখানে বাড়তি লোকজনকে রাখার সুযোগ নেই। এই পরিস্থিতিতে শরণার্থী শিবিরে বাড়তি লোকজনকে রাখলে রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি মনে করেন, নতুন জায়গা ঠিক করে এসব মানুষের জন্য জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আবাসের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া তাদের এক জায়গায় রেখে নিবন্ধনের কাজটিও শেষ করতে হবে। আশ্রয়, নিবন্ধন, সুরক্ষা—এই তিন ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সহায়তার জন্য তৈরি আছে ইউএনএইচসিআর। বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল অব্যাহত থাকায় মানবিক সহায়তার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩০ মিলিয়ন ডলারের জরুরি তহবিল সংগ্রহের কথা বলেছিল জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা। তেমনি ২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যাকে বিবেচনায় নিয়ে প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য ৭ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলারের তহবিল সংগ্রহের কথা জানিয়েছিল জাতিসংঘ শিশুবিষয়ক তহবিল (ইউনিসেফ)। ঢাকায় ইউনিসেফের মুখপাত্র শাকিল ফয়জুল্লাহ গতকাল সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে জানান, নতুন আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশুদের পোলিও হামের টিকাদান কর্মসূচি গতকাল শুরু হয়েছে। এক সপ্তাহের এই কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সের দেড় লাখ শিশু-কিশোরকে অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে। জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মুখপাত্র তারিক জাসারাভিচ গতকাল নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের জানান, আগামী কয়েক দিনে ১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে জরুরি মেডিকেল কিট, ২০ লাখ পানি বিশুদ্ধকরণ বড়ি ও ২০ হাজার কলেরার কিট দেওয়া হবে।

Comments

Comments!

 ভয়াবহতম শরণার্থী সংকট: জাতিসংঘAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ভয়াবহতম শরণার্থী সংকট: জাতিসংঘ

Sunday, September 17, 2017 3:20 pm
৭

মিয়ানমারের রাখাইন থেকে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার বাংলাদেশে পালিয়ে আসাকে সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ শরণার্থী সংকট বলছে জাতিসংঘ। গত পাঁচ বছরের মধ্যে এবারই এত বিপুলসংখ্যক লোকজন প্রাণ বাঁচাতে তাদের ভূখণ্ড ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে।
কক্সবাজারে মানবিক সহায়তার কাজে যুক্ত সংস্থাগুলোর জোট ইন্টার সেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপ (আইএসসিজি) জানিয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৪ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। ১৪ সেপ্টেম্বর এই সংখ্যা ছিল ৩ লাখ ৯১ হাজার। অর্থাৎ এক দিনে এসেছেন ১৮ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) মুখপাত্র দুনিয়া আসলাম খান গতকাল শনিবার দুপুরে জেনেভা থেকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, কক্সবাজার ও এর আশপাশে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়ায় পরিস্থিতি প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে। আগে থেকেই বাংলাদেশে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা রয়েছে। সম্প্রতি দেশটিতে বন্যা হয়েছে। তাই নতুন করে আসা কয়েক লাখ রোহিঙ্গা সামাল দেওয়ার পরিস্থিতি নেই। সব মিলিয়ে সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে পরিস্থিতিটা বেশ জটিল।
গত মার্চে ইউএনএইচসিআর জানিয়েছিল, দক্ষিণ সুদান থেকে ১৬ লাখ শরণার্থী সুদান, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, কঙ্গো ও মধ্য আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়েছে। এদের মধ্যে অর্ধেক আশ্রয় নিয়েছে উগান্ডায়। ওই সময় প্রতিদিন গড়ে দুই হাজার শরণার্থী দক্ষিণ সুদান ছেড়ে পালিয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার মুখপাত্র বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে সুদানের চেয়ে ভয়াবহ বলে মন্তব্য করেছেন।
রাখাইনে সেনাবাহিনীর সহিংসতা চলতে থাকায় বিপুল সংখ্যায় রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আসা থামছে না। ফলে তাদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে বাড়তি তহবিলের প্রয়োজন।
এ প্রসঙ্গে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) এ-দেশীয় ভারপ্রাপ্ত পরিচালক দীপায়ন ভট্টাচার্য গতকাল সন্ধ্যায় মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে আসছে। এর আগে প্রাথমিক সংখ্যার ভিত্তিতে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিকভাবে সাহায্য চেয়েছিল। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে সংশোধিত তহবিল ঘোষণা করা হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যেসব খাবার ও তহবিল আছে, তা দিয়ে এখনকার পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে। ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আমাদের বাড়তি তহবিলের প্রয়োজন।’
জেনেভা থেকে গতকাল এই প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপের সময় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র দুনিয়া আসলাম খান বাংলাদেশ সরকার সীমান্ত খোলা রাখার পাশাপাশি দেশের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে যেভাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়েছে তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই বিপুলসংখ্যক শরণার্থীকে বাংলাদেশের একার পক্ষে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। যত দ্রুত সম্ভব জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি দাতা দেশগুলোকে বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে।
ইউএনএইচসিআরের মুখপাত্র বলেন, প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘ ৭৭ মিলিয়ন ডলারের তহবিল চেয়েছে। প্রতিদিন যেভাবে শরণার্থীরা বাংলাদেশে আসছে, তাতে বাড়তি তহবিলের জন্য আহ্বান জানানো জরুরি হয়ে পড়েছে।
দুনিয়া আসলাম খান বলেন, এর মধ্যেই কক্সবাজারের নিবন্ধিত দু্টি শরণার্থী শিবিরে ৭৭ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নেওয়ায় সেখানে বাড়তি লোকজনকে রাখার সুযোগ নেই। এই পরিস্থিতিতে শরণার্থী শিবিরে বাড়তি লোকজনকে রাখলে রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়তে পারে। তিনি মনে করেন, নতুন জায়গা ঠিক করে এসব মানুষের জন্য জরুরি ভিত্তিতে অস্থায়ী আবাসের ব্যবস্থা করতে হবে। এ ছাড়া তাদের এক জায়গায় রেখে নিবন্ধনের কাজটিও শেষ করতে হবে। আশ্রয়, নিবন্ধন, সুরক্ষা—এই তিন ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সহায়তার জন্য তৈরি আছে ইউএনএইচসিআর।
বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল অব্যাহত থাকায় মানবিক সহায়তার জন্য প্রাথমিকভাবে ৩০ মিলিয়ন ডলারের জরুরি তহবিল সংগ্রহের কথা বলেছিল জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা। তেমনি ২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সংখ্যাকে বিবেচনায় নিয়ে প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য ৭ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলারের তহবিল সংগ্রহের কথা জানিয়েছিল জাতিসংঘ শিশুবিষয়ক তহবিল (ইউনিসেফ)।
ঢাকায় ইউনিসেফের মুখপাত্র শাকিল ফয়জুল্লাহ গতকাল সন্ধ্যায় প্রথম আলোকে জানান, নতুন আসা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিশুদের পোলিও হামের টিকাদান কর্মসূচি গতকাল শুরু হয়েছে। এক সপ্তাহের এই কর্মসূচিতে ৬ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সের দেড় লাখ শিশু-কিশোরকে অন্তর্ভুক্ত রাখা হয়েছে।
জাতিসংঘের স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মুখপাত্র তারিক জাসারাভিচ গতকাল নিউইয়র্কে সাংবাদিকদের জানান, আগামী কয়েক দিনে ১ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীকে জরুরি মেডিকেল কিট, ২০ লাখ পানি বিশুদ্ধকরণ বড়ি ও ২০ হাজার কলেরার কিট দেওয়া হবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X