শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:১৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, July 21, 2016 11:15 pm
A- A A+ Print

মন্ত্রীদের ‘ভীত’ বলায় সংসদে বাক-আক্রমণের শিকার সুরঞ্জিত

suran_90153

ডেস্ক রিপোর্ট: নিজ দলের মন্ত্রীদের  সমালোচনা করে বক্তব্য দেয়ায় নিজ দলের সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।  যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের এক বক্তব্যের পর মন্ত্রীরা ‘ভয় পেয়েছেন’ বলায় সংসদে বৃহস্পতিবার তিনি বাক-আক্রমণের শিকার হন। রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট বুধবার এক অনুষ্ঠানে কিছু সংবাদ প্রতিবেদন নজরে আসার কথা জানিয়ে বলেছিলেন, সন্ত্রাস দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার প্রস্তাব বাংলাদেশে আক্রমণ বা বাংলাদেশকে দখল বা যে কোনো উপায়ে বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নয়। সংসদে মন্ত্রীদের অধিকাংশের অনুপস্থিতির বিষয়ে ডেপুটি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে  জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক সুরঞ্জিত বলেন, “মর্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, বাংলাদেশ দখল তারা করবেন না। সাহায্য করার জন্য ‍উনি চেষ্টা করবেন। “এ কথায় মনে হলো, ইচ্ছা করলে তারা দখল করতে পারে এবং দখল বহালও রাখতে পারে। এ ধরনের হুমকি আমেরিকানরা দিচ্ছেন! এই হুমকিতেই কি তাহলে মন্ত্রী বাহাদুররা তাদের নিরাপত্তার জন্য যে যার জায়গায় আশ্রয় গ্রহণ করছেন?” suran_90153 রাষ্ট্রদূতের ‘কূটনৈতিক শিষ্টাচার-বহির্ভূত’ ওই বক্তব্যের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, “এ ধরনের কোনো হুমকি কোনো দেশের কোনো কূটনৈতিকের দেওয়া শোভনীয় নয়। এ ব্যাপারে অন্তত আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা মন্ত্রণালয় একটি জোরদার আপত্তি দেবেন বলে আমরা আশা করি।” এরপর মন্ত্রীদের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে ফিরে সুরঞ্জিত স্বভাবসুলভ রসিকতার ভঙ্গিতে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে ‘ভেজাইল্যা মন্ত্রী’ বলেন। “আপনি (ডেপুটি স্পিকার) অন্তত সামনের অধিবেশনগুলোতে যেন বলেন, সংসদ চালাতে হলে অন্তত সামনের সারির দু-এক মন্ত্রী হলেও রাখবেন। মেনন সাহেব তাকাইতেছেন, উনি তো ভেজাইল্যা মন্ত্রী। এসব ভ্যাজ্যাইল্যা মন্ত্রী দক্ষিণে হলে কী করবেন? অত্যন্ত দৃষ্টিকটূ লাগছে।” সুরঞ্জিতের বক্তব্যের সময় বিমানমন্ত্রী মেনন ছাড়াও পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সংসদ কক্ষে উপস্থিত ছিলেন। একমাত্র মেনন ছাড়া উপস্থিত বাকি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা সামনের সারিতে বসেন না। আর মেনন সামনের সরিতে বসলেও সেটা বিরোধী দলের পাশে। সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিতের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “মাননীয় মন্ত্রীরা কেবল ঢাকায় নয়, শুক্রবার-শনিবার এলাকায় গিয়ে অফিস করেন বলেই এখন সংসদে নেই। মাননীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত একটা শব্দ বলেছেন, সেটা এক্সপাঞ্জ করা হোক- ‘মনে হয় যেন মন্ত্রীরা পালিয়ে গেছে’।” যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য গণমাধ্যমে ‘সঠিকভাবে’ আসেনি বলেও নানক দাবি করেন। ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী এ সময় বলেন, “আমি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। যদি আনপার্লামেন্টারিয়ান কোনো শব্দ থাকে তবে এক্সপাঞ্জ করব।” তবে এরপর প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ একটি পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে বার্নিকাটের বক্তব্য পড়ে শুনিয়ে বলেন, “পত্রিকায় এটা এসেছে। এখানে যে ব্ক্তব্য এসেছে, সেটা ঠিক না।” তারপর নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান মাইক ছাড়াই কথা বলতে শুরু করলে তাকে ফ্লোর দেন ডেপুটি স্পিকার। শামীম ওসমান বলেন, “আমাদের অত্যন্ত সিনিয়র নেতা আমার পিতৃতুল্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, মন্ত্রীরা ভীত। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যাদের মন্ত্রী বানিয়েছেন তারা গুরুত্বপূর্ণ নেতা, তারা মোটেও ভীত নন। একুশে আগস্টে গ্রেনেড হামলার সময়েও তারা ভীত হননি। “এই নেতাদের এখানে অসম্মানিত করা হয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। এধরনের মন্তব্যে আমি ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাই।” সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, “আমাদের কথা বলার সময় কী বার্তা যাচ্ছে সেটা মাথায় রেখে কথা বলা উচিৎ। সব সময় মন্ত্রীরা এখানে উপস্থিত থাকেন। মন্ত্রীদের উপস্থিতি এরকমই থাকে।” যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের ভাষাও যথাযথ হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য নিয়ে সুরঞ্জিতের প্রতিক্রিয়াকে সমর্থন করে শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, “একজন অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি হুমকি দেবে! পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্যই তাকে ডেকে এর সদুত্তর দেবেন।” মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “আপনাদের তখন ভূমিকা কী ছিল? ইয়াহিয়াকে সমর্থন করেছিলেন। এর জন্য ক্ষমতা চেয়েছেন? “আপনাদের দেশে কী হচ্ছে? নাইট ক্লাবে ৫০ জন খুন হয়েছে। তাহলে কি এখন আমরা আপনার দেশ দখল করতে যাব? এটা ইরাক, লিবিয়া, আফগানিস্তান না, এটা বাংলাদেশ।” বার্নিকাট ‘ধৃষ্টতা’ দেখিয়েছেন মন্তব্য করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান শেখ সেলিম।  

Comments

Comments!

 মন্ত্রীদের ‘ভীত’ বলায় সংসদে বাক-আক্রমণের শিকার সুরঞ্জিতAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মন্ত্রীদের ‘ভীত’ বলায় সংসদে বাক-আক্রমণের শিকার সুরঞ্জিত

Thursday, July 21, 2016 11:15 pm
suran_90153

ডেস্ক রিপোর্ট: নিজ দলের মন্ত্রীদের  সমালোচনা করে বক্তব্য দেয়ায় নিজ দলের সংসদ সদস্যদের তোপের মুখে পড়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।  যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের এক বক্তব্যের পর মন্ত্রীরা ‘ভয় পেয়েছেন’ বলায় সংসদে বৃহস্পতিবার তিনি বাক-আক্রমণের শিকার হন।

রাষ্ট্রদূত বার্নিকাট বুধবার এক অনুষ্ঠানে কিছু সংবাদ প্রতিবেদন নজরে আসার কথা জানিয়ে বলেছিলেন, সন্ত্রাস দমনে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার প্রস্তাব বাংলাদেশে আক্রমণ বা বাংলাদেশকে দখল বা যে কোনো উপায়ে বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নয়।

সংসদে মন্ত্রীদের অধিকাংশের অনুপস্থিতির বিষয়ে ডেপুটি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে  জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক সুরঞ্জিত বলেন, “মর্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছেন, বাংলাদেশ দখল তারা করবেন না। সাহায্য করার জন্য ‍উনি চেষ্টা করবেন।

“এ কথায় মনে হলো, ইচ্ছা করলে তারা দখল করতে পারে এবং দখল বহালও রাখতে পারে। এ ধরনের হুমকি আমেরিকানরা দিচ্ছেন! এই হুমকিতেই কি তাহলে মন্ত্রী বাহাদুররা তাদের নিরাপত্তার জন্য যে যার জায়গায় আশ্রয় গ্রহণ করছেন?”

suran_90153

রাষ্ট্রদূতের ‘কূটনৈতিক শিষ্টাচার-বহির্ভূত’ ওই বক্তব্যের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, “এ ধরনের কোনো হুমকি কোনো দেশের কোনো কূটনৈতিকের দেওয়া শোভনীয় নয়। এ ব্যাপারে অন্তত আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা মন্ত্রণালয় একটি জোরদার আপত্তি দেবেন বলে আমরা আশা করি।”

এরপর মন্ত্রীদের অনুপস্থিতির প্রসঙ্গে ফিরে সুরঞ্জিত স্বভাবসুলভ রসিকতার ভঙ্গিতে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে ‘ভেজাইল্যা মন্ত্রী’ বলেন।

“আপনি (ডেপুটি স্পিকার) অন্তত সামনের অধিবেশনগুলোতে যেন বলেন, সংসদ চালাতে হলে অন্তত সামনের সারির দু-এক মন্ত্রী হলেও রাখবেন। মেনন সাহেব তাকাইতেছেন, উনি তো ভেজাইল্যা মন্ত্রী। এসব ভ্যাজ্যাইল্যা মন্ত্রী দক্ষিণে হলে কী করবেন? অত্যন্ত দৃষ্টিকটূ লাগছে।”

সুরঞ্জিতের বক্তব্যের সময় বিমানমন্ত্রী মেনন ছাড়াও পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সংসদ কক্ষে উপস্থিত ছিলেন।

একমাত্র মেনন ছাড়া উপস্থিত বাকি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা সামনের সারিতে বসেন না। আর মেনন সামনের সরিতে বসলেও সেটা বিরোধী দলের পাশে।

সাবেক মন্ত্রী সুরঞ্জিতের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, “মাননীয় মন্ত্রীরা কেবল ঢাকায় নয়, শুক্রবার-শনিবার এলাকায় গিয়ে অফিস করেন বলেই এখন সংসদে নেই। মাননীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত একটা শব্দ বলেছেন, সেটা এক্সপাঞ্জ করা হোক- ‘মনে হয় যেন মন্ত্রীরা পালিয়ে গেছে’।”

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য গণমাধ্যমে ‘সঠিকভাবে’ আসেনি বলেও নানক দাবি করেন।

ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী এ সময় বলেন, “আমি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। যদি আনপার্লামেন্টারিয়ান কোনো শব্দ থাকে তবে এক্সপাঞ্জ করব।”

তবে এরপর প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ একটি পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে বার্নিকাটের বক্তব্য পড়ে শুনিয়ে বলেন, “পত্রিকায় এটা এসেছে। এখানে যে ব্ক্তব্য এসেছে, সেটা ঠিক না।”

তারপর নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান মাইক ছাড়াই কথা বলতে শুরু করলে তাকে ফ্লোর দেন ডেপুটি স্পিকার।

শামীম ওসমান বলেন, “আমাদের অত্যন্ত সিনিয়র নেতা আমার পিতৃতুল্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত বলেছেন, মন্ত্রীরা ভীত। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যাদের মন্ত্রী বানিয়েছেন তারা গুরুত্বপূর্ণ নেতা, তারা মোটেও ভীত নন। একুশে আগস্টে গ্রেনেড হামলার সময়েও তারা ভীত হননি।

“এই নেতাদের এখানে অসম্মানিত করা হয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। এধরনের মন্তব্যে আমি ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাই।”

সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, “আমাদের কথা বলার সময় কী বার্তা যাচ্ছে সেটা মাথায় রেখে কথা বলা উচিৎ। সব সময় মন্ত্রীরা এখানে উপস্থিত থাকেন। মন্ত্রীদের উপস্থিতি এরকমই থাকে।”

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের ভাষাও যথাযথ হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য নিয়ে সুরঞ্জিতের প্রতিক্রিয়াকে সমর্থন করে শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, “একজন অ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারি হুমকি দেবে! পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্যই তাকে ডেকে এর সদুত্তর দেবেন।”

মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, “আপনাদের তখন ভূমিকা কী ছিল? ইয়াহিয়াকে সমর্থন করেছিলেন। এর জন্য ক্ষমতা চেয়েছেন?

“আপনাদের দেশে কী হচ্ছে? নাইট ক্লাবে ৫০ জন খুন হয়েছে। তাহলে কি এখন আমরা আপনার দেশ দখল করতে যাব? এটা ইরাক, লিবিয়া, আফগানিস্তান না, এটা বাংলাদেশ।”

বার্নিকাট ‘ধৃষ্টতা’ দেখিয়েছেন মন্তব্য করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান শেখ সেলিম।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X