বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১২:৫৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, October 22, 2016 10:45 pm
A- A A+ Print

মন রাঙাতে জলে বা জঙ্গলে

cox1477054514

প্রতি বছর বিভিন্ন পার্বণে ছুটি পাওয়া যায়। এ সময় পরিবার নিয়ে অথবা বন্ধুদের সঙ্গে অনেকে ঘুরতে বের হন।
  আশার কথা হলো, এমন লোকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আবার সুযোগ পেলেই দেশ ছেড়ে বিদেশে ঘুরতে যাওয়া লোকজনের সংখ্যাও অনেক। তবে বাংলাদেশে ভ্রমণ করার মতো রয়েছে অনেক জায়গা। রাজধানী ছেড়ে দূরে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনাটা তাই অনেকাংশে বেশি প্রযোজ্য। সে ক্ষেত্রে পরিবারের সঙ্গে অথবা বন্ধুদের সঙ্গে একটু খোলা পরিবেশে ঘুরে আসা যায়। সে জন্য সব যান্ত্রিকতা ভুলে চলে যেতে পারেন প্রকৃতির খুব কাছে। হাতে গোনা কয়েকটি বাদে দর্শনীয় অনেক স্থানের বিষয়ে অনেকেই অবগত নয়। ঘুরতে যাওয়ার মতো কয়েকটি স্থান নিয়েই এই লেখা।   কক্সবাজার : বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত- এতো জানা কথা। সারা বছরই পর্যটকদের কমবেশি আনাগোনা থাকে। তবে ছুটিতে ভিড় বাড়ে অন্য সময়গুলোর তুলনায়। ঈদের ছুটিতে তো পর্যটকদের ঢল নামে। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য স্থান। রয়েছে নানান মানের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট। তা ছাড়া পর্যটকদের ভ্রমণকে নির্বিঘ্ন করতে আছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঢাকার সায়েদাবাদ, কলাবাগান ও কল্যাণপুর থেকে বিভিন্ন মানের বাস ছেড়ে যায়। ভাড়া কমবেশি ৭০০ থেকে ২০০০ টাকা। কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্য বেশকিছু হোটেল আছে। ধরণ অনুযায়ী এসব হোটেলের প্রতি দিনের রুম ভাড়া ১ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। কক্সবাজারের সর্বাধুনিক হোটেলগুলো হল: কলাতলী সড়কে ওশেন প্যারাডাইস (০৩৪১-৫২৩৭০, ৫২৩৭৯) ও লংবিচ (০৩৪১-৫১৮৪৩-৬), সৈকত সড়কে কক্স টুডে (০৩৪১-৫২৪১০-২২) ও সি-গাল (০৩৪১-৬২৪৮০-৯১)। কলাতলী সৈকতে সায়মন বিচ রিসোর্ট (০৩৪১-৫১৩৫০)। এ ছাড়া কক্সবাজার সৈকতের কাছাকাছি অন্যান্য ভালো মানের হোটেল হল সুগন্ধা সৈকতে হোটেল, প্রাসাদ প্যারাডাইস (০১৫৫৬৩৪৭৭১১), লাবনী সৈকতে হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনাল (০৩৪১-৬২৮৮১-৫), হোটেল মিশুক (০৩৪১-৬৪৩২০) ইত্যাদি।   সেন্টমার্টিন : সেন্টমার্টিনকে অনেকেই স্বর্গীয় দ্বীপ বলেন। কক্সবাজার না গিয়ে সরাসরি সেন্টমার্টিন যেতে পারেন। এখানেও রয়েছে ভালো মানের থাকার হোটেল। সায়েদাবাদ, কলাবাগান ও কল্যাণপুর থেকে বিভিন্ন বাস ছেড়ে যায়। বাস সরাসরি যাবে টেকনাফ ঘাটে। সেখান থেকে টিকিট কেটে জাহাজে চেপে যেতে পারবেন সেন্টমার্টিন। সমুদ্রপথের এই যাত্রা আপনাকে এনে দেবে মোহনীয় অনুভূতি। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায় দুরপাল্লার বেশকিছু গাড়ি। বাসে ভাড়া লাগবে এসি ৮০০–১২০০ এবং নন-এসি ৪০০-৭০০ টাকা। কক্সবাজার তো গেলেন তারপর বাসে ৩০-৫০ টাকা, ট্যাক্সিতে ৪০-৬০ টাকা অথবা রিজার্ভ মাইক্রোবাসে টেকনাফ যেতে ভাড়া লাগবে ৫০০-১০০০ টাকা (৮-১০ সিট)। ঢাকা থেকে সেন্টমার্টিন পরিবহন সরাসরি টেকনাফে যায়। ভাড়া দেড় হাজার টাকা। সেখান থেকে কেয়ারি সিন্দাবাদ জাহাজে সেন্টমার্টিনে যাওয়া যাবে।   bandarban   চট্টগ্রাম : বন্দরনগরী চট্টগ্রামে রয়েছে ফয়েস লেক। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন এখানে। রয়েছে থাকার মতো মানসম্মত কটেজ। এ ছাড়া রয়েছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। শহরের মধ্যেও রয়েছে ভালো মানের হোটেল। সেখান থেকে ঘুরে আসতে পারেন সমুদ্র সৈকতে। সৈকত ছাড়াও পাহাড়, টিলার মুখোমুখি হবেন বারবার। চট্টগ্রাম শহরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে পুরনো ও সুবিশাল তীর্থস্থান হচ্ছে কৈবল্যধাম। এটি পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত। রানী রাসমণি বিচ- প্রায় বছর তিনেক ধরে এটি জমে উঠেছে। পর্যটকরা এ স্পটটির কথা এখনও তেমন একটা জানেন না। টাইগার পাস এবং লালখান বাজারের মাঝামাঝি অবস্থান বাটালি পাহাড়ের। যেতে পারেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত পাহাড়ের উপরে স্থাপিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় চারদিকেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ছোট-বড় অসংখ্য পাহাড়। পাহাড় কেটে কেটে যে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে তা যে কাউকেই মুগ্ধ করবে। ট্রেনে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে শোভন শ্রেণির ভাড়া ২৬৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৮৫ টাকা, শোভন চেয়ার ৩২০ থেকে ৩৪৫, এসি চেয়ার ৬১০ থেকে ৬৫৬, এসি সিট ৭৩১ থেকে ৭৮৮ ও এসি বার্থ ১০৯৩ থেকে ১১৮৯ টাকা হবে। বাসে  ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা নন এসি বাস। এসি এগারোশ থেকে পনেরো টাকা পর্যন্ত।   রাঙ্গামাটি : ঈদের ছুটিতে ঘুরতে আসতে পারেন এখানে। রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেক ছাড়াও জেলার সর্বত্রই রয়েছে নানান বৈচিত্র্য। বছরের  বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রূপে সাজে এই জায়গাগুলো। তবে আসল রূপ দেখা যায় বর্ষায়। ঢাকা থেকে সরাসরি রাঙ্গমাটি যায় শ্যামলী পরিবহনের এসি বাস। ভাড়া সাড়ে ৮০০ টাকা। এছাড়া ডলফিন পরিবহন, এস আলম, সৌদিয়া পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, ইউনিক সার্ভিস ইত্যাদি  নন এসি বাসও যায় রাঙ্গামটি। ভাড়া জনপ্রতি সাড়ে ৫০০  থেকে ৬০০ টাকা। এ ছাড়া চট্টগ্রাম শহরের সিনেমা প্যালেস এবং বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতি বিশ মিনিট পর পর  রাঙ্গামাটির উদ্দেশে ছেড়ে যায় বিরতিহীন বাস। ভাড়া জনপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকা।   রাঙ্গামাটি ভ্রমণে থাকার জন্য সবচেয়ে ভালো পর্যটন মোটেল (০৩৫১-৬৩১২৬)। এখানকার ননএসি কক্ষ দেড় হাজার টাকা। এসিকক্ষ আড়াই হাজার টাকা এবং ট্রাইবাল কটেজ ১ হাজার ৭০০ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা। রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেইকে পর্যটক। ঢাকার মহাখালীতে পর্যটন করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় থেকেও এ মোটেলের বুকিং দেওয়া যায়। এ ছাড়া রাঙ্গামাটি শহরের অন্যান্য সাধারণ মানের হোটেল হল: কাঠালতলীতে হোটেল সুফিয়া (০৩৫১-৬২১৪৫)। রিজার্ভ বাজারে হোটেল গ্রীন ক্যাসেল (০৩৫১-৬৩২৮২)। পর্যটন রোডে হোটেল মাউন্টেন ভিউ (০৩৫১-৬২৮৪৮) ইত্যাদি। এসব হোটেলে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকায় কক্ষ আছে।   khagrachori   খাগড়াছড়ি : সৌন্দর্যে ভরপুর খাগড়াছড়ি জেলা নিজেকে স্বতন্ত্র করেছে অনন্য বৈশিষ্ট্যে। আকাশ-পাহাড়ের মিতালি,  উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র আর পাহাড়ে মেঘের বাড়ি। আর যেদিকেই চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর রহস্যময় ঘেরা এই খাগড়াছড়ি। মূলত প্রকৃতিপ্রেমী, অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় বা ভ্রমণবিলাসীদের জন্য আদর্শ স্থান এটি। ভ্রমণ পিপাসুরা যদি মনে করেন আজই যাবেন তাহলে আজই যেতে পারেন। তবে কেউ যদি সাজেক রিসোর্ট কিংবা রুনময় রিসোর্টে থাকতে চান সেক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হবে কারণ সেখানে অগ্রিম রুম বুকিং না দিলে ও সব ভাড়া পরিশোধ করে অনুমতি না নিয়ে গেলে রাত্রি যাপন করা যাবে না। যারা সেখানে থাকতে চান তারা আগেভাগে বুকিং দিতে পারেন। আর যারা অত পরিকল্পনা করে যেতে চান না তাদের জন্য সমস্যা নেই। সেনাবাহিনীর রিসোর্টে না থাকতে পারলেও সেখানকার নৃগোষ্ঠীর পরিবারের উদ্যোগে ছোট ছোট করে কাঠের ঘর তৈরি করা হয়েছে পর্যটকদের থাকার জন্য। ওই সব রুমে ভাড়া ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা। সেখানেও থাকতে পারবেন। আর সেনাবাহিনীর রিসোর্টের ভাড়া ২৫০০ থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। সেখানে সামরিক বাহিনীর বর্তমান কর্মকর্তা ও সাবেক কর্মকর্তাদের জন্য রয়েছে ভিন্ন ভাড়া। সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা ভাড়া। বিদেশিদের জন্য রয়েছে আলাদা ভাড়া। এ ছাড়া তাদের রিসোর্টে থাকতে পারেন বেসরকারি ব্যক্তিরা। তাদের জন্য ভাড়া বেশি। এর পাশাপাশি তাকে একজন সামরিক কর্মকর্তার রেফারেন্স ব্যবহার করতে হবে।   বান্দরবান : মেঘের দেশ বান্দরবান। জেলা শহরের প্রবেশদ্বার প্রান্তিক লেক ও মেঘলা থেকে শুরু করে বড়মদক-লেক্রি, তাজিংডং-কেওক্রাডং, রাইনক্ষ্যং ট্রায়াঙ্গেল ও সিপ্পিতং পাহাড় পর্যন্ত অসংখ্য আকর্ষণীয় স্থান রয়েছে বান্দরবানে। শহর ও শহরতলির খুব কাছাকাছি রয়েছে বেশ কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্র। নীলাচল, স্বর্ণমন্দির, রামজাদি, শৈলপ্রপাতসহ অনেকগুলো আকর্ষণীয় স্থানে সারা অপরূপ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত স্বর্ণ জাদি মন্দির যেতে পারেন। জেলা শহরের ক্যচিংঘাটা থেকে নৌকাভ্রমণও করা যায়। নিজস্ব গাড়ি না থাকলে বাসস্টেশনের কয়েকশ গজ দূরত্বে অফিসার্স ক্লাবসংলগ্ন এলাকায় রেন্ট-এ-কারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্যাকেজ ভাড়া নেওয়া যায়। প্রেসক্লাব চত্বরের সাঙ্গু সেতুর গোড়া থেকে মহেন্দ্র ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাও ভাড়া নেওয়া যেতে পারে। আরেকটু দূরে যেতে চাইলে যেতে পারেন চিম্বুক, সীতাপাহাড়, নীলগিরি, জীবননগর ও থানচি। থানচির দক্ষিণে তিন্দু, রেমাক্রি, নাফাকুম, বড় মদক হয়ে ঘুরে আসতে পারেন সাঙ্গু প্রাকৃতিক সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। রুমা উপজেলায় বগা লেক, কেওক্রাডং, তাজিংডং এবং আরও দূরে সাইক্ষ্যং যেতে পারেন। অথবা রাইনক্ষ্যং পাহাড় ও পাহাড়ের ওপর রাইনক্ষ্যং পুকুর, বাংলাদেশ-ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের ট্রায়াঙ্গেল পাহাড়েও যাওয়া যায়। রোয়াংছড়ির রনিংপাড়া হয়ে সিপ্পি পাহাড়েও ট্র্যাকিং করা যায়। বান্দরবান থেকে থানচি হয়ে রংরাং পাহাড় ও ডিম পাহাড় যাওয়া যায়। সেখান থেকে আবার আলীকদমের আলীসুড়ঙ্গ, লামার মিরিঞ্জা পর্যটন দেখে চকরিয়া এসে চট্টগ্রাম অথবা কক্সবাজারে যাওয়া সহজ।   ঢাকা থেকে সরাসরি বান্দরবান যায় শ্যামলী ও সেন্টমার্টিন এক্সপ্রেস। ভাড়া সাড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। এ ছাড়া আছে এস আলম সার্ভিস, ডলফিন পরিবহন, সৌদিয়া পরিবহন এবং ইউনিক সার্ভিস। প্রতিদিন সকালে ও রাতে, কলাবাগান ফকিরাপুল এবং কমলাপুর থেকে ছাড়ে বাসগুলো। ভাড়া সাড়ে ৫০০ থেকে সাড়ে ৬০০ টাকা। এ ছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়েও বান্দরবান যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবানের বাসগুলো ছাড়ে বদ্দারহাট বাস স্টেশন থেকে। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উভয়রুটে পূর্বানী ও পূরবী পরিবহনের বাসগুলো চলাচল করে। ভাড়া ৭০ থেকে ৮০ টাকা। বান্দরবানে থাকার জন্য ভালো জায়গা হল: পর্যটন মোটেল (০৩৬১-৬২৭৪১)। মিলনছড়িতে গাইড ট্যুরসের হিলসাইড রিসোর্ট, ঢাকার এই নম্বরে ৯৮৮৬৯৮৩ বুকিং দেওয়া যায়। এ ছাড়া বান্দরবানের অন্যান্য হোটেলগুলোর মধ্যে আছে হলিডে ইন (০১৮৫৬৬৯৯৯১১)। প্লাজা বান্দরবান (০৩৬১-৬৩২৫২)। হোটেল পূরবী (০৩৬১-৬২৫৩১) ইত্যাদি। এসব হোটেলে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় কক্ষ আছে।   সুন্দরবন ভ্রমণ : সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন। বাংলাদেশের দক্ষিণে খুলনা জেলায় এটি অবস্থিত। সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাঘ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের জন্য বিখ্যাত। সুন্দরবন ভ্রমণে যেতে ভ্রমণ সংস্থা বেঙ্গল ট্যুরসের প্যাকেজ আছে। খুলনা-সুন্দরবন-খুলনা, ৩ রাত ৩ দিনের এ ভ্রমণে জনপ্রতি খরচ হবে ১০,০০০ টাকা, বিদেশিদের জন্য ১৫,০০০ টাকা। ভ্রমণ মূল্যে অন্তর্ভুক্ত খুলনা-সুন্দরবন-খুলনা যাতায়াত, ভ্রমণকালীন থাকা, খাবার, সুন্দরবনে প্রবেশ মূল্য, নিরাপত্তা কর্মী, গাইড সেবা প্রভৃতি। ফোন :০২-৫৫০৩৪৩৮৫, ০১৭৭৫১০৫৩৫১।সময় ভেদে প্যাকেজের এমাউন্ট বাড়তে বা কমতে পারে।   sundorban   ঢাকা থেকে সরাসরি খুলনা যেতে পারেন সড়ক ও রেলপথে। ঢাকার কল্যাণপুর, গাবতলী থেকে ঈগল পরিবহন, গ্রিন লাইন পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, ইয়োলো লাইনের এসি বাস যায় খুলনা। ভাড়া ১০০০-১২০০ টাকা। এ ছাড়া ঈগল, সোহাগ, হানিফ, সৌদিয়া, দ্রুতি ইত্যাদি পরিবহনের নন-এসি বাসও চলে এ পথে। ভাড়া জনপ্রতি ৪৫০-৬০০ টাকা। তবে ঈদের সময়ে এসব ভাড়ার তারতম্য হয়ে থাকে। ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে সপ্তাহের বুধবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৬টা ২০ মিনিটে আন্তঃনগর ট্রেন সুন্দরবন এক্সপ্রেস এবং সোমবার ছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭ টায় আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস যায় খুলনা। ভাড়া ৩৯০-১৫৯৯ টাকা।   সিলেট : চায়ের দেশ সিলেট। রয়েছে শাহ জালাল, শাহ পরানের মাজার। রয়েছে রূপ কন্যা হিসাবে পরিচিত জাফলং। যা কিনা দেশে এবং বিদেশে পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলাভূমি খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং। তা ছাড়া  ঘুরে আসতে পারেন লালাখাল, বিছানাকান্দি। আর শহরের খুব কাছেই রয়েছে খাদিমনগর চা বাগান। ঢাকা থেকে সড়ক, রেল ও আকাশ পথে সরাসরি সিলেট যাওয়া যায়। ঢাকার ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে সিলেটের বাসগুলো ছাড়ে। এ পথে গ্রীন লাইন পরিবহন, সৌদিয়া এস আলম পরিবহন, শ্যামলি পরিবহন ও এনা পরিবহনের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ৮০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা। শ্যামলী পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, ইউনিক সার্ভিস এনা পরিবহনের পরিবহনের ননএসি বাস সিলেটে যায়। ভাড়া ৪০০  থেকে সাড়ে ৪০০ টাকা। এনা পরিবহনের বাসগুলো মহাখালী থেকে ছেড়ে টঙ্গী ঘোড়াশাল হয়ে সিলেট যায়।   sylet   ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে যায় আন্তঃনগর ট্রেন পারাবত এক্সপ্রেস। সপ্তাহের প্রতিদিন দুপুর ২টায় ছাড়ে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস এবং বুধবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন রাত ৯টা ৫০ মিনিটে ছাড়ে উপবন এক্সপ্রেস। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৪ টায় ছাড়ে কালনী এক্সপ্রেস। ভাড়া দেড়শ থেকে ১ হাজার ১৮ টাকা। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউনাইটেড এয়ার, রিজেন্ট এয়ার, নভো এয়ার এবং ইউএস বাংলা এয়ারের বিমান যায় সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে। সিলেট শহরে থাকার জন্য বেশকিছু  ভালো মানের হোটেল আছে। শহরের নাইওরপুল এলাকায় হোটেল ফরচুন গার্ডেন (০৮২১-৭১৫৫৯০)। জেল সড়কে হোটেল ডালাস (০৮২১-৭২০৯৪৫)। ভিআইপি সড়কে হোটেল হিলটাউন (০৮২১-৭১৮২৬৩)। লিঙ্ক রোডে হোটেল গার্ডেন ইন (০৮২১-৮১৪৫০৭)। আম্বরখানায় হোটেল পলাশ (০৮২১-৭১৮৩০৯)। দরগা এলাকায় হোটেল দরগাগেইট (০৮২১-৭১৭০৬৬)। হোটেল উর্মি (০৮২১-৭১৪৫৬৩)। জিন্দাবাজারে হোটেল মুন লাইট (০৮২১-৭১৪৮৫০)। তালতলায় গুলশান সেন্টার (০৮২১-৭১০০১৮) ইত্যাদি। এসব হোটেলে ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় রাত যাপনের ব্যবস্থা আছে।   শ্রীমঙ্গল : বাংলাদেশের ভ্রমণ পিপাসু মানুষের পছন্দের জায়গা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল। এখানে রয়েছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বাইক্কার বিলসহ আরো অনেক কিছু। বিশেষ করে বর্ষায় এই এলাকার সৌন্দর্য পায় ভিন্ন এক মাত্রা। ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে যাওয়া যায় শ্রীমঙ্গল। সেখানে রয়েছে থাকার মতো অনেক হোটেল। কয়েকটি চমৎকার রিসোর্ট আছে এখানে। ঢাকা থেকে শ্রীমঙ্গলের ভাড়া শোভন ২০০ টাকা। শোভন চেয়ার ২৪০ টাকা, প্রথম চেয়ার ৩২০ টাকা, প্রথম শ্রেণি বার্থ ৪৮০ টাকা, স্নিগ্ধা ৪৬০ টাকা, এসি সিট ৫৫২ টাকা, এসি বার্থ ৮২৮ টাকা। ঢাকার ফকিরাপুল ও সায়দাবাদ থেকে হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সিলেট এক্সপ্রেস, সৌদিয়া পরিবহনের ননএসি বাস শ্রীমঙ্গল হয়ে মৌলভীবাজার। ভাড়া ননএসি বাসে সাড়ে ৩০০ থেকে ৩৮০ টাকা। শ্রীমঙ্গল শহরে পর্যটকদের থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল রিসোর্ট আছে। শ্রীমঙ্গলের ভানুগাছ সড়কের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ঘেঁষে আছে আছে পাঁচ তারকা মানের গ্রান্ড সুলতান গলফ রিসোর্ট (০২-৯৮৫৮৮২৭)। তবে মধ্যম বাজেটে থাকার জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা ভানুগাছ সড়কে টি রিসোর্ট (০৮৬২৬-৭১২০৭, ০১৭১২৯১৬০০১)। শ্রীমঙ্গলের অন্যান্য রিসোর্ট হল- হবিগঞ্জ সড়কে রেইন ফরেস্ট রিসোর্ট (০২-৯৫৫৩৫৭০, ০১৯৩৮৩০৫৭০৭) ও টি টাউন রেস্ট হাউস (০৮৬২৬-৭১০৬৫)। রাধানগরে চমৎকার দুটি রিসোর্ট হল- নিসর্গ নিরব ইকো রিসোর্ট (০১৭১৫০৪১২০৭) এবং নিসর্গ লিচিবাড়ি ইকো রির্সোট (০১৭১৬৯৩৯৫৪০)।রাধানগরের আরো দুটি অসাধারণ রিসোর্ট শান্তি বাড়ি রিসোর্ট (০১৭১৬১৮৯২৮৮), হারমিটেজ কটেজ (০১৯৩২৮৩১৬৫৩)। লাউয়াছড়া জঙ্গল সংলগ্ন লেমন গার্ডেন রিসোর্ট (০১৭৬৩৪৪৪০০০, ০১৭৫৮৭৭১৪৯২)। এসব হোটেল রিসোর্টে ১ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকায় কক্ষ আছে।  

Comments

Comments!

 মন রাঙাতে জলে বা জঙ্গলেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মন রাঙাতে জলে বা জঙ্গলে

Saturday, October 22, 2016 10:45 pm
cox1477054514

প্রতি বছর বিভিন্ন পার্বণে ছুটি পাওয়া যায়। এ সময় পরিবার নিয়ে অথবা বন্ধুদের সঙ্গে অনেকে ঘুরতে বের হন।

 

আশার কথা হলো, এমন লোকের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। আবার সুযোগ পেলেই দেশ ছেড়ে বিদেশে ঘুরতে যাওয়া লোকজনের সংখ্যাও অনেক। তবে বাংলাদেশে ভ্রমণ করার মতো রয়েছে অনেক জায়গা। রাজধানী ছেড়ে দূরে কোথাও যাওয়ার পরিকল্পনাটা তাই অনেকাংশে বেশি প্রযোজ্য। সে ক্ষেত্রে পরিবারের সঙ্গে অথবা বন্ধুদের সঙ্গে একটু খোলা পরিবেশে ঘুরে আসা যায়। সে জন্য সব যান্ত্রিকতা ভুলে চলে যেতে পারেন প্রকৃতির খুব কাছে। হাতে গোনা কয়েকটি বাদে দর্শনীয় অনেক স্থানের বিষয়ে অনেকেই অবগত নয়। ঘুরতে যাওয়ার মতো কয়েকটি স্থান নিয়েই এই লেখা।

 

কক্সবাজার : বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত- এতো জানা কথা। সারা বছরই পর্যটকদের কমবেশি আনাগোনা থাকে। তবে ছুটিতে ভিড় বাড়ে অন্য সময়গুলোর তুলনায়। ঈদের ছুটিতে তো পর্যটকদের ঢল নামে। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য স্থান। রয়েছে নানান মানের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট। তা ছাড়া পর্যটকদের ভ্রমণকে নির্বিঘ্ন করতে আছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঢাকার সায়েদাবাদ, কলাবাগান ও কল্যাণপুর থেকে বিভিন্ন মানের বাস ছেড়ে যায়। ভাড়া কমবেশি ৭০০ থেকে ২০০০ টাকা। কক্সবাজারে পর্যটকদের জন্য বেশকিছু হোটেল আছে। ধরণ অনুযায়ী এসব হোটেলের প্রতি দিনের রুম ভাড়া ১ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা। কক্সবাজারের সর্বাধুনিক হোটেলগুলো হল: কলাতলী সড়কে ওশেন প্যারাডাইস (০৩৪১-৫২৩৭০, ৫২৩৭৯) ও লংবিচ (০৩৪১-৫১৮৪৩-৬), সৈকত সড়কে কক্স টুডে (০৩৪১-৫২৪১০-২২) ও সি-গাল (০৩৪১-৬২৪৮০-৯১)। কলাতলী সৈকতে সায়মন বিচ রিসোর্ট (০৩৪১-৫১৩৫০)। এ ছাড়া কক্সবাজার সৈকতের কাছাকাছি অন্যান্য ভালো মানের হোটেল হল সুগন্ধা সৈকতে হোটেল, প্রাসাদ প্যারাডাইস (০১৫৫৬৩৪৭৭১১), লাবনী সৈকতে হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনাল (০৩৪১-৬২৮৮১-৫), হোটেল মিশুক (০৩৪১-৬৪৩২০) ইত্যাদি।

 

সেন্টমার্টিন : সেন্টমার্টিনকে অনেকেই স্বর্গীয় দ্বীপ বলেন। কক্সবাজার না গিয়ে সরাসরি সেন্টমার্টিন যেতে পারেন। এখানেও রয়েছে ভালো মানের থাকার হোটেল। সায়েদাবাদ, কলাবাগান ও কল্যাণপুর থেকে বিভিন্ন বাস ছেড়ে যায়। বাস সরাসরি যাবে টেকনাফ ঘাটে। সেখান থেকে টিকিট কেটে জাহাজে চেপে যেতে পারবেন সেন্টমার্টিন। সমুদ্রপথের এই যাত্রা আপনাকে এনে দেবে মোহনীয় অনুভূতি। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারের উদ্দেশে ছেড়ে যায় দুরপাল্লার বেশকিছু গাড়ি। বাসে ভাড়া লাগবে এসি ৮০০–১২০০ এবং নন-এসি ৪০০-৭০০ টাকা। কক্সবাজার তো গেলেন তারপর বাসে ৩০-৫০ টাকা, ট্যাক্সিতে ৪০-৬০ টাকা অথবা রিজার্ভ মাইক্রোবাসে টেকনাফ যেতে ভাড়া লাগবে ৫০০-১০০০ টাকা (৮-১০ সিট)। ঢাকা থেকে সেন্টমার্টিন পরিবহন সরাসরি টেকনাফে যায়। ভাড়া দেড় হাজার টাকা। সেখান থেকে কেয়ারি সিন্দাবাদ জাহাজে সেন্টমার্টিনে যাওয়া যাবে।

 

bandarban

 

চট্টগ্রাম : বন্দরনগরী চট্টগ্রামে রয়েছে ফয়েস লেক। পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরে আসতে পারেন এখানে। রয়েছে থাকার মতো মানসম্মত কটেজ। এ ছাড়া রয়েছে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। শহরের মধ্যেও রয়েছে ভালো মানের হোটেল। সেখান থেকে ঘুরে আসতে পারেন সমুদ্র সৈকতে। সৈকত ছাড়াও পাহাড়, টিলার মুখোমুখি হবেন বারবার। চট্টগ্রাম শহরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে পুরনো ও সুবিশাল তীর্থস্থান হচ্ছে কৈবল্যধাম। এটি পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থিত। রানী রাসমণি বিচ- প্রায় বছর তিনেক ধরে এটি জমে উঠেছে। পর্যটকরা এ স্পটটির কথা এখনও তেমন একটা জানেন না। টাইগার পাস এবং লালখান বাজারের মাঝামাঝি অবস্থান বাটালি পাহাড়ের। যেতে পারেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত পাহাড়ের উপরে স্থাপিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় চারদিকেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে ছোট-বড় অসংখ্য পাহাড়। পাহাড় কেটে কেটে যে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে তা যে কাউকেই মুগ্ধ করবে। ট্রেনে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে শোভন শ্রেণির ভাড়া ২৬৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৮৫ টাকা, শোভন চেয়ার ৩২০ থেকে ৩৪৫, এসি চেয়ার ৬১০ থেকে ৬৫৬, এসি সিট ৭৩১ থেকে ৭৮৮ ও এসি বার্থ ১০৯৩ থেকে ১১৮৯ টাকা হবে। বাসে  ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা নন এসি বাস। এসি এগারোশ থেকে পনেরো টাকা পর্যন্ত।

 

রাঙ্গামাটি : ঈদের ছুটিতে ঘুরতে আসতে পারেন এখানে। রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেক ছাড়াও জেলার সর্বত্রই রয়েছে নানান বৈচিত্র্য। বছরের  বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন রূপে সাজে এই জায়গাগুলো। তবে আসল রূপ দেখা যায় বর্ষায়। ঢাকা থেকে সরাসরি রাঙ্গমাটি যায় শ্যামলী পরিবহনের এসি বাস। ভাড়া সাড়ে ৮০০ টাকা। এছাড়া ডলফিন পরিবহন, এস আলম, সৌদিয়া পরিবহন, শ্যামলী পরিবহন, ইউনিক সার্ভিস ইত্যাদি  নন এসি বাসও যায় রাঙ্গামটি। ভাড়া জনপ্রতি সাড়ে ৫০০  থেকে ৬০০ টাকা। এ ছাড়া চট্টগ্রাম শহরের সিনেমা প্যালেস এবং বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল থেকে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতি বিশ মিনিট পর পর  রাঙ্গামাটির উদ্দেশে ছেড়ে যায় বিরতিহীন বাস। ভাড়া জনপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকা।

 

রাঙ্গামাটি ভ্রমণে থাকার জন্য সবচেয়ে ভালো পর্যটন মোটেল (০৩৫১-৬৩১২৬)। এখানকার ননএসি কক্ষ দেড় হাজার টাকা। এসিকক্ষ আড়াই হাজার টাকা এবং ট্রাইবাল কটেজ ১ হাজার ৭০০ থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা। রাঙ্গামাটির কাপ্তাই লেইকে পর্যটক। ঢাকার মহাখালীতে পর্যটন করপোরেশনের প্রধান কার্যালয় থেকেও এ মোটেলের বুকিং দেওয়া যায়। এ ছাড়া রাঙ্গামাটি শহরের অন্যান্য সাধারণ মানের হোটেল হল: কাঠালতলীতে হোটেল সুফিয়া (০৩৫১-৬২১৪৫)। রিজার্ভ বাজারে হোটেল গ্রীন ক্যাসেল (০৩৫১-৬৩২৮২)। পর্যটন রোডে হোটেল মাউন্টেন ভিউ (০৩৫১-৬২৮৪৮) ইত্যাদি। এসব হোটেলে ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকায় কক্ষ আছে।

 

khagrachori

 

খাগড়াছড়ি : সৌন্দর্যে ভরপুর খাগড়াছড়ি জেলা নিজেকে স্বতন্ত্র করেছে অনন্য বৈশিষ্ট্যে। আকাশ-পাহাড়ের মিতালি,  উপজাতীয় সংস্কৃতির বৈচিত্র আর পাহাড়ে মেঘের বাড়ি। আর যেদিকেই চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আর রহস্যময় ঘেরা এই খাগড়াছড়ি। মূলত প্রকৃতিপ্রেমী, অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় বা ভ্রমণবিলাসীদের জন্য আদর্শ স্থান এটি। ভ্রমণ পিপাসুরা যদি মনে করেন আজই যাবেন তাহলে আজই যেতে পারেন। তবে কেউ যদি সাজেক রিসোর্ট কিংবা রুনময় রিসোর্টে থাকতে চান সেক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হবে কারণ সেখানে অগ্রিম রুম বুকিং না দিলে ও সব ভাড়া পরিশোধ করে অনুমতি না নিয়ে গেলে রাত্রি যাপন করা যাবে না। যারা সেখানে থাকতে চান তারা আগেভাগে বুকিং দিতে পারেন। আর যারা অত পরিকল্পনা করে যেতে চান না তাদের জন্য সমস্যা নেই। সেনাবাহিনীর রিসোর্টে না থাকতে পারলেও সেখানকার নৃগোষ্ঠীর পরিবারের উদ্যোগে ছোট ছোট করে কাঠের ঘর তৈরি করা হয়েছে পর্যটকদের থাকার জন্য। ওই সব রুমে ভাড়া ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা। সেখানেও থাকতে পারবেন। আর সেনাবাহিনীর রিসোর্টের ভাড়া ২৫০০ থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত রয়েছে। সেখানে সামরিক বাহিনীর বর্তমান কর্মকর্তা ও সাবেক কর্মকর্তাদের জন্য রয়েছে ভিন্ন ভাড়া। সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা ভাড়া। বিদেশিদের জন্য রয়েছে আলাদা ভাড়া। এ ছাড়া তাদের রিসোর্টে থাকতে পারেন বেসরকারি ব্যক্তিরা। তাদের জন্য ভাড়া বেশি। এর পাশাপাশি তাকে একজন সামরিক কর্মকর্তার রেফারেন্স ব্যবহার করতে হবে।

 

বান্দরবান : মেঘের দেশ বান্দরবান। জেলা শহরের প্রবেশদ্বার প্রান্তিক লেক ও মেঘলা থেকে শুরু করে বড়মদক-লেক্রি, তাজিংডং-কেওক্রাডং, রাইনক্ষ্যং ট্রায়াঙ্গেল ও সিপ্পিতং পাহাড় পর্যন্ত অসংখ্য আকর্ষণীয় স্থান রয়েছে বান্দরবানে। শহর ও শহরতলির খুব কাছাকাছি রয়েছে বেশ কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্র। নীলাচল, স্বর্ণমন্দির, রামজাদি, শৈলপ্রপাতসহ অনেকগুলো আকর্ষণীয় স্থানে সারা অপরূপ স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত স্বর্ণ জাদি মন্দির যেতে পারেন। জেলা শহরের ক্যচিংঘাটা থেকে নৌকাভ্রমণও করা যায়। নিজস্ব গাড়ি না থাকলে বাসস্টেশনের কয়েকশ গজ দূরত্বে অফিসার্স ক্লাবসংলগ্ন এলাকায় রেন্ট-এ-কারের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্যাকেজ ভাড়া নেওয়া যায়। প্রেসক্লাব চত্বরের সাঙ্গু সেতুর গোড়া থেকে মহেন্দ্র ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাও ভাড়া নেওয়া যেতে পারে। আরেকটু দূরে যেতে চাইলে যেতে পারেন চিম্বুক, সীতাপাহাড়, নীলগিরি, জীবননগর ও থানচি। থানচির দক্ষিণে তিন্দু, রেমাক্রি, নাফাকুম, বড় মদক হয়ে ঘুরে আসতে পারেন সাঙ্গু প্রাকৃতিক সংরক্ষিত বনাঞ্চলে। রুমা উপজেলায় বগা লেক, কেওক্রাডং, তাজিংডং এবং আরও দূরে সাইক্ষ্যং যেতে পারেন। অথবা রাইনক্ষ্যং পাহাড় ও পাহাড়ের ওপর রাইনক্ষ্যং পুকুর, বাংলাদেশ-ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের ট্রায়াঙ্গেল পাহাড়েও যাওয়া যায়। রোয়াংছড়ির রনিংপাড়া হয়ে সিপ্পি পাহাড়েও ট্র্যাকিং করা যায়। বান্দরবান থেকে থানচি হয়ে রংরাং পাহাড় ও ডিম পাহাড় যাওয়া যায়। সেখান থেকে আবার আলীকদমের আলীসুড়ঙ্গ, লামার মিরিঞ্জা পর্যটন দেখে চকরিয়া এসে চট্টগ্রাম অথবা কক্সবাজারে যাওয়া সহজ।

 

ঢাকা থেকে সরাসরি বান্দরবান যায় শ্যামলী ও সেন্টমার্টিন এক্সপ্রেস। ভাড়া সাড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। এ ছাড়া আছে এস আলম সার্ভিস, ডলফিন পরিবহন, সৌদিয়া পরিবহন এবং ইউনিক সার্ভিস। প্রতিদিন সকালে ও রাতে, কলাবাগান ফকিরাপুল এবং কমলাপুর থেকে ছাড়ে বাসগুলো। ভাড়া সাড়ে ৫০০ থেকে সাড়ে ৬০০ টাকা। এ ছাড়া ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়েও বান্দরবান যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবানের বাসগুলো ছাড়ে বদ্দারহাট বাস স্টেশন থেকে। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উভয়রুটে পূর্বানী ও পূরবী পরিবহনের বাসগুলো চলাচল করে। ভাড়া ৭০ থেকে ৮০ টাকা। বান্দরবানে থাকার জন্য ভালো জায়গা হল: পর্যটন মোটেল (০৩৬১-৬২৭৪১)। মিলনছড়িতে গাইড ট্যুরসের হিলসাইড রিসোর্ট, ঢাকার এই নম্বরে ৯৮৮৬৯৮৩ বুকিং দেওয়া যায়। এ ছাড়া বান্দরবানের অন্যান্য হোটেলগুলোর মধ্যে আছে হলিডে ইন (০১৮৫৬৬৯৯৯১১)। প্লাজা বান্দরবান (০৩৬১-৬৩২৫২)। হোটেল পূরবী (০৩৬১-৬২৫৩১) ইত্যাদি। এসব হোটেলে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায় কক্ষ আছে।

 

সুন্দরবন ভ্রমণ : সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন। বাংলাদেশের দক্ষিণে খুলনা জেলায় এটি অবস্থিত। সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বাঘ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের জন্য বিখ্যাত। সুন্দরবন ভ্রমণে যেতে ভ্রমণ সংস্থা বেঙ্গল ট্যুরসের প্যাকেজ আছে। খুলনা-সুন্দরবন-খুলনা, ৩ রাত ৩ দিনের এ ভ্রমণে জনপ্রতি খরচ হবে ১০,০০০ টাকা, বিদেশিদের জন্য ১৫,০০০ টাকা। ভ্রমণ মূল্যে অন্তর্ভুক্ত খুলনা-সুন্দরবন-খুলনা যাতায়াত, ভ্রমণকালীন থাকা, খাবার, সুন্দরবনে প্রবেশ মূল্য, নিরাপত্তা কর্মী, গাইড সেবা প্রভৃতি। ফোন :০২-৫৫০৩৪৩৮৫, ০১৭৭৫১০৫৩৫১।সময় ভেদে প্যাকেজের এমাউন্ট বাড়তে বা কমতে পারে।

 

sundorban

 

ঢাকা থেকে সরাসরি খুলনা যেতে পারেন সড়ক ও রেলপথে। ঢাকার কল্যাণপুর, গাবতলী থেকে ঈগল পরিবহন, গ্রিন লাইন পরিবহন, সোহাগ পরিবহন, ইয়োলো লাইনের এসি বাস যায় খুলনা। ভাড়া ১০০০-১২০০ টাকা। এ ছাড়া ঈগল, সোহাগ, হানিফ, সৌদিয়া, দ্রুতি ইত্যাদি পরিবহনের নন-এসি বাসও চলে এ পথে। ভাড়া জনপ্রতি ৪৫০-৬০০ টাকা। তবে ঈদের সময়ে এসব ভাড়ার তারতম্য হয়ে থাকে। ঢাকার কমলাপুর রেল স্টেশন থেকে সপ্তাহের বুধবার ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৬টা ২০ মিনিটে আন্তঃনগর ট্রেন সুন্দরবন এক্সপ্রেস এবং সোমবার ছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭ টায় আন্তঃনগর চিত্রা এক্সপ্রেস যায় খুলনা। ভাড়া ৩৯০-১৫৯৯ টাকা।

 

সিলেট : চায়ের দেশ সিলেট। রয়েছে শাহ জালাল, শাহ পরানের মাজার। রয়েছে রূপ কন্যা হিসাবে পরিচিত জাফলং। যা কিনা দেশে এবং বিদেশে পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় একটি স্থান। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলাভূমি খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং। তা ছাড়া  ঘুরে আসতে পারেন লালাখাল, বিছানাকান্দি। আর শহরের খুব কাছেই রয়েছে খাদিমনগর চা বাগান। ঢাকা থেকে সড়ক, রেল ও আকাশ পথে সরাসরি সিলেট যাওয়া যায়। ঢাকার ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে সিলেটের বাসগুলো ছাড়ে। এ পথে গ্রীন লাইন পরিবহন, সৌদিয়া এস আলম পরিবহন, শ্যামলি পরিবহন ও এনা পরিবহনের এসি বাস চলাচল করে। ভাড়া ৮০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা। শ্যামলী পরিবহন, হানিফ এন্টারপ্রাইজ, ইউনিক সার্ভিস এনা পরিবহনের পরিবহনের ননএসি বাস সিলেটে যায়। ভাড়া ৪০০  থেকে সাড়ে ৪০০ টাকা। এনা পরিবহনের বাসগুলো মহাখালী থেকে ছেড়ে টঙ্গী ঘোড়াশাল হয়ে সিলেট যায়।

 

sylet

 

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে যায় আন্তঃনগর ট্রেন পারাবত এক্সপ্রেস। সপ্তাহের প্রতিদিন দুপুর ২টায় ছাড়ে জয়ন্তিকা এক্সপ্রেস এবং বুধবার ছাড়া সপ্তাহের প্রতিদিন রাত ৯টা ৫০ মিনিটে ছাড়ে উপবন এক্সপ্রেস। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৪ টায় ছাড়ে কালনী এক্সপ্রেস। ভাড়া দেড়শ থেকে ১ হাজার ১৮ টাকা। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইউনাইটেড এয়ার, রিজেন্ট এয়ার, নভো এয়ার এবং ইউএস বাংলা এয়ারের বিমান যায় সিলেটের ওসমানী বিমানবন্দরে। সিলেট শহরে থাকার জন্য বেশকিছু  ভালো মানের হোটেল আছে। শহরের নাইওরপুল এলাকায় হোটেল ফরচুন গার্ডেন (০৮২১-৭১৫৫৯০)। জেল সড়কে হোটেল ডালাস (০৮২১-৭২০৯৪৫)। ভিআইপি সড়কে হোটেল হিলটাউন (০৮২১-৭১৮২৬৩)। লিঙ্ক রোডে হোটেল গার্ডেন ইন (০৮২১-৮১৪৫০৭)। আম্বরখানায় হোটেল পলাশ (০৮২১-৭১৮৩০৯)। দরগা এলাকায় হোটেল দরগাগেইট (০৮২১-৭১৭০৬৬)। হোটেল উর্মি (০৮২১-৭১৪৫৬৩)। জিন্দাবাজারে হোটেল মুন লাইট (০৮২১-৭১৪৮৫০)। তালতলায় গুলশান সেন্টার (০৮২১-৭১০০১৮) ইত্যাদি। এসব হোটেলে ৫০০ থেকে ৪ হাজার টাকায় রাত যাপনের ব্যবস্থা আছে।

 

শ্রীমঙ্গল : বাংলাদেশের ভ্রমণ পিপাসু মানুষের পছন্দের জায়গা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল। এখানে রয়েছে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বাইক্কার বিলসহ আরো অনেক কিছু। বিশেষ করে বর্ষায় এই এলাকার সৌন্দর্য পায় ভিন্ন এক মাত্রা। ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে যাওয়া যায় শ্রীমঙ্গল। সেখানে রয়েছে থাকার মতো অনেক হোটেল। কয়েকটি চমৎকার রিসোর্ট আছে এখানে। ঢাকা থেকে শ্রীমঙ্গলের ভাড়া শোভন ২০০ টাকা। শোভন চেয়ার ২৪০ টাকা, প্রথম চেয়ার ৩২০ টাকা, প্রথম শ্রেণি বার্থ ৪৮০ টাকা, স্নিগ্ধা ৪৬০ টাকা, এসি সিট ৫৫২ টাকা, এসি বার্থ ৮২৮ টাকা। ঢাকার ফকিরাপুল ও সায়দাবাদ থেকে হানিফ এন্টারপ্রাইজ, শ্যামলী পরিবহন, সিলেট এক্সপ্রেস, সৌদিয়া পরিবহনের ননএসি বাস শ্রীমঙ্গল হয়ে মৌলভীবাজার। ভাড়া ননএসি বাসে সাড়ে ৩০০ থেকে ৩৮০ টাকা। শ্রীমঙ্গল শহরে পর্যটকদের থাকার জন্য বেশকিছু হোটেল রিসোর্ট আছে। শ্রীমঙ্গলের ভানুগাছ সড়কের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ঘেঁষে আছে আছে পাঁচ তারকা মানের গ্রান্ড সুলতান গলফ রিসোর্ট (০২-৯৮৫৮৮২৭)। তবে মধ্যম বাজেটে থাকার জন্য সবচেয়ে ভালো জায়গা ভানুগাছ সড়কে টি রিসোর্ট (০৮৬২৬-৭১২০৭, ০১৭১২৯১৬০০১)। শ্রীমঙ্গলের অন্যান্য রিসোর্ট হল- হবিগঞ্জ সড়কে রেইন ফরেস্ট রিসোর্ট (০২-৯৫৫৩৫৭০, ০১৯৩৮৩০৫৭০৭) ও টি টাউন রেস্ট হাউস (০৮৬২৬-৭১০৬৫)। রাধানগরে চমৎকার দুটি রিসোর্ট হল- নিসর্গ নিরব ইকো রিসোর্ট (০১৭১৫০৪১২০৭) এবং নিসর্গ লিচিবাড়ি ইকো রির্সোট (০১৭১৬৯৩৯৫৪০)।রাধানগরের আরো দুটি অসাধারণ রিসোর্ট শান্তি বাড়ি রিসোর্ট (০১৭১৬১৮৯২৮৮), হারমিটেজ কটেজ (০১৯৩২৮৩১৬৫৩)। লাউয়াছড়া জঙ্গল সংলগ্ন লেমন গার্ডেন রিসোর্ট (০১৭৬৩৪৪৪০০০, ০১৭৫৮৭৭১৪৯২)। এসব হোটেল রিসোর্টে ১ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকায় কক্ষ আছে।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X