রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:২৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, November 7, 2016 11:25 am
A- A A+ Print

মার্কিন নির্বাচন: ভোটের আগে নাটকীয় ঘটনা

160331_1

  যুক্তরাষ্ট্রে এবারের নির্বাচনী প্রচার নাটকীয়তায় ভরপুর। একের পর এক ঘটনা, চমকপ্রদ তথ্য আর ভোটারদের আকৃষ্ট করতে নানা কৌশল নিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন আর ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এসবে সবার কৌতূহলও লক্ষণীয়। হোয়াইট হাউসে কে বসবেন, তা নির্ধারণী ব্যালট শুরু হবে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। এক বছরের প্রচার যুদ্ধের পর্দা নামতে শুরু করলেও শেষ মুহূর্তেও নাটকীয়তার শেষ হচ্ছে না। ট্রাম্পের এক নির্বাচনী জনসভায় বন্দুক বলে সমর্থকদের একজন চিৎকার দিল। আর সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্পকে এক রকম টেনে মঞ্চ থেকে নামিয়ে নিল সিক্রেট সার্ভিসের লোকেরা। পরে জানা গেল, এটা আসলে ভুয়া; কারো হাতেই বন্দুক নেই। কিছুক্ষণ পর আবার মঞ্চে ফিরলেন ট্রাম্প।
এবারের নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে জরিপের ফলেও নাটকীয়তা দেখা যাচ্ছে। প্রথম থেকেই হিলারি প্রায় সব জরিপে ছিলেন অনেক এগিয়ে। তারপর নাটকীয়ভাবে এফবিআই পরিচালক জেমস কোমি ব্যক্তিগত সার্ভার থেকে হিলারির ই-মেইল পাঠানোর বিষয়টি তদন্তের ঘোষণা দেন। এতেই ডেমোক্রেট দলীয় প্রার্থীর জনপ্রিয়তা নেমে যায় অনেকখানি। কিন্তু চমকের শেষ হয় না। ওয়াশিংটন পোস্ট আর এবিসি নিউজের সর্বশেষ জরিপে নাটকীয়ভাবে উত্থান ঘটে হিলারির। পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে যান তিনি। নাটকীয়তার শেষ এখানেই নয়। হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আইএসের নামে গণহত্যার হুমকি প্রচার পেয়েছে। নির্বাচনের আগে এমন আতংক ভোটার উপস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ভোটে সম্ভাব্য গোলযোগের আশংকা যত বেশি প্রচার পাচ্ছে, ভোটাররাও আগাম ভোটের দিকে তত বেশিই ঝুঁকছেন। এখন পর্যন্ত রেকর্ড চার কোটির বেশি ভোটার আগাম ভোট দিয়েছেন। ভোটার উপস্থিতি কম হলে সুবিধা পাবেন ট্রাম্প। হিলারির ভোট ব্যাংক কালো হিসেবে খ্যাত আফ্রিকান-আমেরিকানদের মাঝেই আগাম ভোট দেয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। লাতিন আমেরিকান বিশেষ করে মেক্সিকো থেকে আসা হিস্পানিক ভোটারদের ভোটও ডেমোক্রেটরাই পেয়ে থাকেন। তাদের মধ্যেও আগাম ভোটের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ভোটে সাদা-কালো ফ্যাক্টরে শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে বরাবর শক্তিশালী অবস্থানে থাকেন রিপাবলিকান প্রার্থীরা। এবার সেই হিসাবে কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। শিক্ষিত সাদারা হিলারির দিকে ঝুঁকছেন। অপরদিকে কম শিক্ষিত সাদারা এবারো ট্রাম্পের পক্ষেই আছেন। পেনসিলভানিয়া, মিশিগান, উইসকনসিনের মতো শিল্পোন্নত রাজ্যগুলোয় শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এ বিভক্তি ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জে ফেলে দিয়েছে। আবার আতংকের কারণে কালো ভোটার উপস্থিতি কম হলে হিলারির জন্য তা দুশ্চিন্তার কারণ হবে। শেষ মুহূর্তে প্রচারের জন্য উভয় প্রার্থীই ফ্লোরিডাকে বেছে নিয়েছেন। কেননা এ রাজ্যেই সর্বোচ্চ ২৯টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট। প্রচার কৌশলে দুই প্রার্থীর ভিন্নতা সবার চোখে পড়ছে। ট্রাম্প প্রচারের ক্ষেত্রে হিলারির ভোট ব্যাংকে ভাঙনের চেষ্টা করছেন। তাই যেসব রাজ্যে হিলারি শক্তিশালী অবস্থানে আছেন, ওইসব রাজ্যকেই টার্গেট করেছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে হিলারি মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন তার জনপ্রিয়তা ধরে রাখার জন্য। হিলারির পক্ষে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ফার্স্ট লেডি মিশেল থেকে শুরু করে বিয়ন্সে, কেটি পেরির মতো সেলিব্রেটিরাও নেমেছেন। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেই ভোটের জনসভা করেছেন হিলারি। নির্বাচনের ভোটারদের অপেক্ষার শেষ হতে আর বেশি দেরি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত প্রচারের এ নির্বাচনের দিকে শ্বাসরুদ্ধকর অপেক্ষায় আছে গোটা বিশ্ব। একের পর এক নারী কেলেংকারির তথ্য ফাঁস, ভোটের ফলাফল মেনে না নেয়ার নজিরবিহনীন মন্তব্য আর নানা ধরনের বেফাঁস মন্তব্য করে গোটা নির্বাচনে আলোচনায় ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অপরদিকে ব্যক্তিগত সার্ভার থেকে ই-মেইল পাঠানোর কেলেংকারির অভিযোগ ওঠায় হিলারি ক্লিনটনকে বেশ ভুগিয়েছে। মার্কিন নির্বাচনে এতো নোংরা প্রচার, কাদা ছোড়াছুড়ি স্মরণকালের মধ্যে কেউ দেখেনি। এদিকে নির্বাচনের ক্ষণ ঘনিয়ে আসায় হিলারি ও ট্রাম্প এখন বিরামহীন প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাদের এ প্রচারণা চলবে সোমবার পর্যন্ত। নির্বাচনের সব প্রস্তুতিই শেষ করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে এবার নির্বাচনে হিলারি সমর্থকদের ট্রাম্প সমর্থকরা ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর নির্বাচনী ব্যবস্থায় ট্রাম্পের পক্ষে রুশ হ্যাকারদের হানার আশংকা ও আইএসের মতো জঙ্গিদের হামলার হুমকিকে বড় করে দেখা হচ্ছে। শেষ মুহূর্তে কোনো চমকের অপেক্ষায় আছেন ট্রাম্প। জরিপে নাটকীয় উত্থান নির্বাচনের মাত্র দু’দিন আগে রবিবার সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট ও এবিসি নিউজের প্রকাশিত জরিপে আকস্মিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ৫ পয়েন্টে এগিয়ে গেছেন হিলারি। জরিপ বলছে, হিলারি ৪৮ শতাংশ এবং ট্রাম্প ৪৩ ভাগ ভোট পেতে পারেন। এ জরিপটি হিলারির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ এ কারণে, তাদেরই এক জরিপে গত সপ্তাহে এক পয়েন্টে পিছিয়ে ছিলেন হিলারি। এরপর থেকে অবশ্য ধারাবাহিকভাবে তার পক্ষে জনসমর্থন বাড়ার প্রমাণ মেলে বিভিন্ন জরিপে। ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, হিলারির এ সমর্থন বাড়ার কারণ তার পক্ষে অশ্বেতাঙ্গ এবং নিরপেক্ষ ভোটাররা ঝুঁকে পড়ছেন। জরিপে আরো দেখা যায়, হিলারিকে নিয়ে তার সমর্থকদের মধ্যে যেমনটা উচ্ছ্বাস দেখা যায় তেমনটি দেখা যাচ্ছে না ট্রাম্পের ক্ষেত্রে। জরিপে দেখা যায়, হিলারি সমর্থকদের ৫৫ ভাগ বলছেন, তারা সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সমর্থন করেন বলেই ভোট দেবেন। অর্থাৎ তিনি ইতিবাচক ভোট পাচ্ছেন। তবে ট্রাম্প সমর্থকদের ৪৩ ভাগ বলছেন, হিলারি বিরোধিতার কারণে তারা এ ধনকুবেরকে বেছে নিয়েছেন। পলিটিকো মর্নিং কনসাল্টের জরিপেও হিলারি ৩ পয়েন্টে এগিয়ে। এছাড়া সিএনএনসহ আরো বেশ কিছু গণমাধ্যমের জরিপেও হিলারি নিরাপদ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। দোদুল্যমান বা রণক্ষেত্র রাজ্য হিসেবে খ্যাত ফ্লোরিডায়ও হিলারি এগিয়ে। রাজনৈতিক পণ্ডিতরা বলছেন, দোদুল্যমান একটি রাজ্যে জয় পেলেই হিলারির জয় নিশ্চিত। কারণ এরই মধ্যে তার ২৬৮টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট প্রায় নিশ্চিত হয়ে আছে। জয়ের জন্য প্রয়োজন আর মাত্র দুটি ইলেক্টোরাল ভোট। ফলে মঙ্গলবারের নির্বাচনে তার জয় নিয়ে কার্যত কোনো অনিশ্চয়তা নেই। বিরামহীন প্রচারণা জয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রবিবার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে সঙ্গে নিয়ে হিলারি প্রচারণা চালান ফ্লোরিডায়। গত দুটি নির্বাচনেই ফ্লোরিডায় জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিকরা। ফ্লোরিডায় রয়েছে ২৯টি ভোট। এখানে গড় জরিপের ভিত্তিতে হিলারির সমর্থন ৪৭.৪ শতাংশ আর ট্রাম্পের ৪৬.২ ভাগ। এদিকে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে দোদুল্যমান রাজ্যগুলোয় জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন হিলারি ও ট্রাম্প। শনিবার হিলারি ফিলাডেলফিয়ায় প্রচারণা চালান। এ সময় তার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন বিখ্যাত পপ সঙ্গীতশিল্পী কেটি পেরি। একটি কনসার্টে অংশ নেন তিনি। কেটি পেরি ছাড়াও বেশ কয়েকজন সুপারস্টার ইতিমধ্যে হিলারিকে সমর্থন দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন সুপারস্টার জেনিফার লোপেজ, বিয়ন্সে ও জে জেড। শনিবার রাতে অন্যতম দোদুল্যমান রাজ্য নেভাদার রেনো শহরে সমাবেশ করেন ট্রাম্প। তবে সেটি খুব সুখকর ছিল না। ট্রাম্পের সমাবেশে এক ব্যক্তি ‘ট্রাম্পের বিরোধী রিপাবলিকানরা’ ব্যানার নিয়ে দাঁড়ালে সেখানে হুলস্থূল পড়ে যায়। এ সময় কেউ একজন ‘বন্দুক’ বলে চেঁচিয়ে ওঠেন। ট্রাম্প তখন সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। বন্দুক বলে শোরগোল শুরু হলে সিক্রেট সার্ভিসের দুই এজেন্ট তার কাঁধ ধরে তাড়াহুড়া করে তাকে মঞ্চের পেছন দিকে নিয়ে যান। অপরদিকে উপস্থিত সমর্থকদের সামনে থাকা এক শ্বেতকায় ব্যক্তির ওপর বহু সংখ্যক পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়ে। ওই ব্যক্তির মাথা নিচু করে মেঝের দিকে ধরে রেখে তার শরীর তল্লাশি করে পুলিশ। কিছুক্ষণের মধ্যে তাকে পেছনে হাতমোড়া করে বেঁধে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে জানা যায়, সেখানে কোনো বন্দুক ছিল না। তবে ব্যানার বহনকারীকে বেধড়ক পিটুনি দেয় ট্রাম্প সমর্থকরা। হিসপ্যানিক চমক এদিকে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে হিলারির জন্য আরো বড় শুভ সংবাদ বয়ে নিয়ে এসেছেন হিসপ্যানিক ভোটাররা। শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন রাজ্যে রেকর্ড সংখ্যক আগাম ভোট দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভোটাররা। অভিবাসী ল্যাটিনো বা হিস্পানিকদের প্রায় সব ভোটই পড়েছে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের পক্ষে। এতে প্রমাণ গুনছে রিপাবলিকান দল। ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী জনগণদের দেশ থেকে তাড়িয়ে মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এতে নিজেদের অস্তিত্বের স্বার্থেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হিলারিকে বেছে নেন অভিবাসী হিস্পানিক লাতিন ভোটাররা। অভিবাসীদের ব্যাপক সংখ্যক আগাম ভোট পড়ার পর ডেমোক্রেটিক সমর্থকরা টইুটারে উল্লাস প্রকাশ করে বলছেন, ‘অবশেষে ট্রাম্প তার নিজের দেয়াল দেখতে পাচ্ছেন।’ হিস্পনিক জনগোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারের ১২ শতাংশ বা পৌনে চার কোটি। দেশটির বৈধ লাতিন ভোটারের সংখ্যা সেদেশের অন্যান্য গোষ্ঠীর তুলনায় কম হলেও এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফ্লোরিডা, জর্জিয়া এবং নর্থ ক্যারোলিনার মতো তিনটি ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড’ রাজ্যে লাতিন ভোটাররা আগাম ভোট দেয়ার তৎপরতা দেখাচ্ছেন, তাতে এ নির্বাচনের ফলে তাদের বড় ভূমিকা থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সিএনএন বলছে, এ তিনটি রাজ্যে এ বছর লাতিন ভোটারদের ভোটদানের হার গতবারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেশি। সুপার প্যাকের অর্থ ব্যয় এবারের নির্বাচনী ব্যয়ে হিলারি ট্রাম্পকে পেছনে ফেলেছেন শুরু থেকেই। তবে নতুন তথ্য হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যয়ের অন্যতম জোগানদাতা সুপার প্যাক ট্রাম্পকে হারাতে কাজ করেছে। রিপাবলিকান সমর্থক সুপারপ্যাক ট্রাম্পের জন্য তেমন কোনো অর্থ খরচ করেনি। তারা খরচ করেছে রিপাবলিকান সমর্থক সিনেট প্রার্থীদের জন্য। তারা সম্ভবত ধরেই নিয়েছে, ট্রাম্পের পেছনে অর্থ খরচ করে লাভ নেই। বরং সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে রাজনৈতিক মাঠ গরম রাখতে পারবে রক্ষণশীল এ দলটি। এতে হিলারি পরোক্ষভাবে উপকৃত হয়েছেন। ডেমোক্রেটিক সমর্থক সুপার প্যাক হিলারির পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে। -যুগান্তর

Comments

Comments!

 মার্কিন নির্বাচন: ভোটের আগে নাটকীয় ঘটনাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মার্কিন নির্বাচন: ভোটের আগে নাটকীয় ঘটনা

Monday, November 7, 2016 11:25 am
160331_1

 

যুক্তরাষ্ট্রে এবারের নির্বাচনী প্রচার নাটকীয়তায় ভরপুর। একের পর এক ঘটনা, চমকপ্রদ তথ্য আর ভোটারদের আকৃষ্ট করতে নানা কৌশল নিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন আর ডোনাল্ড ট্রাম্প।

এসবে সবার কৌতূহলও লক্ষণীয়। হোয়াইট হাউসে কে বসবেন, তা নির্ধারণী ব্যালট শুরু হবে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যায়।

এক বছরের প্রচার যুদ্ধের পর্দা নামতে শুরু করলেও শেষ মুহূর্তেও নাটকীয়তার শেষ হচ্ছে না। ট্রাম্পের এক নির্বাচনী জনসভায় বন্দুক বলে সমর্থকদের একজন চিৎকার দিল। আর সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্পকে এক রকম টেনে মঞ্চ থেকে নামিয়ে নিল সিক্রেট সার্ভিসের লোকেরা।

পরে জানা গেল, এটা আসলে ভুয়া; কারো হাতেই বন্দুক নেই। কিছুক্ষণ পর আবার মঞ্চে ফিরলেন ট্রাম্প।

এবারের নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে জরিপের ফলেও নাটকীয়তা দেখা যাচ্ছে। প্রথম থেকেই হিলারি প্রায় সব জরিপে ছিলেন অনেক এগিয়ে। তারপর নাটকীয়ভাবে এফবিআই পরিচালক জেমস কোমি ব্যক্তিগত সার্ভার থেকে হিলারির ই-মেইল পাঠানোর বিষয়টি তদন্তের ঘোষণা দেন।

এতেই ডেমোক্রেট দলীয় প্রার্থীর জনপ্রিয়তা নেমে যায় অনেকখানি। কিন্তু চমকের শেষ হয় না। ওয়াশিংটন পোস্ট আর এবিসি নিউজের সর্বশেষ জরিপে নাটকীয়ভাবে উত্থান ঘটে হিলারির। পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে যান তিনি।

নাটকীয়তার শেষ এখানেই নয়। হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসীগোষ্ঠী আইএসের নামে গণহত্যার হুমকি প্রচার পেয়েছে। নির্বাচনের আগে এমন আতংক ভোটার উপস্থিতির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ভোটে সম্ভাব্য গোলযোগের আশংকা যত বেশি প্রচার পাচ্ছে, ভোটাররাও আগাম ভোটের দিকে তত বেশিই ঝুঁকছেন।

এখন পর্যন্ত রেকর্ড চার কোটির বেশি ভোটার আগাম ভোট দিয়েছেন। ভোটার উপস্থিতি কম হলে সুবিধা পাবেন ট্রাম্প। হিলারির ভোট ব্যাংক কালো হিসেবে খ্যাত আফ্রিকান-আমেরিকানদের মাঝেই আগাম ভোট দেয়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে।

লাতিন আমেরিকান বিশেষ করে মেক্সিকো থেকে আসা হিস্পানিক ভোটারদের ভোটও ডেমোক্রেটরাই পেয়ে থাকেন। তাদের মধ্যেও আগাম ভোটের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

ভোটে সাদা-কালো ফ্যাক্টরে শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে বরাবর শক্তিশালী অবস্থানে থাকেন রিপাবলিকান প্রার্থীরা। এবার সেই হিসাবে কিছুটা পরিবর্তন হচ্ছে। শিক্ষিত সাদারা হিলারির দিকে ঝুঁকছেন।

অপরদিকে কম শিক্ষিত সাদারা এবারো ট্রাম্পের পক্ষেই আছেন। পেনসিলভানিয়া, মিশিগান, উইসকনসিনের মতো শিল্পোন্নত রাজ্যগুলোয় শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে এ বিভক্তি ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জে ফেলে দিয়েছে।

আবার আতংকের কারণে কালো ভোটার উপস্থিতি কম হলে হিলারির জন্য তা দুশ্চিন্তার কারণ হবে।

শেষ মুহূর্তে প্রচারের জন্য উভয় প্রার্থীই ফ্লোরিডাকে বেছে নিয়েছেন। কেননা এ রাজ্যেই সর্বোচ্চ ২৯টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট। প্রচার কৌশলে দুই প্রার্থীর ভিন্নতা সবার চোখে পড়ছে। ট্রাম্প প্রচারের ক্ষেত্রে হিলারির ভোট ব্যাংকে ভাঙনের চেষ্টা করছেন।

তাই যেসব রাজ্যে হিলারি শক্তিশালী অবস্থানে আছেন, ওইসব রাজ্যকেই টার্গেট করেছেন ট্রাম্প। অন্যদিকে হিলারি মরিয়া হয়ে চেষ্টা করছেন তার জনপ্রিয়তা ধরে রাখার জন্য। হিলারির পক্ষে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ফার্স্ট লেডি মিশেল থেকে শুরু করে বিয়ন্সে, কেটি পেরির মতো সেলিব্রেটিরাও নেমেছেন। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেই ভোটের জনসভা করেছেন হিলারি।

নির্বাচনের ভোটারদের অপেক্ষার শেষ হতে আর বেশি দেরি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত প্রচারের এ নির্বাচনের দিকে শ্বাসরুদ্ধকর অপেক্ষায় আছে গোটা বিশ্ব। একের পর এক নারী কেলেংকারির তথ্য ফাঁস, ভোটের ফলাফল মেনে না নেয়ার নজিরবিহনীন মন্তব্য আর নানা ধরনের বেফাঁস মন্তব্য করে গোটা নির্বাচনে আলোচনায় ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

অপরদিকে ব্যক্তিগত সার্ভার থেকে ই-মেইল পাঠানোর কেলেংকারির অভিযোগ ওঠায় হিলারি ক্লিনটনকে বেশ ভুগিয়েছে। মার্কিন নির্বাচনে এতো নোংরা প্রচার, কাদা ছোড়াছুড়ি স্মরণকালের মধ্যে কেউ দেখেনি।

এদিকে নির্বাচনের ক্ষণ ঘনিয়ে আসায় হিলারি ও ট্রাম্প এখন বিরামহীন প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাদের এ প্রচারণা চলবে সোমবার পর্যন্ত। নির্বাচনের সব প্রস্তুতিই শেষ করেছে কর্তৃপক্ষ।

তবে এবার নির্বাচনে হিলারি সমর্থকদের ট্রাম্প সমর্থকরা ভয়ভীতি দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর নির্বাচনী ব্যবস্থায় ট্রাম্পের পক্ষে রুশ হ্যাকারদের হানার আশংকা ও আইএসের মতো জঙ্গিদের হামলার হুমকিকে বড় করে দেখা হচ্ছে। শেষ মুহূর্তে কোনো চমকের অপেক্ষায় আছেন ট্রাম্প।

জরিপে নাটকীয় উত্থান

নির্বাচনের মাত্র দু’দিন আগে রবিবার সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট ও এবিসি নিউজের প্রকাশিত জরিপে আকস্মিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে ৫ পয়েন্টে এগিয়ে গেছেন হিলারি।

জরিপ বলছে, হিলারি ৪৮ শতাংশ এবং ট্রাম্প ৪৩ ভাগ ভোট পেতে পারেন। এ জরিপটি হিলারির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ এ কারণে, তাদেরই এক জরিপে গত সপ্তাহে এক পয়েন্টে পিছিয়ে ছিলেন হিলারি। এরপর থেকে অবশ্য ধারাবাহিকভাবে তার পক্ষে জনসমর্থন বাড়ার প্রমাণ মেলে বিভিন্ন জরিপে।

ওয়াশিংটন পোস্ট বলছে, হিলারির এ সমর্থন বাড়ার কারণ তার পক্ষে অশ্বেতাঙ্গ এবং নিরপেক্ষ ভোটাররা ঝুঁকে পড়ছেন।

জরিপে আরো দেখা যায়, হিলারিকে নিয়ে তার সমর্থকদের মধ্যে যেমনটা উচ্ছ্বাস দেখা যায় তেমনটি দেখা যাচ্ছে না ট্রাম্পের ক্ষেত্রে।

জরিপে দেখা যায়, হিলারি সমর্থকদের ৫৫ ভাগ বলছেন, তারা সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সমর্থন করেন বলেই ভোট দেবেন। অর্থাৎ তিনি ইতিবাচক ভোট পাচ্ছেন। তবে ট্রাম্প সমর্থকদের ৪৩ ভাগ বলছেন, হিলারি বিরোধিতার কারণে তারা এ ধনকুবেরকে বেছে নিয়েছেন।

পলিটিকো মর্নিং কনসাল্টের জরিপেও হিলারি ৩ পয়েন্টে এগিয়ে। এছাড়া সিএনএনসহ আরো বেশ কিছু গণমাধ্যমের জরিপেও হিলারি নিরাপদ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন।

দোদুল্যমান বা রণক্ষেত্র রাজ্য হিসেবে খ্যাত ফ্লোরিডায়ও হিলারি এগিয়ে। রাজনৈতিক পণ্ডিতরা বলছেন, দোদুল্যমান একটি রাজ্যে জয় পেলেই হিলারির জয় নিশ্চিত। কারণ এরই মধ্যে তার ২৬৮টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট প্রায় নিশ্চিত হয়ে আছে। জয়ের জন্য প্রয়োজন আর মাত্র দুটি ইলেক্টোরাল ভোট। ফলে মঙ্গলবারের নির্বাচনে তার জয় নিয়ে কার্যত কোনো অনিশ্চয়তা নেই।

বিরামহীন প্রচারণা

জয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রবিবার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে সঙ্গে নিয়ে হিলারি প্রচারণা চালান ফ্লোরিডায়। গত দুটি নির্বাচনেই ফ্লোরিডায় জয় পেয়েছেন ডেমোক্রেটিকরা। ফ্লোরিডায় রয়েছে ২৯টি ভোট। এখানে গড় জরিপের ভিত্তিতে হিলারির সমর্থন ৪৭.৪ শতাংশ আর ট্রাম্পের ৪৬.২ ভাগ।

এদিকে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে দোদুল্যমান রাজ্যগুলোয় জোর প্রচারণা চালাচ্ছেন হিলারি ও ট্রাম্প। শনিবার হিলারি ফিলাডেলফিয়ায় প্রচারণা চালান। এ সময় তার নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন বিখ্যাত পপ সঙ্গীতশিল্পী কেটি পেরি। একটি কনসার্টে অংশ নেন তিনি। কেটি পেরি ছাড়াও বেশ কয়েকজন সুপারস্টার ইতিমধ্যে হিলারিকে সমর্থন দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন সুপারস্টার জেনিফার লোপেজ, বিয়ন্সে ও জে জেড।

শনিবার রাতে অন্যতম দোদুল্যমান রাজ্য নেভাদার রেনো শহরে সমাবেশ করেন ট্রাম্প। তবে সেটি খুব সুখকর ছিল না। ট্রাম্পের সমাবেশে এক ব্যক্তি ‘ট্রাম্পের বিরোধী রিপাবলিকানরা’ ব্যানার নিয়ে দাঁড়ালে সেখানে হুলস্থূল পড়ে যায়।

এ সময় কেউ একজন ‘বন্দুক’ বলে চেঁচিয়ে ওঠেন। ট্রাম্প তখন সমাবেশে ভাষণ দিচ্ছিলেন। বন্দুক বলে শোরগোল শুরু হলে সিক্রেট সার্ভিসের দুই এজেন্ট তার কাঁধ ধরে তাড়াহুড়া করে তাকে মঞ্চের পেছন দিকে নিয়ে যান।

অপরদিকে উপস্থিত সমর্থকদের সামনে থাকা এক শ্বেতকায় ব্যক্তির ওপর বহু সংখ্যক পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়ে। ওই ব্যক্তির মাথা নিচু করে মেঝের দিকে ধরে রেখে তার শরীর তল্লাশি করে পুলিশ। কিছুক্ষণের মধ্যে তাকে পেছনে হাতমোড়া করে বেঁধে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে জানা যায়, সেখানে কোনো বন্দুক ছিল না। তবে ব্যানার বহনকারীকে বেধড়ক পিটুনি দেয় ট্রাম্প সমর্থকরা।

হিসপ্যানিক চমক

এদিকে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে হিলারির জন্য আরো বড় শুভ সংবাদ বয়ে নিয়ে এসেছেন হিসপ্যানিক ভোটাররা। শেষ মুহূর্তে বিভিন্ন রাজ্যে রেকর্ড সংখ্যক আগাম ভোট দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভোটাররা। অভিবাসী ল্যাটিনো বা হিস্পানিকদের প্রায় সব ভোটই পড়েছে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের পক্ষে। এতে প্রমাণ গুনছে রিপাবলিকান দল।

ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী জনগণদের দেশ থেকে তাড়িয়ে মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এতে নিজেদের অস্তিত্বের স্বার্থেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে হিলারিকে বেছে নেন অভিবাসী হিস্পানিক লাতিন ভোটাররা।

অভিবাসীদের ব্যাপক সংখ্যক আগাম ভোট পড়ার পর ডেমোক্রেটিক সমর্থকরা টইুটারে উল্লাস প্রকাশ করে বলছেন, ‘অবশেষে ট্রাম্প তার নিজের দেয়াল দেখতে পাচ্ছেন।’

হিস্পনিক জনগোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারের ১২ শতাংশ বা পৌনে চার কোটি। দেশটির বৈধ লাতিন ভোটারের সংখ্যা সেদেশের অন্যান্য গোষ্ঠীর তুলনায় কম হলেও এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফ্লোরিডা, জর্জিয়া এবং নর্থ ক্যারোলিনার মতো তিনটি ‘ব্যাটলগ্রাউন্ড’ রাজ্যে লাতিন ভোটাররা আগাম ভোট দেয়ার তৎপরতা দেখাচ্ছেন, তাতে এ নির্বাচনের ফলে তাদের বড় ভূমিকা থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

সিএনএন বলছে, এ তিনটি রাজ্যে এ বছর লাতিন ভোটারদের ভোটদানের হার গতবারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেশি।

সুপার প্যাকের অর্থ ব্যয়

এবারের নির্বাচনী ব্যয়ে হিলারি ট্রাম্পকে পেছনে ফেলেছেন শুরু থেকেই। তবে নতুন তথ্য হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যয়ের অন্যতম জোগানদাতা সুপার প্যাক ট্রাম্পকে হারাতে কাজ করেছে। রিপাবলিকান সমর্থক সুপারপ্যাক ট্রাম্পের জন্য তেমন কোনো অর্থ খরচ করেনি। তারা খরচ করেছে রিপাবলিকান সমর্থক সিনেট প্রার্থীদের জন্য।

তারা সম্ভবত ধরেই নিয়েছে, ট্রাম্পের পেছনে অর্থ খরচ করে লাভ নেই। বরং সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে রাজনৈতিক মাঠ গরম রাখতে পারবে রক্ষণশীল এ দলটি। এতে হিলারি পরোক্ষভাবে উপকৃত হয়েছেন। ডেমোক্রেটিক সমর্থক সুপার প্যাক হিলারির পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে। -যুগান্তর

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X