শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৫৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, September 10, 2016 3:44 pm
A- A A+ Print

মার্কিন ফুটবল তারকার ইসলাম গ্রহণ নিয়ে বিতর্ক

242327_1

কলিন কাপারনিক আমেরিকার জাতীয় ফুটবল লীগের একজন পেশাদার খেলোয়াড়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের বিরুদ্ধে বৈষম্যের প্রতিবাদে সাম্প্রতিক একটি খেলায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন সান ফ্রান্সিসকো দলের এই খেলোয়াড়। এনিয়ে গত বুধবার আমেরিকার কিছু অনলাইন সংবাদমাধ্যমে ও ব্লগে প্রচার করা হয় যে, কাপারনিক গোপনে ইসলাম গ্রহণ করেছেন এবং এজন্যই তিনি জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এর প্রতিবাদে এক বিবৃতিতে কাপারনিক বলেছেন, ‘প্যাট ডোলার্ডের’ মতো কিছু ইসলাম বিদ্বেষী এবং অতি-রক্ষণশীল ব্লগার সাইট নির্লজ্জভাবে তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, এই প্রতিবাদ আমেরিকায় পুলিশের নৃশংসতা ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যে সামাজিক অবিচার চলছে, সে বিষয়ে সবার মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।’ এব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাপারনিক বলেন, ‘আমি ইসলাম সম্পর্কে জেনেছি কিন্তু ইসলাম গ্রহণ করিনি।’ বুধবারের ওই গুজবের প্রতিক্রিয়ায় কাপারনিক ইউএসএ টুডেকে বলেছেন, ‘আমি ইসলাম ধর্মকে শ্রদ্ধা করি। আমি জানি, এখানকার অনেক জনগণ মুসলিম এবং তারা অত্যন্ত ভাল মানুষ।’ তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমেরিকায় ইসলাম বিদ্বেষ ছড়ানোর পাশাপাশি জনগণের মাঝে ভয়ের সঞ্চার সৃষ্টি করতেই এই গুজব রটানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এখানকার জনগণ এমনিতেই কিছুটা আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় আছে। তার ওপর ডোনাল্ড টাম্প চাচ্ছে, এদেশে মুসলিমদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে। যা হাস্যকর।’ তার বান্ধবী নেসা দিয়াব একজন মুসলিম। নেসা দিয়াব আমেরিকার জনপ্রিয় একটি রেডিওতে জকি হিসেবে কাজ করেন। তার কারণেই তিনি মুসলমান হয়েছেন, এমন ধারণাও নাকচ করে দেন তিনি। কাপারনিক ইউএসএ টুডেকে বলেন, ‘নেসা দিয়াব একজন মুসলমান, তার পরিবার মুসলমান। আমি তাদের শ্রদ্ধা করি। মানুষের অধিকার নিয়ে তারা যা বিশ্বাস করে সে বিষয়ে আমারও একই রকম বিশ্বাস রয়েছে এবং তাদের এ বিশ্বাসকেও আমি শ্রদ্ধা করি।’ কাপারনিক ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছেন এমন গুজবে অনেক আমেরিকানের মাঝে ধর্মের ব্যাপারে ব্যাপক অবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে। একই কারণে আমেরিকানদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগণ এখনো মনে করেন, প্রেমিডেন্ট বারাক ওবামা একজন মুসলিম এবং এব্যাপারে ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও একই অনুভূতি, ‘ইসলাম আমাদের ঘৃণা করে।’ সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

Comments

Comments!

 মার্কিন ফুটবল তারকার ইসলাম গ্রহণ নিয়ে বিতর্কAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মার্কিন ফুটবল তারকার ইসলাম গ্রহণ নিয়ে বিতর্ক

Saturday, September 10, 2016 3:44 pm
242327_1

কলিন কাপারনিক আমেরিকার জাতীয় ফুটবল লীগের একজন পেশাদার খেলোয়াড়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ জনগণের বিরুদ্ধে বৈষম্যের প্রতিবাদে সাম্প্রতিক একটি খেলায় জাতীয় সংগীত গাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়াতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন সান ফ্রান্সিসকো দলের এই খেলোয়াড়।

এনিয়ে গত বুধবার আমেরিকার কিছু অনলাইন সংবাদমাধ্যমে ও ব্লগে প্রচার করা হয় যে, কাপারনিক গোপনে ইসলাম গ্রহণ করেছেন এবং এজন্যই তিনি জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

এর প্রতিবাদে এক বিবৃতিতে কাপারনিক বলেছেন, ‘প্যাট ডোলার্ডের’ মতো কিছু ইসলাম বিদ্বেষী এবং অতি-রক্ষণশীল ব্লগার সাইট নির্লজ্জভাবে তার বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, এই প্রতিবাদ আমেরিকায় পুলিশের নৃশংসতা ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে যে সামাজিক অবিচার চলছে, সে বিষয়ে সবার মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হবে।’

এব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কাপারনিক বলেন, ‘আমি ইসলাম সম্পর্কে জেনেছি কিন্তু ইসলাম গ্রহণ করিনি।’

বুধবারের ওই গুজবের প্রতিক্রিয়ায় কাপারনিক ইউএসএ টুডেকে বলেছেন, ‘আমি ইসলাম ধর্মকে শ্রদ্ধা করি। আমি জানি, এখানকার অনেক জনগণ মুসলিম এবং তারা অত্যন্ত ভাল মানুষ।’

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমেরিকায় ইসলাম বিদ্বেষ ছড়ানোর পাশাপাশি জনগণের মাঝে ভয়ের সঞ্চার সৃষ্টি করতেই এই গুজব রটানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এখানকার জনগণ এমনিতেই কিছুটা আতঙ্কগ্রস্ত অবস্থায় আছে। তার ওপর ডোনাল্ড টাম্প চাচ্ছে, এদেশে মুসলিমদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে। যা হাস্যকর।’

তার বান্ধবী নেসা দিয়াব একজন মুসলিম। নেসা দিয়াব আমেরিকার জনপ্রিয় একটি রেডিওতে জকি হিসেবে কাজ করেন। তার কারণেই তিনি মুসলমান হয়েছেন, এমন ধারণাও নাকচ করে দেন তিনি।

কাপারনিক ইউএসএ টুডেকে বলেন, ‘নেসা দিয়াব একজন মুসলমান, তার পরিবার মুসলমান। আমি তাদের শ্রদ্ধা করি। মানুষের অধিকার নিয়ে তারা যা বিশ্বাস করে সে বিষয়ে আমারও একই রকম বিশ্বাস রয়েছে এবং তাদের এ বিশ্বাসকেও আমি শ্রদ্ধা করি।’

কাপারনিক ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছেন এমন গুজবে অনেক আমেরিকানের মাঝে ধর্মের ব্যাপারে ব্যাপক অবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে। একই কারণে আমেরিকানদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জনগণ এখনো মনে করেন, প্রেমিডেন্ট বারাক ওবামা একজন মুসলিম এবং এব্যাপারে ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও একই অনুভূতি, ‘ইসলাম আমাদের ঘৃণা করে।’

সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X