শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:৪৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, September 15, 2016 10:35 pm
A- A A+ Print

মার্কিন মুলুকে প্রবাসীদের জনপ্রিয় আয়োজন পটলাক

cd374409e32b587777ff3ad2f7f4b905-pic-5

প্রথমে বলে নেওয়া প্রয়োজন পটলাক কি? পটলাক হচ্ছে বড় গ্রুপ ডিনার অথবা দুপুরের খাবার। যেখানে সকল অংশগ্রহণকারী তার পছন্দমতো খাবার আইটেম নিয়ে হাজির হবেন। সকল অংশগ্রহণকারীদের মাঝে তা শেয়ার করবেন। উনিশ শতাব্দীর আমেরিকার ঐতিহ্য পটলাক পটে (পাত্র বা পাতিল) খাবারের স্বাদ আজনা বলে অনেকটা ভাগ্যের (লাক) ওপর নির্ভর করছে আপনার প্লেটে খাবারের স্বাদ। আর তাই এ আয়োজনকে পটলাক বলা হয়ে থাকে। আমাদের বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে অনেকে এক বা একাধিক আইটেমের খাবার নিয়ে হাজির হন। আবার অনেক পার্টিতে কিছু খাবার কিনে আনা হয়। যারা খাবার রান্না করে আনতে পারেন না, তারা খাবার খরচের অংশ শেয়ার করেন। সারা দুনিয়া জানে বাঙালি আড্ডাবাজ ও অতিথিপরায়ণ জাতি। পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন, খুঁজে ফিরি বাংলা ভাষার আরেকজন মানুষ। এই দূর পরবাসে জীবিকা ও পড়াশোনার প্রয়োজনে আমাদের এই ছুটে চলা। তবে এখন পৃথিবীর যে প্রান্তেই যান বাঙালি পাবেন। পাবেন বাংলাদেশের গন্ধ। হয়তো ২০ বছর আগেও এমনটা ছিল না। এই আমেরিকার কথাই ধরুন না। যে অঙ্গরাজ্যেই যান না কেন, কোনো না কোনো শহরে পাবেন বাংলাদেশিদের একটা গ্রুপ। ১০-২০ জন থেকে হাজার বাংলাদেশির গ্রুপও রয়েছে এখানে। স্থান সংকুলান, সময়, রান্নার আয়োজন ও কাজের ব্যস্ততা মিলিয়ে এত লোকের এক সঙ্গে দাওয়াত করে খাওয়ানো সম্ভব হয় না। কিন্তু তাই বলে আমরা একসঙ্গে বসে গল্পে মজব না? জমবে না আষাঢ়ে গল্পের আসর? দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা ব্যবস্থার গতিপথ, ফুটবলে মেয়েদের উত্থান, ক্রিকেটে আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, অনন্ত জলিলের নতুন ছবি, হিরো আলমের সাক্ষাৎ​কার, ভাবিদের শাড়ি-চুড়ি কেনা কাটা, কোনো কিছুই বাদ যায় না গল্পের এ আড্ডায়। বৈশাখে পটলাক আয়োজনঈদ উৎসবে নামাজের পর কিংবা রাতে বসে পটলাক আসর। আমেরিকায় অধিকাংশ বাংলাদেশি কমিউনিটিতে এ পটলাক জনপ্রিয়তার শীর্ষে। সকালে ঈদের নামাজ, ঘরে পরিবারের সবার সঙ্গে মিষ্টিমুখ, ছোট পরিসরে আড্ডাবাজি। আবার কাজের চাপে নামাজের পর কাজে ফেরা সবই প্রবাসী জীবনে স্বাভাবিক। ঈদের দিন অফিস বা পরীক্ষা নতুন আগতদের আহত করলেও কিছুদিনেই তা অভ্যস্থতায় রূপ নেয়। আসর প্রধানত জমে সপ্তাহান্তে অথবা ঈদের রাতে। সবাই তাদের পছন্দের খাবার নিয়ে হাজির কারও বাসায় অথবা কোনো মসজিদ বা সম্মেলন কেন্দ্রে। টেবিলে থরে থরে সাজানো থাকে খাবার। যার যেটা পছন্দ, নিজে নিয়ে খাওয়া। অধিকাংশ সময়ে খাবার পরিবেশনে ব্যবহার করা হয় ফয়েল পেপারের ট্রে, খাবার খাওয়ার জন্য কাগজের ওয়ান টাইমের প্লেট, বাটি ও গ্লাস। ধোয়া-পরিষ্কারের কোনো পর্ব নেই। শত লোকের খাবার আয়োজন যেন কোনো ব্যাপারই না। যার বাসায় আয়োজন তার ঘরদোর পরিষ্কারের ঝক্কি থাকে একটু বেশি। সফল আয়োজনে এ কষ্ট যেন সাফল্য। বৈশাখের উৎসবও একইভাবে আয়োজন হচ্ছে। সম্প্রতি নতুন বিয়ে হয়ে বাংলাদেশ থেকে আসা এক ভাবির উক্তি। আমি কিছুই রান্না করতে পারি না। আমি কি আনব? আপনি কি আলু ভর্তা করতে পারেন, তবে তাই হোক আপনার আজকের চমক। অতি যত্নের সরিষার তেলের আলু ভর্তা আসে ওই বাসা থেকে। নতুন পড়াশোনা শেষ করে চাকরিতে যাওয়া এক ভাই, আমার আলু ভর্তাও খাওয়ার মতো নয়। তার ভাগে পড়ে প্লেট, গ্লাস ও কোক। কোনো ভাবির বিরিয়ানি, কারও কাবাব, কারও ইলিশ ফ্রাই। সবাই মিলে এক পরিপূর্ণ ভূরিভোজ। এ বিশাল ভোজন বিলাসে কারও একার ওপর দিয়ে কোনো ঝড় গেল না। আয়োজকদের গল্পে অংশগ্রহণে খাবার আয়োজন তেমন বাঁধ সাধে না। পটলাক আয়োজনে বর্ণিল সাজে নারীরাপটলাক আয়োজনে নানা খাবারবাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রায় সব আয়োজন আজ আমরা পালন করছি খুব ধুন্ধুমারের সঙ্গেই। ঈদ, ঈদের চাঁদ রাত, মেহেদি উৎসব, পূজা, নববর্ষ, বৈশাখী পিঠা উৎসব, ইংরেজি নিউ ইয়ার, ইফতার, নতুন বাচ্চা আগমনী বেবি শাওয়ার, গান-কবিতার আসর, নতুন বাংলাদেশি পরিবারের আগমন, বিদায়ী পার্টি, বাংলাদেশ দলের জয় সবই কিছুই পটলাকের বদৌলতে উদ্‌যাপন হচ্ছে সফলতার সঙ্গে। সাত সমুদ্র হাজার নদী দূরে এসেও বাঙালিয়ানায় সামান্য ছেদ পড়েনি। ফেসবুকে এই সব আয়োজনের ছবি দেখে দেশের বন্ধুদের বলতে শুনি, তোরা কাজ কিছু করিস? নাকি খালি এই খাওয়া দাওয়ার পার্টি করেই দিন কাটাস? সফল পটলাকে প্রয়োজন সমন্বয়কারী ভাবিদের অক্লান্ত পরিশ্রম। তাঁর জানতে হয় কোন ভাবির কোন রান্নায় নামযশ ভালো। সকল পরিবারের মাঝে খাবার ও মিষ্টান্নের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া, সঠিক সময়ে খাবার পরিবেশন ও নতুন রেসিপির বিবরণসহ নেতৃত্ব গুণাবলি দিয়ে পুরো আয়োজন সফল করতে আমাদের বাংলাদেশি রমণীদের জুরি মেলা ভার। এই ঈদে ও চাঁদ রাত মেহেদি পার্টিতে আমার কপালেও জুটেছে কয়েকটি পটলাক দাওয়াত। আড্ডাবাজ ভোজন রসিক বাংলাদেশিদের কোনো বাধাই আটকিয়ে রাখতে পারবে না। জয় হোক আড্ডাবাজির, জয় হোক ভোজন বিলাসের-জয় হোক পটলাকের। যান্ত্রিকতাকে পাশ কাটিয়ে জয় হবেই আমাদের বাঙালিয়ানার। ঈদ মোবারক! *সাইফুল আজম সিদ্দিকী, গাড়ি প্রকৌশলী, মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র।

Comments

Comments!

 মার্কিন মুলুকে প্রবাসীদের জনপ্রিয় আয়োজন পটলাকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মার্কিন মুলুকে প্রবাসীদের জনপ্রিয় আয়োজন পটলাক

Thursday, September 15, 2016 10:35 pm
cd374409e32b587777ff3ad2f7f4b905-pic-5

প্রথমে বলে নেওয়া প্রয়োজন পটলাক কি? পটলাক হচ্ছে বড় গ্রুপ ডিনার অথবা দুপুরের খাবার। যেখানে সকল অংশগ্রহণকারী তার পছন্দমতো খাবার আইটেম নিয়ে হাজির হবেন। সকল অংশগ্রহণকারীদের মাঝে তা শেয়ার করবেন। উনিশ শতাব্দীর আমেরিকার ঐতিহ্য পটলাক পটে (পাত্র বা পাতিল) খাবারের স্বাদ আজনা বলে অনেকটা ভাগ্যের (লাক) ওপর নির্ভর করছে আপনার প্লেটে খাবারের স্বাদ। আর তাই এ আয়োজনকে পটলাক বলা হয়ে থাকে। আমাদের বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে অনেকে এক বা একাধিক আইটেমের খাবার নিয়ে হাজির হন। আবার অনেক পার্টিতে কিছু খাবার কিনে আনা হয়। যারা খাবার রান্না করে আনতে পারেন না, তারা খাবার খরচের অংশ শেয়ার করেন।

সারা দুনিয়া জানে বাঙালি আড্ডাবাজ ও অতিথিপরায়ণ জাতি। পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকি না কেন, খুঁজে ফিরি বাংলা ভাষার আরেকজন মানুষ। এই দূর পরবাসে জীবিকা ও পড়াশোনার প্রয়োজনে আমাদের এই ছুটে চলা। তবে এখন পৃথিবীর যে প্রান্তেই যান বাঙালি পাবেন। পাবেন বাংলাদেশের গন্ধ। হয়তো ২০ বছর আগেও এমনটা ছিল না। এই আমেরিকার কথাই ধরুন না। যে অঙ্গরাজ্যেই যান না কেন, কোনো না কোনো শহরে পাবেন বাংলাদেশিদের একটা গ্রুপ। ১০-২০ জন থেকে হাজার বাংলাদেশির গ্রুপও রয়েছে এখানে।
স্থান সংকুলান, সময়, রান্নার আয়োজন ও কাজের ব্যস্ততা মিলিয়ে এত লোকের এক সঙ্গে দাওয়াত করে খাওয়ানো সম্ভব হয় না। কিন্তু তাই বলে আমরা একসঙ্গে বসে গল্পে মজব না? জমবে না আষাঢ়ে গল্পের আসর? দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা ব্যবস্থার গতিপথ, ফুটবলে মেয়েদের উত্থান, ক্রিকেটে আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, অনন্ত জলিলের নতুন ছবি, হিরো আলমের সাক্ষাৎ​কার, ভাবিদের শাড়ি-চুড়ি কেনা কাটা, কোনো কিছুই বাদ যায় না গল্পের এ আড্ডায়।
বৈশাখে পটলাক আয়োজনঈদ উৎসবে নামাজের পর কিংবা রাতে বসে পটলাক আসর। আমেরিকায় অধিকাংশ বাংলাদেশি কমিউনিটিতে এ পটলাক জনপ্রিয়তার শীর্ষে। সকালে ঈদের নামাজ, ঘরে পরিবারের সবার সঙ্গে মিষ্টিমুখ, ছোট পরিসরে আড্ডাবাজি। আবার কাজের চাপে নামাজের পর কাজে ফেরা সবই প্রবাসী জীবনে স্বাভাবিক। ঈদের দিন অফিস বা পরীক্ষা নতুন আগতদের আহত করলেও কিছুদিনেই তা অভ্যস্থতায় রূপ নেয়। আসর প্রধানত জমে সপ্তাহান্তে অথবা ঈদের রাতে। সবাই তাদের পছন্দের খাবার নিয়ে হাজির কারও বাসায় অথবা কোনো মসজিদ বা সম্মেলন কেন্দ্রে। টেবিলে থরে থরে সাজানো থাকে খাবার। যার যেটা পছন্দ, নিজে নিয়ে খাওয়া। অধিকাংশ সময়ে খাবার পরিবেশনে ব্যবহার করা হয় ফয়েল পেপারের ট্রে, খাবার খাওয়ার জন্য কাগজের ওয়ান টাইমের প্লেট, বাটি ও গ্লাস। ধোয়া-পরিষ্কারের কোনো পর্ব নেই। শত লোকের খাবার আয়োজন যেন কোনো ব্যাপারই না। যার বাসায় আয়োজন তার ঘরদোর পরিষ্কারের ঝক্কি থাকে একটু বেশি। সফল আয়োজনে এ কষ্ট যেন সাফল্য।
বৈশাখের উৎসবও একইভাবে আয়োজন হচ্ছে। সম্প্রতি নতুন বিয়ে হয়ে বাংলাদেশ থেকে আসা এক ভাবির উক্তি। আমি কিছুই রান্না করতে পারি না। আমি কি আনব? আপনি কি আলু ভর্তা করতে পারেন, তবে তাই হোক আপনার আজকের চমক। অতি যত্নের সরিষার তেলের আলু ভর্তা আসে ওই বাসা থেকে। নতুন পড়াশোনা শেষ করে চাকরিতে যাওয়া এক ভাই, আমার আলু ভর্তাও খাওয়ার মতো নয়। তার ভাগে পড়ে প্লেট, গ্লাস ও কোক। কোনো ভাবির বিরিয়ানি, কারও কাবাব, কারও ইলিশ ফ্রাই। সবাই মিলে এক পরিপূর্ণ ভূরিভোজ। এ বিশাল ভোজন বিলাসে কারও একার ওপর দিয়ে কোনো ঝড় গেল না। আয়োজকদের গল্পে অংশগ্রহণে খাবার আয়োজন তেমন বাঁধ সাধে না।
পটলাক আয়োজনে বর্ণিল সাজে নারীরাপটলাক আয়োজনে নানা খাবারবাংলাদেশের সংস্কৃতির প্রায় সব আয়োজন আজ আমরা পালন করছি খুব ধুন্ধুমারের সঙ্গেই। ঈদ, ঈদের চাঁদ রাত, মেহেদি উৎসব, পূজা, নববর্ষ, বৈশাখী পিঠা উৎসব, ইংরেজি নিউ ইয়ার, ইফতার, নতুন বাচ্চা আগমনী বেবি শাওয়ার, গান-কবিতার আসর, নতুন বাংলাদেশি পরিবারের আগমন, বিদায়ী পার্টি, বাংলাদেশ দলের জয় সবই কিছুই পটলাকের বদৌলতে উদ্‌যাপন হচ্ছে সফলতার সঙ্গে।
সাত সমুদ্র হাজার নদী দূরে এসেও বাঙালিয়ানায় সামান্য ছেদ পড়েনি। ফেসবুকে এই সব আয়োজনের ছবি দেখে দেশের বন্ধুদের বলতে শুনি, তোরা কাজ কিছু করিস? নাকি খালি এই খাওয়া দাওয়ার পার্টি করেই দিন কাটাস?
সফল পটলাকে প্রয়োজন সমন্বয়কারী ভাবিদের অক্লান্ত পরিশ্রম। তাঁর জানতে হয় কোন ভাবির কোন রান্নায় নামযশ ভালো। সকল পরিবারের মাঝে খাবার ও মিষ্টান্নের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া, সঠিক সময়ে খাবার পরিবেশন ও নতুন রেসিপির বিবরণসহ নেতৃত্ব গুণাবলি দিয়ে পুরো আয়োজন সফল করতে আমাদের বাংলাদেশি রমণীদের জুরি মেলা ভার।
এই ঈদে ও চাঁদ রাত মেহেদি পার্টিতে আমার কপালেও জুটেছে কয়েকটি পটলাক দাওয়াত। আড্ডাবাজ ভোজন রসিক বাংলাদেশিদের কোনো বাধাই আটকিয়ে রাখতে পারবে না। জয় হোক আড্ডাবাজির, জয় হোক ভোজন বিলাসের-জয় হোক পটলাকের। যান্ত্রিকতাকে পাশ কাটিয়ে জয় হবেই আমাদের বাঙালিয়ানার। ঈদ মোবারক!

*সাইফুল আজম সিদ্দিকী, গাড়ি প্রকৌশলী, মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X