বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:১২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, November 9, 2016 7:52 pm
A- A A+ Print

মাহমুদউল্লাহর ওই এক ওভার

6e72a627f553fe143c290df47f85a61a-mahmudullah-2

ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচটাই কি না শেষ পর্যন্ত এমন রোমাঞ্চের পসরা সাজিয়ে বসবে। স্নায়ুর এমন পরীক্ষা নেবে! উত্তেজনার সব রসদ লুকিয়ে থাকল মাহমুদউল্লাহর করা শেষ ওভারে। মাহমুদউল্লাহর বলে রাজশাহী কিংসের শেষ ব্যাটসম্যান নাজমুল ইসলাম স্টাম্পড হতেই উল্লাসে মেতে উঠল খুলনা টাইটানস। ডাগআউট থেকে ছুটে এলেন দলের অন্য খেলোয়াড়েরাও। উদযাপন দেখে মনে হলো, যেন শিরোপাই জিতে গেছে তারা! এমন উচ্ছ্বাস তো খুলনাই করবে। ১৩৪ রানের লক্ষ্য দিয়ে তারা জিতে গেছে ৩ রানে। অথচ ১৮তম ওভার শেষেও মনে হয়নি ম্যাচটা রাজশাহী হারতে যাচ্ছে। এমনকি ১৯তম ওভারেও। ৯ বলে দরকার ৯ রান হাতে ৪ উইকেট। সহজ এক সমীকরণ। ফরহাদ রেজা তখন করলেন শিশুতোষ এক ভুল। জুনায়েদ খানের শর্ট বলটা অহেতুক লাফিয়ে চালাতে গিয়ে শর্ট কভারে মাহমুদউল্লাহর দুর্দান্ত এক ক্যাচে পরিণত হলেন। তার পরও ম্যাচে ছিল রাজশাহী। শেষ ওভারে দরকার ৭ রান। অনেককেই চমকে দিয়ে বোলিংয়ে এলেন অধিনায়ক নিজে। যে মাহমুদউল্লাহ জাতীয় দলে এখন আর বোলার পরিচয়ে হাজিরই হন না! কিন্তু সেই এক ওভারই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিল নাটকীয়ভাবে। রানটা তো হলোই না, মাহমুদউল্লাহর করা ওভারটাতে চোখের পলকে ঝরে গেল তাদের বাকি তিনটি উইকেটও। এক প্রান্তে অসহায় চোখে মেহেদী হাসান মিরাজ দেখলেন জিততে জিততে কীভাবে দল হেরে যায়! ইংল্যান্ড সিরিজের বিস্ময়-বালককে কেন দশে নামানো হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলতে পারেন দলের সমর্থকেরা। অথচ মুমিনুল কী অসাধারণ ব্যাটিংটাই না আজ করলেন। কাট, সুইপ, লফটেড শটে খেললেন ৬৪ রানের চোখজুড়ানো ইনিংস, যেটি টি-টোয়েন্টিতে তাঁর সর্বোচ্চ। নিজে উজ্জ্বল থাকলেও রাজশাহীর হারের পেছনে মুমিনুলের দৃষ্টিকটু আউটটিও কম দায়ী নয়। শফিউল ইসলামকে কেন অমন স্কুপ খেলতে গেলেন তিনিই ভালো জানেন। তবে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন জুনায়েদ ও মাহমুদউল্লাহ। জুনায়েদ তো চতুর্থ ওভারে হ্যাটট্রিকের সুযোগও পেয়েছিলেন। হ্যাটট্রিক অবশ্য পূরণ হয়নি। তবে নিয়েছেন ২৩ রানে ৪ উইকেট। আর ইনিংসের শেষ ওভারে জাদুকরি বোলিংয়ে ম্যাচের সব আলো নিজের দিকে টেনে নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। তার আগে খুলনা অধিনায়ক খেলেছেন ৩২ রানের সময়োপযোগী ইনিংস। রাজশাহীর এই হারে আবুল হাসানের মনটা অবশ্য বিষাদে ঢেকে যাওয়ার কথা। বৃথাই গেছে তাঁর ২৮ রানে ৫ উইকেটের দারুণ বোলিংটা।

Comments

Comments!

 মাহমুদউল্লাহর ওই এক ওভারAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মাহমুদউল্লাহর ওই এক ওভার

Wednesday, November 9, 2016 7:52 pm
6e72a627f553fe143c290df47f85a61a-mahmudullah-2

ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচটাই কি না শেষ পর্যন্ত এমন রোমাঞ্চের পসরা সাজিয়ে বসবে। স্নায়ুর এমন পরীক্ষা নেবে! উত্তেজনার সব রসদ লুকিয়ে থাকল মাহমুদউল্লাহর করা শেষ ওভারে।
মাহমুদউল্লাহর বলে রাজশাহী কিংসের শেষ ব্যাটসম্যান নাজমুল ইসলাম স্টাম্পড হতেই উল্লাসে মেতে উঠল খুলনা টাইটানস। ডাগআউট থেকে ছুটে এলেন দলের অন্য খেলোয়াড়েরাও। উদযাপন দেখে মনে হলো, যেন শিরোপাই জিতে গেছে তারা! এমন উচ্ছ্বাস তো খুলনাই করবে। ১৩৪ রানের লক্ষ্য দিয়ে তারা জিতে গেছে ৩ রানে।
অথচ ১৮তম ওভার শেষেও মনে হয়নি ম্যাচটা রাজশাহী হারতে যাচ্ছে। এমনকি ১৯তম ওভারেও। ৯ বলে দরকার ৯ রান হাতে ৪ উইকেট। সহজ এক সমীকরণ। ফরহাদ রেজা তখন করলেন শিশুতোষ এক ভুল। জুনায়েদ খানের শর্ট বলটা অহেতুক লাফিয়ে চালাতে গিয়ে শর্ট কভারে মাহমুদউল্লাহর দুর্দান্ত এক ক্যাচে পরিণত হলেন।

তার পরও ম্যাচে ছিল রাজশাহী। শেষ ওভারে দরকার ৭ রান। অনেককেই চমকে দিয়ে বোলিংয়ে এলেন অধিনায়ক নিজে। যে মাহমুদউল্লাহ জাতীয় দলে এখন আর বোলার পরিচয়ে হাজিরই হন না! কিন্তু সেই এক ওভারই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিল নাটকীয়ভাবে।
রানটা তো হলোই না, মাহমুদউল্লাহর করা ওভারটাতে চোখের পলকে ঝরে গেল তাদের বাকি তিনটি উইকেটও। এক প্রান্তে অসহায় চোখে মেহেদী হাসান মিরাজ দেখলেন জিততে জিততে কীভাবে দল হেরে যায়! ইংল্যান্ড সিরিজের বিস্ময়-বালককে কেন দশে নামানো হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুলতে পারেন দলের সমর্থকেরা।
অথচ মুমিনুল কী অসাধারণ ব্যাটিংটাই না আজ করলেন। কাট, সুইপ, লফটেড শটে খেললেন ৬৪ রানের চোখজুড়ানো ইনিংস, যেটি টি-টোয়েন্টিতে তাঁর সর্বোচ্চ। নিজে উজ্জ্বল থাকলেও রাজশাহীর হারের পেছনে মুমিনুলের দৃষ্টিকটু আউটটিও কম দায়ী নয়। শফিউল ইসলামকে কেন অমন স্কুপ খেলতে গেলেন তিনিই ভালো জানেন।
তবে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন জুনায়েদ ও মাহমুদউল্লাহ। জুনায়েদ তো চতুর্থ ওভারে হ্যাটট্রিকের সুযোগও পেয়েছিলেন। হ্যাটট্রিক অবশ্য পূরণ হয়নি। তবে নিয়েছেন ২৩ রানে ৪ উইকেট। আর ইনিংসের শেষ ওভারে জাদুকরি বোলিংয়ে ম্যাচের সব আলো নিজের দিকে টেনে নিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। তার আগে খুলনা অধিনায়ক খেলেছেন ৩২ রানের সময়োপযোগী ইনিংস।
রাজশাহীর এই হারে আবুল হাসানের মনটা অবশ্য বিষাদে ঢেকে যাওয়ার কথা। বৃথাই গেছে তাঁর ২৮ রানে ৫ উইকেটের দারুণ বোলিংটা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X