শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:২৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 30, 2017 11:35 pm
A- A A+ Print

মা ও নেহরু শারীরিক সম্পর্কের সুযোগ পাননি

00

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু ও ভারতের শেষ ভাইসরয়ের স্ত্রী এডউইনা মাউন্টব্যাটেন একে অপরকে খুব ভালোবাসতেন। শ্রদ্ধা করতেন। কিন্তু তাঁরা কখনো একা হতে পারেননি। তাই তাঁরা শারীরিক সংসর্গের সুযোগও পাননি। নিজের মা এডউইনা মাউন্টব্যাটেন ও জওহরলাল নেহরুর সম্পর্ক নিয়ে এমন দাবি করেছেন ভারতের শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেনের মেয়ে পামেলা হিকস নি মাউন্টব্যাটেন। আজ রোববার ভারতের শীর্ষ গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, লর্ড মাউন্টব্যাটেনের মেয়ে পামেলা হিকস নি মাউন্টব্যাটেন ‘ডটার অব এম্পায়ার: লাইফ অ্যাজ অ্যা মাউন্টব্যাটেন’ শীর্ষক একটি বই লিখেছেন। ওই বইয়ে তিনি এসব কথা লিখেছেন। পামেলা বলেন, শেষ ভাইসরয় হিসেবে লর্ড মাউন্টব্যাটেন যখন ভারতে আসেন, তখন পামেলার বয়স ১৭। তাই তিনি খুব কাছ থেকে মা এডউইনা ও নেহরুর সম্পর্ক পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছিলেন। পামেলা বলেন, ‘নেহরুর বন্ধুত্ব, ভাবনা ও বুদ্ধিমত্তায় মা আকৃষ্ট হয়েছিলেন। এগুলো মা বেশ উপভোগ করতেন।’ পামেলা হিকস নি মাউন্টব্যাটেন। ছবি: সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম থেকে নেওয়াপ্রতিবেদনে বলা হয়, মা এডউইনা ও নেহরুর সম্পর্কের বিষয়ে বিশদ জানার আগ্রহ ছিল পামেলার। এ জন্য তাঁদের পরস্পরকে পাঠানো কিছু ব্যক্তিগত চিঠি তিনি পড়েছিলেন। সেখান থেকেই তিনি জেনেছিলেন, এডউইনা ও নেহরু পরস্পরকে অসম্ভব ভালোবাসেন এবং শ্রদ্ধা করেন। পামেলা বলেন, ‘মা ও নেহরুর সম্পর্কটা শারীরিক সম্পর্কের দিকে গড়িয়েছিল কি না, তা জানার অনেক আগ্রহ ছিল। কিন্তু চিঠিগুলো পড়ে আমি নিশ্চিত হয়েছি যে তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়নি। তাঁরা দুজন কখনো সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে একা হতে পারেননি। কারণ সব সময় পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা ও অন্যান্য মানুষ তাঁদের সঙ্গে সঙ্গেই থাকতেন। এ কারণেই তাঁরা শারীরিক সংসর্গের সুযোগ পাননি।’ পামেলা তাঁর বইয়ে লিখেছেন, ‘ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় নেহরুকে একটি পান্নার আংটি দিতে চেয়েছিলেন মা এডউইনা। মা জানতেন, সেটা তিনি নেবেন না। পরে মা আংটিটি নেহরুর মেয়ে ইন্দিরা গান্ধীকে দিয়ে বলেছিলেন, যদি তিনি (নেহরু) কখনো আর্থিক সংকটে পড়েন, তাহলে চাইলে আংটিটি তাঁর জন্য বিক্রি করে দিতে পারেন।’ লর্ড মাউন্টব্যাটেনের বিদায় অনুষ্ঠানে জওহরলাল নেহরু এডউইনাকে সরাসরি উদ্দেশ করে বলেছিলেন, ‘আপনি যেখানেই যান না কেন, আমাদের আপনি আশা ও উৎসাহ দিয়ে গেলেন। ভারতের জনগণ আপনাকে ভালোবাসবে, তাদেরই একজন হিসেবে আপনাকে দেখবে। আপনার চলে যাওয়া তারা দুঃখিত।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ডটার অব এম্পায়ার: লাইফ অ্যাজ অ্যা মাউন্টব্যাটেন’ বইটি ২০১২ সালে যুক্তরাজ্যে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরে তা পেপারব্যাক আকারে ভারতে নিয়ে আসা হয়৷

Comments

Comments!

 মা ও নেহরু শারীরিক সম্পর্কের সুযোগ পাননিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মা ও নেহরু শারীরিক সম্পর্কের সুযোগ পাননি

Sunday, July 30, 2017 11:35 pm
00

ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু ও ভারতের শেষ ভাইসরয়ের স্ত্রী এডউইনা মাউন্টব্যাটেন একে অপরকে খুব ভালোবাসতেন। শ্রদ্ধা করতেন। কিন্তু তাঁরা কখনো একা হতে পারেননি। তাই তাঁরা শারীরিক সংসর্গের সুযোগও পাননি।

নিজের মা এডউইনা মাউন্টব্যাটেন ও জওহরলাল নেহরুর সম্পর্ক নিয়ে এমন দাবি করেছেন ভারতের শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেনের মেয়ে পামেলা হিকস নি মাউন্টব্যাটেন।

আজ রোববার ভারতের শীর্ষ গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, লর্ড মাউন্টব্যাটেনের মেয়ে পামেলা হিকস নি মাউন্টব্যাটেন ‘ডটার অব এম্পায়ার: লাইফ অ্যাজ অ্যা মাউন্টব্যাটেন’ শীর্ষক একটি বই লিখেছেন। ওই বইয়ে তিনি এসব কথা লিখেছেন।

পামেলা বলেন, শেষ ভাইসরয় হিসেবে লর্ড মাউন্টব্যাটেন যখন ভারতে আসেন, তখন পামেলার বয়স ১৭। তাই তিনি খুব কাছ থেকে মা এডউইনা ও নেহরুর সম্পর্ক পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছিলেন।

পামেলা বলেন, ‘নেহরুর বন্ধুত্ব, ভাবনা ও বুদ্ধিমত্তায় মা আকৃষ্ট হয়েছিলেন। এগুলো মা বেশ উপভোগ করতেন।’

পামেলা হিকস নি মাউন্টব্যাটেন। ছবি: সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম থেকে নেওয়াপ্রতিবেদনে বলা হয়, মা এডউইনা ও নেহরুর সম্পর্কের বিষয়ে বিশদ জানার আগ্রহ ছিল পামেলার। এ জন্য তাঁদের পরস্পরকে পাঠানো কিছু ব্যক্তিগত চিঠি তিনি পড়েছিলেন। সেখান থেকেই তিনি জেনেছিলেন, এডউইনা ও নেহরু পরস্পরকে অসম্ভব ভালোবাসেন এবং শ্রদ্ধা করেন।

পামেলা বলেন, ‘মা ও নেহরুর সম্পর্কটা শারীরিক সম্পর্কের দিকে গড়িয়েছিল কি না, তা জানার অনেক আগ্রহ ছিল। কিন্তু চিঠিগুলো পড়ে আমি নিশ্চিত হয়েছি যে তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়নি। তাঁরা দুজন কখনো সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে একা হতে পারেননি। কারণ সব সময় পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা ও অন্যান্য মানুষ তাঁদের সঙ্গে সঙ্গেই থাকতেন। এ কারণেই তাঁরা শারীরিক সংসর্গের সুযোগ পাননি।’

পামেলা তাঁর বইয়ে লিখেছেন, ‘ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার সময় নেহরুকে একটি পান্নার আংটি দিতে চেয়েছিলেন মা এডউইনা। মা জানতেন, সেটা তিনি নেবেন না। পরে মা আংটিটি নেহরুর মেয়ে ইন্দিরা গান্ধীকে দিয়ে বলেছিলেন, যদি তিনি (নেহরু) কখনো আর্থিক সংকটে পড়েন, তাহলে চাইলে আংটিটি তাঁর জন্য বিক্রি করে দিতে পারেন।’

লর্ড মাউন্টব্যাটেনের বিদায় অনুষ্ঠানে জওহরলাল নেহরু এডউইনাকে সরাসরি উদ্দেশ করে বলেছিলেন, ‘আপনি যেখানেই যান না কেন, আমাদের আপনি আশা ও উৎসাহ দিয়ে গেলেন। ভারতের জনগণ আপনাকে ভালোবাসবে, তাদেরই একজন হিসেবে আপনাকে দেখবে। আপনার চলে যাওয়া তারা দুঃখিত।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ডটার অব এম্পায়ার: লাইফ অ্যাজ অ্যা মাউন্টব্যাটেন’ বইটি ২০১২ সালে যুক্তরাজ্যে প্রথম প্রকাশিত হয়। পরে তা পেপারব্যাক আকারে ভারতে নিয়ে আসা হয়৷

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X