বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৪৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 24, 2016 2:38 am | আপডেটঃ July 24, 2016 2:40 AM
A- A A+ Print

মিউনিখের শপিংমল হামলায় জঙ্গি সম্পৃক্ততা পায়নি বলছে পুলিশ

People are evacuated from the area around the shopping mall Olympia Einkaufzentrum OEZ in Munich on July 22, 2016 after gunmen  went on a shooting rampage in the busy shopping centre, killing eight people in a suspected terror attack. 
The southern city was in lockdown after the shootings, which saw panicked shoppers fleeing the Olympia mall as armed anti-terror police roamed the streets in search of the assailants.
 / AFP PHOTO / STRINGER

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জার্মানির পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি বলছে, শুক্রবার বিকেলে যে বন্দুকধারী মিউনিখ শহরের একটি শপিং সেন্টারে গুলি চালিয়ে ৯ জনকে হত্যা করেছে, তার সাথে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠি বা সন্ত্রাসবাদের কোনো সম্পর্ক নেই। জানা যায়, ১৮ বছর বয়স্ক ওই তরুণ ইরানি বংশোদ্ভূত এবং তার জার্মানি ও ইরান দুদেশেরই পাসপোর্ট ছিল। তার নাম এখনো পুলিশ প্রকাশ করেনি। আরো জানা গেছে তরুণটির মানসিক অবসাদের জন্য চিকিৎসা চলছিল। জার্মান পুলিশ বলছে মিউনিখের হামলাকারী ছিল একজন ছাত্র এবং গুলি করে গণহারে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর প্রতি তার একটা অন্ধ আকর্ষণ ছিল বলে তথ্য প্রমাণও তারা পেয়েছে। তার বাসাবাড়ি তল্লাশি করে পুলিশ যেসব কাগজপত্র পেয়েছে তার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায় বেরনো হামলা সংক্রান্ত নানা খবরের কাটিং এবং ‘ছাত্ররা কেন হত্যা করে’ এই শিরোনামে একটি নিবন্ধ। পুলিশ বলছে গুলি চালানোর আগে ওই তরুণ কিছু একটা বলে চিৎকার করছিল, কিন্তু তদন্তকারীরা এখনো পর্যন্ত বের করতে পারেনি ওই তরুণ আসলে কি বলেছিল। প্রথম দিকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসলামি জঙ্গিবাদকে দায়ী করা হলেও মিউনিখ পুলিশ এখন জানিয়েছে ওই তরুণের সঙ্গে কোনো জঙ্গিগোষ্ঠির যোগাযোগ ছিল না। তবে মোবাইলে ফোনে তোলা ভিডিও ছবিতে ‘আমি জার্মান’ কথাটি কাউকে বলতে শোনার পর এমন ধারণার কথাও শোনা যাচ্ছে যে উগ্র ডানপন্থী মতাদর্শের কোনো সমর্থক এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। পুলিশ বলছে নরওয়ের গণহত্যাকারী অ্যান্ডারস্ বেহরিং ব্রেভিক যে ২০১১ সালে ৭৭ জনকে হত্যা করেছিল তার সঙ্গে এই যুবকের যোগাযোগের প্রমাণও তারা পেয়েছে। তদন্তকারী পুলিশ এমন সন্দেহও করছে যে ওই তরুণ একজন মেয়ের ছদ্মনামে ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে খুন করার জন্য লোকজনকে ম্যাকডোনাল্ড-এর দোকানে ডেকে এনেছিল। ঘটনার পরপরই আক্রমণকারী আত্মহত্যা করে। শপিং সেন্টারের ভেতর একজন প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় একটি টিভি চ্যানেলকে জানিয়েছে হামলাকারী সেনা স্টাইলের বুট পরেছিল এবং তার পিঠে ব্যাগ ছিল। হামলার ঘটনায় নয়জন নিহত হওয়া ছাড়াও শিশুসহ ২৭জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে দশজনের অবস্থা সঙ্কটজনক। মিউনিখ পুলিশের প্রধান বলেছেন আহত অনেকে ভয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে- যাদের হিসাব পুলিশের কাছে নেই। জার্মানিতে শনিবার নিহতদের স্মরণে পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। ওই শপিং এলাকায় মানুষজন নিহতদের স্মরণে ফুল দিয়েছে এবং মোমবাতি জ্বালিয়েছে।

Comments

Comments!

 মিউনিখের শপিংমল হামলায় জঙ্গি সম্পৃক্ততা পায়নি বলছে পুলিশAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মিউনিখের শপিংমল হামলায় জঙ্গি সম্পৃক্ততা পায়নি বলছে পুলিশ

Sunday, July 24, 2016 2:38 am | আপডেটঃ July 24, 2016 2:40 AM
People are evacuated from the area around the shopping mall Olympia Einkaufzentrum OEZ in Munich on July 22, 2016 after gunmen  went on a shooting rampage in the busy shopping centre, killing eight people in a suspected terror attack. 
The southern city was in lockdown after the shootings, which saw panicked shoppers fleeing the Olympia mall as armed anti-terror police roamed the streets in search of the assailants.
 / AFP PHOTO / STRINGER

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জার্মানির পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি বলছে, শুক্রবার বিকেলে যে বন্দুকধারী মিউনিখ শহরের একটি শপিং সেন্টারে গুলি চালিয়ে ৯ জনকে হত্যা করেছে, তার সাথে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠি বা সন্ত্রাসবাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

জানা যায়, ১৮ বছর বয়স্ক ওই তরুণ ইরানি বংশোদ্ভূত এবং তার জার্মানি ও ইরান দুদেশেরই পাসপোর্ট ছিল। তার নাম এখনো পুলিশ প্রকাশ করেনি। আরো জানা গেছে তরুণটির মানসিক অবসাদের জন্য চিকিৎসা চলছিল।

জার্মান পুলিশ বলছে মিউনিখের হামলাকারী ছিল একজন ছাত্র এবং গুলি করে গণহারে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর প্রতি তার একটা অন্ধ আকর্ষণ ছিল বলে তথ্য প্রমাণও তারা পেয়েছে।

তার বাসাবাড়ি তল্লাশি করে পুলিশ যেসব কাগজপত্র পেয়েছে তার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন পত্রিকায় বেরনো হামলা সংক্রান্ত নানা খবরের কাটিং এবং ‘ছাত্ররা কেন হত্যা করে’ এই শিরোনামে একটি নিবন্ধ।

পুলিশ বলছে গুলি চালানোর আগে ওই তরুণ কিছু একটা বলে চিৎকার করছিল, কিন্তু তদন্তকারীরা এখনো পর্যন্ত বের করতে পারেনি ওই তরুণ আসলে কি বলেছিল।

প্রথম দিকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ইসলামি জঙ্গিবাদকে দায়ী করা হলেও মিউনিখ পুলিশ এখন জানিয়েছে ওই তরুণের সঙ্গে কোনো জঙ্গিগোষ্ঠির যোগাযোগ ছিল না।

তবে মোবাইলে ফোনে তোলা ভিডিও ছবিতে ‘আমি জার্মান’ কথাটি কাউকে বলতে শোনার পর এমন ধারণার কথাও শোনা যাচ্ছে যে উগ্র ডানপন্থী মতাদর্শের কোনো সমর্থক এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে।

পুলিশ বলছে নরওয়ের গণহত্যাকারী অ্যান্ডারস্ বেহরিং ব্রেভিক যে ২০১১ সালে ৭৭ জনকে হত্যা করেছিল তার সঙ্গে এই যুবকের যোগাযোগের প্রমাণও তারা পেয়েছে।

তদন্তকারী পুলিশ এমন সন্দেহও করছে যে ওই তরুণ একজন মেয়ের ছদ্মনামে ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে খুন করার জন্য লোকজনকে ম্যাকডোনাল্ড-এর দোকানে ডেকে এনেছিল। ঘটনার পরপরই আক্রমণকারী আত্মহত্যা করে।

শপিং সেন্টারের ভেতর একজন প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় একটি টিভি চ্যানেলকে জানিয়েছে হামলাকারী সেনা স্টাইলের বুট পরেছিল এবং তার পিঠে ব্যাগ ছিল।

হামলার ঘটনায় নয়জন নিহত হওয়া ছাড়াও শিশুসহ ২৭জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে দশজনের অবস্থা সঙ্কটজনক। মিউনিখ পুলিশের প্রধান বলেছেন আহত অনেকে ভয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে- যাদের হিসাব পুলিশের কাছে নেই।

জার্মানিতে শনিবার নিহতদের স্মরণে পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। ওই শপিং এলাকায় মানুষজন নিহতদের স্মরণে ফুল দিয়েছে এবং মোমবাতি জ্বালিয়েছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X