রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:১১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, December 3, 2016 12:26 am
A- A A+ Print

মিয়ানমারে পরিস্থিতি শান্ত, দাবি সু চির

photo-1480701388

রোহিঙ্গাদের ওপর সেনা নির্যাতন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনার মুখে থাকা মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় পরাদর্শদাতা অং সান সু চি বলেছেন, তিনি রাখাইন রাজ্যে পরিস্থিতির উন্নত করতে চান। শুক্রবার সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়াকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে শান্তিতে নোবেলজয়ী বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি এবং শান্ত করেছি।’ রাখাইনে সেনা নির্যাতন বিষয়ে বরাবর নিশ্চুপ থাকা সু চি বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেই দায়ী করেন। মিয়ানমারের নেত্রী বলেন, ‘তবে সবসময় অসন্তোষ প্রকাশ না করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি আমাদের সহায়তা করে, আমি সেটার প্রশংসা করব।’ বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে সিঙ্গাপুরে থাকা সু চি বলেন, ‘কেবল মুসলিমরাই আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন নয়। রাখাইনরাও উদ্বিগ্ন, তারা উদ্বেগে আছে এ কারণে যে, শতকরাভিত্তিতে রাখাইন জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং অবশ্যই আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং আমরা এটা (সম্পর্ক) উন্নত করতে চাই।’ সু চি বলেন, ‘তবে গত ৯ অক্টোবর পুলিশ চৌকিতে হামলার হলেও প্রত্যেকে কেবল পরিস্থিতির নেতিবাচক দিকটা দেখলে তা কোনো সহায়ক হয় না।’ সু চিকে বলা হয় সমস্যার জন্য তো কেবল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দায়ী নয়। এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি তা জানি। আমি বলছি না যে কোনো জটিলতা নেই, তবে জটিলতাকে লোকজন যদি স্বীকৃতি দেয় তাহলে সহায়ক হয়। আর এসব জটিলতা অতিরঞ্জিত না করে সেগুলো নিরসনে মনোযোগ দিচ্ছি আমরা।’ গত অক্টোবর মিয়ানমারের সেনাচৌকিতে হামলায় নয়জন নিহত হন। এরপর দেশটির সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা রাজ্যে অভিযান শুরু করে। এতে তাদের গুলিতে ৬৯ জন রোহিঙ্গা মুসলিম নিহত হয় বলে জানানো হয়। এরপর থেকে হাজার হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ অনুপ্রবেশ করেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, এ সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে। এ ছাড়া বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্যাতন, লুঠ, গণধর্ষণ এবং তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তা অস্বীকার করেছে।

Comments

Comments!

 মিয়ানমারে পরিস্থিতি শান্ত, দাবি সু চিরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মিয়ানমারে পরিস্থিতি শান্ত, দাবি সু চির

Saturday, December 3, 2016 12:26 am
photo-1480701388

রোহিঙ্গাদের ওপর সেনা নির্যাতন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনার মুখে থাকা মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় পরাদর্শদাতা অং সান সু চি বলেছেন, তিনি রাখাইন রাজ্যে পরিস্থিতির উন্নত করতে চান।

শুক্রবার সিঙ্গাপুরভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম চ্যানেল নিউজ এশিয়াকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে শান্তিতে নোবেলজয়ী বলেন, ‘আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি এবং শান্ত করেছি।’

রাখাইনে সেনা নির্যাতন বিষয়ে বরাবর নিশ্চুপ থাকা সু চি বৌদ্ধ ও রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেই দায়ী করেন।

মিয়ানমারের নেত্রী বলেন, ‘তবে সবসময় অসন্তোষ প্রকাশ না করে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যদি আমাদের সহায়তা করে, আমি সেটার প্রশংসা করব।’

বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে সিঙ্গাপুরে থাকা সু চি বলেন, ‘কেবল মুসলিমরাই আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন নয়। রাখাইনরাও উদ্বিগ্ন, তারা উদ্বেগে আছে এ কারণে যে, শতকরাভিত্তিতে রাখাইন জনসংখ্যা কমে যাচ্ছে এবং অবশ্যই আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে, দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং আমরা এটা (সম্পর্ক) উন্নত করতে চাই।’

সু চি বলেন, ‘তবে গত ৯ অক্টোবর পুলিশ চৌকিতে হামলার হলেও প্রত্যেকে কেবল পরিস্থিতির নেতিবাচক দিকটা দেখলে তা কোনো সহায়ক হয় না।’

সু চিকে বলা হয় সমস্যার জন্য তো কেবল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দায়ী নয়। এর উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি তা জানি। আমি বলছি না যে কোনো জটিলতা নেই, তবে জটিলতাকে লোকজন যদি স্বীকৃতি দেয় তাহলে সহায়ক হয়। আর এসব জটিলতা অতিরঞ্জিত না করে সেগুলো নিরসনে মনোযোগ দিচ্ছি আমরা।’

গত অক্টোবর মিয়ানমারের সেনাচৌকিতে হামলায় নয়জন নিহত হন। এরপর দেশটির সেনাবাহিনী রোহিঙ্গা রাজ্যে অভিযান শুরু করে। এতে তাদের গুলিতে ৬৯ জন রোহিঙ্গা মুসলিম নিহত হয় বলে জানানো হয়। এরপর থেকে হাজার হাজার রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশ অনুপ্রবেশ করেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, এ সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে।

এ ছাড়া বেসামরিক নাগরিকদের ওপর নির্যাতন, লুঠ, গণধর্ষণ এবং তাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তা অস্বীকার করেছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X