মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, September 3, 2016 10:50 am | আপডেটঃ September 03, 2016 10:52 AM
A- A A+ Print

মীর কাসেম আলীর পরিবারকে বিকাল সাড়ে ৩ টায় শেষ দেখার জন্য কাশিমপুর কারাগারে ডাকা হয়েছে

bbed5b61faa8e41340b6b711eebd8145-Untitled-1

মীর কাসেম আলীর পরিবারকে আজ বিকাল সাড়ে ৩ টায় শেষ দেখার জন্য কাশিমপুর কারাগারে ডাকা হয়েছে। এতে আজ রাতে তার ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি অনেকটা নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে।   এদিকে আজ বিকেলে কাশিমপুর কারাগারে মীর কাসম আলীর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন স্বজনরা বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার স্ত্রী আয়েশা খন্দকার। শুক্রবার কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর হবে কাশিমপুর কারাগারে।আজ শনিবার বা আগামীকাল রবিবারের মধ্যেই ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে বলেও জানান কারা কর্মকর্তারা। এদিকে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন না বলে শুক্রবার জানিয়েছেন মীর কাসেম আলী। ছেলেকে ফিরে পাওয়ার শর্ত দিয়ে তিন দিন আটকে রাখার পর শুক্রবার তিনি এ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কারা কর্মকর্তারা। তার ফাঁসি কার্যকরে এখন আর কোনো বাধা নেই। মীর কাসেম আলীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১২ সালের ১৭ জুন গ্রেপ্তার করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দুটি অভিযোগে মীর কাসেমের ফাঁসি ও আটটি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়। ওই বছরের ৩০ নভেম্বর আপিল করেন মীর কাসেম। চলতি বছরের ৮ মার্চ আপিলের রায়ে মীর কাসেমের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন সর্বোচ্চ আদালত। অন্য ছয়টি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে তার কারাদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৯ জুন আবেদন করেন মীর কাসেম। তার আবেদনের ওপর ২৪ আগস্ট শুনানি শুরু হয়। মীর কাসেমের রিভিউ আবেদনের ওপর ২৮ আগস্ট শুনানি শেষ হয়। এরপর ৩০ আগস্ট মীর কাসেমের করা আবেদন খারিজ করেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত। মীর কাসেমের আইনি লড়াইয়ে রিভিউ আবেদনই ছিল শেষ ধাপ। এই আবেদন খারিজ হওয়ার পর সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার পথ শুধু খোলা ছিল।

Comments

Comments!

 মীর কাসেম আলীর পরিবারকে বিকাল সাড়ে ৩ টায় শেষ দেখার জন্য কাশিমপুর কারাগারে ডাকা হয়েছেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মীর কাসেম আলীর পরিবারকে বিকাল সাড়ে ৩ টায় শেষ দেখার জন্য কাশিমপুর কারাগারে ডাকা হয়েছে

Saturday, September 3, 2016 10:50 am | আপডেটঃ September 03, 2016 10:52 AM
bbed5b61faa8e41340b6b711eebd8145-Untitled-1

মীর কাসেম আলীর পরিবারকে আজ বিকাল সাড়ে ৩ টায় শেষ দেখার জন্য কাশিমপুর কারাগারে ডাকা হয়েছে। এতে আজ রাতে তার ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি অনেকটা নিশ্চিত বলে মনে হচ্ছে।

 

এদিকে আজ বিকেলে কাশিমপুর কারাগারে মীর কাসম আলীর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন স্বজনরা বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তার স্ত্রী আয়েশা খন্দকার।

শুক্রবার কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর হবে কাশিমপুর কারাগারে।আজ শনিবার বা আগামীকাল রবিবারের মধ্যেই ফাঁসি কার্যকরের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে বলেও জানান কারা কর্মকর্তারা।

এদিকে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন না বলে শুক্রবার জানিয়েছেন মীর কাসেম আলী।

ছেলেকে ফিরে পাওয়ার শর্ত দিয়ে তিন দিন আটকে রাখার পর শুক্রবার তিনি এ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কারা কর্মকর্তারা। তার ফাঁসি কার্যকরে এখন আর কোনো বাধা নেই।

মীর কাসেম আলীকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১২ সালের ১৭ জুন গ্রেপ্তার করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে ১৪টি অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন ট্রাইব্যুনাল।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে দুটি অভিযোগে মীর কাসেমের ফাঁসি ও আটটি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড হয়। ওই বছরের ৩০ নভেম্বর আপিল করেন মীর কাসেম। চলতি বছরের ৮ মার্চ আপিলের রায়ে মীর কাসেমের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখেন সর্বোচ্চ আদালত। অন্য ছয়টি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে তার কারাদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

ওই রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১৯ জুন আবেদন করেন মীর কাসেম। তার আবেদনের ওপর ২৪ আগস্ট শুনানি শুরু হয়। মীর কাসেমের রিভিউ আবেদনের ওপর ২৮ আগস্ট শুনানি শেষ হয়। এরপর ৩০ আগস্ট মীর কাসেমের করা আবেদন খারিজ করেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

মীর কাসেমের আইনি লড়াইয়ে রিভিউ আবেদনই ছিল শেষ ধাপ। এই আবেদন খারিজ হওয়ার পর সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার পথ শুধু খোলা ছিল।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X