মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:৫১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, June 11, 2017 3:20 pm
A- A A+ Print

মুক্তি পেয়েছেন গাদ্দাফিপুত্র সাইফ আল ইসলাম

69449_Saif

মুক্তি পেয়েছেন লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল ইসলাম। ৬ বছর ধরে তিনি বন্দি ছিলেন আবু বকর আল সিদ্দিক ব্যাটালিয়ন নামের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অধীনে। তারাই শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছে সাধারণ ক্ষমার অধীসে সাইফকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। অন্তবর্তী সরকারের আহ্বানের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে বলেও বলা হচ্ছে। তবে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায় নি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। স্থানীয় মিডিয়া বলছে, বর্তমানে পূর্বাঞ্চলীয় বাইদা শহরে অবস্থান করছেন নিকট আত্মীয়দের সঙ্গে। এখানে উল্লেখ্য  সাইফ আল ইসলাম তার পিতা, লিবিয়ার লৌহমানবখ্যাত মুয়াম্মার গাদ্দাফির দ্বিতীয় ছেলে। তিনি ছিলেন তার পিতার যোগ্য উত্তরসুরি। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে লিবিয়ায় আগ্রাসন চালানোর পর ক্ষমতাচ্যুত হন তার পিতা গাদ্দাফি। তিনি রাজধানী ছেড়ে পালিয়ে যান। একই দশা হয় সন্তানদেরও। পরে গাদ্দাফিকে হত্যা করা হয়। কিন্তু ২০১১ সালের নভেম্বরে পালিয়ে নাইজারে যাওয়ার সময় এক মরুভূমির ভিতর বিদ্রোহী বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন সাইফ আল ইসলাম। পরে দেখা যায় তার বেশ কয়েকটি আঙ্গুল নেই। ধরে নেয়া হয় যে, তাকে আটক করার পর আঙ্গুলগুলো কেটে দেয়া হয়েছে। পশ্চিমাদের চোখে তিনি ছিলেন লিবিয়ার প্লেবয়। তাকে দেখা হতো মুয়াম্মার গাদ্দাফি সরকারের চালিকাশক্তি হিসেবে। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন তিনিই হতে যাচ্ছিলেন পিতার শাসনযন্ত্রের উত্তরসুরি। তার পিতার বিরুদ্ধে যখন বিদ্রোহ শুরু হয় তখন তিনি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছিলেন বলে অভিযোগ আছে। এ অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তিনি ওয়ান্টেড। সাইফ আল ইসলামের বয়স ৪৪ বছর। ২০০৮ সালে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে তিনি পিএইচডি অর্জন করেছেন বলে জানা যায়। ২০০০ সালের পর পশ্চিমা সরকারগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে সাইফ মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন। ধরা পড়ার চার বছর পরে তার বিরুদ্ধে ত্রিপোলির এক আদালত তার অনুপস্থিতিতেই ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে হত্যার রায় দেয়।

Comments

Comments!

 মুক্তি পেয়েছেন গাদ্দাফিপুত্র সাইফ আল ইসলামAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মুক্তি পেয়েছেন গাদ্দাফিপুত্র সাইফ আল ইসলাম

Sunday, June 11, 2017 3:20 pm
69449_Saif

মুক্তি পেয়েছেন লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল ইসলাম। ৬ বছর ধরে তিনি বন্দি ছিলেন আবু বকর আল সিদ্দিক ব্যাটালিয়ন নামের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর অধীনে। তারাই শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছে সাধারণ ক্ষমার অধীসে সাইফকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। অন্তবর্তী সরকারের আহ্বানের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে বলেও বলা হচ্ছে। তবে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায় নি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। স্থানীয় মিডিয়া বলছে, বর্তমানে পূর্বাঞ্চলীয় বাইদা শহরে অবস্থান করছেন নিকট আত্মীয়দের সঙ্গে। এখানে উল্লেখ্য  সাইফ আল ইসলাম তার পিতা, লিবিয়ার লৌহমানবখ্যাত মুয়াম্মার গাদ্দাফির দ্বিতীয় ছেলে। তিনি ছিলেন তার পিতার যোগ্য উত্তরসুরি। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে লিবিয়ায় আগ্রাসন চালানোর পর ক্ষমতাচ্যুত হন তার পিতা গাদ্দাফি। তিনি রাজধানী ছেড়ে পালিয়ে যান। একই দশা হয় সন্তানদেরও। পরে গাদ্দাফিকে হত্যা করা হয়। কিন্তু ২০১১ সালের নভেম্বরে পালিয়ে নাইজারে যাওয়ার সময় এক মরুভূমির ভিতর বিদ্রোহী বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন সাইফ আল ইসলাম। পরে দেখা যায় তার বেশ কয়েকটি আঙ্গুল নেই। ধরে নেয়া হয় যে, তাকে আটক করার পর আঙ্গুলগুলো কেটে দেয়া হয়েছে। পশ্চিমাদের চোখে তিনি ছিলেন লিবিয়ার প্লেবয়। তাকে দেখা হতো মুয়াম্মার গাদ্দাফি সরকারের চালিকাশক্তি হিসেবে। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন তিনিই হতে যাচ্ছিলেন পিতার শাসনযন্ত্রের উত্তরসুরি। তার পিতার বিরুদ্ধে যখন বিদ্রোহ শুরু হয় তখন তিনি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছিলেন বলে অভিযোগ আছে। এ অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে তিনি ওয়ান্টেড। সাইফ আল ইসলামের বয়স ৪৪ বছর। ২০০৮ সালে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস থেকে তিনি পিএইচডি অর্জন করেছেন বলে জানা যায়। ২০০০ সালের পর পশ্চিমা সরকারগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনে সাইফ মূল ভূমিকা পালন করেছিলেন। ধরা পড়ার চার বছর পরে তার বিরুদ্ধে ত্রিপোলির এক আদালত তার অনুপস্থিতিতেই ফায়ারিং স্কোয়াডে গুলি করে হত্যার রায় দেয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X