শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:১২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, July 26, 2016 9:25 pm
A- A A+ Print

মুন্নার জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ

munna-and-family_226332_136310

মায়ের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি ছাড়া কামরুজ্জামান তুহিন ওরফে মুন্নার জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ। যশোরের পুলিশের পক্ষ থেকে মুন্নাসহ পাঁচজনের নাম পরিচয় ও ছবি দিয়ে জঙ্গি সাব্যস্ত করে পোস্টার ছাপিয়ে প্রচার করে। যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন জানান, মুন্না ঢাকায় যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন সেখানে পুলিশি তদন্ত শেষে আজ মঙ্গলবার বিকালে রিপোর্ট পাঠিয়েছে যশোরে। ওই রিপোর্টে মুন্নার বিরুদ্ধে জঙ্গি-সংশ্লিষ্টতার কোন প্রমাণ মেলেনি বলে জানান ওসি। তিনি আরো বলেন, তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই আজ বিকাল ৬টার দিকে মুন্নাকে ১৫১ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়। এরপর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল আহমেদ মুন্নাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মুন্নাকে হেফাজতে রাখার প্রসঙ্গে ওসি বলেন, মুন্নার বিষয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি-নম্বর ১৩৫৩) করেছে পুলিশ। এই ডায়েরির বুনিয়াদে পুলিশ তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা মতে আদালতে পাঠানো হয়। ডায়েরিতে বলা হয়, সোমবার বেলা ১২টার দিকে শহরের শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকা থেকে কামরুজ্জামান তুহিন ওরফে মুন্নাকে আটক করা হয়। যদিও জঙ্গি তালিকায় নাম প্রকাশের খবর শুনে বাবা-মা-ভাইসহ আত্মীয়-পরিজনদের নিয়ে ওইদিন দুপুরে তিনি স্বেচ্ছায় থানায় হাজির হয়েছিলেন। যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান জানিয়েছিলেন, মুন্নার কর্মস্থলে পুলিশের তদন্ত দল কাজ করছে। আজ বিকালের মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া যাবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মুন্নার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ১৫১ ধারা প্রসঙ্গে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এমএ গফুর জানান, এটি একটি জামিনযোগ্য ধারা। পুলিশ যদি মনে করে আটক ব্যক্তি এলাকার সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারেন- তবে তাকে আটক করতে পারে। পুলিশ নিজ ক্ষমতাবলে এই ধারায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটক করতে পারে। পুলিশ জানায়, জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত যে পাঁচজনের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে, তাদের মধ্যে শহরের শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার আব্দুস সোবহানের ছেলে কামরুজ্জামান তুহিন ওরফে মুন্না (২৪) অন্যতম বলে প্রকাশ করে। মায়ের সাথে অভিমান করে বাড়িছাড়া মুন্না প্রায় তিন বছর পর সোমবার ভোরে নববধূকে নিয়ে স্বজনদের কাছে ফেরেন। এরপর দুপুরে স্বজনদের নিয়েই তিনি কোতোয়ালি থানায় গেলে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।

Comments

Comments!

 মুন্নার জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মুন্নার জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ

Tuesday, July 26, 2016 9:25 pm
munna-and-family_226332_136310
মায়ের সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি ছাড়া কামরুজ্জামান তুহিন ওরফে মুন্নার জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা পায়নি পুলিশ। যশোরের পুলিশের পক্ষ থেকে মুন্নাসহ পাঁচজনের নাম পরিচয় ও ছবি দিয়ে জঙ্গি সাব্যস্ত করে পোস্টার ছাপিয়ে প্রচার করে।

যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন জানান, মুন্না ঢাকায় যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন সেখানে পুলিশি তদন্ত শেষে আজ মঙ্গলবার বিকালে রিপোর্ট পাঠিয়েছে যশোরে। ওই রিপোর্টে মুন্নার বিরুদ্ধে জঙ্গি-সংশ্লিষ্টতার কোন প্রমাণ মেলেনি বলে জানান ওসি।

তিনি আরো বলেন, তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই আজ বিকাল ৬টার দিকে মুন্নাকে ১৫১ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়। এরপর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বুলবুল আহমেদ মুন্নাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মুন্নাকে হেফাজতে রাখার প্রসঙ্গে ওসি বলেন, মুন্নার বিষয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি-নম্বর ১৩৫৩) করেছে পুলিশ। এই ডায়েরির বুনিয়াদে পুলিশ তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারা মতে আদালতে পাঠানো হয়।

ডায়েরিতে বলা হয়, সোমবার বেলা ১২টার দিকে শহরের শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকা থেকে কামরুজ্জামান তুহিন ওরফে মুন্নাকে আটক করা হয়।

যদিও জঙ্গি তালিকায় নাম প্রকাশের খবর শুনে বাবা-মা-ভাইসহ আত্মীয়-পরিজনদের নিয়ে ওইদিন দুপুরে তিনি স্বেচ্ছায় থানায় হাজির হয়েছিলেন।

যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান জানিয়েছিলেন, মুন্নার কর্মস্থলে পুলিশের তদন্ত দল কাজ করছে। আজ বিকালের মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া যাবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মুন্নার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

১৫১ ধারা প্রসঙ্গে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এমএ গফুর জানান, এটি একটি জামিনযোগ্য ধারা। পুলিশ যদি মনে করে আটক ব্যক্তি এলাকার সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারেন- তবে তাকে আটক করতে পারে। পুলিশ নিজ ক্ষমতাবলে এই ধারায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আটক করতে পারে।

পুলিশ জানায়, জঙ্গি গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ত যে পাঁচজনের তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে, তাদের মধ্যে শহরের শংকরপুর গোলপাতা মসজিদ এলাকার আব্দুস সোবহানের ছেলে কামরুজ্জামান তুহিন ওরফে মুন্না (২৪) অন্যতম বলে প্রকাশ করে।

মায়ের সাথে অভিমান করে বাড়িছাড়া মুন্না প্রায় তিন বছর পর সোমবার ভোরে নববধূকে নিয়ে স্বজনদের কাছে ফেরেন। এরপর দুপুরে স্বজনদের নিয়েই তিনি কোতোয়ালি থানায় গেলে পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X