বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:২৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, November 7, 2016 12:44 pm
A- A A+ Print

মুসলিম ভোট ব্যাংক বদলে দিতে পারে অনেক অঙ্ক

Young Muslims protest U.S. Republican presidential candidate Donald Trump before being escorted out during a campaign rally in the Kansas Republican Caucus at the Century II Convention and Entertainment Center in Wichita, Kansas on March 5, 2016. Photo courtesy of REUTERS/Dave Kaup 
*Editors: This photo may only be republished with RNS-MUSLIM-VOTERS, originally transmitted on March 9, 2016.

   
ওয়াশিংটন: দু’সপ্তাহ আগে ডেমোক্র্যাটরা খিজির খানকে নিয়ে একটি দারুণ বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞাপনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে খিজির খান প্রশ্ন রাখেন, আপনার আমেরিকায় আমার সন্তানের কি কোনো স্থান আছে? ইরাক যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খানের (২৭) বাবা খিজির খান। পাকিস্তানি মুসলিম খিজির খান কয়েক মাস আগে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জাতীয় কনভেনশনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তার ছেলের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে মুসলিমবিদ্বেষী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তুলোধোনা করেছিলেন। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর খিজির খান মার্কিন রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। দক্ষিণ এশিয়ান মার্কিনিদের কাছে তিনি এখন অত্যন্ত জনপ্রিয় ‘খিজির আঙ্কেল’। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘বাজে প্রার্থী’ আখ্যা দিয়ে খিজির খান জানান, ডেমোক্র্যাটিক কনভেনশনে বক্তৃতা ও তার সূত্রধরে ট্রাম্পের সমালোচনার শিকার হওয়ার পর সারা দেশ থেকে মানুষ তাকে উৎসাহিত করেছে। সাধুবাদ জানিয়ে তিনি ও তার স্ত্রীকে ‘উদার আমেরিকার প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন অনেকে।
অথচ ২০০৮ সালের নির্বাচনেও খিজির খানের এতখানি গুরুত্ব পাওয়া সম্ভব হত না। সেই বছর বারাক ওবামার একটি সমাবেশে হিজাব পরা দুই মহিলাকে মঞ্চের কাছে বসতে বাধা দেয় এই ডেমোক্র্যাট স্বেচ্ছাসেবকরাই। বারাক ওবামার বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে চলা ‘মুসলিম গুজব’ ঠেকাতেই এমনটা করা হয়েছিল। বেশ কয়েক বছর ধরেই ওবামাকে এটি সহ্য করতে হয়েছে। ২০০৩ সালে বুশ ও ২০০৮ সালে ম্যাককেইনের প্রচারের জন্য বড় অংকের তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন মুসলিম ফর আমেরিকা সংস্থার কর্তারা। এবার অধিকাংশই হিলারির পক্ষে। কারণ একটাই, ডোনাল্ড ট্রাম্প! এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মুসলিম ভোটের শতকরা ৭০ ভাগ পাবেন হিলারি। ক্রমবর্ধমান ইসলামভীতি মার্কিন মুসলিমদের আরো বেশি করে রাজনীতিতে সক্রিয় হতে উদ্বুদ্ধ করেছে। যদিও মুসলিমরা মোট জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশ, তবু ভোটের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবেই বিবেচিত। মার্কিন মুসলিমদের বেশির ভাগের বাস মিশিগান, ওহাইয়ো, ভার্জিনিয়া কিংবা ফ্লোরিডার মত দোদুল্যমান ভোটের রাজ্যগুলিতে। একটি মুসলিম পর্যবেক্ষক সংস্থার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ২০১২ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা শতকরা ৩০ ভাগ বেড়েছে। এই মুসলিম ভোট ব্যাংক সহজেই এই অঙ্গরাজ্যগুলিতে নির্বাচনী লড়াইয়ের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল। নির্বাচনে মুসলিম ভোটাররা ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছেন বলে মনে করছেন ভোট বিশেষজ্ঞরাও। এবারই প্রথম মুসলমানরা একটি গ্রুপ হিসেবে স্বতন্ত্রভাবে আমেরিকার রাজনৈতিক ইতিহাসে আবির্ভূত হয়েছেন বলে মনে করেন কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল ইকোনমি বিভাগের অধ্যাপক শারিন হেলোরান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিম বিরোধী বক্তব্যের পর মুসলিম ভোটাররা আগের চেয়ে অধিক সচেতন হয়েছেন। বিশেষ করে এবারই প্রথম আমেরিকার মসজিদগুলি ভোটারদের উদ্ধুদ্ধ করতে ভূমিকা পালন করছে। শুধু তাই নয় ভোটার রেজিষ্ট্রেশন করেই মুসলিম কমিউনিটির নেতারা ক্ষান্ত হননি। ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখছেন মুসলিম কমিউনিটির নেতারা।

Comments

Comments!

 মুসলিম ভোট ব্যাংক বদলে দিতে পারে অনেক অঙ্কAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মুসলিম ভোট ব্যাংক বদলে দিতে পারে অনেক অঙ্ক

Monday, November 7, 2016 12:44 pm
Young Muslims protest U.S. Republican presidential candidate Donald Trump before being escorted out during a campaign rally in the Kansas Republican Caucus at the Century II Convention and Entertainment Center in Wichita, Kansas on March 5, 2016. Photo courtesy of REUTERS/Dave Kaup 
*Editors: This photo may only be republished with RNS-MUSLIM-VOTERS, originally transmitted on March 9, 2016.

 

 

ওয়াশিংটন: দু’সপ্তাহ আগে ডেমোক্র্যাটরা খিজির খানকে নিয়ে একটি দারুণ বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছেন। বিজ্ঞাপনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে খিজির খান প্রশ্ন রাখেন, আপনার আমেরিকায় আমার সন্তানের কি কোনো স্থান আছে?

ইরাক যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন হুমায়ুন খানের (২৭) বাবা খিজির খান। পাকিস্তানি মুসলিম খিজির খান কয়েক মাস আগে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির জাতীয় কনভেনশনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তার ছেলের আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে মুসলিমবিদ্বেষী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তুলোধোনা করেছিলেন। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর খিজির খান মার্কিন রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। দক্ষিণ এশিয়ান মার্কিনিদের কাছে তিনি এখন অত্যন্ত জনপ্রিয় ‘খিজির আঙ্কেল’।

ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘বাজে প্রার্থী’ আখ্যা দিয়ে খিজির খান জানান, ডেমোক্র্যাটিক কনভেনশনে বক্তৃতা ও তার সূত্রধরে ট্রাম্পের সমালোচনার শিকার হওয়ার পর সারা দেশ থেকে মানুষ তাকে উৎসাহিত করেছে। সাধুবাদ জানিয়ে তিনি ও তার স্ত্রীকে ‘উদার আমেরিকার প্রতীক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন অনেকে।

অথচ ২০০৮ সালের নির্বাচনেও খিজির খানের এতখানি গুরুত্ব পাওয়া সম্ভব হত না। সেই বছর বারাক ওবামার একটি সমাবেশে হিজাব পরা দুই মহিলাকে মঞ্চের কাছে বসতে বাধা দেয় এই ডেমোক্র্যাট স্বেচ্ছাসেবকরাই। বারাক ওবামার বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে চলা ‘মুসলিম গুজব’ ঠেকাতেই এমনটা করা হয়েছিল। বেশ কয়েক বছর ধরেই ওবামাকে এটি সহ্য করতে হয়েছে।

২০০৩ সালে বুশ ও ২০০৮ সালে ম্যাককেইনের প্রচারের জন্য বড় অংকের তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন মুসলিম ফর আমেরিকা সংস্থার কর্তারা। এবার অধিকাংশই হিলারির পক্ষে। কারণ একটাই, ডোনাল্ড ট্রাম্প! এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মুসলিম ভোটের শতকরা ৭০ ভাগ পাবেন হিলারি। ক্রমবর্ধমান ইসলামভীতি মার্কিন মুসলিমদের আরো বেশি করে রাজনীতিতে সক্রিয় হতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

যদিও মুসলিমরা মোট জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশ, তবু ভোটের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবেই বিবেচিত। মার্কিন মুসলিমদের বেশির ভাগের বাস মিশিগান, ওহাইয়ো, ভার্জিনিয়া কিংবা ফ্লোরিডার মত দোদুল্যমান ভোটের রাজ্যগুলিতে। একটি মুসলিম পর্যবেক্ষক সংস্থার রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ২০১২ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম ভোটারের সংখ্যা শতকরা ৩০ ভাগ বেড়েছে। এই মুসলিম ভোট ব্যাংক সহজেই এই অঙ্গরাজ্যগুলিতে নির্বাচনী লড়াইয়ের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছে ওয়ালস্ট্রিট জার্নাল।

নির্বাচনে মুসলিম ভোটাররা ফ্যাক্টর হয়ে উঠেছেন বলে মনে করছেন ভোট বিশেষজ্ঞরাও। এবারই প্রথম মুসলমানরা একটি গ্রুপ হিসেবে স্বতন্ত্রভাবে আমেরিকার রাজনৈতিক ইতিহাসে আবির্ভূত হয়েছেন বলে মনে করেন কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল ইকোনমি বিভাগের অধ্যাপক শারিন হেলোরান। ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুসলিম বিরোধী বক্তব্যের পর মুসলিম ভোটাররা আগের চেয়ে অধিক সচেতন হয়েছেন। বিশেষ করে এবারই প্রথম আমেরিকার মসজিদগুলি ভোটারদের উদ্ধুদ্ধ করতে ভূমিকা পালন করছে। শুধু তাই নয় ভোটার রেজিষ্ট্রেশন করেই মুসলিম কমিউনিটির নেতারা ক্ষান্ত হননি। ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যেতে ভূমিকা রাখছেন মুসলিম কমিউনিটির নেতারা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X