শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:৫৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, September 10, 2016 3:09 pm
A- A A+ Print

মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়ে দিয়ে জীবন উপভোগ গেইলের!

e02bf94c01741cba667e8f244a4294e6-chris-gayle

ক্রিকেটপ্রেমী সবার কাছেই তিনি দারণ এক চরিত্র। বিনোদনের ফেরিওয়ালা—ক্রিস গেইল! নিজে জীবনটা উপভোগ করছেন, বিনোদন দিয়ে যাচ্ছেন অন্যদেরও। কিন্তু এই গেইলের জীবনেও এসেছিল দারুণ কঠিন সময়। যেটি তাঁকে টেনে নিতে পারত মৃত্যুর দিকেও। কিন্তু গেইল মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়েই শুরু করেছেন জীবনকে উপভোগ করা। ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হৃদ্‌যন্ত্রে অস্ত্রোপচারের পর থেকেই তিনি বুঝতে পারেন জীবনের গুরুত্ব। আর এরপর থেকেই জীবনটাকে আরও রসিয়ে উপভোগ করা শুরু করেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান এই ব্যাটসম্যান। ওই সময় হৃদ্‌যন্ত্রে একটা ছিদ্র ধরা পড়েছিল গেইলের। কাউকে এ ব্যাপারে কিছুই বলেননি তিনি। অস্ট্রেলিয়ায় অস্ত্রোপচার করার পর কেবল নিজের বাবা-মাকে জানিয়েছিলেন ব্যাপারটা, ‘কেউ জানে না, আমার হৃদ্‌যন্ত্রে একটা ছিদ্র দেখা দিয়েছিল। এমনকি আমার বাবা-মাও প্রথমে সেটা জানত না। ২০০৫ সালে আমি অস্ত্রোপচার করতে বাধ্য হই। এরপরই ব্যাপারটা বাবা-মাকে জানাই।’ দিল্লিতে নিজের আত্মজীবনী ‘সিক্স মেশিন’-এর প্রচারণায় দিল্লিতে কথাগুলো যখন বলছিলেন, তখন বেশ খানিকটা আবেগপ্রবণই হয়ে গেলেন গেইল, ‘সে সময়ই আমি জীবনের গুরুত্বটা অনুধাবন করতে পারি। ওটা ছিল আমার জীবনের ধারা বদলে দেওয়ার মতোই একটা ব্যাপার। ওই সময় আমি মৃত্যুকে ফাঁকি দিলাম এবং এর পর থেকে জীবনটা পরিপূর্ণরূপে উপভোগ করা শুরু করলাম। আমি সেটা এখনো করে যাচ্ছি।’ কিছুদিন আগেই বাবা হয়েছেন। গেইলের ভাষায়, ‘আগের চেয়ে অনেক পরিণত’ তিনি এখন। পিতৃত্বই নাকি তাঁর মধ্যে এই পরিবর্তন এনে দিয়েছে, ‘পারিবারিক মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা বিরাট বড় চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। তবে আমি এখন গর্ব করে বলি, দারুণ ফুটফুটে একটি মেয়ের বাবা আমি। এই অনুভূতিটা একেবারেই আলাদা।’ গেইলের আত্মজীবনীর প্রচারণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান অনুরাগ ঠাকুর ও সাবেক ভারতীয় ওপেনার বীরেন্দর শেবাগও। গেইলের সঙ্গে নিজের স্মৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে শেবাগ বলেন, ‘গেইলের সঙ্গে আড্ডার সময় আমরা ছক্কা মারার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করতাম। আমরা বোলারদের নাজেহাল করার কৌশল উদ্ভাবন করতাম, বিশেষ করে অস্ট্রেলীয় বোলারদের।’

Comments

Comments!

 মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়ে দিয়ে জীবন উপভোগ গেইলের!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়ে দিয়ে জীবন উপভোগ গেইলের!

Saturday, September 10, 2016 3:09 pm
e02bf94c01741cba667e8f244a4294e6-chris-gayle

ক্রিকেটপ্রেমী সবার কাছেই তিনি দারণ এক চরিত্র। বিনোদনের ফেরিওয়ালা—ক্রিস গেইল! নিজে জীবনটা উপভোগ করছেন, বিনোদন দিয়ে যাচ্ছেন অন্যদেরও। কিন্তু এই গেইলের জীবনেও এসেছিল দারুণ কঠিন সময়। যেটি তাঁকে টেনে নিতে পারত মৃত্যুর দিকেও। কিন্তু গেইল মৃত্যুকে ফাঁকি দিয়েই শুরু করেছেন জীবনকে উপভোগ করা। ২০০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হৃদ্‌যন্ত্রে অস্ত্রোপচারের পর থেকেই তিনি বুঝতে পারেন জীবনের গুরুত্ব। আর এরপর থেকেই জীবনটাকে আরও রসিয়ে উপভোগ করা শুরু করেন ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান এই ব্যাটসম্যান।
ওই সময় হৃদ্‌যন্ত্রে একটা ছিদ্র ধরা পড়েছিল গেইলের। কাউকে এ ব্যাপারে কিছুই বলেননি তিনি। অস্ট্রেলিয়ায় অস্ত্রোপচার করার পর কেবল নিজের বাবা-মাকে জানিয়েছিলেন ব্যাপারটা, ‘কেউ জানে না, আমার হৃদ্‌যন্ত্রে একটা ছিদ্র দেখা দিয়েছিল। এমনকি আমার বাবা-মাও প্রথমে সেটা জানত না। ২০০৫ সালে আমি অস্ত্রোপচার করতে বাধ্য হই। এরপরই ব্যাপারটা বাবা-মাকে জানাই।’

দিল্লিতে নিজের আত্মজীবনী ‘সিক্স মেশিন’-এর প্রচারণায় দিল্লিতে কথাগুলো যখন বলছিলেন, তখন বেশ খানিকটা আবেগপ্রবণই হয়ে গেলেন গেইল, ‘সে সময়ই আমি জীবনের গুরুত্বটা অনুধাবন করতে পারি। ওটা ছিল আমার জীবনের ধারা বদলে দেওয়ার মতোই একটা ব্যাপার। ওই সময় আমি মৃত্যুকে ফাঁকি দিলাম এবং এর পর থেকে জীবনটা পরিপূর্ণরূপে উপভোগ করা শুরু করলাম। আমি সেটা এখনো করে যাচ্ছি।’

কিছুদিন আগেই বাবা হয়েছেন। গেইলের ভাষায়, ‘আগের চেয়ে অনেক পরিণত’ তিনি এখন। পিতৃত্বই নাকি তাঁর মধ্যে এই পরিবর্তন এনে দিয়েছে, ‘পারিবারিক মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা বিরাট বড় চ্যালেঞ্জের ব্যাপার। তবে আমি এখন গর্ব করে বলি, দারুণ ফুটফুটে একটি মেয়ের বাবা আমি। এই অনুভূতিটা একেবারেই আলাদা।’

গেইলের আত্মজীবনীর প্রচারণা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান অনুরাগ ঠাকুর ও সাবেক ভারতীয় ওপেনার বীরেন্দর শেবাগও। গেইলের সঙ্গে নিজের স্মৃতি বর্ণনা করতে গিয়ে শেবাগ বলেন, ‘গেইলের সঙ্গে আড্ডার সময় আমরা ছক্কা মারার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করতাম। আমরা বোলারদের নাজেহাল করার কৌশল উদ্ভাবন করতাম, বিশেষ করে অস্ট্রেলীয় বোলারদের।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X