বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:৩৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, December 4, 2016 3:58 pm
A- A A+ Print

মেলানিয়ার নিরাপত্তায় দিনে খরচ হবে ১০ লাখ ডলার!

43201_melani

যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ২০শে জানুয়ারি তার স্বামী যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে উঠছেন হোয়াইট হাউজে। রীতি অনুযায়ী দায়িত্ব নেয়ার পর সপরিবারে হোয়াইট হাউজে অবস্থান করেন প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে এ পরিবারটি নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটানের ফিফথ এভিনিউয়ে অবস্থিত বিলাসবহুল ট্রাম্প টাওয়ারে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নিয়ে হোয়াইট হাউজে গেলেও মেলানিয়া ট্রাম্প নিউ ইয়র্ক শহরেই অবস্থানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তার ছেলে নিউ ইয়র্কের স্কুলে পড়াশোনা করে। তার পড়াশোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মেলানিয়া এই নিউ ইয়র্কেই অবস্থান করতে চান। ফলে তাদেরকে দেখতে ঘন ঘন এই নিউ ইয়র্কে যেতে হবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ট্রাম্পকে। এতে পুলিশের খরচ বাড়বে। এক্ষেত্রে ফার্স্ট লেডি হিসেবে তাকে নিরাপত্তা দিতে নিউ ইয়র্ক কর্তৃপক্ষের প্রতিদিন খরচ হবে ১০ লাখ ডলার। এ অর্থ খরচ করতে হবে সেখানকার করদাতাদের কর থেকে অর্জিত অর্থ দিয়ে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয়েছে, মেলানিয়ার এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন নিউ ইয়র্কের প্রায় এক লাখ মানুষ। মেলানিয়া ট্রাম্প নিউ ইয়র্কে অবস্থান করুন তা তারা চায় না। নিউ ইয়র্কের গভর্নর অ্যানড্রু কুওমো, মেয়র বিল ডি ব্লাসিওর কাছে এ বিষয়ে তারা একটি আবেদন করেছেন। তাতে স্বাক্ষর করেছে প্রায় এক লাখ নিউ ইয়র্কান। এতে তারা বলেছেন, ডনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নিয়ে ট্রাম্প টাওয়ার ছাড়বেন। কিনউত তার স্ত্রীর নিরাপত্তায় যেন গভর্নর বা মেয়র কোনো অর্থ খরচ না করেন। ওই পিটিশনে লেখা হয়েছে, মেলানিয়া যাতে নিউ ইয়র্কে থাকতে পারেন সে জন্য দিনে ১০ লাখ ডলারের বেশি পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন নিই ইয়র্কের করদাতারা। যদি মেলানিয়ার এমন সিদ্ধান্ত ট্রাম্প দম্পতি নিয়ে থাকেন তাহলে তাদের কারো উচিত এই অর্থ পরিশোধ করা। এক্ষেত্রে নিউ ইয়র্কের করদাতাদের অর্থ খরচ করা যাবে না। করদাতাদের অর্থ খরচ করা যায় সড়ক, স্কুল, ট্রানজিট, পয়ঃনিষ্কাশন, নতুন কর্মসংস্থান ও অন্য প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে। শহরের উন্নয়নে এ অর্থ খরচ করা য়ায়। যা শহরের সব মানুষের জীবনমানের উন্নতি ঘটাবে। শুধু একজনের জন্য এ অর্থ খরচ করার কথা নয়। উল্লেখ্য, ট্রাম্প টাওয়ারের যে বিলাসবহুল বাড়ি ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার সময় থেকে সেখানেই মেলানিয়া অবস্থান করতে চান প্রায় এক বছর। তার ১০ বছর বয়সী ছেলে ব্যারন ট্রাম্প এখানকার একটি স্কুলে পড়াশোনা করছে। তাই এক বছরের মতো এখানেই থাকতে চান তিনি। কিন্তু ডনাল্ড ট্রাম্প একবার শপথ নিয়ে ফেললে তিনি হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্টলেডি। ফলে তাকে নিরাপত্তা দেয়া তখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব হয়ে পড়বে। এক্ষেত্রে তিনি নিয়মিত ছেলেকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে আসতে চান। ওই স্কুলের ফি বছরে ৪০ হাজার ডলার। নিউ ইয়র্ক পোস্ট লিখেছে, ছেলে ব্যারনের ভীষণ ঘনিষ্ঠ মেলানিয়া। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়েছে। ডনাল্ড ট্রাম্প দম্পতির পরিকল্পনা সম্পর্কে তার ট্রানজিশন টিমের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। জবাবে ট্রাম্পের মুখপাত্র জেসন মিলার বলেছেন, ট্রানজিশন টাইমে ট্রাম্প পরিবার সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয় নি। কিন্তু অন্য যেকোনো পিতামাতার মতোই ১০ বছর বয়সী ব্যারনের শিক্ষা জীবন নিয়ে চিন্তিত তারা। এখন শিক্ষাবর্ষের মাঝামাঝি সময়। এ সময় একটি শিক্ষার্থীকে স্কুল পরিবর্তন করা হলে তার ওপর প্রভাব পড়তে পারে। এখন মেলানিয়া ট্রাম্প যদি সত্যিই ট্রাম্প টাওয়ারে থাকেন তাহলে সিক্রেট সার্ভিস ও নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ওপর তাদের নিরাপত্তা দেয়া একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ওই টাওয়ারটি একটি ব্যস্ত রাস্তার ওপর। যেকোনো সময় যেকেউ এর ভিতরে প্রবেশ করতে পারেন এবং বেরিয়ে যেতেন পারেন। নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর থেকেই এ ভবনটি ঘিরে রেখেছেন মিডিয়াকর্মীরা, পুলিশ। মাঝে মাঝেই হচ্ছে প্রতিবাদ বিক্ষোভ।

Comments

Comments!

 মেলানিয়ার নিরাপত্তায় দিনে খরচ হবে ১০ লাখ ডলার!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মেলানিয়ার নিরাপত্তায় দিনে খরচ হবে ১০ লাখ ডলার!

Sunday, December 4, 2016 3:58 pm
43201_melani

যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ২০শে জানুয়ারি তার স্বামী যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে উঠছেন হোয়াইট হাউজে। রীতি অনুযায়ী দায়িত্ব নেয়ার পর সপরিবারে হোয়াইট হাউজে অবস্থান করেন প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে এ পরিবারটি নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটানের ফিফথ এভিনিউয়ে অবস্থিত বিলাসবহুল ট্রাম্প টাওয়ারে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে ডনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নিয়ে হোয়াইট হাউজে গেলেও মেলানিয়া ট্রাম্প নিউ ইয়র্ক শহরেই অবস্থানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তার ছেলে নিউ ইয়র্কের স্কুলে পড়াশোনা করে। তার পড়াশোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মেলানিয়া এই নিউ ইয়র্কেই অবস্থান করতে চান। ফলে তাদেরকে দেখতে ঘন ঘন এই নিউ ইয়র্কে যেতে হবে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ট্রাম্পকে। এতে পুলিশের খরচ বাড়বে। এক্ষেত্রে ফার্স্ট লেডি হিসেবে তাকে নিরাপত্তা দিতে নিউ ইয়র্ক কর্তৃপক্ষের প্রতিদিন খরচ হবে ১০ লাখ ডলার। এ অর্থ খরচ করতে হবে সেখানকার করদাতাদের কর থেকে অর্জিত অর্থ দিয়ে। এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট। এতে বলা হয়েছে, মেলানিয়ার এমন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন নিউ ইয়র্কের প্রায় এক লাখ মানুষ। মেলানিয়া ট্রাম্প নিউ ইয়র্কে অবস্থান করুন তা তারা চায় না। নিউ ইয়র্কের গভর্নর অ্যানড্রু কুওমো, মেয়র বিল ডি ব্লাসিওর কাছে এ বিষয়ে তারা একটি আবেদন করেছেন। তাতে স্বাক্ষর করেছে প্রায় এক লাখ নিউ ইয়র্কান। এতে তারা বলেছেন, ডনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নিয়ে ট্রাম্প টাওয়ার ছাড়বেন। কিনউত তার স্ত্রীর নিরাপত্তায় যেন গভর্নর বা মেয়র কোনো অর্থ খরচ না করেন। ওই পিটিশনে লেখা হয়েছে, মেলানিয়া যাতে নিউ ইয়র্কে থাকতে পারেন সে জন্য দিনে ১০ লাখ ডলারের বেশি পরিশোধ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছেন নিই ইয়র্কের করদাতারা। যদি মেলানিয়ার এমন সিদ্ধান্ত ট্রাম্প দম্পতি নিয়ে থাকেন তাহলে তাদের কারো উচিত এই অর্থ পরিশোধ করা। এক্ষেত্রে নিউ ইয়র্কের করদাতাদের অর্থ খরচ করা যাবে না। করদাতাদের অর্থ খরচ করা যায় সড়ক, স্কুল, ট্রানজিট, পয়ঃনিষ্কাশন, নতুন কর্মসংস্থান ও অন্য প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে। শহরের উন্নয়নে এ অর্থ খরচ করা য়ায়। যা শহরের সব মানুষের জীবনমানের উন্নতি ঘটাবে। শুধু একজনের জন্য এ অর্থ খরচ করার কথা নয়। উল্লেখ্য, ট্রাম্প টাওয়ারের যে বিলাসবহুল বাড়ি ট্রাম্প দায়িত্ব নেয়ার সময় থেকে সেখানেই মেলানিয়া অবস্থান করতে চান প্রায় এক বছর। তার ১০ বছর বয়সী ছেলে ব্যারন ট্রাম্প এখানকার একটি স্কুলে পড়াশোনা করছে। তাই এক বছরের মতো এখানেই থাকতে চান তিনি। কিন্তু ডনাল্ড ট্রাম্প একবার শপথ নিয়ে ফেললে তিনি হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্টলেডি। ফলে তাকে নিরাপত্তা দেয়া তখন রাষ্ট্রের দায়িত্ব হয়ে পড়বে। এক্ষেত্রে তিনি নিয়মিত ছেলেকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে আসতে চান। ওই স্কুলের ফি বছরে ৪০ হাজার ডলার। নিউ ইয়র্ক পোস্ট লিখেছে, ছেলে ব্যারনের ভীষণ ঘনিষ্ঠ মেলানিয়া। নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা আরও বেড়েছে। ডনাল্ড ট্রাম্প দম্পতির পরিকল্পনা সম্পর্কে তার ট্রানজিশন টিমের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। জবাবে ট্রাম্পের মুখপাত্র জেসন মিলার বলেছেন, ট্রানজিশন টাইমে ট্রাম্প পরিবার সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয় নি। কিন্তু অন্য যেকোনো পিতামাতার মতোই ১০ বছর বয়সী ব্যারনের শিক্ষা জীবন নিয়ে চিন্তিত তারা। এখন শিক্ষাবর্ষের মাঝামাঝি সময়। এ সময় একটি শিক্ষার্থীকে স্কুল পরিবর্তন করা হলে তার ওপর প্রভাব পড়তে পারে।
এখন মেলানিয়া ট্রাম্প যদি সত্যিই ট্রাম্প টাওয়ারে থাকেন তাহলে সিক্রেট সার্ভিস ও নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ওপর তাদের নিরাপত্তা দেয়া একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ওই টাওয়ারটি একটি ব্যস্ত রাস্তার ওপর। যেকোনো সময় যেকেউ এর ভিতরে প্রবেশ করতে পারেন এবং বেরিয়ে যেতেন পারেন। নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর থেকেই এ ভবনটি ঘিরে রেখেছেন মিডিয়াকর্মীরা, পুলিশ। মাঝে মাঝেই হচ্ছে প্রতিবাদ বিক্ষোভ।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X