শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:০৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, September 4, 2016 5:21 pm
A- A A+ Print

মেয়েরা ১০ গোল দেয়, ছেলেরাও পারবে

pM-shakib20160904144410

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার সকালে ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের বিজয়ীদের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ করেছেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শহীদ শেখ কামাল এবং দেশের ক্রিকেটে অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসানসহ মোট ৩২ জন ক্রীড়াব্যক্তিত্বকে এই পদক প্রদান করা হয়। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের খেলার প্রশংসা করেন। অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলে মেয়েরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, মেয়েরা ১০ গোল দেয়, ছেলেরা ৫ গোল খেয়ে আসে। তবে তার মানে এই নয় যে ছেলেরা পারবে না। তারা ভবিষ্যতে পারবে। বাসসের খবরে জানা যায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উদ্যোগে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই পদক প্রদান করেন। পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের ২৫ হাজার টাকার চেক ও স্বর্ণপদক দেওয়া হয়। ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের অর্জনের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার হিসেবেই বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা আত্মপ্রকাশ করেছে। পৃথিবীর সব দেশ রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে এখন হিসাব করে চলে। আমরা বিশ্বকাপ জিতব। সাকিব, তামিম, মাশরাফি, মুশফিক, মুস্তাফিজ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলায় বাংলাদেশকে বিরাট সম্মান এনে দিয়েছে।’ তিনি সবাইকে অভিনন্দন জানান। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জাহিদ আহসান। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকতার উদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। দেশের স্বাধীনতা-উত্তর ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র আবাহনী ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পদক (মরণোত্তর) ২০১১ এবং সাকিব আল হাসান ২০১২ সালের পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। শেখ কামাল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের বেশির ভাগ সদস্যের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেন। দেশের জনপ্রিয় স্পোর্টস ক্লাব আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা শেখ কামাল আজাদ বয়েজ ক্লাবের হয়ে প্রথম বিভাগে ক্রিকেট খেলেন। তিনি অ্যাথলেট ছিলেন, বাস্কেট বল ইভেন্টেও প্রথম বিভাগে খেলেছেন। দেশের বিশিষ্ট ক্রীড়াব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করতে ১৯৭৬ সালে জাতীয় ক্রীড়া পদক চালু করা হয়। এ পর্যন্ত মোট ১৮৮ জন ক্রীড়াব্যক্তিত্ব এ পদক পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জন ক্রিকেটার। সাকিবের আগে আইসিসি ট্রফি বিজয়ী ক্যাপ্টেন আকরাম খান ১৯৯৮ সালে এবং দেশের প্রথম ওয়ানডে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট বিজয়ী দলের সদস্য এবং সেই ম্যাচের ম্যান অব দ্য ম্যাচ মোহাম্মদ রফিক ২০০৬ সালে এই পুরস্কার পান। ২০১০ সালের জাতীয় ক্রীড়া পদক বিজয়ী ১০ ক্রীড়াবিদ হলেন মাস্টার অফিসার মো. হারুন-উর-রশীদ (সুইমিং), কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণজয়ী শুটার আতিকুর রহমান (শুটিং), মাহমুদা বেগম (অ্যাথলেট), দেওয়ান মো. নজরুল হোসেন (জিমনাস্টিক), মো. মিজানুর রহমান মানু (সংগঠক), এ এস এম আলী কবির (সংগঠক), মো. তকবির হোসেন (সুইমিং, মরণোত্তর), ফরিদ খান চৌধুরী (অ্যাথলেট), বেগম নেলি জেসমিন (অ্যাথলেট) এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্রীড়ায় বিশেষ সাফল্যের জন্য বেগম নিপা বোস (অ্যাথলেটিকস)। ২০১১ সালের পদক বিজয়ী ১০ ক্রীড়াবিদ হচ্ছেন বেগম রওশন আরা ছবি (জিমনাস্টিক), সার্জেন্ট মো. কাঞ্চন আলী অবসরপ্রাপ্ত (বক্সিং), মো. আশরাফ আলী (রেসলিং), বেগম হেলেনা খান ইভা (ভলিবল), জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট (ক্রিকেট), মো. রবিউল ইসলাম (ফটিক দত্ত) (বডিবল্ডিং), জুম্মন লুসাই (হকি, মরণোত্তর), কুতুবুদ্দিন মোহাম্মদ আকসির (সংগঠক), আশিকুর রহমান মিকু (সংগঠক) এবং শহীদ শেখ কামাল (ক্রীড়াবিদ এবং সংগঠক, মরণোত্তর)। ২০১২ সালের পদক বিজয়ী ১২ ক্রীড়াবিদ হচ্ছেন সাকিব আল হাসান (ক্রিকেট), মো. মহসিন (ফুটবল), খুরশীদ আলম বাবুল (ফুটবল), আশিষ কুমার ভদ্র (ফুটবল), মো. আব্দুল গাফ্ফার (ফুটবল), সত্যজিৎ দাস রুপু (ফুটবল), ফিরোজা খাতুন (অ্যাথলেটিকস), নাজিয়া আখতার জুথি (ব্যাডমিন্টন), আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিবউদ্দিন আহমেদ চপল (সংগঠক), আ. ন. ম. মামুনুর রশিদ (হকি), উন্মে সালমা রফিক (সংগঠক, মরণোত্তর) এবং নুরুল আলম চৌধুরী (সংগঠক)। বিজয়ীরা সবাই প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক নেন। আর মরণোত্তর পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষে তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং নিকটজনেরা পুরস্কার নেন। তাঁদের মধ্যে সাঁতারু প্রয়াত মো. রতন কবির হোসেনের পক্ষে ছেলে মোশাররফ হোসেন, প্রয়াত হকি তারকা জুম্মন লুসাইয়ের পক্ষে তাঁর ছোট ভাই জুবেল লুসাই, বন্ধু ও ঢাকা ক্লাবের সভাপতি শাহেদ রেজা শহীদ শেখ কামালের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন। প্রয়াত উন্মে সালমা রফিকের পক্ষে কন্যা গাজী সারাহ মেহনাজ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার নেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকতার উদ্দিন আহমেদ পদক বিতরণ পর্বটি পরিচালনা করেন।

Comments

Comments!

 মেয়েরা ১০ গোল দেয়, ছেলেরাও পারবেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মেয়েরা ১০ গোল দেয়, ছেলেরাও পারবে

Sunday, September 4, 2016 5:21 pm
pM-shakib20160904144410

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার সকালে ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের বিজয়ীদের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণ করেছেন। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে শহীদ শেখ কামাল এবং দেশের ক্রিকেটে অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসানসহ মোট ৩২ জন ক্রীড়াব্যক্তিত্বকে এই পদক প্রদান করা হয়।
পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের খেলার প্রশংসা করেন। অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলে মেয়েরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে শেখ হাসিনা বলেন, মেয়েরা ১০ গোল দেয়, ছেলেরা ৫ গোল খেয়ে আসে। তবে তার মানে এই নয় যে ছেলেরা পারবে না। তারা ভবিষ্যতে পারবে।
বাসসের খবরে জানা যায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের উদ্যোগে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই পদক প্রদান করেন। পুরস্কার হিসেবে বিজয়ীদের ২৫ হাজার টাকার চেক ও স্বর্ণপদক দেওয়া হয়।

ক্রিকেট খেলায় বাংলাদেশের অর্জনের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রয়েল বেঙ্গল টাইগার হিসেবেই বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা আত্মপ্রকাশ করেছে। পৃথিবীর সব দেশ রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে এখন হিসাব করে চলে। আমরা বিশ্বকাপ জিতব। সাকিব, তামিম, মাশরাফি, মুশফিক, মুস্তাফিজ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলায় বাংলাদেশকে বিরাট সম্মান এনে দিয়েছে।’ তিনি সবাইকে অভিনন্দন জানান।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জাহিদ আহসান। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকতার উদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

দেশের স্বাধীনতা-উত্তর ক্রীড়াঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র আবাহনী ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পদক (মরণোত্তর) ২০১১ এবং সাকিব আল হাসান ২০১২ সালের পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

শেখ কামাল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের বেশির ভাগ সদস্যের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেন। দেশের জনপ্রিয় স্পোর্টস ক্লাব আবাহনী ক্রীড়া চক্রের প্রতিষ্ঠাতা শেখ কামাল আজাদ বয়েজ ক্লাবের হয়ে প্রথম বিভাগে ক্রিকেট খেলেন। তিনি অ্যাথলেট ছিলেন, বাস্কেট বল ইভেন্টেও প্রথম বিভাগে খেলেছেন।

দেশের বিশিষ্ট ক্রীড়াব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করতে ১৯৭৬ সালে জাতীয় ক্রীড়া পদক চালু করা হয়। এ পর্যন্ত মোট ১৮৮ জন ক্রীড়াব্যক্তিত্ব এ পদক পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১৯ জন ক্রিকেটার। সাকিবের আগে আইসিসি ট্রফি বিজয়ী ক্যাপ্টেন আকরাম খান ১৯৯৮ সালে এবং দেশের প্রথম ওয়ানডে ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট বিজয়ী দলের সদস্য এবং সেই ম্যাচের ম্যান অব দ্য ম্যাচ মোহাম্মদ রফিক ২০০৬ সালে এই পুরস্কার পান।

২০১০ সালের জাতীয় ক্রীড়া পদক বিজয়ী ১০ ক্রীড়াবিদ হলেন মাস্টার অফিসার মো. হারুন-উর-রশীদ (সুইমিং), কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণজয়ী শুটার আতিকুর রহমান (শুটিং), মাহমুদা বেগম (অ্যাথলেট), দেওয়ান মো. নজরুল হোসেন (জিমনাস্টিক), মো. মিজানুর রহমান মানু (সংগঠক), এ এস এম আলী কবির (সংগঠক), মো. তকবির হোসেন (সুইমিং, মরণোত্তর), ফরিদ খান চৌধুরী (অ্যাথলেট), বেগম নেলি জেসমিন (অ্যাথলেট) এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্রীড়ায় বিশেষ সাফল্যের জন্য বেগম নিপা বোস (অ্যাথলেটিকস)।

২০১১ সালের পদক বিজয়ী ১০ ক্রীড়াবিদ হচ্ছেন বেগম রওশন আরা ছবি (জিমনাস্টিক), সার্জেন্ট মো. কাঞ্চন আলী অবসরপ্রাপ্ত (বক্সিং), মো. আশরাফ আলী (রেসলিং), বেগম হেলেনা খান ইভা (ভলিবল), জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট (ক্রিকেট), মো. রবিউল ইসলাম (ফটিক দত্ত) (বডিবল্ডিং), জুম্মন লুসাই (হকি, মরণোত্তর), কুতুবুদ্দিন মোহাম্মদ আকসির (সংগঠক), আশিকুর রহমান মিকু (সংগঠক) এবং শহীদ শেখ কামাল (ক্রীড়াবিদ এবং সংগঠক, মরণোত্তর)।

২০১২ সালের পদক বিজয়ী ১২ ক্রীড়াবিদ হচ্ছেন সাকিব আল হাসান (ক্রিকেট), মো. মহসিন (ফুটবল), খুরশীদ আলম বাবুল (ফুটবল), আশিষ কুমার ভদ্র (ফুটবল), মো. আব্দুল গাফ্ফার (ফুটবল), সত্যজিৎ দাস রুপু (ফুটবল), ফিরোজা খাতুন (অ্যাথলেটিকস), নাজিয়া আখতার জুথি (ব্যাডমিন্টন), আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিবউদ্দিন আহমেদ চপল (সংগঠক), আ. ন. ম. মামুনুর রশিদ (হকি), উন্মে সালমা রফিক (সংগঠক, মরণোত্তর) এবং নুরুল আলম চৌধুরী (সংগঠক)।

বিজয়ীরা সবাই প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক নেন। আর মরণোত্তর পুরস্কারপ্রাপ্তদের পক্ষে তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং নিকটজনেরা পুরস্কার নেন। তাঁদের মধ্যে সাঁতারু প্রয়াত মো. রতন কবির হোসেনের পক্ষে ছেলে মোশাররফ হোসেন, প্রয়াত হকি তারকা জুম্মন লুসাইয়ের পক্ষে তাঁর ছোট ভাই জুবেল লুসাই, বন্ধু ও ঢাকা ক্লাবের সভাপতি শাহেদ রেজা শহীদ শেখ কামালের পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন। প্রয়াত উন্মে সালমা রফিকের পক্ষে কন্যা গাজী সারাহ মেহনাজ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরস্কার নেন।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকতার উদ্দিন আহমেদ পদক বিতরণ পর্বটি পরিচালনা করেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X