বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:১৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, December 30, 2016 8:24 pm
A- A A+ Print

মেয়ের দিকে তাকালে কান্না আসে : সাক্ষাৎকারে খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া

%e0%a7%a8%e0%a7%a9

বছরজুড়ে আলোচিত ঘটনার মধ্যে ছিল সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক (পাস) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী খাদিজা বেগমকে প্রকাশ্যে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা। এ ঘটনায় অস্ত্রসহ জনতার হাতে ধরা পড়েন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহসম্পাদক বদরুল আলম। খাদিজার বর্তমান শারীরিক অবস্থা ও মামলার বিষয়ে তাঁর বাবা মাসুক মিয়ার সঙ্গে ২৭ ডিসেম্বর কথা বলেছেন সিলেট প্রতিনিধি %e0%a7%a8%e0%a7%acপ্রশ্ন:খাদিজার শারীরিক অবস্থা এখন কেমন? মাসুক মিয়া: খাদিজা আগের চেয়ে এখন ভালো আছে। তবে এখনো স্বাভাবিক হতে পারেনি। তার বাঁ হাত ও বাঁ পা এখনো অবশ হয়ে আছে। ঠিকমতো চলাফেরাও করতে পারে না। অন্য কারও সহযোগিতায় তাকে চলাচল করতে হচ্ছে। কথাবার্তা বললেও সেটা একেবারেই স্বাভাবিক নয়। চিকিৎসকেরা বলেছেন, কিছুদিন পর খাদিজা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাবে। দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় খাদিজা ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠছে। আমি দেশবাসীর কাছে খাদিজার পরিপূর্ণ সুস্থতার জন্য দোয়া চাইছি। খাদিজার ওপর হামলাকারীর বিচার চেয়ে দেশবাসী যে আন্দোলন-কর্মসূচি পালন করেছে, তাতে আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে কৃতজ্ঞ। আপন ছন্দে খাদিজা বেগম: ছবি সংগ্রহপ্রশ্ন:: বাড়িতে যাওয়ার জন্য খাদিজা কিছু বলে কি? মাসুক মিয়া: মেয়েটা (খাদিজা) প্রায়ই এখন বাড়িতে যাওয়ার জন্য আবদার করে। সে তার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনদের দেখতে চায়। কিন্তু চিকিৎসা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তো তাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে চিকিৎসকদের বারণ রয়েছে। চিকিৎসকেরা যখনই তাকে ছাড়পত্র দেবেন, তখনই তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে মেয়েটা পুনরায় নতুনভাবে তার জীবন শুরু করার স্বপ্ন দেখছে। আবার স্বাভাবিকভাবে সে জীবন শুরু করতে চাইছে। সে আবার কলেজে যেতে চায়, আবার ভালো করে পড়াশোনা শুরু করতে চায়। আমি তাকে সান্ত্বনা দিয়েছি এই বলে, ‘মা রে সুস্থ হও আগে, তারপর সবকিছুই আবার আগের মতো হয়ে যাবে।’ প্রশ্ন:: তার মানে পরিপূর্ণ সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত খাদিজার বাড়ি যাওয়া হচ্ছে না? মাসুক মিয়া: ঠিক তা নয়। কারণ, আগামী ৮ জানুয়ারি খাদিজাকে সিলেটের আদালতে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বদরুলের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় সাক্ষী দেওয়ার জন্য। তবে খাদিজার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে খাদিজাকে বিমানযোগে সিলেটে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আইনজীবী, পিপিসহ আদালত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এ সময় চিকিৎসকেরা যদি তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে অনুমতি দেন, তাহলে সামান্য সময়ের জন্য তাকে বাড়িতেও নিয়ে যেতে পারি। তবে সেটা নির্ভর করছে খাদিজার শারীরিক অবস্থার ওপর। প্রশ্ন: মেয়ের ওপর হামলার খবর পেয়েই তো দেশে ফিরেছিলেন? সিলেটে গিয়েছিলেন এর মধ্যে? খাদিজার বাবা মাসুক মিয়ামাসুক মিয়া: আমি সৌদিপ্রবাসী। মেয়ের ওপর বর্বর হামলার খবর পেয়ে ৬ অক্টোবর দেশে ফিরি। কয়েকবার সিলেটে গিয়েছি ঠিকই, কিন্তু সেটা সাময়িক সময়ের জন্য। এককথায় দেশে ফেরার পর থেকেই মেয়ের চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাজে ঢাকায় অবস্থান করছি। মেয়ের দিকে যখনই তাকাই, তখনই কান্না চলে আসে। চোখের পানি আটকে রাখতে পারি না। সারাক্ষণ মনে হয়, এত বড় বর্বর একটা কাজ বদরুল ছেলেটা করল কীভাবে? ছেলেটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে, এত বড় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ে, সে কী শিক্ষা পেল, সেটাই তো আজ পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারলাম না। নরপশু না হলে কোনো মানুষ এত নির্মমভাবে আরেকজন মানুষকে কখনোই কোপাতে পারবে না। প্রশ্ন: বদরুলের কেমন শাস্তি চান আপনারা? মাসুক মিয়া: বদরুলের মতো পাগল ও নরপশু যেন আর কোনো মায়ের গর্ভে জন্ম না নেয়। এত নির্দয় ও অমানবিক মানুষ যেন এই সমাজে জন্ম না হয়। আমার মেয়েটারে কুপিয়ে কুপিয়ে ফালা ফালা করে ফেলেছে। আর কোনো মা-বাবার সন্তানের ওপর এমন নির্মম নির্যাতন কখনোই যেন নেমে না আসে। আমার মেয়ের ওপর বদরুল যে অমানবিক আক্রমণ করেছে, তার সুষ্ঠু ও যথাযথ শাস্তি চাইছি আমি। এ দেশের মানুষও এ ঘটনার সঠিক বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছে। আমি চাই, বদরুল যেন তার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি পায়। এটি দেখে যেন বদরুলরূপী জানোয়ারেরা আর কখনোই কারও ওপর হামলার সাহস দেখাতে না পারে। খাদিজার মায়ের আহাজারিপ্রশ্ন: এর বাইরে আপনার আর কিছু কি বলার আছে? মাসুক মিয়া: সবশেষে আমরা পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি যেভাবে খোঁজ নিয়ে খাদিজার চিকিৎসার পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছেন, তাতে আমরা খুব খুশি। তিনি সরকারের পক্ষ থেকে খাদিজার চিকিৎসার পুরো খরচ বহন করেছেন। এখন খাদিজা চাইছে, সুস্থ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে পুনরায় নতুনভাবে জীবন শুরু করতে। আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রী খাদিজার এ ইচ্ছাটাও পূরণ করবেন।

Comments

Comments!

 মেয়ের দিকে তাকালে কান্না আসে : সাক্ষাৎকারে খাদিজার বাবা মাসুক মিয়াAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

মেয়ের দিকে তাকালে কান্না আসে : সাক্ষাৎকারে খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া

Friday, December 30, 2016 8:24 pm
%e0%a7%a8%e0%a7%a9

বছরজুড়ে আলোচিত ঘটনার মধ্যে ছিল সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক (পাস) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী খাদিজা বেগমকে প্রকাশ্যে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা। এ ঘটনায় অস্ত্রসহ জনতার হাতে ধরা পড়েন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সহসম্পাদক বদরুল আলম। খাদিজার বর্তমান শারীরিক অবস্থা ও মামলার বিষয়ে তাঁর বাবা মাসুক মিয়ার সঙ্গে ২৭ ডিসেম্বর কথা বলেছেন সিলেট প্রতিনিধি

%e0%a7%a8%e0%a7%acপ্রশ্ন:খাদিজার শারীরিক অবস্থা এখন কেমন?

মাসুক মিয়া: খাদিজা আগের চেয়ে এখন ভালো আছে। তবে এখনো স্বাভাবিক হতে পারেনি। তার বাঁ হাত ও বাঁ পা এখনো অবশ হয়ে আছে। ঠিকমতো চলাফেরাও করতে পারে না। অন্য কারও সহযোগিতায় তাকে চলাচল করতে হচ্ছে। কথাবার্তা বললেও সেটা একেবারেই স্বাভাবিক নয়। চিকিৎসকেরা বলেছেন, কিছুদিন পর খাদিজা পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাবে। দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় খাদিজা ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠছে। আমি দেশবাসীর কাছে খাদিজার পরিপূর্ণ সুস্থতার জন্য দোয়া চাইছি। খাদিজার ওপর হামলাকারীর বিচার চেয়ে দেশবাসী যে আন্দোলন-কর্মসূচি পালন করেছে, তাতে আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সবার কাছে কৃতজ্ঞ।

আপন ছন্দে খাদিজা বেগম: ছবি সংগ্রহপ্রশ্ন:: বাড়িতে যাওয়ার জন্য খাদিজা কিছু বলে কি?

মাসুক মিয়া: মেয়েটা (খাদিজা) প্রায়ই এখন বাড়িতে যাওয়ার জন্য আবদার করে। সে তার বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনদের দেখতে চায়। কিন্তু চিকিৎসা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তো তাকে বাড়িতে নিয়ে যেতে চিকিৎসকদের বারণ রয়েছে। চিকিৎসকেরা যখনই তাকে ছাড়পত্র দেবেন, তখনই তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে মেয়েটা পুনরায় নতুনভাবে তার জীবন শুরু করার স্বপ্ন দেখছে। আবার স্বাভাবিকভাবে সে জীবন শুরু করতে চাইছে। সে আবার কলেজে যেতে চায়, আবার ভালো করে পড়াশোনা শুরু করতে চায়। আমি তাকে সান্ত্বনা দিয়েছি এই বলে, ‘মা রে সুস্থ হও আগে, তারপর সবকিছুই আবার আগের মতো হয়ে যাবে।’

প্রশ্ন:: তার মানে পরিপূর্ণ সুস্থ হওয়ার আগ পর্যন্ত খাদিজার বাড়ি যাওয়া হচ্ছে না?
মাসুক মিয়া: ঠিক তা নয়। কারণ, আগামী ৮ জানুয়ারি খাদিজাকে সিলেটের আদালতে নিয়ে যাওয়া হতে পারে বদরুলের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় সাক্ষী দেওয়ার জন্য। তবে খাদিজার শারীরিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে খাদিজাকে বিমানযোগে সিলেটে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আইনজীবী, পিপিসহ আদালত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এ সময় চিকিৎসকেরা যদি তার শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে অনুমতি দেন, তাহলে সামান্য সময়ের জন্য তাকে বাড়িতেও নিয়ে যেতে পারি। তবে সেটা নির্ভর করছে খাদিজার শারীরিক অবস্থার ওপর।

প্রশ্ন: মেয়ের ওপর হামলার খবর পেয়েই তো দেশে ফিরেছিলেন? সিলেটে গিয়েছিলেন এর মধ্যে?

খাদিজার বাবা মাসুক মিয়ামাসুক মিয়া: আমি সৌদিপ্রবাসী। মেয়ের ওপর বর্বর হামলার খবর পেয়ে ৬ অক্টোবর দেশে ফিরি। কয়েকবার সিলেটে গিয়েছি ঠিকই, কিন্তু সেটা সাময়িক সময়ের জন্য। এককথায় দেশে ফেরার পর থেকেই মেয়ের চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাজে ঢাকায় অবস্থান করছি। মেয়ের দিকে যখনই তাকাই, তখনই কান্না চলে আসে। চোখের পানি আটকে রাখতে পারি না। সারাক্ষণ মনে হয়, এত বড় বর্বর একটা কাজ বদরুল ছেলেটা করল কীভাবে? ছেলেটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছে, এত বড় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ে, সে কী শিক্ষা পেল, সেটাই তো আজ পর্যন্ত বুঝে উঠতে পারলাম না। নরপশু না হলে কোনো মানুষ এত নির্মমভাবে আরেকজন মানুষকে কখনোই কোপাতে পারবে না।

প্রশ্ন: বদরুলের কেমন শাস্তি চান আপনারা?

মাসুক মিয়া: বদরুলের মতো পাগল ও নরপশু যেন আর কোনো মায়ের গর্ভে জন্ম না নেয়। এত নির্দয় ও অমানবিক মানুষ যেন এই সমাজে জন্ম না হয়। আমার মেয়েটারে কুপিয়ে কুপিয়ে ফালা ফালা করে ফেলেছে। আর কোনো মা-বাবার সন্তানের ওপর এমন নির্মম নির্যাতন কখনোই যেন নেমে না আসে। আমার মেয়ের ওপর বদরুল যে অমানবিক আক্রমণ করেছে, তার সুষ্ঠু ও যথাযথ শাস্তি চাইছি আমি। এ দেশের মানুষও এ ঘটনার সঠিক বিচারের দাবিতে আন্দোলন করেছে। আমি চাই, বদরুল যেন তার অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি পায়। এটি দেখে যেন বদরুলরূপী জানোয়ারেরা আর কখনোই কারও ওপর হামলার সাহস দেখাতে না পারে।

খাদিজার মায়ের আহাজারিপ্রশ্ন: এর বাইরে আপনার আর কিছু কি বলার আছে?

মাসুক মিয়া: সবশেষে আমরা পরিবারের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তিনি যেভাবে খোঁজ নিয়ে খাদিজার চিকিৎসার পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছেন, তাতে আমরা খুব খুশি। তিনি সরকারের পক্ষ থেকে খাদিজার চিকিৎসার পুরো খরচ বহন করেছেন। এখন খাদিজা চাইছে, সুস্থ হয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে পুনরায় নতুনভাবে জীবন শুরু করতে। আমরা মনে করি, প্রধানমন্ত্রী খাদিজার এ ইচ্ছাটাও পূরণ করবেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X