শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:১৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, November 1, 2017 11:20 pm
A- A A+ Print

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রীন কার্ড লটারী সুবিধা বন্ধের ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের!

183871_1

ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীন কার্ড লটারী বন্ধ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ট্রাক হামলায় হতাহতের ঘটনার পর তিনি এই ঘোষণা দেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুধবার এক টুইট বার্তায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের জন্য গ্রীন কার্ড লটারী সুবিধা বন্ধ করে মেধার ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন নীতি পুনর্গঠন করা হবে। এদিকে নিউইয়র্কের রাস্তায় মানুষের ওপর পিক-আপ ট্রাক তুলে বুধবারের হত্যার জন্য দায়ী যুবক সম্পর্কে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসছে। সাইফুল্লাহ সাইপভ নামে এই যুবক উজবেকিস্তান থেকে আসা একজন অভিবাসী। যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু মিডিয়ার খবরে বলা হচ্ছে, তার ট্রাকের ভেতর এমন একটি কাগজ পাওয়া গেছে যাতে ঐ যুবক লিখে রেখেছে যে সে ইসলামিক স্টেটের সমর্থনে এই হত্যাকান্ড চালাচ্ছে। খবর বিবিসির। তবে তাকে ব্যাক্তিগতভাবে চিনতেন এমন আরেক উজবেক অভিবাসী বিবিসিকে বলেছেন, ঐ যুবক বদমেজাজি ছিলো কিন্তু তার ভেতর কট্টর ইসলামি চিন্তা-ভাবনা তিনি কখনো লক্ষ্য করেননি। সাইপোভ জন্মেছিলেন ১৯৮৮র ফেব্রুয়ারি মাসে। মার্কিন গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর তিনি সে দেশে বৈধভাবে কাজ করার অধিকার পান। গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর তিনি ওহাইও, ফ্লোরিডা ও নিউ জার্সিতে বসবাস করেছেন। তিনি ছিলেন বিবাহিত ও তিন সন্তানের পিতা। মার্কিন প্রবাসী উজবেক ধর্মীয় অ্যাক্টিভিস্ট ও ব্লগার মিররাখমত মুমিনভ বিবিসিকে বলেছেন, আমেরিকায় আসার পরই সাইপভ ইন্টারনেটের মাধ্যমে র‌্যাডিকালাইজড হন এবং একজন আগ্রাসী ব্যক্তিতে পরিণত হন। আমেরিকায় আসার আগে তিনি বেশি পড়াশুনো করেননি ও কোরানও বিশেষ জানতেন না বলে মুমিনভ দাবি করেছেন। অন্যদিকে এই নিউইয়র্কে এই সন্ত্রাসী হামলার পর, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এয়ারপোর্ট এবং সীমান্তে বিদেশি যাত্রীদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নিউইয়র্কের লোয়ার ম্যানহ্যাটান এলাকায় সাইকেল চলার রাস্তায় এই হামলা হয়। ভাড়া করা একটি পিকআপ ট্রাক নিয়ে হামলাকারী এক ঝাঁক সাইকেল চালকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং পরে একটি স্কুলবাসের গায়ে ধাক্কা মারে। এই ঘটনায় ঐ এলাকায় শুরু হয় প্রচন্ড গোলযোগ। এরপর হামলাকারী দুটি খেলনা পিস্তল নিয়ে যখন গাড়ি থেকে নেমে আসে তখন টহলরত পুলিশ তার পেটে গুলি করে তাকে ধরাশায়ী করে। হামলাকারীকে এখন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এরপর পুরো নিউইয়র্ক শহর জুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা সতর্কতা নেয়া হয়। এই হামলা যখন চলছিল তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন জিন নামের এক ভদ্রলোক। তিনি জানান, বিকেল তিনটার দিকে তিনি দেখতে পান, কয়েক ব্লক দূরে একটি পিক আপ ট্রাক বাইক পাথের ওপর দিয়ে ধেয়ে যাচ্ছে। তার কথায়, ‘আমি সেখানে পৌঁছে দেখি যে বাইক পাথের ওপর বেশ ক’জন মানুষ পড়ে আছেন। আমি যখন আশেপাশে তাকিয়ে দেখার চেষ্টা করছি তখনই আট থেকে দশটি গুলির শব্দ শুনতে পাই। তারপর আশপাশ থেকে প্রচুর পুলিশ এসে হাজির হয়। কিন্তু তারাও আমার মতই বিভ্রান্ত ছিল যে ঠিক কী ঘটছে।’ ম্যানহ্যাটানের এই হামলায় যে আটজন নিহত হয়েছে, তার মধ্যে পাঁচ জনই হচ্ছেন আর্জেন্টিনার নাগরিক। এরা নিউ ইয়র্কে গিয়েছিলেন আনন্দ ফুর্তি করতে। পুলিশ বলছে, এই হামলাকারী ২৯ বছর বয়সী সাইফুল্লাহ সাইপভের বাড়ি উজবেকিস্তান। তিনি বছর দশেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরযিউওয়েফও এই হামলার নিন্দা করেছেন। এই হামলার পর পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টুইট করে এই ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি আরো বলেন যে ভেটিং ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে আগমনকারী সকল বিদেশিদের ব্যাপারে এখন থেকে আরো বেশি করে খোঁজখবর করা হবে। পুলিশ বলছে, এই হামলা চালানোর আগে সাইফুল্লাহ সাইপভ গাড়ির মধ্যে একটি চিরকুট রেখে গিয়েছিল যেখানে সে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ করেছে। মার্কিন গুপতচর সংস্থা সিআইএ-র সাবেক পরিচালক মাইকেল মোরেলও বলছেন, আইসিস সমর্থকরা এখন এই পন্থা অবলম্বন করেই ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। তিনি বলছেন, ‘এখানে খুব নিখুঁতভাবে আইসিসের নির্দেশনামা পালন করা হয়েছে। কয়েক বছর আগে আইসিস তার একটি ম্যাগাজিনে যে নির্দেশ দিয়েছিল তাতে বলা হযেছিল, একটি ট্রাক জোগাড় কর, সেই ট্রাক চাপা দিয়ে যত বেশি সংখ্যক পথচারীকে হত্যা কর। যদি খুব বেশি লোক মারতে না পার, তাহলে গাড়ি থেকে নেমে এসে ছুরি বা বন্দুক চালিয়ে আরো বেশি লোককে হত্যা কর। এবং গাড়ির মধ্যে চিরকুট রেখে বা নিজের মুখে বলে তুমি সবাইকে জানাও যে আইসিসের তরফ থেকেই তুমি এই কাজ করেছ।’ ম্যানহাটানের হামলাকারী আইসিসের এই নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে বলে মোরেল উল্লেখ করেন। ১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার পর নিউ ইয়র্কে নানা ধরনের সন্ত্রাসী হামলার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথম এই শহরে এধরনের হামলায় প্রাণহানি ঘটলো।
 

Comments

Comments!

 যুক্তরাষ্ট্রে গ্রীন কার্ড লটারী সুবিধা বন্ধের ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রীন কার্ড লটারী সুবিধা বন্ধের ঘোষণা ডোনাল্ড ট্রাম্পের!

Wednesday, November 1, 2017 11:20 pm
183871_1

ওয়াশিংটন: যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীন কার্ড লটারী বন্ধ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ট্রাক হামলায় হতাহতের ঘটনার পর তিনি এই ঘোষণা দেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুধবার এক টুইট বার্তায় বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের জন্য গ্রীন কার্ড লটারী সুবিধা বন্ধ করে মেধার ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন নীতি পুনর্গঠন করা হবে।

এদিকে নিউইয়র্কের রাস্তায় মানুষের ওপর পিক-আপ ট্রাক তুলে বুধবারের হত্যার জন্য দায়ী যুবক সম্পর্কে অনেক তথ্য বেরিয়ে আসছে। সাইফুল্লাহ সাইপভ নামে এই যুবক উজবেকিস্তান থেকে আসা একজন অভিবাসী।

যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু মিডিয়ার খবরে বলা হচ্ছে, তার ট্রাকের ভেতর এমন একটি কাগজ পাওয়া গেছে যাতে ঐ যুবক লিখে রেখেছে যে সে ইসলামিক স্টেটের সমর্থনে এই হত্যাকান্ড চালাচ্ছে। খবর বিবিসির।

তবে তাকে ব্যাক্তিগতভাবে চিনতেন এমন আরেক উজবেক অভিবাসী বিবিসিকে বলেছেন, ঐ যুবক বদমেজাজি ছিলো কিন্তু তার ভেতর কট্টর ইসলামি চিন্তা-ভাবনা তিনি কখনো লক্ষ্য করেননি। সাইপোভ জন্মেছিলেন ১৯৮৮র ফেব্রুয়ারি মাসে।

মার্কিন গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর তিনি সে দেশে বৈধভাবে কাজ করার অধিকার পান। গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর তিনি ওহাইও, ফ্লোরিডা ও নিউ জার্সিতে বসবাস করেছেন। তিনি ছিলেন বিবাহিত ও তিন সন্তানের পিতা। মার্কিন প্রবাসী উজবেক ধর্মীয় অ্যাক্টিভিস্ট ও ব্লগার মিররাখমত মুমিনভ বিবিসিকে বলেছেন, আমেরিকায় আসার পরই সাইপভ ইন্টারনেটের মাধ্যমে র‌্যাডিকালাইজড হন এবং একজন আগ্রাসী ব্যক্তিতে পরিণত হন।

আমেরিকায় আসার আগে তিনি বেশি পড়াশুনো করেননি ও কোরানও বিশেষ জানতেন না বলে মুমিনভ দাবি করেছেন। অন্যদিকে এই নিউইয়র্কে এই সন্ত্রাসী হামলার পর, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এয়ারপোর্ট এবং সীমান্তে বিদেশি যাত্রীদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

নিউইয়র্কের লোয়ার ম্যানহ্যাটান এলাকায় সাইকেল চলার রাস্তায় এই হামলা হয়। ভাড়া করা একটি পিকআপ ট্রাক নিয়ে হামলাকারী এক ঝাঁক সাইকেল চালকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং পরে একটি স্কুলবাসের গায়ে ধাক্কা মারে।

এই ঘটনায় ঐ এলাকায় শুরু হয় প্রচন্ড গোলযোগ। এরপর হামলাকারী দুটি খেলনা পিস্তল নিয়ে যখন গাড়ি থেকে নেমে আসে তখন টহলরত পুলিশ তার পেটে গুলি করে তাকে ধরাশায়ী করে। হামলাকারীকে এখন হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এরপর পুরো নিউইয়র্ক শহর জুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা সতর্কতা নেয়া হয়।

এই হামলা যখন চলছিল তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন জিন নামের এক ভদ্রলোক। তিনি জানান, বিকেল তিনটার দিকে তিনি দেখতে পান, কয়েক ব্লক দূরে একটি পিক আপ ট্রাক বাইক পাথের ওপর দিয়ে ধেয়ে যাচ্ছে। তার কথায়, ‘আমি সেখানে পৌঁছে দেখি যে বাইক পাথের ওপর বেশ ক’জন মানুষ পড়ে আছেন। আমি যখন আশেপাশে তাকিয়ে দেখার চেষ্টা করছি তখনই আট থেকে দশটি গুলির শব্দ শুনতে পাই। তারপর আশপাশ থেকে প্রচুর পুলিশ এসে হাজির হয়। কিন্তু তারাও আমার মতই বিভ্রান্ত ছিল যে ঠিক কী ঘটছে।’

ম্যানহ্যাটানের এই হামলায় যে আটজন নিহত হয়েছে, তার মধ্যে পাঁচ জনই হচ্ছেন আর্জেন্টিনার নাগরিক। এরা নিউ ইয়র্কে গিয়েছিলেন আনন্দ ফুর্তি করতে। পুলিশ বলছে, এই হামলাকারী ২৯ বছর বয়সী সাইফুল্লাহ সাইপভের বাড়ি উজবেকিস্তান। তিনি বছর দশেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই উজবেকিস্তানের প্রেসিডেন্ট শাভকাত মিরযিউওয়েফও এই হামলার নিন্দা করেছেন। এই হামলার পর পরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টুইট করে এই ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি আরো বলেন যে ভেটিং ব্যবস্থা জোরদার করা হবে, অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে আগমনকারী সকল বিদেশিদের ব্যাপারে এখন থেকে আরো বেশি করে খোঁজখবর করা হবে।

পুলিশ বলছে, এই হামলা চালানোর আগে সাইফুল্লাহ সাইপভ গাড়ির মধ্যে একটি চিরকুট রেখে গিয়েছিল যেখানে সে ইসলামিক স্টেট গোষ্ঠীর প্রতি তার সমর্থন প্রকাশ করেছে। মার্কিন গুপতচর সংস্থা সিআইএ-র সাবেক পরিচালক মাইকেল মোরেলও বলছেন, আইসিস সমর্থকরা এখন এই পন্থা অবলম্বন করেই ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে।

তিনি বলছেন, ‘এখানে খুব নিখুঁতভাবে আইসিসের নির্দেশনামা পালন করা হয়েছে। কয়েক বছর আগে আইসিস তার একটি ম্যাগাজিনে যে নির্দেশ দিয়েছিল তাতে বলা হযেছিল, একটি ট্রাক জোগাড় কর, সেই ট্রাক চাপা দিয়ে যত বেশি সংখ্যক পথচারীকে হত্যা কর। যদি খুব বেশি লোক মারতে না পার, তাহলে গাড়ি থেকে নেমে এসে ছুরি বা বন্দুক চালিয়ে আরো বেশি লোককে হত্যা কর। এবং গাড়ির মধ্যে চিরকুট রেখে বা নিজের মুখে বলে তুমি সবাইকে জানাও যে আইসিসের তরফ থেকেই তুমি এই কাজ করেছ।’

ম্যানহাটানের হামলাকারী আইসিসের এই নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছে বলে মোরেল উল্লেখ করেন।

১১ই সেপ্টেম্বরের হামলার পর নিউ ইয়র্কে নানা ধরনের সন্ত্রাসী হামলার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথম এই শহরে এধরনের হামলায় প্রাণহানি ঘটলো।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X