শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:০৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, October 26, 2016 12:12 pm
A- A A+ Print

যুদ্ধের কুশীলব দেশগুলো

pic21477461679

শান্তিপূর্ণ পথিবীটা গত কয়েক বছরে ফুসে উঠেছে। বিভিন্ন স্থানে বিরোধ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে।
  ভরত-পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ চলছে দশকের পর দশক ধরে। উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিরোধ এখন মনে হয় সূদুর পরাহত, সিরিয়ায় বোমা বর্ষণ চলছে তো চলছেই।   দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিরোধ দগদগে ঘা হয়ে আছে। সবমিলে পৃথিবী এখন এগিয়ে চলছে একটা হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের বিরোধপূর্ণ কমপক্ষে দশটি দেশ যে কোনো সময় ভয়াবহ যুদ্ধের সূচনা করতে পারে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকেও হার মানাতে পারে।   Pic   সম্প্রতি ইউক্রেন ও সিরিয়া সংকট নিয়ে রাশিয়া ও ন্যাটোর মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার নিয়েছে। এতে ইন্ধন যোগাচ্ছে ছোট ছোট সশস্ত্র আঞ্চলিক গ্রুপগুলো। আর ন্যাটোর সঙ্গে তো  যুক্তরাষ্ট্র আছেই।   অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, আর কিছুদিনের মধ্যে যদি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায় তাহলে রাশিয়াই হবে এর মূল কুশীলব।   দক্ষিণ চীন সগর নিয়ে চীনের বার বার দাবি এবং যুদ্ধংদেহী কথাবার্তা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। এছাড়া বেইজিং-এর সম্প্রসারণবাদী নীতির ফলে দেশটির সঙ্গে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া সরাসরি যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে।   এছাড়া প্রতিরেশি দেশ তাইওয়ানের সঙ্গে বিরোধও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে।   Pic   সৈন্যের সংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম দেশ যুক্তরাষ্ট্র গত ২০ বছরে আলাদা আলাদভাবে নয়টি সংষর্ষে লিপ্ত হয়।   ওবামা প্রসাশনের অধীনে বিদেশে মোতায়েন আমেরিকান সৈন্য সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।   ইদানিং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামায় না ওয়াশিংটন। তারপরও ওয়াশিংটনকে নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কিন্তু কমছে না। বরং কিছুটা বেড়েছে।   অতিসম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক কিছুটা ভালো হয়েছে। পারমাণবিক কর্মসুচি পরিদর্শনে ইরান সই করায় দেশটির ওপর আরোপিত জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করায় করায় দেশ দুটির মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা ভাল হয়।   অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সত্ত্বেও দেশটির অতীত ইতিহাস কিন্ত খ্বু একটা সুবিধার নয়। তাই যেকোনো সময় দেশটি প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তাই মধ্যপাচ্যে একটি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়েছে ইরানকে।   Pic   সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ এরই মধ্যে ন্যাটো ও রাশিয়াকে টেনে এনেছে বিরোধের কেন্দ্র বিন্দুতে। ন্যাটোর সঙ্গে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলো। আর রাশিয়ার লেজ ধরে এসেছে মিত্র দেশগুলো। তবে রাশিয়ার মিত্র দেশগুলোকে এখনো চেনা যাচ্ছে না। অর্থাৎ মুখোস খুলে ফেলেনি দেশগুলো।   তুরস্ক ও ইরানের মধ্যেও যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে। গত নভেম্বরে রাশিয়ার একটি জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করে তূর্কি গোলন্দাজ বাহিনী। এতে দেশ দুটির মধ্য উত্তেজনা দেখা দেয় ও বাকযুদ্ধেও জড়িয়ে পড়ে দেশদুটি। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গিকার করেন। ফলে আঙ্কারা ও রাশিয়া মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায়।   ভারত ও পাকিস্তানের দিকে চোখ ফেরানো যাক। সৃষ্টি থেকেই লিপ্ত রয়েছে দেশ দুটি ভূখ-গত বিরোধে। ১৯৯৯ সালে লাহোর ঘোষণার পর থেকে দেশ দুটি বেশ শান্ত সময় পার করছে। তারপরও কিছুদিন আগে পুঞ্চে ভারতীয় একটি সেনা ঘাঁটিতে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশদুটোর মধ্যে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়।   উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়েও বিরোধ চলছে বহুদিন আগে থেকে।  

Comments

Comments!

 যুদ্ধের কুশীলব দেশগুলোAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

যুদ্ধের কুশীলব দেশগুলো

Wednesday, October 26, 2016 12:12 pm
pic21477461679

শান্তিপূর্ণ পথিবীটা গত কয়েক বছরে ফুসে উঠেছে। বিভিন্ন স্থানে বিরোধ মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে।

 

ভরত-পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ চলছে দশকের পর দশক ধরে। উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিরোধ এখন মনে হয় সূদুর পরাহত, সিরিয়ায় বোমা বর্ষণ চলছে তো চলছেই।

 

দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে বিরোধ দগদগে ঘা হয়ে আছে। সবমিলে পৃথিবী এখন এগিয়ে চলছে একটা হ-য-ব-র-ল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের বিরোধপূর্ণ কমপক্ষে দশটি দেশ যে কোনো সময় ভয়াবহ যুদ্ধের সূচনা করতে পারে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকেও হার মানাতে পারে।

 

Pic

 

সম্প্রতি ইউক্রেন ও সিরিয়া সংকট নিয়ে রাশিয়া ও ন্যাটোর মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার নিয়েছে। এতে ইন্ধন যোগাচ্ছে ছোট ছোট সশস্ত্র আঞ্চলিক গ্রুপগুলো। আর ন্যাটোর সঙ্গে তো  যুক্তরাষ্ট্র আছেই।

 

অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, আর কিছুদিনের মধ্যে যদি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ যদি লেগেই যায় তাহলে রাশিয়াই হবে এর মূল কুশীলব।

 

দক্ষিণ চীন সগর নিয়ে চীনের বার বার দাবি এবং যুদ্ধংদেহী কথাবার্তা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। এছাড়া বেইজিং-এর সম্প্রসারণবাদী নীতির ফলে দেশটির সঙ্গে জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়া সরাসরি যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে।

 

এছাড়া প্রতিরেশি দেশ তাইওয়ানের সঙ্গে বিরোধও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

 

Pic

 

সৈন্যের সংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম দেশ যুক্তরাষ্ট্র গত ২০ বছরে আলাদা আলাদভাবে নয়টি সংষর্ষে লিপ্ত হয়।

 

ওবামা প্রসাশনের অধীনে বিদেশে মোতায়েন আমেরিকান সৈন্য সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।

 

ইদানিং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামায় না ওয়াশিংটন। তারপরও ওয়াশিংটনকে নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কিন্তু কমছে না। বরং কিছুটা বেড়েছে।

 

অতিসম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক কিছুটা ভালো হয়েছে। পারমাণবিক কর্মসুচি পরিদর্শনে ইরান সই করায় দেশটির ওপর আরোপিত জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করায় করায় দেশ দুটির মধ্যে সম্পর্ক কিছুটা ভাল হয়।

 

অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা সত্ত্বেও দেশটির অতীত ইতিহাস কিন্ত খ্বু একটা সুবিধার নয়। তাই যেকোনো সময় দেশটি প্রতিবেশি দেশগুলোর সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। তাই মধ্যপাচ্যে একটি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়েছে ইরানকে।

 

Pic

 

সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ এরই মধ্যে ন্যাটো ও রাশিয়াকে টেনে এনেছে বিরোধের কেন্দ্র বিন্দুতে। ন্যাটোর সঙ্গে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলো। আর রাশিয়ার লেজ ধরে এসেছে মিত্র দেশগুলো। তবে রাশিয়ার মিত্র দেশগুলোকে এখনো চেনা যাচ্ছে না। অর্থাৎ মুখোস খুলে ফেলেনি দেশগুলো।

 

তুরস্ক ও ইরানের মধ্যেও যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে। গত নভেম্বরে রাশিয়ার একটি জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করে তূর্কি গোলন্দাজ বাহিনী। এতে দেশ দুটির মধ্য উত্তেজনা দেখা দেয় ও বাকযুদ্ধেও জড়িয়ে পড়ে দেশদুটি। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন জঙ্গি বিমান ভূপাতিত করার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গিকার করেন। ফলে আঙ্কারা ও রাশিয়া মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যায়।

 

ভারত ও পাকিস্তানের দিকে চোখ ফেরানো যাক। সৃষ্টি থেকেই লিপ্ত রয়েছে দেশ দুটি ভূখ-গত বিরোধে। ১৯৯৯ সালে লাহোর ঘোষণার পর থেকে দেশ দুটি বেশ শান্ত সময় পার করছে। তারপরও কিছুদিন আগে পুঞ্চে ভারতীয় একটি সেনা ঘাঁটিতে হামলার পরিপ্রেক্ষিতে দেশদুটোর মধ্যে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়।

 

উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়েও বিরোধ চলছে বহুদিন আগে থেকে।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X