মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:৫১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, December 24, 2016 9:22 pm
A- A A+ Print

যেভাবে ‘আত্মঘাতী’ হলেন সেই নারী

dead-body-jugantor-1_34738_1482580034

রাজধানীর দক্ষিণখান থানার পূর্ব আশকোনার জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চলার সময়ে বাসার দরজা খুলে বেরিয়ে আসার সময় গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটান 'জঙ্গি' সুমনের স্ত্রী। এসময় তার সঙ্গে ছিল নিহত জঙ্গি ইকবালের মেয়ে শিশু সাবিনা (৭)। জঙ্গি সুমনের স্ত্রীর নিথর দেহ ঘটনাস্থলে পড়ে থাকলেও শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে সেই নারীর 'আত্মঘাতী' হওয়ার বিবরণ মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ছানোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, প্রথম দফায় ওই বাড়ির নিচতলার বাসা থেকে চারজন আত্মসমর্পণ করেন। তারা হলেন- মিরপুরের রূপনগরে পুলিশের অভিযানে নিহত জঙ্গি ও সাবেক মেজর জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নাহার শীলা, তার মেয়ে এবং পলাতক জঙ্গি মুসার স্ত্রী তৃষ্ণা ও তার মেয়ে। ছানোয়ার বলেন, আরও তিনজন ওই বাসায় ছিল। তাদের বের হওয়ার জন্য পুলিশ এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় দিয়েছিল। বারবার তাদের হ্যান্ডমাইকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা তাতে সাড়া দেয়নি। পুলিশের কাউন্টার টেরোজিম ইউনিটের এ কর্মকর্তা বলেন, তিনি ওই বাড়ির গাড়ি পার্কিংয়ের পিলারের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেখতে পান বোরকা পরা একজন নারী বাঁ হাতে একটি মেয়েশিশুকে ধরে বাসার দরজা খুলে বাইরে এসেছেন। ওই দুজন পার্কিংয়ের দিকে আসছিলেন। তখন তিনি তাদের দাঁড়াতে বলেন। বারবার বলেন, হাত তুলতে। কিন্তু ওই নারী দাঁড়াননি। তিনি শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে সামনে দিকে হাঁটতে শুরু করেন। একপর্যায়ে বাঁ হাতে শিশুটিকে ধরে রেখে ডান হাত ওপরের দিকে তোলার মতো ভঙ্গি করেন। তবে, তখন তিনি কোমরে রাখা বিস্ফোরকে চাপ দেন। সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ওই নারী ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। শিশুটিকে নড়াচড়া করতে দেখে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। পরে পুলিশ ওই নারীর নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। এর আগে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে রাজধানীর আশকোনায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে 'সূর্য ভিলা' নামের তিনতলা একটি বাড়ি ঘিরে রাখে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। এখন পর্যন্ত বাড়ির ভেতরে আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নিহত জঙ্গিদের অর্থদাতা তানভীর কাদেরীর ছেলে আবীর অবস্থান করছে বলে জানায় পুলিশ। তার সঙ্গে গুলি বিনিময়ও হয়েছে।

Comments

Comments!

 যেভাবে ‘আত্মঘাতী’ হলেন সেই নারীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

যেভাবে ‘আত্মঘাতী’ হলেন সেই নারী

Saturday, December 24, 2016 9:22 pm
dead-body-jugantor-1_34738_1482580034

রাজধানীর দক্ষিণখান থানার পূর্ব আশকোনার জঙ্গি আস্তানায় অভিযান চলার সময়ে বাসার দরজা খুলে বেরিয়ে আসার সময় গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটান ‘জঙ্গি’ সুমনের স্ত্রী।

এসময় তার সঙ্গে ছিল নিহত জঙ্গি ইকবালের মেয়ে শিশু সাবিনা (৭)। জঙ্গি সুমনের স্ত্রীর নিথর দেহ ঘটনাস্থলে পড়ে থাকলেও শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে সেই নারীর ‘আত্মঘাতী’ হওয়ার বিবরণ মিডিয়ায় তুলে ধরেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ছানোয়ার হোসেন।

তিনি বলেন, প্রথম দফায় ওই বাড়ির নিচতলার বাসা থেকে চারজন আত্মসমর্পণ করেন। তারা হলেন- মিরপুরের রূপনগরে পুলিশের অভিযানে নিহত জঙ্গি ও সাবেক মেজর জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নাহার শীলা, তার মেয়ে এবং পলাতক জঙ্গি মুসার স্ত্রী তৃষ্ণা ও তার মেয়ে।

ছানোয়ার বলেন, আরও তিনজন ওই বাসায় ছিল। তাদের বের হওয়ার জন্য পুলিশ এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় দিয়েছিল। বারবার তাদের হ্যান্ডমাইকে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা তাতে সাড়া দেয়নি।

পুলিশের কাউন্টার টেরোজিম ইউনিটের এ কর্মকর্তা বলেন, তিনি ওই বাড়ির গাড়ি পার্কিংয়ের পিলারের পেছনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দেখতে পান বোরকা পরা একজন নারী বাঁ হাতে একটি মেয়েশিশুকে ধরে বাসার দরজা খুলে বাইরে এসেছেন। ওই দুজন পার্কিংয়ের দিকে আসছিলেন। তখন তিনি তাদের দাঁড়াতে বলেন। বারবার বলেন, হাত তুলতে। কিন্তু ওই নারী দাঁড়াননি। তিনি শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে সামনে দিকে হাঁটতে শুরু করেন। একপর্যায়ে বাঁ হাতে শিশুটিকে ধরে রেখে ডান হাত ওপরের দিকে তোলার মতো ভঙ্গি করেন। তবে, তখন তিনি কোমরে রাখা বিস্ফোরকে চাপ দেন। সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটে।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ওই নারী ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। শিশুটিকে নড়াচড়া করতে দেখে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

পরে পুলিশ ওই নারীর নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে।

এর আগে শুক্রবার মধ্যরাত থেকে রাজধানীর আশকোনায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ‘সূর্য ভিলা’ নামের তিনতলা একটি বাড়ি ঘিরে রাখে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। এখন পর্যন্ত বাড়ির ভেতরে আজিমপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে নিহত জঙ্গিদের অর্থদাতা তানভীর কাদেরীর ছেলে আবীর অবস্থান করছে বলে জানায় পুলিশ। তার সঙ্গে গুলি বিনিময়ও হয়েছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X