সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:৩৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, September 20, 2016 7:32 pm
A- A A+ Print

যেভাবে মুসলমানরা বাঁচিয়েছিল ইংল্যান্ডকে

%e0%a7%ad

অন্য কোনো সময়ের চেয়ে ইংল্যান্ড এখন বেশি বিচ্ছিন্ন। ইউরোপ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার পক্ষে অর্ধেকের বেশি নাগরিক রায় দিয়েছে। ইউরোপের সঙ্গে চলমান এই অম্ল-মধুর সম্পর্কের মধ্যে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে মনোযোগ দিচ্ছেন মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বাড়াতে। কারণ যুগে যুগে এই মুসলমানরাই বাঁচিয়েছে ইংল্যান্ডকে। ইউরোপের সঙ্গে ইংল্যান্ডের সম্পর্কের ইতিহাস জানতে হলে যেতে হবে পাঁচশ বছর আগের রানি প্রথম এলিজাবেথের আমলে। ওই সময়ে ইংল্যান্ডের সঙ্গে স্পেনের ধর্ম নিয়ে ঝামেলা চলছিল। ইংল্যান্ড ওই সময় রোমান ক্যাথলিক চার্চের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিয়েছিলÑ বিশ্বাস করতে হলে কেবল বাইবেলই বিশ্বাস করবে। সেটিই ঈশ্বরের একমাত্র বাণী। এতেই মানবের মুক্তি। অন্যদিকে ক্যাথলিক চার্চের বিশ্বাস ছিলÑ শুধু বাইবেল অনুসরণ করলেই চলবে না। অনুসরণ করতে হবে রোমান ঐতিহ্যগত বিশ্বাসগুলোকেও। বিগড়ে গেলেন পোপ। তিনি এলিজাবেথকে ধর্মচ্যুত ঘোষণা করলেন ও তাকে পতন করতে যুদ্ধের ডাক দিলেন। চারদিকে উত্তেজনা। এদিকে এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের সব বড় বড় ব্যবসায়ীদের সাবধান করে দেন যে স্প্যানিশ নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে কোনো ব্যবসা করা যাবে না। এলিজাবেথের ইংল্যান্ডের একেবারেই একঘরে হয়ে যাওয়ার দশা। এদিকে স্প্যানিশরা প্রস্তুতি নিচ্ছিল এলিজাবেথের পতনের। যুদ্ধ অনিবার্য। বিচ্ছিন্ন ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইংল্যান্ড যুদ্ধ কাটাতে সবচেয়ে পুরনো কৌশলের আশ্রয় নিল। স্পেনের সঙ্গে তখন অটোমানদের সাপে-নেউলে সম্পর্ক। ওই সময় অটোমান সম্রাট ছিলেন সুলতান তৃতীয় মুরাদ। ১৫শ শতকের ওই সময়ে অটোমানদের সঙ্গে হাপসবার্গদের (যারা তৎকালীন রোমান মুকুটের অধিকারী ছিলেন) বেশ কয়েকটি যুদ্ধ হয়। অটোমানরা হাঙ্গেরির কয়েকটি অংশের দখলও নিয়ে নেয়, যেগুলো রোমানদের দখলে ছিল। এলিজাবেথ ওই সুযোগটা নেন। ইউরোপকে পাশ কাটিয়ে সুলতান মুরাদের দিকে বাড়ান বন্ধুত্বের হাত। মুরাদও সেই হাত আঁকড়ে ধরেন। ওই ঐক্যের ফলে শুরু হয় ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক। যার মাধ্যমে ইংল্যান্ড ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করতে শুরু করে। এলিজাবেথ তার কারিশমা দিয়ে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়েছিলেন পারস্যের শাহদের সঙ্গেও, যারা আবার অটোমানদের শত্রু ছিল। এই ৩০০ বছরে ইংরেজ ব্যবসায়ীরা স্বাধীনভাবে মুসলিম দেশগুলোয় ব্যবসার জন্য যেতে পারতেন। এলিজাবেথ তার চিঠিতে সুলতান তৃতীয় মুরাদ-পূর্ব সাম্রাজ্যের এক ও অদ্বিতীয় সম্রাট বলে সম্বোধন করতেন। তিনি নিজেকে ক্যাথলিক বিশ্বাসের সংরক্ষকও উল্লেখ করতেন। অটোমানরাও দুই ধর্মের মধ্যে এমন সম্পর্ককে সম্মান করত। এখন নিষিদ্ধ হলেও একসময় সিরিয়ার রাকা ও ইরাকের মসুলে ইংরেজদের অবাধ বিচরণ ছিল। তখন ইংরেজরা মজেছিল মুসলমানদের সিল্ক ও মশলায়। যদিও অটোমান ও পারস্যের আগ্রহ ছিল ইংল্যান্ডের অস্ত্রের দিকে, ইংরেজ উল নিয়ে নয়। কথিত আছে তাদের অস্ত্রের চাহিদা পূরণ করতে এলিজাবেথ ক্যাথলিক চার্চের ঘণ্টা গলিয়ে অস্ত্র বানাতে বলেছিলেন। বিনিময়ে ইংরেজরা কিনতো সল্টপিটার, যা গানপাউডার ও চিনি বানানোর প্রধান কাঁচামাল। ওই সময়ই ইংরেজরা ‘জয়েন্ট স্টক কোম্পানি’ ধারণার প্রবর্তন করে। যে ধারণাটি আনেন এলিজাবেথের বোন ম্যারি ট্রুডর। এই জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ধারণা থেকেই উঠে আসে চারটি কোম্পানি। মুসকোভি কোম্পানি, যারা পারস্যের সঙ্গে বাণিজ্য করত। টার্কি কোম্পানি, যারা অটোমানদের সঙ্গে বাণিজ্য করত। আর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যারা প্রথমে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য করে ও পরে শাসনভারই কেড়ে নেয়। অন্যদিকে ভার্জিনিয়া কোম্পানি আমেরিকায় প্রথম কলোনি স্থাপন করে। মুসলিমদের সঙ্গে এই সম্পর্কই ইংল্যান্ডকে বর্তমানের জায়গায় এনেছে বলে মনে করেন ইতিহাসবিদরা। কেবল অর্থের সম্পর্কই নয়, প্রভাব পড়েছে সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনেও। পূর্ব বিশ্বের মসলা ও চিনি ইংরেজদের খাদ্যাভ্যাসই বদলে দেয়। অপরদিকে ইংরেজদের কেতাদুরস্ত পোশাকের নকশা ঢুকে পড়ে মুসলিম বিশ্বে। শেকসপিয়র তার ওথেলো লিখেছিলেন ইংল্যান্ডে প্রথম মরোক্কোর দূত আবদেল ওয়াহেদ বিন মেসাউদের ছয় মাস সফরের পর। ওই সময় ওথেলোর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ও করেন ওই আরব দূত। ১৬০৩ সালে এলিজাবেথের মৃত্যুর পর স্পেনের সঙ্গে শান্তিচুক্তি হয় নতুন ইংরেজ সম্রাট প্রথম জেমসের। কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেরি ব্রটন মনে করেন, ইসলামের প্রধান দর্শনগুলো বর্তমান ইংল্যান্ডের উত্থানে বড় ভূমিকা পালন করে।

Comments

Comments!

 যেভাবে মুসলমানরা বাঁচিয়েছিল ইংল্যান্ডকেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

যেভাবে মুসলমানরা বাঁচিয়েছিল ইংল্যান্ডকে

Tuesday, September 20, 2016 7:32 pm
%e0%a7%ad

অন্য কোনো সময়ের চেয়ে ইংল্যান্ড এখন বেশি বিচ্ছিন্ন। ইউরোপ থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার পক্ষে অর্ধেকের বেশি নাগরিক রায় দিয়েছে। ইউরোপের সঙ্গে চলমান এই অম্ল-মধুর সম্পর্কের মধ্যে দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে মনোযোগ দিচ্ছেন মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক বাড়াতে। কারণ যুগে যুগে এই মুসলমানরাই বাঁচিয়েছে ইংল্যান্ডকে।

ইউরোপের সঙ্গে ইংল্যান্ডের সম্পর্কের ইতিহাস জানতে হলে যেতে হবে পাঁচশ বছর আগের রানি প্রথম এলিজাবেথের আমলে। ওই সময়ে ইংল্যান্ডের সঙ্গে স্পেনের ধর্ম নিয়ে ঝামেলা চলছিল। ইংল্যান্ড ওই সময় রোমান ক্যাথলিক চার্চের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দিয়েছিলÑ বিশ্বাস করতে হলে কেবল বাইবেলই বিশ্বাস করবে। সেটিই ঈশ্বরের একমাত্র বাণী। এতেই মানবের মুক্তি। অন্যদিকে ক্যাথলিক চার্চের বিশ্বাস ছিলÑ শুধু বাইবেল অনুসরণ করলেই চলবে না। অনুসরণ করতে হবে রোমান ঐতিহ্যগত বিশ্বাসগুলোকেও। বিগড়ে গেলেন পোপ। তিনি এলিজাবেথকে ধর্মচ্যুত ঘোষণা করলেন ও তাকে পতন করতে যুদ্ধের ডাক দিলেন। চারদিকে উত্তেজনা। এদিকে এলিজাবেথ ইংল্যান্ডের সব বড় বড় ব্যবসায়ীদের সাবধান করে দেন যে স্প্যানিশ নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে কোনো ব্যবসা করা যাবে না। এলিজাবেথের ইংল্যান্ডের একেবারেই একঘরে হয়ে যাওয়ার দশা।

এদিকে স্প্যানিশরা প্রস্তুতি নিচ্ছিল এলিজাবেথের পতনের। যুদ্ধ অনিবার্য। বিচ্ছিন্ন ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ইংল্যান্ড যুদ্ধ কাটাতে সবচেয়ে পুরনো কৌশলের আশ্রয় নিল। স্পেনের সঙ্গে তখন অটোমানদের সাপে-নেউলে সম্পর্ক। ওই সময় অটোমান সম্রাট ছিলেন সুলতান তৃতীয় মুরাদ। ১৫শ শতকের ওই সময়ে অটোমানদের সঙ্গে হাপসবার্গদের (যারা তৎকালীন রোমান মুকুটের অধিকারী ছিলেন) বেশ কয়েকটি যুদ্ধ হয়। অটোমানরা হাঙ্গেরির কয়েকটি অংশের দখলও নিয়ে নেয়, যেগুলো রোমানদের দখলে ছিল। এলিজাবেথ ওই সুযোগটা নেন। ইউরোপকে পাশ কাটিয়ে সুলতান মুরাদের দিকে বাড়ান বন্ধুত্বের হাত। মুরাদও সেই হাত আঁকড়ে ধরেন। ওই ঐক্যের ফলে শুরু হয় ৩০০ বছরের ঐতিহাসিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক। যার মাধ্যমে ইংল্যান্ড ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করতে শুরু করে। এলিজাবেথ তার কারিশমা দিয়ে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়েছিলেন পারস্যের শাহদের সঙ্গেও, যারা আবার অটোমানদের শত্রু ছিল। এই ৩০০ বছরে ইংরেজ ব্যবসায়ীরা স্বাধীনভাবে মুসলিম দেশগুলোয় ব্যবসার জন্য যেতে পারতেন।

এলিজাবেথ তার চিঠিতে সুলতান তৃতীয় মুরাদ-পূর্ব সাম্রাজ্যের এক ও অদ্বিতীয় সম্রাট বলে সম্বোধন করতেন। তিনি নিজেকে ক্যাথলিক বিশ্বাসের সংরক্ষকও উল্লেখ করতেন। অটোমানরাও দুই ধর্মের মধ্যে এমন সম্পর্ককে সম্মান করত।

এখন নিষিদ্ধ হলেও একসময় সিরিয়ার রাকা ও ইরাকের মসুলে ইংরেজদের অবাধ বিচরণ ছিল। তখন ইংরেজরা মজেছিল মুসলমানদের সিল্ক ও মশলায়। যদিও অটোমান ও পারস্যের আগ্রহ ছিল ইংল্যান্ডের অস্ত্রের দিকে, ইংরেজ উল নিয়ে নয়। কথিত আছে তাদের অস্ত্রের চাহিদা পূরণ করতে এলিজাবেথ ক্যাথলিক চার্চের ঘণ্টা গলিয়ে অস্ত্র বানাতে বলেছিলেন। বিনিময়ে ইংরেজরা কিনতো সল্টপিটার, যা গানপাউডার ও চিনি বানানোর প্রধান কাঁচামাল।

ওই সময়ই ইংরেজরা ‘জয়েন্ট স্টক কোম্পানি’ ধারণার প্রবর্তন করে। যে ধারণাটি আনেন এলিজাবেথের বোন ম্যারি ট্রুডর। এই জয়েন্ট স্টক কোম্পানি ধারণা থেকেই উঠে আসে চারটি কোম্পানি। মুসকোভি কোম্পানি, যারা পারস্যের সঙ্গে বাণিজ্য করত। টার্কি কোম্পানি, যারা অটোমানদের সঙ্গে বাণিজ্য করত। আর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যারা প্রথমে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য করে ও পরে শাসনভারই কেড়ে নেয়। অন্যদিকে ভার্জিনিয়া কোম্পানি আমেরিকায় প্রথম কলোনি স্থাপন করে।

মুসলিমদের সঙ্গে এই সম্পর্কই ইংল্যান্ডকে বর্তমানের জায়গায় এনেছে বলে মনে করেন ইতিহাসবিদরা। কেবল অর্থের সম্পর্কই নয়, প্রভাব পড়েছে সংস্কৃতি ও দৈনন্দিন জীবনেও। পূর্ব বিশ্বের মসলা ও চিনি ইংরেজদের খাদ্যাভ্যাসই বদলে দেয়। অপরদিকে ইংরেজদের কেতাদুরস্ত পোশাকের নকশা ঢুকে পড়ে মুসলিম বিশ্বে। শেকসপিয়র তার ওথেলো লিখেছিলেন ইংল্যান্ডে প্রথম মরোক্কোর দূত আবদেল ওয়াহেদ বিন মেসাউদের ছয় মাস সফরের পর। ওই সময় ওথেলোর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ও করেন ওই আরব দূত।

১৬০৩ সালে এলিজাবেথের মৃত্যুর পর স্পেনের সঙ্গে শান্তিচুক্তি হয় নতুন ইংরেজ সম্রাট প্রথম জেমসের। কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক জেরি ব্রটন মনে করেন, ইসলামের প্রধান দর্শনগুলো বর্তমান ইংল্যান্ডের উত্থানে বড় ভূমিকা পালন করে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X