শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১০:২১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, July 30, 2016 1:27 am
A- A A+ Print

যেভাবে স্বপরিবারে বেঁচে গেলেন এরদোগান

231272_1

অভ্যুত্থান চেষ্টার রাতে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর মারমারিসের গ্রান্ড ইয়াজিসি হোটেলে ছিলেন। স্ত্রী, মেয়ের জামাই ও নাতি-নাতনীদের সঙ্গে পাঁচ দিনের ছুটিতে অবকাশ যাপনে ছিলেন। ব্যর্থ অভ্যুত্থানের রাতে সেখানে তাকে স্ব-পরিবারে হত্যার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল একদল অভ্যুত্থানচেষ্টাকারী সেনাকে।তবে খুনিরা গ্রান্ড ইয়াজিসির ঠিকানা জানতো না। তারা স্থানীয়দের কাছে হোটেলের ঠিকানা খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। ততক্ষণে অবশ্য এরদোগান নিরাপদে সরে যান।এভাবেই সেদিন বেঁচে যান তিনি। অবশ্য ব্যর্থ অভ্যুথানের পর সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট এরদোগান নিজেই বলেন, ১৫ জুলাই আমি পরিবারের সাথে ছিলাম। আমরা পাঁচ দিনের ছুটিতে মারমারিসে ছিলাম। ওই দিন রাত ১০টার দিকে কিছু খবর পাই। আমাকে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়। ইস্তাম্বুল, আঙ্কারা এবং আরো কয়েকটি জায়গায় কিছু কিছু মুভমেন্ট চলছে। আমরা তখনই মারমারিস থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। আমার সাথে স্ত্রী, আমার মেয়ের জামাই, আমার নাতি-নাতনীরা ছিল। ফলে বিষয়টা আরো গুরুতর ছিল বলে মনে করতে পারেন। অন্যদিকে মারমারিসের গ্রান্ড ইয়াজিসির হোটেল মালিক সেরকান ইয়াজিকিও পরে মিডিয়াকে জানান, অভ্যুত্থানকারীরা হোটেলে তার কক্ষে ঢোকার মাত্র ১৫ মিনিট আগে প্রেসিডেন্ট এরদোগান সেখান থেকে চলে গিয়েছিলেন। সেরকান ইয়াজিকি আরো বলেন, ওইদিন হেলিকপ্টার থেকে প্রায় ৩০ জন ষড়যন্ত্রকারী নেমেছিল।

Comments

Comments!

 যেভাবে স্বপরিবারে বেঁচে গেলেন এরদোগানAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

যেভাবে স্বপরিবারে বেঁচে গেলেন এরদোগান

Saturday, July 30, 2016 1:27 am
231272_1

অভ্যুত্থান চেষ্টার রাতে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর মারমারিসের গ্রান্ড ইয়াজিসি হোটেলে ছিলেন। স্ত্রী, মেয়ের জামাই ও নাতি-নাতনীদের সঙ্গে পাঁচ দিনের ছুটিতে অবকাশ যাপনে ছিলেন।

ব্যর্থ অভ্যুত্থানের রাতে সেখানে তাকে স্ব-পরিবারে হত্যার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল একদল অভ্যুত্থানচেষ্টাকারী সেনাকে।তবে খুনিরা গ্রান্ড ইয়াজিসির ঠিকানা জানতো না। তারা স্থানীয়দের কাছে হোটেলের ঠিকানা খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। ততক্ষণে অবশ্য এরদোগান নিরাপদে সরে যান।এভাবেই সেদিন বেঁচে যান তিনি।

অবশ্য ব্যর্থ অভ্যুথানের পর সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট এরদোগান নিজেই বলেন, ১৫ জুলাই আমি পরিবারের সাথে ছিলাম। আমরা পাঁচ দিনের ছুটিতে মারমারিসে ছিলাম। ওই দিন রাত ১০টার দিকে কিছু খবর পাই। আমাকে পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়। ইস্তাম্বুল, আঙ্কারা এবং আরো কয়েকটি জায়গায় কিছু কিছু মুভমেন্ট চলছে।

আমরা তখনই মারমারিস থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। আমার সাথে স্ত্রী, আমার মেয়ের জামাই, আমার নাতি-নাতনীরা ছিল। ফলে বিষয়টা আরো গুরুতর ছিল বলে মনে করতে পারেন।

অন্যদিকে মারমারিসের গ্রান্ড ইয়াজিসির হোটেল মালিক সেরকান ইয়াজিকিও পরে মিডিয়াকে জানান, অভ্যুত্থানকারীরা হোটেলে তার কক্ষে ঢোকার মাত্র ১৫ মিনিট আগে প্রেসিডেন্ট এরদোগান সেখান থেকে চলে গিয়েছিলেন।

সেরকান ইয়াজিকি আরো বলেন, ওইদিন হেলিকপ্টার থেকে প্রায় ৩০ জন ষড়যন্ত্রকারী নেমেছিল।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X