শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:৫৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, November 3, 2016 4:22 pm
A- A A+ Print

যৌন হয়রানি: আহসানউল্লাহর শিক্ষকের বিচার শুরু

158392_1

ঢাকা: ছাত্রীদের যৌন হয়রানির মামলায় আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহফুজুর রশীদ ফেরদৌসের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোহাম্মদ শফিউল আজম এই অভিযোগ গঠন করেন। ১৫ নভেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আলী আকবর। মোহাম্মদ আলী আকবর জানান, মাহফুজুরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ও ৯ (৪খ) ধারায়, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮ ধারা এবং পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইনের ৯ (খ) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। তড়িৎ কৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফেরদৌস আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের দায়িত্বে ছিলে। ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠার পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত ৩০ এপ্রিল তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এরপর ৪ মে কলাবাগান থানায় যৌন হয়রানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদদৌল্লাহ আল সায়েম। মামলার পর ওইদিন ভোরেই রমনা এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে শিক্ষক ফেরদৌসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পরে দুই দিনের রিমান্ড শেষে তিনি যৌন হয়রানির কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ ছাত্রীওগত ৫ মে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের এসআই আফরোজা আইরীন কলি গত ১৪ শিক্ষক ফেরদৌসের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে আলাদাভাবে দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে ২৮ জনকে সাক্ষী করেন তিনি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের অন্যয অভিযোগপত্রটিও এরই মধ্যেি আমলে নিয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনাল। ওই মামলায় ১৭ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ওই মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, শিক্ষক ফেরদৌস বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ ছাত্রীকে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং প্রশ্নপত্র ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এক ছাত্রীর সরলতার সুযোগে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং তার ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন।

Comments

Comments!

 যৌন হয়রানি: আহসানউল্লাহর শিক্ষকের বিচার শুরুAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

যৌন হয়রানি: আহসানউল্লাহর শিক্ষকের বিচার শুরু

Thursday, November 3, 2016 4:22 pm
158392_1

ঢাকা: ছাত্রীদের যৌন হয়রানির মামলায় আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহফুজুর রশীদ ফেরদৌসের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোহাম্মদ শফিউল আজম এই অভিযোগ গঠন করেন। ১৫ নভেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি আলী আকবর।

মোহাম্মদ আলী আকবর জানান, মাহফুজুরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ও ৯ (৪খ) ধারায়, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনের ৮ ধারা এবং পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইনের ৯ (খ) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

তড়িৎ কৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফেরদৌস আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টরের দায়িত্বে ছিলে। ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠার পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে গত ৩০ এপ্রিল তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এরপর ৪ মে কলাবাগান থানায় যৌন হয়রানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদদৌল্লাহ আল সায়েম। মামলার পর ওইদিন ভোরেই রমনা এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে শিক্ষক ফেরদৌসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পরে দুই দিনের রিমান্ড শেষে তিনি যৌন হয়রানির কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ ছাত্রীওগত ৫ মে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে জবানবন্দি দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের নারী সহায়তা ও তদন্ত বিভাগের এসআই আফরোজা আইরীন কলি গত ১৪ শিক্ষক ফেরদৌসের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে আলাদাভাবে দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে ২৮ জনকে সাক্ষী করেন তিনি।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের অন্যয অভিযোগপত্রটিও এরই মধ্যেি আমলে নিয়েছে সাইবার ট্রাইব্যুনাল। ওই মামলায় ১৭ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

ওই মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, শিক্ষক ফেরদৌস বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ ছাত্রীকে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং প্রশ্নপত্র ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এক ছাত্রীর সরলতার সুযোগে নিজের বাসায় ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং তার ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X