বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১:২১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, January 20, 2017 12:12 am
A- A A+ Print

‘যে কোনো সময় ভারত মহাসাগরে ঢুকতে পারে চীন’

৬০

চীন যেভাবে ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বিনা বাধায় প্রভাব বাড়াচ্ছে, তাতে ভারতের ‘উদ্বিগ্ন’ হওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন নৌ-বাহিনীর প্যাসিফিক কম্যান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিস জুনিয়র। ভারত এবং আমেরিকা যৌথভাবে চীনা নৌ-বাহিনীর গতিবিধির উপর নজর রাখছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে হ্যারিস জুনিয়র জানান, চীনা নৌ-বাহিনীর ভারত মহাসাগরে দ্রুত নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে চাইছে। চীনের এই প্রভাব বৃদ্ধি রুখতে অবিলম্বে নিজেদের নৌ-বাহিনীকে আরো সক্রিয় করে তোলা উচিত ভারতের। অ্যাডমিরাল হ্যারিস জুনিয়রের কথায়, ‘এই মুহূর্তে ভারত মহাসাগরে চীনা নৌবহরের গতিবিধি আটকানোর কোনো উপায় নেই।’ চীনের এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার লিয়াওনিং-এর নেতৃত্বে একটি চীনা নৌবহর এখন দক্ষিণ চীন সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের এক বড় এলাকায় টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে। তবে মালাক্কা প্রণালী পেরিয়ে বঙ্গোপসাগর, আন্দামান সাগর বা আরব সাগরের দিকে সে চীনা নৌবহর এখনো আসেনি। মার্কিন নৌ-বাহিনী এই কর্মকর্তা মনে করছেন, চীনা নৌবহর এ দিকে টহল দিতে এখনো আসেনি বলে ভবিষ্যতেও আসবে না, এ রকম ভাবার কোনো কারণ নেই। চীনা সাবমেরিনগুলো যেভাবে মাঝেমধ্যেই বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে হানা দিয়ে গুপ্তচরবৃত্তি চালানোর চেষ্টা করছে, ঠিক সেভাবেই চীনের এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ারও এই অঞ্চলে যখন তখন আসতে পারে বলে তার মত। কিন্তু অ্যাডমিরাল হ্যারিস এও বলেছেন যে, এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার পাঠিয়ে ভারতকে চাপে ফেলার ক্ষমতা চীনের নেই। তিনি বলেন, ‘এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার অপারেশনের ক্ষেত্রে ভারতীয় নৌ-বাহিনী দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা চীনা নৌ-বাহিনী চেয়ে অনেক বেশি।’ আমেরিকার সুবিশাল এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ারগুলোর সঙ্গেও যে চীনের লিয়াওনিং কোনোভাবেই বুঝতে পারবে না, সে কথাও অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিস জুনিয়র মনে করিয়ে দিয়েছেন। ভারতীয় নৌ-বাহিনী জানিয়েছে, চীনা সাবমেরিনগুলো যেভাবে লুকিয়ে ভারত মহাসাগরের বিভিন্ন এলাকায় হানা দিচ্ছে, তাতে বাধা দেয়ার চেষ্টা ভারত এখন করবে না। কারণ চীনের সাবমেরিনগুলো সব সময় যে আন্তর্জাতিক জলসীমা ছেড়ে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়ছে, এমনটা নয়। তাই তাদের টহলদারিতে আপত্তি করার কিছু নেই বলেই ভারত মনে করছে। তবে দিল্লি এবং ওয়াশিংটন যৌথভাবে সতর্কতাও অবলম্বন করেছে। চীনা নৌ-বাহিনীর কোন রণতরী কখন কোথায় থাকছে, তার উপর সর্বক্ষণ নিবিড় ভাবে নজর রাখা হচ্ছে। আমেরিকার কাছ থেকে কেনা পি৮-১ অ্যান্টি সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার জেটগুলোকেই ভারত এ কাজে ব্যবহার করছে। অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিস জুনিয়রের কথায়, ‘পি৮ হল পৃথিবীর সেরা অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থা।’ ভারত পি৮-১ এবং আমেরিকা পি৮-এ জেট ব্যবহার করে চীনা ডুবোজাহাজগুলোর ওপর নজর রাখছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে খুব বেশি তথ্য আমি দেব না। তবে এটুকু বলতে পারি যে চীনা নৌ-বাহিনীর জাহাজগুলোর গতিবিধি সারাক্ষণ আমাদের নজরে রয়েছে এবং আমরা পরস্পরকে (ভারত ও আমেরিকা) সর্বক্ষণ সেই তথ্য জানাচ্ছিও।’ সূত্র: আনন্দবাজার

Comments

Comments!

 ‘যে কোনো সময় ভারত মহাসাগরে ঢুকতে পারে চীন’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘যে কোনো সময় ভারত মহাসাগরে ঢুকতে পারে চীন’

Friday, January 20, 2017 12:12 am
৬০

চীন যেভাবে ভারত মহাসাগরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বিনা বাধায় প্রভাব বাড়াচ্ছে, তাতে ভারতের ‘উদ্বিগ্ন’ হওয়া জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন নৌ-বাহিনীর প্যাসিফিক কম্যান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিস জুনিয়র।

ভারত এবং আমেরিকা যৌথভাবে চীনা নৌ-বাহিনীর গতিবিধির উপর নজর রাখছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে হ্যারিস জুনিয়র জানান, চীনা নৌ-বাহিনীর ভারত মহাসাগরে দ্রুত নিজেদের প্রভাব বৃদ্ধি করতে চাইছে। চীনের এই প্রভাব বৃদ্ধি রুখতে অবিলম্বে নিজেদের নৌ-বাহিনীকে আরো সক্রিয় করে তোলা উচিত ভারতের।

অ্যাডমিরাল হ্যারিস জুনিয়রের কথায়, ‘এই মুহূর্তে ভারত মহাসাগরে চীনা নৌবহরের গতিবিধি আটকানোর কোনো উপায় নেই।’

চীনের এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার লিয়াওনিং-এর নেতৃত্বে একটি চীনা নৌবহর এখন দক্ষিণ চীন সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের এক বড় এলাকায় টহল দিয়ে বেড়াচ্ছে। তবে মালাক্কা প্রণালী পেরিয়ে বঙ্গোপসাগর, আন্দামান সাগর বা আরব সাগরের দিকে সে চীনা নৌবহর এখনো আসেনি।

মার্কিন নৌ-বাহিনী এই কর্মকর্তা মনে করছেন, চীনা নৌবহর এ দিকে টহল দিতে এখনো আসেনি বলে ভবিষ্যতেও আসবে না, এ রকম ভাবার কোনো কারণ নেই। চীনা সাবমেরিনগুলো যেভাবে মাঝেমধ্যেই বঙ্গোপসাগর এবং আরব সাগরে হানা দিয়ে গুপ্তচরবৃত্তি চালানোর চেষ্টা করছে, ঠিক সেভাবেই চীনের এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ারও এই অঞ্চলে যখন তখন আসতে পারে বলে তার মত।

কিন্তু অ্যাডমিরাল হ্যারিস এও বলেছেন যে, এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার পাঠিয়ে ভারতকে চাপে ফেলার ক্ষমতা চীনের নেই।

তিনি বলেন, ‘এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ার অপারেশনের ক্ষেত্রে ভারতীয় নৌ-বাহিনী দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা চীনা নৌ-বাহিনী চেয়ে অনেক বেশি।’

আমেরিকার সুবিশাল এয়ারক্র্যাফ্ট ক্যারিয়ারগুলোর সঙ্গেও যে চীনের লিয়াওনিং কোনোভাবেই বুঝতে পারবে না, সে কথাও অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিস জুনিয়র মনে করিয়ে দিয়েছেন।

ভারতীয় নৌ-বাহিনী জানিয়েছে, চীনা সাবমেরিনগুলো যেভাবে লুকিয়ে ভারত মহাসাগরের বিভিন্ন এলাকায় হানা দিচ্ছে, তাতে বাধা দেয়ার চেষ্টা ভারত এখন করবে না। কারণ চীনের সাবমেরিনগুলো সব সময় যে আন্তর্জাতিক জলসীমা ছেড়ে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়ছে, এমনটা নয়। তাই তাদের টহলদারিতে আপত্তি করার কিছু নেই বলেই ভারত মনে করছে।

তবে দিল্লি এবং ওয়াশিংটন যৌথভাবে সতর্কতাও অবলম্বন করেছে। চীনা নৌ-বাহিনীর কোন রণতরী কখন কোথায় থাকছে, তার উপর সর্বক্ষণ নিবিড় ভাবে নজর রাখা হচ্ছে। আমেরিকার কাছ থেকে কেনা পি৮-১ অ্যান্টি সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার জেটগুলোকেই ভারত এ কাজে ব্যবহার করছে।

অ্যাডমিরাল হ্যারি হ্যারিস জুনিয়রের কথায়, ‘পি৮ হল পৃথিবীর সেরা অ্যান্টি-সাবমেরিন ওয়ারফেয়ার ব্যবস্থা।’

ভারত পি৮-১ এবং আমেরিকা পি৮-এ জেট ব্যবহার করে চীনা ডুবোজাহাজগুলোর ওপর নজর রাখছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে খুব বেশি তথ্য আমি দেব না। তবে এটুকু বলতে পারি যে চীনা নৌ-বাহিনীর জাহাজগুলোর গতিবিধি সারাক্ষণ আমাদের নজরে রয়েছে এবং আমরা পরস্পরকে (ভারত ও আমেরিকা) সর্বক্ষণ সেই তথ্য জানাচ্ছিও।’

সূত্র: আনন্দবাজার

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X