মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১:৫২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 24, 2016 3:33 am
A- A A+ Print

যৌনকর্মী যখন সন্দেহভাজন জঙ্গি

229828_1

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রুমা আক্তার একজন পেশাদার যৌনকর্মী। অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত উত্তর গুলশানের কূটনীতিকপাড়া ছিল তার কাজের এলাকা। বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গেই তার সখ্য ছিল বেশি। তিনি বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও হিন্দিতে কথা বলতে পারদর্শী। এই নারী হলি আর্টিজানে হামলার রাতেও গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর সড়কে যান। গত তিন-চার মাস ধরেই রাতে তাকে গুলশানের ওই সড়কে দেখা যেত। রুমা সম্পর্কে আমাদের সময়ের অনুসন্ধানে এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে। এদিকে পুলিশ তাকে আটক করেছে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে। অবশ্য গুলশান হামলার তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই নারীর কাছ থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি। হলি আর্টিজানে হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার দুপুরে এক তরুণীসহ সন্দেহভাজন চার জঙ্গির ভিডিওচিত্র প্রকাশ করে তাদের সন্ধান চায় র‌্যাব। ফেসবুকে র‌্যাবের অফিসিয়াল পেজে সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজটি আপলোড করা হয়। ওই ভিডিওচিত্রের ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘গুলশানের হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন চারজনকে নির্ণয়। তাদের পরিচয় জানা থাকলে দ্রুত র‌্যাবের যে কোনো নিকটস্থ ব্যাটালিয়ন অথবা ক্যাম্পে অবহিত করুন।’ ভিডিওচিত্রে ওই নারীকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়। র‌্যাবের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা আসার দুদিন পর গত বৃহস্পতিবার রাতে নরসিংদীর গ্রামের বাড়ি থেকে রুমাকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটি)। পরে তাকে ঢাকায় সিটি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। গতকাল শনিবার গুলশানের ৭৯ নম্বর সড়কের বিভিন্ন দূতাবাস ও বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে রুমা সম্পর্কে কথা হয়। তারা জানান, তিনি তিন-চার মাস ধরেই হলি আর্টিজানসংলগ্ন ওই সড়কে আসতেন। প্রতিদিনই তাকে সেখানে দেখা যেত। তার সঙ্গে থাকতেন নাজমা ওরফে নাজ ও নিপা নামে আরও দুই তরুণী। নিপা ওই সড়কে যাতায়াত করতেন বছর তিনেক ধরে। তারা তিনজনই মূলত বিদেশি ক্লায়েন্টের জন্য অপেক্ষা করতেন। হলি আর্টিজানে হামলার রাতেও রুমা সেখানে গিয়েছিলেন। ওই ছবিই ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। হামলার পর গ্রামের বাড়িতে চলে যান তিনি। শুধু ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীরাই নন, সেখানে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরাও তাদের চেনেন। মাঝেমধ্যে তাদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের কথাও হতো। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ সদস্য আমাদের সময়কে জানান, ওই তিন নারী মূলত বিদেশি নাগরিকদের গাড়িতে উঠে গন্থব্যে যেতেন। গুলশান হামলার আগে ১৫ দিনের মধ্যে রুমার সঙ্গে তার তিনবার দেখা হয়েছে। ওই পুলিশ সদস্য একটি দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত। ৭৯ নম্বর সড়কে রাত জেগে চা বিক্রি করতেন শাহীন নামে এক তরুণ। কোনো কোনো দিন সকালে বাসায় ফিরতেন তিনি। শাহীনের কাছ থেকে নিয়মিত সিগারেট কিনতেন ওই তিন তরুণী। এভাবেই ওই তিনজনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। শাহীন আমাদের সময়কে জানান, গত ২০ জুলাই পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে নিয়েই রুমার গ্রামের বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। রুমার বিরুদ্ধে আনা পুলিশের অভিযোগ নিয়ে শাহীনও সন্দিহান। গণমাধ্যমে প্রকাশিত রুমার ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন শাহীনসহ ওই এলাকার অনেক নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সদস্য। জানা যায়, মাঝেমধ্যে রুমার কাছ থেকে সিগারেটও চেয়ে খেতেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এমন তথ্য দেন কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মী। ওই নারীর আচরণ কেমন ছিল জানতে চাইলে দুই নিরাপত্তাকর্মী বলেন, স্বাভাবিকই তো দেখতাম। এখন পুলিশ তাকে সন্দেহ করে ধরে নিয়ে গেছে। ওই হামলায় সে জড়িত কিনা বুঝতে পারছি না। এদিকে মামলার তদন্ত কর্তৃপক্ষ সিটি ইউনিট সূত্র জানায়, রুমার কাছ থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য মেলেনি। তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে নাকি ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হবে, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তার যৌনকর্মী পরিচয় সম্পর্কে কথা বলতে রাজি হননি কেউ। রুমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরের সূত্র ধরেই মূলত তাকে আটক করে পুলিশ। জানা গেছে, তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে রুমা সবার ছোট। তার দুটি বিয়ে হয়। প্রথম স্বামীর সংসারে তার একটি সন্তানও রয়েছে। দ্বিতীয় বিয়েও বিচ্ছেদ ঘটে। ছয় মাস আগে গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে দুবাই পাড়ি জমান তিনি। মাস তিনেক আগে দুবাই থেকে ফিরে ঢাকার ভাটারা থানার কালাচাঁদপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। তার আচরণে কিছু অস্বাভাবিকতা ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার। রুমার পরিবারের সদস্যরা জানতেন, ঢাকায় বিভিন্ন বাসবাড়িতে রান্নার কাজ করেন তিনি। মানসিক সমস্যার কারণে এরই মধ্যে তাকে চিকিৎসক দেখানো হয়েছে বলেও জানান তারা। রুমার বড় বোন আমাদের সময়কে বলেন, ঢাকায় তার কিছু ছেলেবন্ধু ছিল এটা আমরা জানতাম। তবে সে খারাপ কিছু করত তা আমাদের জানা ছিল না। গত ১ জুলাই হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা করে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের হামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে নিহত হন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। ২ জুলাই সকালে কমান্ডো অভিযানে পাঁচ জঙ্গিসহ ছয়জন নিহত এবং ঘটনাস্থল থেকে ৩২ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়।

Comments

Comments!

 যৌনকর্মী যখন সন্দেহভাজন জঙ্গিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

যৌনকর্মী যখন সন্দেহভাজন জঙ্গি

Sunday, July 24, 2016 3:33 am
229828_1

রাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক রুমা আক্তার একজন পেশাদার যৌনকর্মী। অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত উত্তর গুলশানের কূটনীতিকপাড়া ছিল তার কাজের এলাকা। বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গেই তার সখ্য ছিল বেশি। তিনি বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও হিন্দিতে কথা বলতে পারদর্শী। এই নারী হলি আর্টিজানে হামলার রাতেও গুলশান-২-এর ৭৯ নম্বর সড়কে যান। গত তিন-চার মাস ধরেই রাতে তাকে গুলশানের ওই সড়কে দেখা যেত।
রুমা সম্পর্কে আমাদের সময়ের অনুসন্ধানে এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে। এদিকে পুলিশ তাকে আটক করেছে জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে। অবশ্য গুলশান হামলার তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই নারীর কাছ থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তার বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়নি।
হলি আর্টিজানে হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার দুপুরে এক তরুণীসহ সন্দেহভাজন চার জঙ্গির ভিডিওচিত্র প্রকাশ করে তাদের সন্ধান চায় র‌্যাব। ফেসবুকে র‌্যাবের অফিসিয়াল পেজে সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজটি আপলোড করা হয়। ওই ভিডিওচিত্রের ক্যাপশনে লেখা হয়, ‘গুলশানের হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন চারজনকে নির্ণয়। তাদের পরিচয় জানা থাকলে দ্রুত র‌্যাবের যে কোনো নিকটস্থ ব্যাটালিয়ন অথবা ক্যাম্পে অবহিত করুন।’ ভিডিওচিত্রে ওই নারীকে মোবাইল ফোনে কথা বলতে দেখা যায়।
র‌্যাবের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা আসার দুদিন পর গত বৃহস্পতিবার রাতে নরসিংদীর গ্রামের বাড়ি থেকে রুমাকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটি)। পরে তাকে ঢাকায় সিটি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।
গতকাল শনিবার গুলশানের ৭৯ নম্বর সড়কের বিভিন্ন দূতাবাস ও বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীদের সঙ্গে রুমা সম্পর্কে কথা হয়। তারা জানান, তিনি তিন-চার মাস ধরেই হলি আর্টিজানসংলগ্ন ওই সড়কে আসতেন। প্রতিদিনই তাকে সেখানে দেখা যেত। তার সঙ্গে থাকতেন নাজমা ওরফে নাজ ও নিপা নামে আরও দুই তরুণী। নিপা ওই সড়কে যাতায়াত করতেন বছর তিনেক ধরে। তারা তিনজনই মূলত বিদেশি ক্লায়েন্টের জন্য অপেক্ষা করতেন। হলি আর্টিজানে হামলার রাতেও রুমা সেখানে গিয়েছিলেন। ওই ছবিই ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়। হামলার পর গ্রামের বাড়িতে চলে যান তিনি। শুধু ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীরাই নন, সেখানে নিয়মিত দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যরাও তাদের চেনেন। মাঝেমধ্যে তাদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের কথাও হতো।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক পুলিশ সদস্য আমাদের সময়কে জানান, ওই তিন নারী মূলত বিদেশি নাগরিকদের গাড়িতে উঠে গন্থব্যে যেতেন। গুলশান হামলার আগে ১৫ দিনের মধ্যে রুমার সঙ্গে তার তিনবার দেখা হয়েছে। ওই পুলিশ সদস্য একটি দূতাবাসের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত।
৭৯ নম্বর সড়কে রাত জেগে চা বিক্রি করতেন শাহীন নামে এক তরুণ। কোনো কোনো দিন সকালে বাসায় ফিরতেন তিনি। শাহীনের কাছ থেকে নিয়মিত সিগারেট কিনতেন ওই তিন তরুণী। এভাবেই ওই তিনজনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। শাহীন আমাদের সময়কে জানান, গত ২০ জুলাই পুলিশ তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরে তাকে নিয়েই রুমার গ্রামের বাড়িতে অভিযানে যায় পুলিশ। রুমার বিরুদ্ধে আনা পুলিশের অভিযোগ নিয়ে শাহীনও সন্দিহান।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত রুমার ছবি দেখে তাকে শনাক্ত করেন শাহীনসহ ওই এলাকার অনেক নিরাপত্তাকর্মী ও পুলিশ সদস্য। জানা যায়, মাঝেমধ্যে রুমার কাছ থেকে সিগারেটও চেয়ে খেতেন কয়েকজন পুলিশ সদস্য। এমন তথ্য দেন কয়েকজন নিরাপত্তাকর্মী। ওই নারীর আচরণ কেমন ছিল জানতে চাইলে দুই নিরাপত্তাকর্মী বলেন, স্বাভাবিকই তো দেখতাম। এখন পুলিশ তাকে সন্দেহ করে ধরে নিয়ে গেছে। ওই হামলায় সে জড়িত কিনা বুঝতে পারছি না।
এদিকে মামলার তদন্ত কর্তৃপক্ষ সিটি ইউনিট সূত্র জানায়, রুমার কাছ থেকে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো তথ্য মেলেনি। তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে নাকি ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হবে, সে বিষয়েও সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে তার যৌনকর্মী পরিচয় সম্পর্কে কথা বলতে রাজি হননি কেউ। রুমার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরের সূত্র ধরেই মূলত তাকে আটক করে পুলিশ।
জানা গেছে, তিন বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে রুমা সবার ছোট। তার দুটি বিয়ে হয়। প্রথম স্বামীর সংসারে তার একটি সন্তানও রয়েছে। দ্বিতীয় বিয়েও বিচ্ছেদ ঘটে। ছয় মাস আগে গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে দুবাই পাড়ি জমান তিনি। মাস তিনেক আগে দুবাই থেকে ফিরে ঢাকার ভাটারা থানার কালাচাঁদপুর এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন। তার আচরণে কিছু অস্বাভাবিকতা ছিল বলে জানিয়েছে তার পরিবার।
রুমার পরিবারের সদস্যরা জানতেন, ঢাকায় বিভিন্ন বাসবাড়িতে রান্নার কাজ করেন তিনি। মানসিক সমস্যার কারণে এরই মধ্যে তাকে চিকিৎসক দেখানো হয়েছে বলেও জানান তারা।
রুমার বড় বোন আমাদের সময়কে বলেন, ঢাকায় তার কিছু ছেলেবন্ধু ছিল এটা আমরা জানতাম। তবে সে খারাপ কিছু করত তা আমাদের জানা ছিল না।
গত ১ জুলাই হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলা করে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। তাদের হামলা মোকাবিলা করতে গিয়ে নিহত হন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। ২ জুলাই সকালে কমান্ডো অভিযানে পাঁচ জঙ্গিসহ ছয়জন নিহত এবং ঘটনাস্থল থেকে ৩২ জিম্মিকে উদ্ধার করা হয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X