বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৩৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, September 15, 2016 2:41 pm
A- A A+ Print

রক্তের নদীর দৃশ্য সাময়িক, ঢাকা এখন পরিচ্ছন্ন : বিবিসিকে সাইদ খোকন

243458_1

বৃষ্টির পানির সঙ্গে কোরবানীর পশুর রক্ত মিশে বুধবার রাজধানীতে তৈরী হয়েছিলো রক্তের নদী। এই ছবি বুধবার প্রদর্শিত হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংবাদপত্রে ও ওয়েবসাইটে। প্রতিবছর ঢাকায় যখন ঈদের পশু জবাই হয় তখন জবাই করা পশুর রক্ত আর বর্জ্য মিলে তৈরী হয় অসহনীয় পরিবেশ। এবার তারে সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলো বৃষ্টির পানির কারণে জলাবদ্ধতা। একটি দেশের রাজধানী রাস্তায় কিভাবে এমন দৃশ্য তৈরী হতে পারে সেই বিষয়ে বিবিসির সাংবাদিক জানতে চেয়েছিলেন ঢাকা দক্ষিন সিটি করপোরেশনের মেয়র সাইদ খোকনের কাছে। এই বিষয়ে সাইদ খোকন বলেন, এই দৃশ্যটি তৈরি হয়েছে ঢাকার শান্তিনগর ও চানখারপুল এলাকায়। আপনারা দেখেছেন এই সময়টাতে প্রচ- বৃষ্টিপাত হয়েছিলে। আর সাধারনত ঈদের নামাজের পরই কোরবানী দেয়া শুরু হয়। কোরবানীর সময়য়েই বৃষ্টি হয়ে পানি জমে ঐ দৃশ্য তৈরী হয়েছিলো। ঘণ্টা দুই তিনেক পর পানি নেমে গেছে। আজকে সেই পরিবেশ নেই। তবে যেটা দেখেছেন সেটা বাস্তবতা। ঢাকার রাস্তায় রক্তের বন্যার দৃশ্য যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছে। সেটা আপনাদের জন্য বিব্রতকর নয় কি? এমন প্রশ্নের উত্তরে মেয়র বলেন, এটা বিব্রতকর তো বটেই, দুর্ভাগ্যবশত এই ঘটনাটি ঘটেছে। আপনারা জানেন আমাদের ঢাকায় যারা বসবাস করেন তারা বাড়ির আঙিনায় বা রাস্তায় কোরবানী দিয়ে থাকেন। কারণ আমাদের পর্যাপ্ত স্লটার হাউজ নাই। তাই এরকম একটা দৃশ্য তৈরি হতেই পারে তবে এটি পার্মানেন্ট কোন দৃশ্য নয়। গতকালের সেই ঢাকা আর আজকের ঢাকার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু ধরেন একজন পর্যটক যিনি ঢাকায় বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি এরকম একটা দৃশ্য দেখার পর কি তিনি ঢাকায় আসতে আগ্রহী হবেন? এর উত্তরে মেয়র বলেন, এই দৃশ্য তার মনে উদ্বেগ সৃষ্টি করবে এটা স্বাভাবিক, তবে আমরা যেটা বলবার চেষ্টা করছি যে এটা একেবারেই সাময়িক একটা দৃশ্য। আজকে ঢাকায় হাটলে এমন কিছুই দেখতে পারবেন না। পরিচ্ছন্ন একটা নগরী আপনি দেখতে পাবেন। বিবিসির সাংবাদিক এ সময় প্রশ্ন করেন, আপনারা এমন একটা সিসটেম কেন ডেভলপ করতে পারছেন না যেখানে বাড়ির সামনে আর পশু জবাই হবে না। এর উত্তরে মেয়র বলেন, পশু কোরবানির জন্য ৫০৪টি স্থান আমরা নির্ধারণ করে দিয়েছি। জনগনকে উদ্বুদ্ধ ও সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করেছি। তবে যতটুকু আশা করেছি ততটুকু সারা পাইনি। এই সময়টাতে ঢাকায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার পশু কোরবানী হয়। এতো ব্যাপক কোরবানীকে ব্যাবস্থাপনার অধীনে নিয়ে আসা সিটি করপোরেশনের জন্য এই মুহুর্তে একেবারেই অসম্ভব। গত বছর আমরা নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এ বছর কিছুটা বেড়েছে। আগামীতে হয়তো আরো ইমপ্রুভ করবে। এখানে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বক্ষমতার একটা বিষয় আছে এবং জনগণের সচেতনতা ও সম্পৃক্ততার একটা বিষয় আছে। দুটি বিষয় যখন আমরা সমন্ময় করতে পারবো তখন এই সিস্টেমটি আরো ইমপ্রুভ করবে। তবে ২ লক্ষ ৪০ হাজার পশু কোরবাণীকে সিস্টেমের আওতায় আনতে অনেক সময় লাগবে।
উৎসঃ   বিবিসি

Comments

Comments!

 রক্তের নদীর দৃশ্য সাময়িক, ঢাকা এখন পরিচ্ছন্ন : বিবিসিকে সাইদ খোকনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

রক্তের নদীর দৃশ্য সাময়িক, ঢাকা এখন পরিচ্ছন্ন : বিবিসিকে সাইদ খোকন

Thursday, September 15, 2016 2:41 pm
243458_1

বৃষ্টির পানির সঙ্গে কোরবানীর পশুর রক্ত মিশে বুধবার রাজধানীতে তৈরী হয়েছিলো রক্তের নদী। এই ছবি বুধবার প্রদর্শিত হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সংবাদপত্রে ও ওয়েবসাইটে। প্রতিবছর ঢাকায় যখন ঈদের পশু জবাই হয় তখন জবাই করা পশুর রক্ত আর বর্জ্য মিলে তৈরী হয় অসহনীয় পরিবেশ। এবার তারে সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলো বৃষ্টির পানির কারণে জলাবদ্ধতা। একটি দেশের রাজধানী রাস্তায় কিভাবে এমন দৃশ্য তৈরী হতে পারে সেই বিষয়ে বিবিসির সাংবাদিক জানতে চেয়েছিলেন ঢাকা দক্ষিন সিটি করপোরেশনের মেয়র সাইদ খোকনের কাছে।

এই বিষয়ে সাইদ খোকন বলেন, এই দৃশ্যটি তৈরি হয়েছে ঢাকার শান্তিনগর ও চানখারপুল এলাকায়। আপনারা দেখেছেন এই সময়টাতে প্রচ- বৃষ্টিপাত হয়েছিলে। আর সাধারনত ঈদের নামাজের পরই কোরবানী দেয়া শুরু হয়। কোরবানীর সময়য়েই বৃষ্টি হয়ে পানি জমে ঐ দৃশ্য তৈরী হয়েছিলো। ঘণ্টা দুই তিনেক পর পানি নেমে গেছে। আজকে সেই পরিবেশ নেই। তবে যেটা দেখেছেন সেটা বাস্তবতা।

ঢাকার রাস্তায় রক্তের বন্যার দৃশ্য যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছে। সেটা আপনাদের জন্য বিব্রতকর নয় কি?

এমন প্রশ্নের উত্তরে মেয়র বলেন, এটা বিব্রতকর তো বটেই, দুর্ভাগ্যবশত এই ঘটনাটি ঘটেছে। আপনারা জানেন আমাদের ঢাকায় যারা বসবাস করেন তারা বাড়ির আঙিনায় বা রাস্তায় কোরবানী দিয়ে থাকেন। কারণ আমাদের পর্যাপ্ত স্লটার হাউজ নাই। তাই এরকম একটা দৃশ্য তৈরি হতেই পারে তবে এটি পার্মানেন্ট কোন দৃশ্য নয়। গতকালের সেই ঢাকা আর আজকের ঢাকার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।

কিন্তু ধরেন একজন পর্যটক যিনি ঢাকায় বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তিনি এরকম একটা দৃশ্য দেখার পর কি তিনি ঢাকায় আসতে আগ্রহী হবেন?

এর উত্তরে মেয়র বলেন, এই দৃশ্য তার মনে উদ্বেগ সৃষ্টি করবে এটা স্বাভাবিক, তবে আমরা যেটা বলবার চেষ্টা করছি যে এটা একেবারেই সাময়িক একটা দৃশ্য। আজকে ঢাকায় হাটলে এমন কিছুই দেখতে পারবেন না। পরিচ্ছন্ন একটা নগরী আপনি দেখতে পাবেন।

বিবিসির সাংবাদিক এ সময় প্রশ্ন করেন, আপনারা এমন একটা সিসটেম কেন ডেভলপ করতে পারছেন না যেখানে বাড়ির সামনে আর পশু জবাই হবে না।

এর উত্তরে মেয়র বলেন, পশু কোরবানির জন্য ৫০৪টি স্থান আমরা নির্ধারণ করে দিয়েছি। জনগনকে উদ্বুদ্ধ ও সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করেছি। তবে যতটুকু আশা করেছি ততটুকু সারা পাইনি। এই সময়টাতে ঢাকায় ২ লক্ষ ৪০ হাজার পশু কোরবানী হয়। এতো ব্যাপক কোরবানীকে ব্যাবস্থাপনার অধীনে নিয়ে আসা সিটি করপোরেশনের জন্য এই মুহুর্তে একেবারেই অসম্ভব।

গত বছর আমরা নির্দিষ্ট স্থানে পশু জবাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এ বছর কিছুটা বেড়েছে। আগামীতে হয়তো আরো ইমপ্রুভ করবে। এখানে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বক্ষমতার একটা বিষয় আছে এবং জনগণের সচেতনতা ও সম্পৃক্ততার একটা বিষয় আছে। দুটি বিষয় যখন আমরা সমন্ময় করতে পারবো তখন এই সিস্টেমটি আরো ইমপ্রুভ করবে। তবে ২ লক্ষ ৪০ হাজার পশু কোরবাণীকে সিস্টেমের আওতায় আনতে অনেক সময় লাগবে।

উৎসঃ   বিবিসি

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X