রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৫৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, November 1, 2016 1:29 pm
A- A A+ Print

রাজনীতিতে নেই সুবাতাস, ফের সংঘাতের আশঙ্কা

158158_1

   
ঢাকা: প্রধান দুই দলের কাউন্সিল উত্তর দেশের রাজনীতিতে কোনো সুখবর নেই, নেই রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনের কোনো উদ্যোগও। কী রাজনৈতিক, কী কূটনৈতিক মহল সবাই যেন হাল ছেড়ে দিয়েছেন। রাজনীতিতে এমন অবস্থা বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে। সবার প্রত্যাশা ছিল প্রধান দুই দলের কাউন্সিলের পর নতুন নেতৃত্বে  দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু জনগণের সে আশা গুড়ে বালি। ফের বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন প্রধান দুই দলের নেতারা। ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন। সুশীল সমাজ প্রতিদিনই আপস-সমঝোতার কথা বলছেন।  মাঝেমধ্যে সরব হচ্ছেন বুদ্ধিজীবীরা। সবাই বলছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসন সম্ভব নয়। অথচ সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকরা একই কথা বলছেন। আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই হবে। এর থেকে এক চুল সরকার নড়বে, এমন আভাস মিলছে না।
এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতারা বলেছেন, কোনোভাবেই বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে দেয়া হবে না। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই হবে। আমরা জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কঠোর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি। বহুদলীয় গণতন্ত্রে দল ও মতের ভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই সুযোগে আগুন নিয়ে  রাজনীতি করে সেরকম কোনো অপশক্তি যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে। এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতারা ২০তম কাউন্সিলে বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-বিএনপিকে আর কোনোভাবেই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে দেয়া যাবে না। কাউন্সিলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেও একই ধরনের ইঙ্গিত মিলেছে। অন্যদিকে বিএনপির নেতারা কোনো অবস্থাতেই আওয়ামী লীগের অধীনে আগামী নির্বাচনে যেতে নারাজ। তারা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে অনড়। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, সরকার বেপরোয়া দস্যু মনোবৃত্তি নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে আছে বলেই গণতন্ত্রের বিকাশের সকল প্রতিষ্ঠানকে লাশকাটা ঘরে প্রেরণ করেছে। তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীর গণতন্ত্রবিনাশী কুমতলবটাই পরিস্কারভাবে ফুটে উঠলো। কারণ আওয়ামী লীগ বরাবরই জনগণকে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেব টার্গেট করে। আর এই কারণেই ভোটারবিহীন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন-কোনভাবেই বিএনপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসতে দেয়া হবে না। কোন দলকে ক্ষমতায় বসানো হবে- সেই অধিকার তো জনগণের, প্রধানমন্ত্রীর হুঙ্কারে তার সশস্ত্র ক্যাডার বা তার সাজানো প্রশাসনের নয়। আমরা দৃঢ়কন্ঠে বলতে চাই- জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে একতরফা দলীয় নির্বাচন কমিশন গঠন করে ফের ক্ষমতায় যাওয়ার সাধ মিটবে না। জনগণ সেটি সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করবে।’ অন্যদিকে ৭ নভেম্বরকে কেন্দ্র ফের রাজনীতিতে সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কেননা, সোমবার বিকালে রাজধানীর মোহাম্মাদপুরের সূচনা কমিউনিটি সেন্টারে ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘সিপাহী বিপ্লবের নামে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দোসররা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামলে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। তারা সিপাহী বিপ্লবের নামে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আড়াল করতে চায়।’ তবে ৭ নভেম্বরে বিএনপি কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, যে কোনো মূল্যে ৭ নভেম্বরে বিএনপি কর্মসূচি করা হবে। সব মিলে একই অবস্থানেই অনড় আছে সরকারি দল ও বিরোধী দল। ফলে রাজনৈতিক জট সহজেই কাটছে না। এতে রাজনীতিতে নেই কোনো আশার আলো।

Comments

Comments!

 রাজনীতিতে নেই সুবাতাস, ফের সংঘাতের আশঙ্কাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

রাজনীতিতে নেই সুবাতাস, ফের সংঘাতের আশঙ্কা

Tuesday, November 1, 2016 1:29 pm
158158_1

 

 

ঢাকা: প্রধান দুই দলের কাউন্সিল উত্তর দেশের রাজনীতিতে কোনো সুখবর নেই, নেই রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসনের কোনো উদ্যোগও। কী রাজনৈতিক, কী কূটনৈতিক মহল সবাই যেন হাল ছেড়ে দিয়েছেন। রাজনীতিতে এমন অবস্থা বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে।

সবার প্রত্যাশা ছিল প্রধান দুই দলের কাউন্সিলের পর নতুন নেতৃত্বে  দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু জনগণের সে আশা গুড়ে বালি। ফের বাকযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন প্রধান দুই দলের নেতারা। ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন।

সুশীল সমাজ প্রতিদিনই আপস-সমঝোতার কথা বলছেন।  মাঝেমধ্যে সরব হচ্ছেন বুদ্ধিজীবীরা। সবাই বলছেন, সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে রাজনৈতিক সঙ্কট নিরসন সম্ভব নয়। অথচ সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারকরা একই কথা বলছেন। আগামী নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই হবে। এর থেকে এক চুল সরকার নড়বে, এমন আভাস মিলছে না।

এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতারা বলেছেন, কোনোভাবেই বিএনপিকে ক্ষমতায় আসতে দেয়া হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ীই হবে। আমরা জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কঠোর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছি। বহুদলীয় গণতন্ত্রে দল ও মতের ভিন্নতা থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই সুযোগে আগুন নিয়ে  রাজনীতি করে সেরকম কোনো অপশক্তি যেন ক্ষমতায় আসতে না পারে।

এছাড়া আওয়ামী লীগের নেতারা ২০তম কাউন্সিলে বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত-বিএনপিকে আর কোনোভাবেই রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসতে দেয়া যাবে না। কাউন্সিলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যেও একই ধরনের ইঙ্গিত মিলেছে।

অন্যদিকে বিএনপির নেতারা কোনো অবস্থাতেই আওয়ামী লীগের অধীনে আগামী নির্বাচনে যেতে নারাজ। তারা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে অনড়।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, সরকার বেপরোয়া দস্যু মনোবৃত্তি নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে আছে বলেই গণতন্ত্রের বিকাশের সকল প্রতিষ্ঠানকে লাশকাটা ঘরে প্রেরণ করেছে।

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীর গণতন্ত্রবিনাশী কুমতলবটাই পরিস্কারভাবে ফুটে উঠলো। কারণ আওয়ামী লীগ বরাবরই জনগণকে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেব টার্গেট করে। আর এই কারণেই ভোটারবিহীন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন-কোনভাবেই বিএনপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসতে দেয়া হবে না। কোন দলকে ক্ষমতায় বসানো হবে- সেই অধিকার তো জনগণের, প্রধানমন্ত্রীর হুঙ্কারে তার সশস্ত্র ক্যাডার বা তার সাজানো প্রশাসনের নয়। আমরা দৃঢ়কন্ঠে বলতে চাই- জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে একতরফা দলীয় নির্বাচন কমিশন গঠন করে ফের ক্ষমতায় যাওয়ার সাধ মিটবে না। জনগণ সেটি সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করবে।’

অন্যদিকে ৭ নভেম্বরকে কেন্দ্র ফের রাজনীতিতে সংঘাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। কেননা, সোমবার বিকালে রাজধানীর মোহাম্মাদপুরের সূচনা কমিউনিটি সেন্টারে ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উপস্থিতিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, ‘সিপাহী বিপ্লবের নামে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দোসররা কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামলে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে। তারা সিপাহী বিপ্লবের নামে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আড়াল করতে চায়।’

তবে ৭ নভেম্বরে বিএনপি কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, যে কোনো মূল্যে ৭ নভেম্বরে বিএনপি কর্মসূচি করা হবে।

সব মিলে একই অবস্থানেই অনড় আছে সরকারি দল ও বিরোধী দল। ফলে রাজনৈতিক জট সহজেই কাটছে না। এতে রাজনীতিতে নেই কোনো আশার আলো।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X