শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:৩০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, November 17, 2016 11:47 am
A- A A+ Print

রাজশাহীতে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা নাকি আত্মহত্যা?

161447_1

রাজশাহী: রাজশাহী জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার খন্দকার মাইনুল ইসলামের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর হোসনিগঞ্জ এলাকার নিজ বাসায় তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। নিজের লাইসেন্স করা পিস্তলের গুলিতে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। পরে দকমল কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাইনুলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। নিজের পিস্তল দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের বরাত দিয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহদত হোসেন জানান। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তার লাইসেন্স করা পিস্তল উদ্ধার করেছে। ঘটনার পর থেকে পুলিশ তার বাড়ি ঘিরে ফেলে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছেলেসহ তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়। স্থানীয় লোকজন জানান, ঘটনা টের পেয়ে গুলিবিদ্ধ ওই বিএনপি নেতাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নেয় স্বজনরা। পরে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মাইনুল ইসলাম রাজশাহীর প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ও সরবরাহকারী ছিলেন। এছাড়াও তিনি রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ও রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজশাহী ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শরীফুল ইসলাম জানান, ফায়ার স্টেশনের পাশেই খন্দকার মাইনুল ইসলামের বাসা। তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, এমন খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তার বাসায় ছুটে যান। এরপর দুপুর ২.১০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে করেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তিনি আরো জানান, খন্দকার মাইনুল ইসলামের বাসার সামনে প্রাচীরের ভেতরেই বসার জন্য একটি ছোট্ট ঘর আছে। ওই ঘরের মেঝেতেই তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তার কানের পাশে ছিদ্র ছিল এবং সেখান দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিবারের এক সদস্য জানিয়েছেন, বিভিন্ন ব্যাংকে মাইনুল ইসলামের প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ঋণ আছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন। দেওলিয়া হয়ে যাওয়ায় মানসিক চাপ থেকে আত্মহত্যা করেন তিনি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএমও আরিফুল হক জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই খন্দকার মাইনুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। তার দুই কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। তবে তার বাম কানে ছিদ্র রয়েছে। নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহদত হোসেন বলেন, ওই বিএনপি নেতার পরিবার জানিয়েছে, তিনি শারীরিক অসুস্থ্যতাজনিত কারণে আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে। এ নিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এদিকে যে স্থানে গুলিবিদ্ধের ঘটনা ঘটেছে সেখানের আলামত নিয়ে নানান রহস্য দেখা দিয়েছে। পুলিশও এ বিষয়ে সন্দহের মধ্যে পড়েছেন। রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতে খায়ের আলম জানান, ঘটনাস্থলে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট, র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন। তারা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন। পরিবার বিষয়টিকে আত্মহত্যা বললেও তদন্তের আগে কোনো কিছু নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না।
 

Comments

Comments!

 রাজশাহীতে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা নাকি আত্মহত্যা?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

রাজশাহীতে বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা নাকি আত্মহত্যা?

Thursday, November 17, 2016 11:47 am
161447_1

রাজশাহী: রাজশাহী জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার খন্দকার মাইনুল ইসলামের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে নগরীর হোসনিগঞ্জ এলাকার নিজ বাসায় তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।

নিজের লাইসেন্স করা পিস্তলের গুলিতে তার মৃত্যু হয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

পরে দকমল কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাইনুলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

নিজের পিস্তল দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবারের বরাত দিয়ে বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহদত হোসেন জানান। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ তার লাইসেন্স করা পিস্তল উদ্ধার করেছে। ঘটনার পর থেকে পুলিশ তার বাড়ি ঘিরে ফেলে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ছেলেসহ তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।

স্থানীয় লোকজন জানান, ঘটনা টের পেয়ে গুলিবিদ্ধ ওই বিএনপি নেতাকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নেয় স্বজনরা। পরে জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাইনুল ইসলাম রাজশাহীর প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ও সরবরাহকারী ছিলেন। এছাড়াও তিনি রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক ও রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজশাহী ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শরীফুল ইসলাম জানান, ফায়ার স্টেশনের পাশেই খন্দকার মাইনুল ইসলামের বাসা। তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, এমন খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তার বাসায় ছুটে যান। এরপর দুপুর ২.১০ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িতে করেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

তিনি আরো জানান, খন্দকার মাইনুল ইসলামের বাসার সামনে প্রাচীরের ভেতরেই বসার জন্য একটি ছোট্ট ঘর আছে। ওই ঘরের মেঝেতেই তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তার কানের পাশে ছিদ্র ছিল এবং সেখান দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিবারের এক সদস্য জানিয়েছেন, বিভিন্ন ব্যাংকে মাইনুল ইসলামের প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ঋণ আছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন। দেওলিয়া হয়ে যাওয়ায় মানসিক চাপ থেকে আত্মহত্যা করেন তিনি।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইএমও আরিফুল হক জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই খন্দকার মাইনুল ইসলামের মৃত্যু হয়েছে। তার দুই কান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল। তবে তার বাম কানে ছিদ্র রয়েছে।

নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহদত হোসেন বলেন, ওই বিএনপি নেতার পরিবার জানিয়েছে, তিনি শারীরিক অসুস্থ্যতাজনিত কারণে আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে। এ নিয়ে আইনত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

এদিকে যে স্থানে গুলিবিদ্ধের ঘটনা ঘটেছে সেখানের আলামত নিয়ে নানান রহস্য দেখা দিয়েছে। পুলিশও এ বিষয়ে সন্দহের মধ্যে পড়েছেন।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতে খায়ের আলম জানান, ঘটনাস্থলে সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট, র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা রয়েছেন। তারা বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছেন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন। পরিবার বিষয়টিকে আত্মহত্যা বললেও তদন্তের আগে কোনো কিছু নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X