বৃহস্পতিবার, ২৪শে আগস্ট, ২০১৭ ইং, ৯ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৫১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, April 21, 2017 9:46 am | আপডেটঃ April 21, 2017 9:46 AM
A- A A+ Print

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ৫ কোটি মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেবে : আনু মুহাম্মদ

৬

খুলনায় উপকূলীয় মহাসমাবেশে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের মিথ্যাচার ছড়িয়ে সরকার রামপাল প্রকল্পসহ সুন্দরবন বিনাশী অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। এসব প্রকল্পে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ জীবন-জীবিকা হারিয়ে উদ্বাস্তু পরিণত হবেন, পাঁচ কোটি মানুষকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে অরক্ষিত করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, ভারতীয় এক্সিম ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণের বোঝা চাপবে বাংলাদেশের ঘাড়ের উপর। ভারতীয় হ্যাবি ইলেট্রিক কোম্পানি নির্মাণ কাজ ও কয়লা জোগান দিয়ে মুনাফা লাভ করবে। আর এক্সিম ব্যাংক ঋণের ব্যবসা করবে। বাংলাদেশের ভাগে থাকবে শুধু লোকসান ও সর্বনাশ। বেশি দামে বিদ্যুৎ, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ আর সর্বোপরি বাংলাদেশে প্রধান প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুন্দরবনে অনিবার্য ধ্বংস করবে। অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আরো বলেন, সুন্দরবনের কাছে বেআইনিভাবে জমি-বন দখল করছে, যারা কমিশন ভোগী, যারা ভাড়াটে বিশেষজ্ঞ তারা ছাড়া দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ এবং জনগণ সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলনের শক্তি। উন্নয়নের অনেক বিকল্প আছে কিন্তু সুন্দরবনের কোন বিকল্প নেই।  উপকূলীয় অঞ্চলের পাঁচ কোটি মানুষের জীবন ও সম্পদের জন্য হুমকি রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ সুন্দরবন বিনাশী অপতৎপরতা বন্ধ, এ অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রকৃতিবান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ঘরে ঘরে সুলভে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় খুলনা মহানগরীর শহীদ হাদিস পার্কে উপকূলীয় মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বানে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ এই মহাসমাবেশে যোগ দেন। জাতীয় কমিটির খুলনার সংগঠক ডা. মনোজ দাসের সভাপতিত্বে ও জেলা আহ্বায়ক এসএ রশীদ এবং সদস্য সচিব মোস্তফা খালিদ খসরুর পরিচালনায় মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় নেতা টিপু বিশ্বাস, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) কেন্দ্রীয় সদস্য বজলুর রশিদ ফিরোজ, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বহ্নিশিখা জামালী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সদস্য  শুভ্রাংসু চক্রবর্তী, সামছুল আলম, মোশাররফ হোসেন নান্টু, অধ্যাপক তানজিম উদ্দিন খান, শহীদুল ইসলাম সবুজ, নাছির উদ্দিন নাসু প্রমুখ। মহাসমাবেশে অবিলম্বে এ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে রামপাল লং মার্চসহ কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ২৫শে এপ্রিল থেকে ২৫শে জুন উপকূলীয় অঞ্চলে জেলা-উপজেলায় সভা, সমাবেশ ও গণসংযোগ। মে মাসে সরকারের ব্যয়বহুল পরিবেশ বিধ্বংসী, ঋণ নির্ভর বেশি দামের বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনার বিপরীতে সুলভ, পরিবেশবান্ধব, ঋণ বা অপচয় মুক্ত ও দেশের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বিকল্প বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন ও দেশব্যাপী তা নিয়ে জনমত গঠন। ১৫ই জুলাই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে টেকসই পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান নির্ভর উন্নয়নের পরিকল্পনা উপস্থাপন। ২৫শে জুলাই শ্যামনগর থেকে শরণখোলা উপকূলীয় মানুষদের মানববন্ধন এবং তার সঙ্গে সংহতি জানিয়ে দেশি-বিদেশি সংহতি কর্মসূচি। ৯ই সেপ্টেম্বর সুন্দরবন আন্দোলনে যুক্ত সকল দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, সংগঠন ও ব্যক্তিদের নিয়ে আন্তর্জাতিক সুন্দরবন কনভেশন। এর মধ্যেও রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ সুন্দরবন বিনাশী প্রকল্প বাতিল না করা হলে রামপাল লং মার্চ, দেশব্যাপী হরতালসহ আরো কঠোর কর্মসূচি নেয়া হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ভারত ও আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার সহায়তায় প্রকল্প বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মহাসমাবেশের পূর্বে জাতীয় কমিটির সদস্য সংগঠনগুলো পৃথক পৃথকভাবে নগরীর প্রধান প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড় থেকে মিছিল বের করে। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর শীববাড়ি মোড় থেকে, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের বিক্ষোভ মিছিল শান্তিধাম মোড় থেকে, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)এর মিছিলটি শান্তিধাম মোড়স্থ জাতিসংঘ শিশুপার্ক-এর সামনে থেকে, গণসংহতি আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল রয়েল হোটেল মোড় থেকে, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ মার্কবাদী) এর বিক্ষোভ মিছিলটি ফেরিঘাট মোড় থেকে, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির বিক্ষোভ মিছিল পাওয়ার হাউজ মোড় থেকে শহীদ হাদিস পার্কে প্রবেশ করে।

Comments

Comments!

 রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ৫ কোটি মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেবে : আনু মুহাম্মদAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র ৫ কোটি মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেবে : আনু মুহাম্মদ

Friday, April 21, 2017 9:46 am | আপডেটঃ April 21, 2017 9:46 AM
৬

খুলনায় উপকূলীয় মহাসমাবেশে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের মিথ্যাচার ছড়িয়ে সরকার রামপাল প্রকল্পসহ সুন্দরবন বিনাশী অপতৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। এসব প্রকল্পে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ জীবন-জীবিকা হারিয়ে উদ্বাস্তু পরিণত হবেন, পাঁচ কোটি মানুষকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে অরক্ষিত করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, ভারতীয় এক্সিম ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণের বোঝা চাপবে বাংলাদেশের ঘাড়ের উপর। ভারতীয় হ্যাবি ইলেট্রিক কোম্পানি নির্মাণ কাজ ও কয়লা জোগান দিয়ে মুনাফা লাভ করবে। আর এক্সিম ব্যাংক ঋণের ব্যবসা করবে। বাংলাদেশের ভাগে থাকবে শুধু লোকসান ও সর্বনাশ। বেশি দামে বিদ্যুৎ, দীর্ঘমেয়াদি ঋণ আর সর্বোপরি বাংলাদেশে প্রধান প্রাকৃতিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুন্দরবনে অনিবার্য ধ্বংস করবে। অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আরো বলেন, সুন্দরবনের কাছে বেআইনিভাবে জমি-বন দখল করছে, যারা কমিশন ভোগী, যারা ভাড়াটে বিশেষজ্ঞ তারা ছাড়া দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ এবং জনগণ সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলনের শক্তি। উন্নয়নের অনেক বিকল্প আছে কিন্তু সুন্দরবনের কোন বিকল্প নেই।  উপকূলীয় অঞ্চলের পাঁচ কোটি মানুষের জীবন ও সম্পদের জন্য হুমকি রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ সুন্দরবন বিনাশী অপতৎপরতা বন্ধ, এ অঞ্চলের মানুষের জন্য প্রকৃতিবান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ঘরে ঘরে সুলভে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাবিতে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় খুলনা মহানগরীর শহীদ হাদিস পার্কে উপকূলীয় মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বানে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার মানুষ এই মহাসমাবেশে যোগ দেন।
জাতীয় কমিটির খুলনার সংগঠক ডা. মনোজ দাসের সভাপতিত্বে ও জেলা আহ্বায়ক এসএ রশীদ এবং সদস্য সচিব মোস্তফা খালিদ খসরুর পরিচালনায় মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় নেতা টিপু বিশ্বাস, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সদস্য রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) কেন্দ্রীয় সদস্য বজলুর রশিদ ফিরোজ, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, বহ্নিশিখা জামালী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সদস্য  শুভ্রাংসু চক্রবর্তী, সামছুল আলম, মোশাররফ হোসেন নান্টু, অধ্যাপক তানজিম উদ্দিন খান, শহীদুল ইসলাম সবুজ, নাছির উদ্দিন নাসু প্রমুখ।
মহাসমাবেশে অবিলম্বে এ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে রামপাল লং মার্চসহ কঠিন কর্মসূচি ঘোষণা করেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ২৫শে এপ্রিল থেকে ২৫শে জুন উপকূলীয় অঞ্চলে জেলা-উপজেলায় সভা, সমাবেশ ও গণসংযোগ। মে মাসে সরকারের ব্যয়বহুল পরিবেশ বিধ্বংসী, ঋণ নির্ভর বেশি দামের বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনার বিপরীতে সুলভ, পরিবেশবান্ধব, ঋণ বা অপচয় মুক্ত ও দেশের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বিকল্প বিদ্যুৎ মহাপরিকল্পনা উপস্থাপন ও দেশব্যাপী তা নিয়ে জনমত গঠন। ১৫ই জুলাই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে টেকসই পরিবেশবান্ধব কর্মসংস্থান নির্ভর উন্নয়নের পরিকল্পনা উপস্থাপন। ২৫শে জুলাই শ্যামনগর থেকে শরণখোলা উপকূলীয় মানুষদের মানববন্ধন এবং তার সঙ্গে সংহতি জানিয়ে দেশি-বিদেশি সংহতি কর্মসূচি। ৯ই সেপ্টেম্বর সুন্দরবন আন্দোলনে যুক্ত সকল দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, সংগঠন ও ব্যক্তিদের নিয়ে আন্তর্জাতিক সুন্দরবন কনভেশন। এর মধ্যেও রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ সুন্দরবন বিনাশী প্রকল্প বাতিল না করা হলে রামপাল লং মার্চ, দেশব্যাপী হরতালসহ আরো কঠোর কর্মসূচি নেয়া হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ভারত ও আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার সহায়তায় প্রকল্প বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। মহাসমাবেশের পূর্বে জাতীয় কমিটির সদস্য সংগঠনগুলো পৃথক পৃথকভাবে নগরীর প্রধান প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড় থেকে মিছিল বের করে। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির বিক্ষোভ মিছিলটি নগরীর শীববাড়ি মোড় থেকে, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের বিক্ষোভ মিছিল শান্তিধাম মোড় থেকে, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)এর মিছিলটি শান্তিধাম মোড়স্থ জাতিসংঘ শিশুপার্ক-এর সামনে থেকে, গণসংহতি আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল রয়েল হোটেল মোড় থেকে, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ মার্কবাদী) এর বিক্ষোভ মিছিলটি ফেরিঘাট মোড় থেকে, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির বিক্ষোভ মিছিল পাওয়ার হাউজ মোড় থেকে শহীদ হাদিস পার্কে প্রবেশ করে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X