রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:০৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, October 16, 2017 8:24 pm
A- A A+ Print

রাশিয়ায় আইপিইউ সম্মেলনে এমার্জেন্সি আইটেম রোহিঙ্গা ইস্যু

87782_1003 (1)

রাশিয়ার সেন্টপিটাসবুর্গে চলমান ইন্টার পার্লামেন্টারী ইউনিয়নের ১৩৭তম সম্মেলনে ইমার্জেন্সি আইটেম হিসেবে সাধারণ আলোচনায় হয়েছে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে। আলোচনার শিরোনাম দেয়া হয় ‘মিয়ানমারে মানবিক সংকট এবং রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন নিরসনের প্রচষ্টা বৃদ্ধি’। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেপুটি স্পিকার মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়া বিষয়টি সাধারণ আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে অন্তর্ভূক্ত করার প্রস্তাব উত্থাপন করলে ভোটাভুটিতে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এ সময় বিশ্ব নেতৃবৃন্দ করতালির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলনেতা মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়াকে অভিনন্দন জানান এবং তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। আইপিইউ সম্মেলনে সাধারণ আলোচনায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়টি বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলনেতা জোরালো ভাবে তুলে ধরেন। এ সমস্যা মোকাবিলায় মিয়ানমারকে কার্যকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করতে আইপিইউভুক্ত দেশগুলোকে আহবান জানান তিনি। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, আলোচনায় অংশ নিয়ে ডেপুটি স্পিকার তার বক্তৃতায় বলেন, ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে বাধ্য হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা এবং জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন এবং সাহায্যের কারণে আমি বাংলাদেশের জনগনের পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় মনোবল এবং মহানুভবতার কারণে তাদের আশ্রয় এবং খাবারের ব্যবস্থা করছি। কিন্তু এই মানবিক বিপর্যয়ের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্ব সম্প্রদায় যদি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দুরাবস্থা স্বচক্ষে দেখতেন তাহলে জানতে পারতেন কিভাবে মিয়ানমারে গণহত্যা হয়েছে। ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, নারী ও শিশু হত্যাসহ অমানুষিক নির্যাতন করা হচ্ছে যা বিশ্ব মানবতাকে কেবল আহত করেনি, যা ঘটেছে তা হয়েছে মানবাধিকারের চরম লংঘন ও পরিকল্পিত জাতিগত নিধন। এসময় তিনি মিয়ানমারে মানবিক সংকট এবং রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন নিরসনের প্রচষ্টা বৃদ্ধি করতে বিশ্বনেতৃবৃন্দকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। মিয়ানমারে মুসলিম নিধনকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা সকল রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে পুর্ণ নাগরিকের মর্যাদা দিয়ে নিঃশর্তভাবে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার আহবান জানান ডেপুটি স্পিকার। তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উত্থাপিত ৫ দফা প্রস্তাবনা এবং কফি আনান কার্যালয়ের প্রতিবেদনের পূর্ণ বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন। ডেপুটি স্পিকার বঙ্গবন্ধুর উদ্বৃতি উল্লেখ করে বলেন, চার দশক আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘বাঙালি জাতি এমন একটি বৈশ্বিক কাঠামো উপহার দিতে চায় যেখানে সকল মানুষ শান্তিতে সহাবস্থান করবে। থাকবে না কোন বৈষম্য, শোষণ বঞ্চনা, থাকবে না কোন অনাহার দারিদ্র । থাকবে শুধু সামাজিক সাম্যাবস্থা। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি তার মানবিক উদারতার কারনে আজ বিশ্বব্যাপী ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন।’

Comments

Comments!

 রাশিয়ায় আইপিইউ সম্মেলনে এমার্জেন্সি আইটেম রোহিঙ্গা ইস্যুAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

রাশিয়ায় আইপিইউ সম্মেলনে এমার্জেন্সি আইটেম রোহিঙ্গা ইস্যু

Monday, October 16, 2017 8:24 pm
87782_1003 (1)

রাশিয়ার সেন্টপিটাসবুর্গে চলমান ইন্টার পার্লামেন্টারী ইউনিয়নের ১৩৭তম সম্মেলনে ইমার্জেন্সি আইটেম হিসেবে সাধারণ আলোচনায় হয়েছে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে। আলোচনার শিরোনাম দেয়া হয় ‘মিয়ানমারে মানবিক সংকট এবং রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন নিরসনের প্রচষ্টা বৃদ্ধি’। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান ডেপুটি স্পিকার মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়া বিষয়টি সাধারণ আলোচনায় রোহিঙ্গা ইস্যুটিকে অন্তর্ভূক্ত করার প্রস্তাব উত্থাপন করলে ভোটাভুটিতে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এ সময় বিশ্ব নেতৃবৃন্দ করতালির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলনেতা মোঃ ফজলে রাব্বী মিয়াকে অভিনন্দন জানান এবং তার ভূয়সী প্রশংসা করেন। আইপিইউ সম্মেলনে সাধারণ আলোচনায় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের বিষয়টি বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলনেতা জোরালো ভাবে তুলে ধরেন। এ সমস্যা মোকাবিলায় মিয়ানমারকে কার্যকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করতে আইপিইউভুক্ত দেশগুলোকে আহবান জানান তিনি। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, আলোচনায় অংশ নিয়ে ডেপুটি স্পিকার তার বক্তৃতায় বলেন, ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে বাধ্য হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা এবং জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন এবং সাহায্যের কারণে আমি বাংলাদেশের জনগনের পক্ষ থেকে তাদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় মনোবল এবং মহানুভবতার কারণে তাদের আশ্রয় এবং খাবারের ব্যবস্থা করছি। কিন্তু এই মানবিক বিপর্যয়ের স্থায়ী সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্ব সম্প্রদায় যদি বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের দুরাবস্থা স্বচক্ষে দেখতেন তাহলে জানতে পারতেন কিভাবে মিয়ানমারে গণহত্যা হয়েছে। ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, নারী ও শিশু হত্যাসহ অমানুষিক নির্যাতন করা হচ্ছে যা বিশ্ব মানবতাকে কেবল আহত করেনি, যা ঘটেছে তা হয়েছে মানবাধিকারের চরম লংঘন ও পরিকল্পিত জাতিগত নিধন। এসময় তিনি মিয়ানমারে মানবিক সংকট এবং রোহিঙ্গাদের উপর নির্যাতন নিরসনের প্রচষ্টা বৃদ্ধি করতে বিশ্বনেতৃবৃন্দকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। মিয়ানমারে মুসলিম নিধনকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ড উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা সকল রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে পুর্ণ নাগরিকের মর্যাদা দিয়ে নিঃশর্তভাবে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে হবে। এ বিষয়ে বিশ্ব সম্প্রদায়কে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার আহবান জানান ডেপুটি স্পিকার। তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উত্থাপিত ৫ দফা প্রস্তাবনা এবং কফি আনান কার্যালয়ের প্রতিবেদনের পূর্ণ বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন। ডেপুটি স্পিকার বঙ্গবন্ধুর উদ্বৃতি উল্লেখ করে বলেন, চার দশক আগে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘বাঙালি জাতি এমন একটি বৈশ্বিক কাঠামো উপহার দিতে চায় যেখানে সকল মানুষ শান্তিতে সহাবস্থান করবে। থাকবে না কোন বৈষম্য, শোষণ বঞ্চনা, থাকবে না কোন অনাহার দারিদ্র । থাকবে শুধু সামাজিক সাম্যাবস্থা। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সে লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি তার মানবিক উদারতার কারনে আজ বিশ্বব্যাপী ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছেন।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X