সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১:২৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, December 1, 2016 7:25 am
A- A A+ Print

রিজার্ভ ফেরত নিয়ে ফিলিপাইনের আচরণ অনৈতিক : মুহিত

3

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি যাওয়া বাকি অর্থ ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) আর ফেরত দেবে না- এই বিবৃতিকে হতাশার ও অনৈতিক বলে অভিহিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি বলেছেন, এটি তাদের মূলবোধের সংকট। কারণ তারা আশ্বাস দিয়েছিল এই অর্থ ফেরত দেবে। আমি তাদের ধন্যবাদও দিতে চেয়েছিলাম। অর্থমন্ত্রী বলেন, এই অর্থ ফেরত পাবার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত। আজ বুধবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে ফিলিপাইনের আরসিবিসি’র সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে এ কথাগুলো বলেন। এর আগে গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে রিজার্ভের চুরি যাওয়া বাকি অর্থ ফেরত দেবে না বলে ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) জানায়। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অবহেলার কারণেই তাদের রিজার্ভের অর্থ চুরি গেছে। উল্লেখ্য, এই ব্যাংকের মাধ্যমেই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চুরি যাওয়া রিজার্ভের অর্থ বের করে নেয়া হয়েছে। এদিকে, চুরি যাওয়া রিজার্ভের অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে ফিলিপাইনে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে আইনমন্ত্রী ছাড়া আরো রয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. আবদুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুসুর রহমান। চুরি হওয়া টাকা ফেরত আনতে যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল তা ব্যর্থ হয়েছে কিনা। জানতে চাইলে মুহিত বলেন, ব্যর্থ হয়েছে বলবো না। আমি আইনমন্ত্রীর দেশে ফেরার অপেক্ষায় আছি। তার কাছ থেকে বিস্তারিত শুনে সিদ্ধান্ত নেবো। রিজাল ব্যাংকের বিবৃতি সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, রিজাল ব্যাংক এমন এক সময়ে বিবৃতিটি দিয়েছে যখন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অর্থ উদ্ধারে ফিলিপাইনে রয়েছে। আইনমন্ত্রী দেশে ফেরার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে এরই মধ্যে হতো ফিলিপাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আমাকে কিছু জানিয়েছেন। অফিসে যাওয়ার পর তা জানতে পারবো। তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জন্য খুবই বিব্রতকর। একদিন আগে রিজার্ভের টাকা ফেরত দেয়ার আশ্বাসের কারণে তাদের ধন্যবাদ জানালাম। যা ইতোমধ্যে দেশের অনেক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। আর এরই একদিন পর বিষয়টি উল্টে গেল। এটা মূল্যবোধের দৃষ্টিকোন থেকে যথাযথ নয়। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে কিনা। এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন আন্তর্জাতিক আদালতে যাবো কিনা বলতে পারি না। তবে টাকা ফেরত পেতে রিজার্ভ ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত বলে মনে করি। রিজার্ভ চুরি পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। অর্থমন্ত্রী ওই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনটি জনসম্মুখে প্রকাশ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। প্রতিবেদনটি প্রকাশের বেশ কয়েকবার সময়ও বেৎধে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সে প্রতিবেদনটি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংককে তাদের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন সংগ্রহ করে সংসদীয় কমিটিতে উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ না করায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিটি। এবিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় কমিটি উপদেশ দিতে পারে তারা নির্দেশ দিতে পারে না। আমার সময়ে যতগুলো তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে তার সবগুলোর প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদনও প্রকাশ হবে। আমি আগেও বলেছি এখনো বলছি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হবে। তবে সেটি উপযুক্ত সময়ে। আইনগত কিছু জটিলতা আছে, সেগুলো দূর হলেই প্রকাশ করা হবে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে (নিউইয়র্ক ফেড) রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের হিসাব থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুই কোটি ডলার চলে যায় শ্রীলঙ্কায় আর বাকি আট কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনে। শ্রীলঙ্কায় যাওয়া দুই কোটি ডলার ফেরত পাওয়া গেছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। চুরি হওয়া অংশের এক কোটি ৫২ লাখ ডলার ফিলিপাইন থেকে ফেরত পাওয়ায় বাকি থাকল আরো ছয় কোটি ৫৮ লাখ ডলার। এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে আরসিবিসি ব্যাংককে দুই কোটি ১০ লাখ ডলার জরিমানা করে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

Comments

Comments!

 রিজার্ভ ফেরত নিয়ে ফিলিপাইনের আচরণ অনৈতিক : মুহিতAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

রিজার্ভ ফেরত নিয়ে ফিলিপাইনের আচরণ অনৈতিক : মুহিত

Thursday, December 1, 2016 7:25 am
3

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি যাওয়া বাকি অর্থ ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) আর ফেরত দেবে না- এই বিবৃতিকে হতাশার ও অনৈতিক বলে অভিহিত করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

তিনি বলেছেন, এটি তাদের মূলবোধের সংকট। কারণ তারা আশ্বাস দিয়েছিল এই অর্থ ফেরত দেবে। আমি তাদের ধন্যবাদও দিতে চেয়েছিলাম। অর্থমন্ত্রী বলেন, এই অর্থ ফেরত পাবার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত।

আজ বুধবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে ফিলিপাইনের আরসিবিসি’র সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে এ কথাগুলো বলেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে রিজার্ভের চুরি যাওয়া বাকি অর্থ ফেরত দেবে না বলে ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) জানায়।

ব্যাংকটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের অবহেলার কারণেই তাদের রিজার্ভের অর্থ চুরি গেছে।

উল্লেখ্য, এই ব্যাংকের মাধ্যমেই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চুরি যাওয়া রিজার্ভের অর্থ বের করে নেয়া হয়েছে।

এদিকে, চুরি যাওয়া রিজার্ভের অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে ফিলিপাইনে অবস্থান করছে। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে আইনমন্ত্রী ছাড়া আরো রয়েছেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. আবদুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ইউনুসুর রহমান।

চুরি হওয়া টাকা ফেরত আনতে যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল তা ব্যর্থ হয়েছে কিনা। জানতে চাইলে মুহিত বলেন, ব্যর্থ হয়েছে বলবো না। আমি আইনমন্ত্রীর দেশে ফেরার অপেক্ষায় আছি। তার কাছ থেকে বিস্তারিত শুনে সিদ্ধান্ত নেবো।

রিজাল ব্যাংকের বিবৃতি সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, রিজাল ব্যাংক এমন এক সময়ে বিবৃতিটি দিয়েছে যখন আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল অর্থ উদ্ধারে ফিলিপাইনে রয়েছে। আইনমন্ত্রী দেশে ফেরার পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। তবে এরই মধ্যে হতো ফিলিপাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আমাকে কিছু জানিয়েছেন। অফিসে যাওয়ার পর তা জানতে পারবো।

তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জন্য খুবই বিব্রতকর। একদিন আগে রিজার্ভের টাকা ফেরত দেয়ার আশ্বাসের কারণে তাদের ধন্যবাদ জানালাম। যা ইতোমধ্যে দেশের অনেক সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। আর এরই একদিন পর বিষয়টি উল্টে গেল। এটা মূল্যবোধের দৃষ্টিকোন থেকে যথাযথ নয়।

বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক আদালতে যাবে কিনা। এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন আন্তর্জাতিক আদালতে যাবো কিনা বলতে পারি না। তবে টাকা ফেরত পেতে রিজার্ভ ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত বলে মনে করি।

রিজার্ভ চুরি পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. ফরাসউদ্দিনের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। অর্থমন্ত্রী ওই কমিটির তদন্ত প্রতিবেদনটি জনসম্মুখে প্রকাশ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন। প্রতিবেদনটি প্রকাশের বেশ কয়েকবার সময়ও বেৎধে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সে প্রতিবেদনটি এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংককে তাদের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন সংগ্রহ করে সংসদীয় কমিটিতে উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। মঙ্গলবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ না করায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিটি।

এবিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় কমিটি উপদেশ দিতে পারে তারা নির্দেশ দিতে পারে না। আমার সময়ে যতগুলো তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে তার সবগুলোর প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদনও প্রকাশ হবে। আমি আগেও বলেছি এখনো বলছি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হবে। তবে সেটি উপযুক্ত সময়ে। আইনগত কিছু জটিলতা আছে, সেগুলো দূর হলেই প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে (নিউইয়র্ক ফেড) রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের হিসাব থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার চুরির ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুই কোটি ডলার চলে যায় শ্রীলঙ্কায় আর বাকি আট কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনে। শ্রীলঙ্কায় যাওয়া দুই কোটি ডলার ফেরত পাওয়া গেছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। চুরি হওয়া অংশের এক কোটি ৫২ লাখ ডলার ফিলিপাইন থেকে ফেরত পাওয়ায় বাকি থাকল আরো ছয় কোটি ৫৮ লাখ ডলার। এ ঘটনায় জড়িত থাকার দায়ে আরসিবিসি ব্যাংককে দুই কোটি ১০ লাখ ডলার জরিমানা করে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X