শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:৫০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, November 14, 2016 11:07 am
A- A A+ Print

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আরো ৪০০ কোটি টাকা

ruppur_power1479053204

দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়নে নির্মাতা সংস্থার জন্য আরো ৪০০ কোটি টাকা ছাড় চাওয়া হয়েছে। খুব শিগগির এ অর্থ ছাড়া হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। এ অর্থ ছাড় হলে প্রকল্পটির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মোট ৮০০ কোটি টাকা ছাড় করা হবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে চূড়ান্ত ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় গত ২৬ জুলাই। এক হাজার ২৬৫ কোটি ডলার (প্রায় এক লাখ কোটি টাকা) ব্যয় সাপেক্ষ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রাশিয়া ৯০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় এক হাজার ১৩৮ দশমিক ৫ কোটি ডলার ঋণ দিবে। বাকি অর্থ জোগান দিবে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পের কারিগরি সহায়তা ও যন্ত্রপাতি ও সরবরাহ করবে রাশিয়া। আর্থিক বিবেচনায় এই প্রকল্পটি দেশের সবচেয়ে বড়। সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ (মূল পর্যায়) শীর্ষক অনুমোদিত প্রকল্পের অনুকূলে ৪০০ কোটি টাকা অবমুক্ত করার জন্য অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মূল কার্যাবলি সম্পাদনের লক্ষ্যে রাশিয়ার এটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সাধারণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, মোট চুক্তি মূল্যের ১০ শতাংশ অগ্রিম হিসেবে প্রদেয় অর্থ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার চলতি অর্থ বছরে চতুর্থ কোয়ার্টারের মধ্যে এটমস্ট্রয়এক্সপোর্টকে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে আলোকে ইতিমধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৫০ মিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা পরিকল্পনা কমিশন থেকে বরাদ্দ প্রাপ্তি ও অর্থ বিভাগের সম্মতিতে অবমুক্ত করে এটমস্ট্রয়এক্সপোর্টকে দেওয়া হয়েছে।   সূত্র জানায়, ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় পর্যায়ের ৫০ মিলিয়ন ডলারের সমান ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা কমিশনকে অনুরোধ করা হলে পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অনুমেদিত প্রকল্পের থোক বরাদ্দ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা এবং ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র  নির্মাণ (১ম পর্যায়)’ শীর্ষক অনুমোদিত প্রকল্প থেকে ৫০ কোটি টাকা উপযোজনের মাধ্যমে প্রকল্পের অনুকূলে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ও অবমুক্তিতে অনাপত্তি দিয়েছে। এ অবস্থায় প্রকল্পের ঋণ চুক্তি অনুযায়ী ৪০০ কোটি ছাড়া দেওয়া হবে।   বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় রূপপুর প্রকল্পের মূল চুক্তি (জেনারেল কন্ট্রাক্ট) সই হয়। গত ১৭ মে রাশিয়ার মস্কোতে দুই পক্ষ চুক্তিটি অনুস্বাক্ষর করে। সরকার অনুস্বাক্ষরিত সেই চুক্তি অনুমোদন করে গত ২৭ জুন। ১৮ জুলাই অনুমোদন করে রাশিয়া সরকার। আইন অনুযায়ী, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা থাকবে বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের হাতে। আর কেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্ব পাবে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশ। সূত্র জানায়, ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়বে তিন টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, কেন্দ্রটির বয়সসীমা ৫০ বছর। এটি নির্মাণে রাশিয়ার দেওয়া ঋণের সুদাসল প্রথম ১০ বছর পরিশোধ করতে হবে না (গ্রেস পিরিয়ড)। ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা শুরু হবে ২০২৭ সালের মার্চ থেকে। প্রতি বছর দুই কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট ২০২৩ সালের অক্টোবরে উৎপাদনে আসার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৪ সালের অক্টোবরে চালু হবে। তবে স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকীর বছর, ২০২১ সালে প্রথম ইউনিটটি চালু করতে আগ্রহী সরকার।    

Comments

Comments!

 রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আরো ৪০০ কোটি টাকাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য আরো ৪০০ কোটি টাকা

Monday, November 14, 2016 11:07 am
ruppur_power1479053204

দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাস্তবায়নে নির্মাতা সংস্থার জন্য আরো ৪০০ কোটি টাকা ছাড় চাওয়া হয়েছে। খুব শিগগির এ অর্থ ছাড়া হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। এ অর্থ ছাড় হলে প্রকল্পটির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে মোট ৮০০ কোটি টাকা ছাড় করা হবে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে চূড়ান্ত ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় গত ২৬ জুলাই। এক হাজার ২৬৫ কোটি ডলার (প্রায় এক লাখ কোটি টাকা) ব্যয় সাপেক্ষ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে রাশিয়া ৯০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় এক হাজার ১৩৮ দশমিক ৫ কোটি ডলার ঋণ দিবে। বাকি অর্থ জোগান দিবে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পের কারিগরি সহায়তা ও যন্ত্রপাতি ও সরবরাহ করবে রাশিয়া। আর্থিক বিবেচনায় এই প্রকল্পটি দেশের সবচেয়ে বড়।

সূত্র জানায়, সম্প্রতি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ (মূল পর্যায়) শীর্ষক অনুমোদিত প্রকল্পের অনুকূলে ৪০০ কোটি টাকা অবমুক্ত করার জন্য অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের মূল কার্যাবলি সম্পাদনের লক্ষ্যে রাশিয়ার এটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সাধারণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, মোট চুক্তি মূল্যের ১০ শতাংশ অগ্রিম হিসেবে প্রদেয় অর্থ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার চলতি অর্থ বছরে চতুর্থ কোয়ার্টারের মধ্যে এটমস্ট্রয়এক্সপোর্টকে দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সে আলোকে ইতিমধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৫০ মিলিয়ন ডলার সমপরিমাণ ৪০০ কোটি টাকা পরিকল্পনা কমিশন থেকে বরাদ্দ প্রাপ্তি ও অর্থ বিভাগের সম্মতিতে অবমুক্ত করে এটমস্ট্রয়এক্সপোর্টকে দেওয়া হয়েছে।

 

সূত্র জানায়, ঋণ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় পর্যায়ের ৫০ মিলিয়ন ডলারের সমান ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা কমিশনকে অনুরোধ করা হলে পরিকল্পনা কমিশন কর্তৃক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অনুমেদিত প্রকল্পের থোক বরাদ্দ থেকে ৩৫০ কোটি টাকা এবং ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র  নির্মাণ (১ম পর্যায়)’ শীর্ষক অনুমোদিত প্রকল্প থেকে ৫০ কোটি টাকা উপযোজনের মাধ্যমে প্রকল্পের অনুকূলে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ও অবমুক্তিতে অনাপত্তি দিয়েছে। এ অবস্থায় প্রকল্পের ঋণ চুক্তি অনুযায়ী ৪০০ কোটি ছাড়া দেওয়া হবে।

 

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় রূপপুর প্রকল্পের মূল চুক্তি (জেনারেল কন্ট্রাক্ট) সই হয়। গত ১৭ মে রাশিয়ার মস্কোতে দুই পক্ষ চুক্তিটি অনুস্বাক্ষর করে। সরকার অনুস্বাক্ষরিত সেই চুক্তি অনুমোদন করে গত ২৭ জুন। ১৮ জুলাই অনুমোদন করে রাশিয়া সরকার। আইন অনুযায়ী, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা থাকবে বাংলাদেশ আণবিক শক্তি কমিশনের হাতে। আর কেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্ব পাবে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি অব বাংলাদেশ।

সূত্র জানায়, ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়বে তিন টাকা। চুক্তি অনুযায়ী, কেন্দ্রটির বয়সসীমা ৫০ বছর। এটি নির্মাণে রাশিয়ার দেওয়া ঋণের সুদাসল প্রথম ১০ বছর পরিশোধ করতে হবে না (গ্রেস পিরিয়ড)। ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা শুরু হবে ২০২৭ সালের মার্চ থেকে। প্রতি বছর দুই কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এক হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার প্রথম ইউনিট ২০২৩ সালের অক্টোবরে উৎপাদনে আসার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৪ সালের অক্টোবরে চালু হবে। তবে স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকীর বছর, ২০২১ সালে প্রথম ইউনিটটি চালু করতে আগ্রহী সরকার।

 

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X